নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

ওয়েটিং রুম

এখন 9 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

  • নরসুন্দর মানুষ
  • ফারুক হায়দার চৌধুরী
  • শিকারী
  • ফারজানা সুমনা
  • নুর নবী দুলাল
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • মওদুদ তন্ময়
  • অজল দেওয়ান
  • আল আমিন হাসান মৃধা

নতুন যাত্রী

  • প্রলয় দস্তিদার
  • ফারিয়া রিশতা
  • চ্যাং
  • রাসেল আহমেদ
  • আবদুর রহমান শ্রাবণ
  • হিপোক্রেটস কিলার
  • পরিতোষ
  • শ্যামা
  • শিকারী
  • মারিও সুইটেন মুরমু

আপনি এখানে

নতুন প্রজন্মের বুদ্ধিজীবী হত্যাঃ ব্লগ, ব্লগার, লেখক ও অনলাইন এক্টিভিস্টদের যৌথ বিবৃতি


আমরা, গভীর বেদনা ও উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি যে বাংলাদেশে মুক্তমনা, নাস্তিক লেখক, প্রকাশক, ব্লগার, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট এবং ধর্মীয় ভিন্নমতাবলম্বী ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার ব্যক্তিবর্গ ইসলামি জঙ্গিবাদের হাতে একের পর এক হত্যা ও আক্রমণের শিকার হলেও এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা শুরু থেকেই প্রশ্নবিদ্ধ। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো কার্যকর আইনি ও প্রশাসনিক উদ্যোগ নেবার পরিবর্তে নিহত ও আক্রান্ত ব্যক্তিবর্গের উপর দায় চাপানোর এক নতুন সংস্কৃতি চালু করা হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী দেশের সকল নাগরিক আইন দ্বারা সুরক্ষা লাভের অধিকারী এবং সবার মত প্রকাশের অধিকার থাকা সত্ত্বেও গত ১৪ এপ্রিল ২০১৬ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রকাশ্যে বলেছেন, কেউ ধর্মের সমালোচনামূলক লেখালেখির কারণে খুন হলে সরকার তার দায়িত্ব নেবে না। এই ঘোষণার দ্বারা নাগরিকদের নিরাপত্তা প্রদানের দায়িত্ব অস্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী সংবিধান এবং নাগরিকদের প্রতি তাঁর অঙ্গিকার থেকে স্পষ্টত সরে গেছেন এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার প্রশ্নে তিনি পক্ষপাতদুষ্ট অবস্থান গ্রহণ করেছেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র, অনলাইন এক্টিভিস্ট খুন হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, “সে ধর্ম নিয়ে আপত্তিকর লেখালেখি করত কী না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন... আগের যে হত্যাকাণ্ডগুলো হয়েছে তাদের ব্লগ যদি দেখেন, এভাবে মানুষের ধর্মে আঘাত দেওয়া, বিশ্বাসে আঘাত দেওয়া, পৃথিবীর কোনো দেশেই তা গ্রহণযোগ্য নয়”। ইসলামি জঙ্গীদের আক্রমণে সমকামী আন্দোলনের দু’জন কর্মী খুন হলে একই কায়দায় তিনি মন্তব্য করেন “আমাদের সমাজে সমকামিতা মানানসই নয়”। পুলিশের মহাপরিদর্শক জনাব এ কে এম শহীদুল হক গত ২৬ এপ্রিল ব্লগারদের নিরাপত্তা প্রদান এবং গুপ্ত ঘাতকচক্র দমনে তার বাহিনীর অপারগতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “পুলিশ ঘরে ঘরে পাহারা দিতে পারবে না, নিজেদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেদেরকেই নিতে হবে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পুলিশ প্রধানের এহেন বক্তব্য দায়িত্বহীন, অপেশাদারসুলভ এবং উদ্বেগজনক। এছাড়াও সম্প্রতি ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া স্বীকার করেছেন যে, তাদের নজরদারীতে থাকা লেখক অভিজিৎ রায় ও প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপনের কয়েকজন খুনী দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে! পুলিশের নজরদারীতে থাকা খুনীদের দেশ ছেড়ে পালানোর ঘটনা থেকে যৌক্তিকভাবেই সন্দেহ হয় যে, ব্লগার হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও বিচারে সরকার তথা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসমূহের ইচ্ছা ও আগ্রহের অভাব রয়েছে। এছাড়া সরকার ও প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের এই ধরনের মন্তব্য ও বিবৃতি উগ্র সাম্প্রদায়িকতা এবং জঙ্গীবাদকে উস্কে দেয়ার পাশাপাশি হত্যাকাণ্ড অব্যাহত রাখতে খুনিচক্রকে অধিক মাত্রায় উৎসাহিত করছে। অন্য দিকে ভিন্নমত ও ভিন্নমতাবলম্বীদের নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা পরিলক্ষিত হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের উপর হামলাকারীকে ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ হিসেবে দেখিয়ে দায় থেকে মুক্তি দেয়া হচ্ছে; অথচ ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের ইসলাম নিয়ে কথিত কটুক্তির অভিযোগ এনে জেলে ভরা হচ্ছে।

হেফাজতে ইসলাম এর আমীর আল্লামা আহমদ শফি যখন প্রকাশ্যে “নাস্তিকদের কতল করা ওয়াজিব হয়ে গেছে” বলে ফতোয়া দেন এবং সারাদেশে বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিল, খুৎবায় নানাস্তরের জঙ্গীবাদী ইমাম, আলেম, খতিবরা নাস্তিকদের খুনের প্রকাশ্য ফতোয়া দিতে থাকেন, তখনও আমরা সরকারকে কোনো আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে দেখি না। একই সময়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠন পরিচয় দিয়ে ‘আওয়ামী ওলামালীগ’ সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিস্তারে পাল্লা দিয়ে কাজ করছে। হেফাজতে ইসলামের সাথে সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের যোগাযোগ এবং তাদের নানাভাবে সহযোগিতা করার বিষয়টিও আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উপরন্তু ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ উগ্র মৌলবাদীদের সাথে দফায় দফায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী চুক্তি করছে এবং রাষ্ট্র ও সমাজকে সাম্প্রদায়িকীকরণের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামীলীগসহ ক্ষমতাসীন ১৪ দল তথা মহাজোট এবং তাদের সহযোগী সংগঠনসমূহ এসকল হত্যা-খুনের প্রতিকার প্রশ্নে নীরব থাকছে অথবা দলীয় ও জোট নেত্রীর দেখানো পথে আক্রান্তদেরই দোষারোপ করা হচ্ছে। পাশাপাশি, সংঘটিত হামলাগুলোর দায়আনসারুল্লাহবাংলাটিমবাআনসার-আলইসলাম (আল-কায়েদারভারতউপমহাদেশীয়নেটওয়ার্কেরবাংলাদেশশাখা) এবংআইএস স্বীকার করলেও স্বয়ংপ্রধানমন্ত্রীওস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীবাংলাদেশেআইএস, আলকায়দাপ্রভৃতিজঙ্গীসংগঠনেরউপস্থিতিকে অব্যাহতভাবে অস্বীকার করে চলেছেন, যা মূলত সত্যকে আড়াল করে সরকারের উগ্র মৌলবাদ ও জঙ্গীবাদের সাথে সমঝোতা করে চলার কৌশল বলে আমরা মনে করি। অপরদিকে প্রধান বিরোধীদল বিএনপি বাংলাদেশের স্বাধীনতার শত্রু জামায়াতে ইসলামীসহ প্রায় ২০ টি ইসলামপন্থী দলের সাথে রাজনৈতিক জোট গঠন করেছে, যাদের অধিকাংশই জঙ্গীবাদের মদদদাতা কিংবা সরাসরি যুক্ত। ফলে সরকারি কিংবা বিরোধীদল কোনো পক্ষ থেকেই রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিকভাবে জঙ্গীবাদ মোকাবেলার কোনও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।

জঙ্গী গুপ্তঘাতকদের আক্রমণের পাশাপাশি সরকার লেখক, প্রকাশক, ব্লগার ও মুক্তচিন্তার মানুষদের গ্রেফতার ও হয়রানি করছে। ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ২০০৬’ (২০১৩ সালে সংশোধিত) এর ৫৭ ধারা প্রয়োগ করে লেখক ও ব্লগারদের মুখ বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা চলছে। ফলে দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা ভয়াবহ হুমকীর মুখে পড়েছে। ২০১৩ সালে হেফাজত ইসলামের দাবির প্রেক্ষিতে ৪ জন ব্লগারকে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের কথিত অপরাধে ৫৭ ধারায় গ্রেফতার করা হয়। হেফাজতকে সন্তুষ্ট করতেই ২০১৩ সালে ‘তথ্য ও প্রযুক্তি আইন ২০০৬’ এর সংশোধনী এনে সর্বোচ্চ সাজা বাড়িয়ে ১৪ বছর এবং সর্বনিম্ন সাজা ৭ বছর করা হয়। হেফাজতে ইসলাম ও ওলামা লীগের মতো উগ্র মৌলবাদীদের দাবির মুখে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি ২০১৫ সালে রোদেলা প্রকাশনী এবং ২০১৬ সালে ব-দ্বীপ প্রকাশনীকে বইমেলা থেকে নিষিদ্ধ করে। এছাড়া ২০১৬ সালে ব-দ্বীপ প্রকাশনীর প্রকাশককে ৫৭ ধারায় গ্রেফতারও করা হয়। বস্তুত ২০১৩ সাল থেকেই ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে’ আঘাতের এইরকম কথিত অভিযোগে ৫৭ ধারায় গ্রেফতার অব্যাহত রয়েছে। স্কুলশিক্ষক, দর্জি, আদিবাসী, ছাত্র, বিশেষ করে ধর্মীয় সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এরকম ষড়যন্ত্রমূলক অভিযোগের মাধ্যমে গ্রেফতারের ঘটনাও আমরা প্রত্যক্ষ করেছি। কেউ একবার এই অভিযোগে গ্রেফতার হলে, তিনি ধর্ম অবমাননাকারী হিসাবে চিহ্নিত হয়ে যান এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকী মাথায় নিয়ে জীবনযাপন করতে হয়। সর্বশেষ আক্রমণে এরকমই একজন, ৫৭ ধারায় মামলাপ্রাপ্ত হিন্দু দর্জি জঙ্গীদের চাপাতির আঘাতে খুন হন। এসব কালাকানুন এবং সরকারের কর্তাব্যক্তিদের ক্রমাগত ‘সীমা লংঘন’ না করার হুমকি, বিপন্ন লেখক ও ব্লগারদের নিরাপত্তা সহায়তার জন্যে পুলিশের শরণাপন্ন হওয়ার সকল পথ বন্ধ করা হয়েছে। একদিকে জঙ্গীদের ভয়, অন্যদিকে ৫৭ ধারায় গ্রেফতারের ভয় - উভয় সংকটে পড়ে আজ মুক্তমনা লেখক, ব্লগার ও প্রকাশকদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও মানসিক জীবন মারাত্মকভাবে বিপর্যস্ত।

আমরা ইসলামি জঙ্গিগোষ্ঠীর হাতে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া বাংলাদেশের লেখক, ব্লগার, প্রকাশক ও এক্টিভিস্টদের লেখালেখির জন্য দায়ি করে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পর্যায় হতে প্রদত্ত বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানাচ্ছি - তারা যেন ধর্ম, বিশ্বাস ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও অধিকার রক্ষায় দ্রুত যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। সাম্প্রদায়িক মৌলবাদী তথা যাবতীয় ইসলামপন্থী ও জঙ্গীবাদী রাজনৈতিক দল ও গোষ্ঠীর সাথে সকল প্রকার সম্পর্ক ছিন্ন করে নিজেদের অবস্থান পরিস্কার করার জন্য সরকার ও ক্ষমতাসীন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতি জোরালো আহ্বান জানাই। ইসলামপন্থী ও জঙ্গীবাদী রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য দেশের বৃহত্তম বিরোধীদল বিএনপি’র প্রতি আহ্বান জানাই। আমরা বিবদমান রাজনৈতিক শক্তিসমুহকে জঙ্গীবাদ দমনের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গ্রহণের আহ্বান জানাচ্ছি। সাম্প্রদায়িকতা, মৌলবাদ ও জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদে সামিল হওয়ার জন্য দেশের বুদ্ধিজীবি, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, ছাত্র, সংস্কৃতি কর্মীসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই।

একই সাথে আমরা দাবি জানাচ্ছি-

১। বাংলাদেশে এ যাবৎ সংঘটিত লেখক, ব্লগার, অনলাইন একটিভিস্ট, ভিন্ন ধর্ম ও মতে বিশ্বাসী, সমকামী আন্দোলনের কর্মী এবং নাস্তিক- মুক্তমনাদের হত্যা ও হত্যাপ্রচেষ্টার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

২। দেশের সর্বস্তরের মানুষের জান-মালের নিরাপত্তার সকল দায়িত্ব সরকারকেই নিতে হবে। ধারাবাহিক আক্রমণের শিকার মুক্তমনা ও সেক্যুলার লেখক, ব্লগার, প্রকাশক, ভিন্ন ধর্ম ও মত-পথে বিশ্বাসী, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তায় কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে। সরাসরি হুমকিপ্রাপ্ত লেখক, ব্লগার, শিক্ষক, আন্দোলনকর্মী, শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী, সংখ্যালঘু সংগঠনের সাথে জড়িতদের জন্য জরুরি উদ্যোগে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।

৩। সংবিধান বর্ণিত বিবেক ও চিন্তার স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের সমানভাবে ধর্ম পালন ও প্রচারের সংবিধান প্রদত্ত অধিকার সংখ্যালঘু ধর্মীয় সম্প্রদায় ও অবিশ্বাসী- নাস্তিক- মুক্তমনাদের জন্যও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে। সংবিধানের ৮, ১২ ও ২৮ ধারার সাথে সাংঘর্ষিক ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ সম্বলিত ২(ক) ধারা বাতিল করতে হবে। সংবিধানের ৩৯ ধারার চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-ভাব প্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতার মৌলিক অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬’ (২০১৩ সালে সংশোধিত) এর ৫৭ ধারা বাতিল করতে হবে।

৪। ফেসবুক-টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে সেক্যুলার ব্লগারদের প্রকাশ্যে হত্যার হুমকী প্রদানকারী উগ্র মৌলবাদী ব্যক্তিবর্গকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। অনলাইন, মুদ্রিত গণমাধ্যম এবং টিভি চ্যানেলে জঙ্গীবাদী প্রবণতা এবং লেখক- ব্লগার- শিক্ষক- সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতি হুমকিমূলক উস্কানি প্রভৃতিকঠোরহস্তে দমন করতে হবে।

৫। জামায়াতে ইসলামী, ওলামালীগ ও হেফাজতে ইসলামসহ জঙ্গীবাদের সাথে যুক্ত সকল সাম্প্রদায়িক দল এবং ইসলামি উগ্রপন্থী গোষ্ঠী নিষিদ্ধ করতে হবে এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গীবাদী গোষ্ঠীর সকল ধরনের কর্মতৎপরতা প্রতিহত করতে সরকারকে সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে হবে। রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার আইন করে নিষিদ্ধ করতে হবে।

৬। সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহত ও আক্রান্ত ব্যক্তিদের লেখালেখির জন্য কিংবা তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য দোষারোপ বন্ধ করতে হবে। মুক্তমনা লেখক, প্রকাশক, ব্লগার ও অনলাইন এক্টিভিস্ট এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষকসহ পেশাজীবি ব্যক্তিদের কথিত ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে গ্রেফতার ও হয়রানি বন্ধ করতে হবে এবং ব-দ্বীপ প্রকাশনীর প্রকাশক শামসুজ্জোহা মানিকসহ গ্রেফতারকৃত সকল সেক্যুলার লেখক, ব্লগার, প্রকাশক, অনলাইন এক্টিভিস্ট এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষকসহ বিভিন্ন পেশাজীবি ব্যক্তিদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।

৭। কওমি মাদ্রাসাসমূহের ওপর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে এবং মাদ্রাসার পাঠ্যসূচি থেকে সকল প্রকার সালাফি, ওহাবি ও মওদুদীবাদী মতাদর্শ বাতিল করতে হবে। জামায়াতে ইসলামী এবং অন্যান্য মৌলবাদী সংগঠন পরিচালিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কিন্ডার গার্টেন স্কুল, কোচিং সেন্টার এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে সরকারের নিয়ন্ত্রণে নিতে হবে। পাঠ্যপুস্তকে বিশেষ কোনও ধর্ম শিক্ষা দিয়ে গোড়ামী এবং ধর্মান্ধতা সৃষ্টির পরিবর্তে সকল ধর্মমত ও যুক্তিসিদ্ধ মতবাদসমূহ যুগপৎ শিক্ষার সুযোগ দিতে হবে। জঙ্গী উৎপাদনের সুযোগ বন্ধ করতে, প্রয়োজনে মাদ্রাসাসমূহ নিয়ন্ত্রণের জন্য বিশেষ আইন প্রণয়ন করতে হবে।

৮। জুম্মাহর খুৎবা ও ওয়াজ মাহফিলে উগ্র মৌলবাদী প্রচারণা, অন্য ধর্মালম্বীদের প্রতি বিষোদগার ও জঙ্গীবাদ সংগঠিত করার সুযোগ বন্ধ করতে হবে। গণমাধ্যমে একক ধর্মীয় মতাদর্শ প্রচার করে ধর্মান্ধতা সৃষ্টির পরিবর্তে মানুষকে নির্মোহভাবে সকল ধর্মমত জানার সুযোগ দিতে হবে। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব, নাস্তিক্যবাদ, মানবতাবাদ, যুক্তিবাদ, দর্শন এবং বিজ্ঞানের উন্মুক্ত প্রচারণার সুযোগ দিতে হবে।

৯। যুদ্ধাপরাধের বিচার ত্বরান্বিত করতে হবে।

বিবৃতিদাতা ব্লগ ও ব্লগারদের তালিকা:

ব্লগসমূহ:
ইস্টিশন ব্লগ, নবযুগ ব্লগ, উইমেন চ্যাপ্টার, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ ট্রাস্ট, চুতরাপাতা, ধর্মকারী, অগ্নিরথ প্রমুখ।

লেখক, কবি, ব্লগার ও অনলাইন একটিভিস্ট:
(জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে নয়, ইংরেজি বানানের বর্ণনানুক্রমিকভাবে নাম সাজানো হয়েছে)

A.Z Hossain (এ,জেড হোসেন)
Abul Kashem (আবুল কাশেম)
Ahmedur Rashid Tutul (আহমেদুর রশীদ টুটুল )
Ajanta Deb Roy (অজান্তা দেব রায়)
Akash Malik (আকাশ মালিক)
Alamgir Hussain (আলমগীর হুসেন)
Ananya Azad (অনন্য আজাদ)
Anju Ferdousy (আঞ্জু ফেরদৌসী)
Arif Rahman (আরিফ রহমান)
Arifur Rahman (আরিফুর রহমান)
Arpita Roychoudhury (অর্পিতা রায়চৌধুরী)
Ashraful Alam (আশরাফুল আলম)
Asif Mohiuddin (আসিফ মহিউদ্দীন)
Bhajan Sarker (ভজন সরকার)
Bonya Ahmed (বন্যা আহমেদ)
Camelia (ক্যামেলিয়া)
Chorom Udash (চরম উদাস)
Daripalla Dhomadam (দাঁড়িপাল্লা ধমাধম)
Daud Haider (দাউদ হায়দার)
Deepaboli Chowdhury (দীপাবলী চৌধুরী)
Dhrubo Tara (ধ্রুব তারা)
Ekush Tapader (একুশ তাপাদার)
Ettila Etu (ইত্তিলা ইতু)
Farzana Kabir Khan (ফারজানা কবীর খান)
Horus (হোরাস)
Iswar Kona (ঈশ্বর কণা)
Kazi Mamun (কাজী মামুন)
Khalid Hasan Alo (খালিদ হাসান আলো)
Mahbub Leelen (মাহবুব লীলেন)
Mahmudun Nabi (মাহমুদুন নবী)
Mahsina Khatun (মহসিনা খাতুন)
Maskwaith Ahsan (মাস্কাওয়াথ আহসান)
Md. Mumin Banda (মোঃ মুমিন বান্দা)
Milan Farabi (মিলন ফারাবী)
Moshiur Rahman Biplob (মসিউর রহমান বিপ্লব-আল্লামা শয়তান)
Mohiuddin Sharif (মহিউদ্দিন শরীফ)
Monika Muna (মণিকা মুনা)
Muhammad Golam Sarowar (মোহাম্মদ গোলাম সারওয়ার)
Moon Taslima Sheikh (মুন তসলিমা শেখ)
Nastiker Dharmakatha (নাস্তিকের ধর্মকথা)
Nur Nobi Dulal (নুর নবী দুলাল)
Omar Farooq Lux (ওমর ফারুক লুক্স)
Poruya (পড়ুয়া)
Prithu Sanyal (পৃথু স্যন্যাল)
Raihan Abir (রায়হান আবীর)
Rubina Khanam (রুবিনা খানম)
Sabbir Hossain (সাব্বির হোসাইন)
Saikat Barua (সৈকত বড়ুয়া)
Sannyasi Ratan (সন্যাসী রতন)
Sezan Mahmud (সেজান মাহমুদ)
Shahzahan Bachchu (শাহজাহান বাচ্চু)
Shamim Runa (শামীম রুনা)
Shamima Mitu (শামীমা মিতু)
Shammi Haque (শাম্মি হক)
Shantanu Adib (শান্তনু আদিব)
Shohiduzzaman Paplu (সহিদুজ্জামান পাপলু)
Shoikot Chawdhury (সৈকত চৌধুরী)
Shravan Akash (শ্রাবণ আকাশ)
Shubhajit Bhowmik (শুভজিৎ ভৌমিক)
Sobak (সবাক)
Subrata Shuva (সুব্রত শুভ)
Supriti Dhar (সুপ্রীতি ধর)
Susupto Pathok (সুষুপ্ত পাঠক)
Swapan Majhi (স্বপন মাঝি)
Syed Kamran Mirza (সৈয়দ কামরান মির্জা)
Syed Zamal (সৈয়দ জামাল)
Tahsib Hasan (তাহসিব হাসান)
Juliyas Caesar (জুলিয়াস সিজার)

বিভাগ: 

Comments

Badhan Dhruba এর ছবি
 

জানিনা আদৌ কি হবে দেশটাতে। তবে প্রত্যেকটি দাবির সহমত পোষণ করছি। আর কারো রক্ত দেখতে চাইনা। মুুক্তি আসুক মুক্তধারায়। সংবাদকর্মী ও চলচ্চিত্রকর্মী হয়ে কাজে আসার পর অনেক ভেতরের কিছু দেখছি, জানছি। যদিও ২০১৩ এ জীবনটা খাদে চলে আসে। না থাক বাকিটা কখনো মৃত্যির পরেই প্রকাশিত হবে। সে অব্দি দেখি দেশটাকে আর দেশের মানুষগুলোকে। জয় বাংলা।

 
Mitun Sinha এর ছবি
 

সহমত, সহমত, সহমত।।

 
অস্পৃশ্য শুভ এর ছবি
 

সম্পূর্নভাবে সহমত|

 
Rotnakor  এর ছবি
 

সংহতি জানালাম ...

 
শহিদুজ্জামান সরকার এর ছবি
 

সমর্থন জানালাম

থাবা বাবা,অভিজিৎ রায়,ওয়াশিকুর বাবু,নীলয় নীল,অনন্ত বিজয়,দীপেন, হুমায়ন আজাদ রাজশাহীর শফিউল ইসলামের হত্যার বিচার চাই।
রাজাকার মুক্ত বাংলা চাই।.

 
সাগর সৈকত এর ছবি
 

কার কাছে দাবি জানাবো ? সর্ষেই তো ভূতে ভরা ! তার চেয়ে আমরা বরং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিংবা প্রধানমন্ত্রীর কোপ খাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারি । বনে আগুন লাগলে মন্দির মসজিদ যে বাদ যায়না সেটা এই হেফাজতি সরকার এখন না বুঝলেও , যেদিন বুঝবে সেদিন হয়ত সব কিছুই নষ্ট হয়ে যাবে ! ডাবের উপর মুগুর না খেলে তো এদের হুশ হবেনা !

 
পার্থিব এর ছবি
 

আপনাদের দাবীর সাথে একাত্নতা জানাই। মুক্তচিন্তার বিকাশ হোক। কিন্তু বাস্তবতা অনেক কঠিন। মুক্তচিন্তাকে মুখোশ বানিয়ে এদেশের অধিকাংশ মানুষের ভালবাসার ইসলাম ধর্মকে অত্যন্ত কদর্য ভাষায় আক্রমন চালিয়ে, নবী মুহাম্মদ সা কে নিয়ে নোংরা কথা-বার্তা প্রচার করে মানুষের সহানুভূতি পাবার আশা করাটা নিতান্ত মূর্খতা। কার্যত মৌলবাদী জংগী গোষ্ঠি আর আপনাদের মধ্যে খুব বেশী পার্থক্য নাই।
আমরা আশা করব আপনাদের মুক্তচিন্তা দেশের মানুষের ক্ষুধা,দারিদ্রতা,দূর্নিতী, ঘূষ ইত্যাদির বিরুদ্ধে ব্যাবহার হবে, ইসলাম ধর্ম বিদ্যেষ ছড়ান বা মুসলমাদেরকে জংগী হিসেবে প্রমাণ করার জন্য নয়।
মনে রাখতে হবে বিদ্বেষ জন্ম দেয় নতুন বিদ্বেষের । তাই বিদ্বেষের যে বীজ আপনারা বপন করেছেন , সেটাকে আপনাদেরকেই উপড়ে ফেলতে হবে আগে। তা না হলে ভাল কিছুর আশা আমরা করতে পারিনা কিছুতেই।

 
মিতা এর ছবি
 

নবী মুহাম্মদ সা কে নিয়ে কি ধরনের নোংরা কথা-বার্তা প্রচার হয় তা জানাবেন কি ।

 
মেহেদী হাসান নয়ন এর ছবি
 

প্রতিটি দাবির সাথে সহমত পোষন করছি। অনুভূতির শিকলে বন্দী না রেখে বিকশিত হতে দেওয়া হোক সকলের চিন্তা।

.

 
খোরশেদ আলম এর ছবি
 

মৌলবাদী, জঙ্গিবাদীদের মিথ্যাচার এবং পুরো বাঙালি সমাজজুড়ে অপপ্রচারের জবাব আমাদেরকেই দিতে হবে যে ব্লগার বা লেখকরা হচ্ছেন বুদ্ধিজীবী। খারাপ কোন ব্যক্তি নয়।

Khurshad Alam

 
শফিক বাঙালী এর ছবি
 

মৌলবাদ ও জঙ্গীবাদকে পুঁষে একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নাঁকানি-চুবানি যে খাওয়াচ্ছে সরকার তা স্পষ্টত বুঝা যায় । সরকার ব্লগার-লেখক-প্রকাশক এবং সর্বপরি ধর্মের বিপক্ষে থাকা ভিন্নমতের মানুষকে নিরাপত্তা না দিতে পারার দাবি করে পুরোপুরি এক মৌলবাদী ও জঙ্গীবাদী কাতারে দাড়িয়েছে ।

শফিক বাঙালী

 
মিতা এর ছবি
 

দাবী গুলোর সাথে সহমত.
তবে আমি বুঝতে পারি না হত্যাকারীদেরকে জঙ্গি বলা হয় কেন ? এইসব হত্যাকারী যখন কোন হত্যা করে, খুঁজে দেখলে দেখা যাবে তাদের হাত্যার যৌক্তিকতা পবিত্র কেতাবে দেয়া আছে । তারা শুধু পবিত্র কেতাবের নির্দেশ পালন করে । তবে কি পবিত্র কেতাবের বানী জঙ্গি বানী ?
আর সরকার কীভাবে হত্যাকারীর বিচার করবে ? সরকার তো পবিত্র কেতাবকে অস্বীকার করে নি । যদি বিচার করতে চায় তা হলে সরকারকে পবিত্র কেতাবকে অস্বীকার করতে হবে , ধর্মপ্রাণ সরকার তা করবে কি ?

 
 ম্যাও বিলাই এর ছবি
 

সহমত

 
হবিজবি  এর ছবি
 

সরকারের উচিত আইএস এর সাথে লড়তে ইচ্ছুক সেচ্ছাসেবীদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দেওয়া

২০১৪ গ্রীষ্মে আইএস ইরাকের বিভিন্ন শহর দখল করে নেওয়ার পর ইরাক সরকার এটা করেছে, তারা যদি এই কাজটা আগেই করতে পারত তাহলে এতটা সুবিধা করতে পারতো না কারণ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অধিকাংশই জীবনের ঝুকি নিয়ে না লড়ে বরং রণে ভঙ্গ দিয়েছিল. তুলনা করলে দেখা যায় ইরাকে সেচ্ছাসেবীরা ভালো করছে, প্রথম দিকে শুধু শিয়ারা যোগ দিলেও এখন সুন্নি এবং তুর্কি বংশোদ্ভুতরাও যোগ দিচ্ছে.

আইএস মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের উচিত হবে না শুধু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর নির্ভর করা, ইরাকি বাহিনীতে সাদ্দামের বাথ পার্টির যারা ছিলো তাদের অনেকেই আইএস কে হেল্প করেছিল বলেই অল্প সময়ের মধে অনেকগুলো শহর দখল করতে পেরেছিলো. সরকার এখন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগ নিলে আর কেউ না হোক অন্তত হিন্দু, নাস্তিক, সেকুলার, সুফী, বাউল, মাজারপন্থ, শিয়া, কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের অনেকেই নিজ থেকে এই সেচ্ছাসেবী সংগঠনে যোগ দিবে কারণ তারা দেখতেছে চুপ থেকেও তো তাদের শেষ রক্ষা হচ্ছে না.

আমাকের মত বাংলাদেশে এরা চালু করেছে আত-তামকীন মিডিয়া, এখন এরা সামাজিক মাধমে জেলা ভিত্তিক আইডি খুলতেছে, সামনে যে আরো কি করবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই ভালো জানেন. আমাদের সমাজের যারা এখনো মনে করেন আইএস মিডিয়ার সৃষ্টি, ইহুদিরা মুখোশ পড়ে এগুলো করছে, তাদেরকে তো বোঝানো সম্ভব নয়, শুধু এটুকু বলি আমি যেখানে আছি সেখানে ২০১৫ সেম্টেম্বের এ সিরিয়া থেকে ২ জন ছাত্র এসেছে, একজন বউ এবং ৩ বাচ্চা সহ, তাদের বাড়ি আলেপ্পোতে.

সরকারের উচিত আইএস এর সাথে লড়তে ইচ্ছুক সেচ্ছাসেবীদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দেওয়া

২০১৪ গ্রীষ্মে আইএস ইরাকের বিভিন্ন শহর দখল করে নেওয়ার পর ইরাক সরকার এটা করেছে, তারা যদি এই কাজটা আগেই করতে পারত তাহলে আইএস এতটা সুবিধা করতে পারতো না কারণ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অধিকাংশই জীবনের ঝুকি নিয়ে না লড়ে বরং রণে ভঙ্গ দিয়েছিল. তুলনা করলে দেখা যায় ইরাকে সেচ্ছাসেবীরা ভালো করছে, প্রথম দিকে শুধু শিয়ারা যোগ দিলেও এখন সুন্নি এবং তুর্কি বংশোদ্ভুতরাও যোগ দিচ্ছে.

আইএস মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের উচিত হবে না শুধু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর নির্ভর করা, ইরাকি বাহিনীতে সাদ্দামের বাথ পার্টির যারা ছিলো তাদের অনেকেই আইএস কে হেল্প করেছিল বলেই অল্প সময়ের মধে অনেকগুলো শহর দখল করতে পেরেছিলো. সরকার এখন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগ নিলে আর কেউ না হোক অন্তত হিন্দু, নাস্তিক, সেকুলার, সুফী, বাউল, মাজারপন্থী, শিয়া, কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের অনেকেই নিজ থেকে এই সেচ্ছাসেবী সংগঠনে যোগ দিবে কারণ তারা দেখতেছে চুপ থেকেও তো তাদের শেষ রক্ষা হচ্ছে না.

আমাকের মত বাংলাদেশে এরা চালু করেছে আত-তামকীন মিডিয়া, এখন এরা সামাজিক মাধমে জেলা ভিত্তিক আইডি খুলতেছে, সামনে যে আরো কি করবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই ভালো জানেন. আমাদের সমাজের যারা এখনো মনে করেন আইএস মিডিয়ার সৃষ্টি, ইহুদিরা মুখোশ পড়ে এগুলো করছে, তাদেরকে তো বোঝানো সম্ভব নয়, শুধু এটুকু বলি আমি যেখানে আছি সেখানে ২০১৫ সেম্টেম্বের এ সিরিয়া থেকে ২ জন ছাত্র এসেছে, একজন বউ এবং ৩ বাচ্চা সহ, তাদের বাড়ি আলেপ্পোতে.

 
Jahed Ahmed এর ছবি
 

Count me in.

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

মুক্তচিন্তার স্বপক্ষের সকলের সম্মিলিত উদ্যোগ এই মুহুর্তে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিবৃতিটি সকলের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার মাইলফলক হিসাবে কাজ করবে।

 
পান বিক্রেতা এর ছবি
 

দাবি সমূহ সমর্থন করছি।

 
ডার্ক ম্যান এর ছবি
 

বিবৃতিদাতাদের মাঝে দেখি কয়েকজন পেইড ব্লগারও আছেন। যারা নাস্তিকতার প্রসারে কাজ করছেন টাকার বিনিময়ে। এ যেন ধর্মীয় উগ্রবাদীদের মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ

=================
আমি নিস্কলুষ কোন মানব নয়,
তুমি তোমার মত করে শুদ্ধ করে নিও আমায়।

===============

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

কারা পেইড ব্লগার?

 
ডার্ক ম্যান এর ছবি
 

নামগুলো না হয় নাই বা বললাম। অন্তত একজনকে আপনি বা আমি ভাল করেই চিনি। আমাদের শহরেই তিনি থাকেন । হইতো বা আপনার বা আমার প্রতিবেশী।
আরও একজনের নাম না আসায় আমি হতাশ। তিনি আমাকে জঙ্গি বানিয়েও নিজে তথাকথিত বুদ্ধিজীবী হতে পারেন নি।

=================
আমি নিস্কলুষ কোন মানব নয়,
তুমি তোমার মত করে শুদ্ধ করে নিও আমায়।

===============

 
হাবিজাবি গল্পকার এর ছবি
 

এই বিবৃতির সাথে নিজেকে সামিল করছি এবং দাবি সমূহ সমর্থন করছি।

মানুষের আবার শ্রেণী বিন্যাস কি? ধর্মের জন্য মানুষ না মানুষের জন্য ধর্ম?

 
রুশদী এর ছবি
 

নতুন প্রজন্মের বুদ্ধিজীবী হত্যাঃ ব্লগ, ব্লগার, লেখক ও অনলাইন এক্টিভিস্টদের যৌথ বিবৃতি

ব্লগের শুরুটা বেশ কৌতুহল উদ্দীপক। আগে মুক্তমনা দাবী করা হত। কিন্তু এখন বুদ্ধিজীবী দাবী করা হচ্ছে। নীচে বেশ কয়েকজন ব্লগারের নাম দেখা যাচ্ছে। যারাও হয়ত নিজেদেরকে বুদ্ধজীবী কাতারেরই একজন মনে করছে। যদিও তাদের বেশীরভাগই সুপরিচিত ধর্ম ব্যাসার। আমার মনে হয় মুক্তমনা ,বুদ্ধিজীবী , ধর্মব্যাসার টার্মগুলোর মধ্যে সুস্পস্ট পার্থক্য আছে। ব্যাপারটা ক্লিরাফাই করার অনুরোধ করছি ইস্টিশন মাস্টারকে।

 
Rana Chowdhury এর ছবি
 

বিবৃতির সাথে সম্পূর্ণরূপে একাত্মতা প্রকাশ করছি। যদি ও রাষ্ট্রের কাছ থেকে কোন প্রকার সহযোগীতা প্রত্যাশা করিনা।

 
অনিকিন এর ছবি
 

মুক্তমনা ব্লগারের একাত্মতাকে সমর্থন জানালাম ।
এখন এক থাকার খুব দরকার ।

 
সাইয়িদ রফিকুল হক এর ছবি
 

রাষ্ট্র ও সরকারকে মানুষহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর হতে হবে। আর ধর্মব্যবসায়ীদের নির্মূল করার জন্য রাষ্ট্রকেই রুখে দাঁড়াতে হবে।
মান্যবর ইস্টিশন মাস্টারকে ধন্যবাদ।

আমি মানুষ। আমি বাঙালি। আমি সত্যপথের সৈনিক। আমি মানুষ আর মানবতার সৈনিক। আর আমি ত্বরীকতপন্থী-মুসলমান। আমি মানুষকে ভালোবাসি। আর আমি বাংলাদেশ-রাষ্ট্রকে ভালোবাসি। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা। জয়-বাংলা।...
সাইয়িদ রফিকুল হক

 
মিতা এর ছবি
 

ত্বরীকতপন্থী-মুসলমানের কেতাব কি আলাদা ?

 
পথচারী এর ছবি
 

সহমত যয

 
শেহজাদ আমান এর ছবি
 

৯। যুদ্ধাপরাধের বিচার ত্বরান্বিত করতে হবে।

এই বিচারের আর উল্লেখযোগ্য কিছু কি বাকি আছে? এই ৯ নম্বর দফাটি হাস্যকর লাগিলো। আপনারা কি চান এটি আরও পাচ-দশ বছর চালু থাকুক জনবিরোধী হাম্বালীগের একটা উইপন হিসেবে? বোঝা গেল অনুসন্ধানবাদী শেহজাদ আমানের নাস্তক্যবাদী ভাইবোনেরা স্টেরিওটাইপ কাজ থেকে এখনও বাহির হইয়া আসিতে পারিলোনা।

============================================
মানবতাহীন, অসামাজিক, নীতি-নৈতিকতাহীন, উগ্র ও অশ্লীল যুক্তিবাদী নাস্তিকদের চেয়ে অন্ধবিশ্বাসী কিন্তু মানবিক, নীতিবান ও নৈতিকতাসম্পন্ন, মধ্যপন্থী মুসলমানরাই আমার কাছে বেশী প্রীতিকর।
============================

 
ডার্ক ম্যান এর ছবি
 

YahooBiggrinYahooGoodDiablo

=================
আমি নিস্কলুষ কোন মানব নয়,
তুমি তোমার মত করে শুদ্ধ করে নিও আমায়।

===============

 
mahabub এর ছবি
 

ভাই আমি যদি আপনাকে খাঙ্কির ছেলে বলে গালি দেই আপনি কি রাগ করবেন......... জদি করেন তবে বলেন কেন করবেন এতে এতে কি আমার কন দোষ আছে আমি ত সুধু আমার মত প্রকাশ কর......আমি বলছি আম্র এইতা অন্যায় হইসে কারন আমি আপনার বিশ্বাস ক আঘাত করেছি আপনার মা কে খাঙ্কি বলছি............ঠিক একই ভাবে আপনারা যখন অন্নের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়া লেখেন সেইটা ও অন্যায় ...

 
শামিম এর ছবি
 

অাপনাদের যেমন বাক সাধীনতা অাছে, তাদেরও হত্যা করার (অত্যন্ত শান্তিপূর্ন [গুপ্তহত্যা,টার্গেট কিলিং] ভাবে) সাধীনতা অাছে কারন হত্যা করা অপরাধ! এটা কোন কিতাবে অাছে অার থাকলেই তারা সেটা মানবে কেন?

আমাকে গালিদেয়ার অধিকার তোমাকে দেয়া হল,কিন্তু নবীকে নয়,আমার ভুল আছে,কিন্তু ইসলামে নেই।

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

ইহার নাম বুঝি ইসলাম? হত্যার স্বাধীনতা শুধু কোরান নামক সন্ত্রাসী কিতাবেই আছে। তাই এই সন্ত্রাসী কিতাবকে পরিহার করা মানবজাতির জন্য কল্যানকর।

 
শামিম এর ছবি
 

কোরানে অনেক কিছু অাছে, কাউকে হত্যা, কাউকে হেকমতের সাথে, কাউকে উপেক্ষা করে, কাউকে উপদেশ দিয়ে, কাউকে অর্থ দিয়ে, কাউকে সাবধান করে,...ইসলামের পথে ডাকতে হয়.কিন্তু নাস্তিকরা শুধু হত্যাই চোখেদেখে কারন কোরান বুঝার সামর্থ তাদের নেই।

আমাকে গালিদেয়ার অধিকার তোমাকে দেয়া হল,কিন্তু নবীকে নয়,আমার ভুল আছে,কিন্তু ইসলামে নেই।

 
নুর নবী দুলাল এর ছবি
 

ইসলাম হেকমতের সাথে কায়েম করা যাইনি বলে মুহাম্মদ মক্কা ছেড়ে মদিনায় গিয়ে হত্যার মাধ্যমে কায়েম করা শুরু করেছিলেন। যার ধারাবাহিকতা এখনো চলছে। হত্যার মাধ্যমে কায়েমকে কি আপনি সমর্থন করেন?

 

Post new comment

Plain text

  • সকল HTML ট্যাগ নিষিদ্ধ।
  • ওয়েবসাইট-লিংক আর ই-মেইল ঠিকানা স্বয়ংক্রিয়ভাবেই লিংকে রূপান্তরিত হবে।
  • লাইন এবং প্যারা বিরতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেওয়া হয়।
CAPTCHA
ইস্টিশনের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আপনাকে ক্যাপচা ভেরিফিকেশনের ধাপ পেরিয়ে যেতে হবে।

বোর্ডিং কার্ড

ইস্টিশন মাস্টার
ইস্টিশন মাস্টার এর ছবি
Offline
Last seen: 2 weeks 6 দিন ago
Joined: মঙ্গলবার, এপ্রিল 5, 2016 - 2:04অপরাহ্ন

লেখকের সাম্প্রতিক পোস্টসমূহ

ফেসবুকে ইস্টিশন

SSL Certificate
কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর