নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • নুর নবী দুলাল
    • হাসান নাজমুল
    • শ্রীঅভিজিৎ দাস
    • মুফতি বিশ্বাস মন্ডল
    • নিরব

    নতুন যাত্রী

    • নিনজা
    • মোঃ মোফাজ্জল হোসেন
    • আমজনতা আমজনতা
    • কুমকুম কুল
    • কথা নীল
    • নীল পত্র
    • দুর্জয় দাশ গুপ্ত
    • ফিরোজ মাহমুদ
    • মানিরুজ্জামান
    • সুবর্না ব্যানার্জী

    পশ্চিমা সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গেঃ হিরোশিমা থেকে ড্রোনযুদ্ধ


    (আজকের সময়ে, এই ২০১৭ সালে, সন্ত্রাসবাদ বলতেই আমরা বুঝি ইসলামী সন্ত্রাসবাদ এবং মূলত মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানদের দ্বারা সংগঠিত সন্ত্রাসবাদ। এর বাস্তবতা রয়েছে সন্দেহাতীত ভাবে। কিন্তু সন্ত্রাসবাদের ইতিহাস এটাই নয়। এমন কি এই ২০১৭ সালেও কেবল ইসলামী সন্ত্রাসবাদই একমাত্র বা মূল ধারার সন্ত্রাসবাদ নয়। সন্ত্রাসবাদের আরো নানান ধারা, ধারণা আমাদের চারপাশেই রয়েছে। এই অনুবাদ কর্মটি সন্ত্রাসবাদের ভিন্ন আলোচনা উপস্থাপন করবে।

    ডাহুক প্রসঙ্গে


    "Phineas and Ferb" নামক আমেরিকান এনিমেশন সিরিজে দেখা যায় দুই বালক গরমের ছুটিতে রোজ রোজ একটা বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করে খেলার ছলে । তাদেরকে অনেকেই প্রসঙ্গক্রমে প্রশ্ন করেন, "তোমরা এই কাজের জন্য ছোট নও ?" প্রতিভাধর দুই বালক অকপটেই সেটা স্বীকার করে । নিজের আত্মজীবনী লেখার কথা মনে আসার সাথে এটাও এসেছিল যে, আমি কি এর জন্য একটু ছোট ও অযোগ্য নই ? আমিও সেই দুই ভাইয়ের মত স্বীকার করছি আঠারো বছর আটমাস খুব বেশী কাল নয় পৃথিবীতে, আর তাও যদি বুঝতাম অনেক অনেক কাজ করে ফেলেছি - মানা যেত । কিন্তু, আমি কোনো কিছুই করিনি আঠারো বছর ধরে, বসে ছিলাম, হেটে ছিলাম, দাঁড়িয়ে ছিলাম, খেয়ে ছিলাম, ঘুমিয়ে ছিলাম...

    জঙ্গি তৎপরতা বন্ধে অর্থায়নের ভূমিকা


    জঙ্গিদের বিস্তার নিঃসন্দেহে একটা বৈশ্বিক বিষয় এবং বিশ্বের যে প্রান্তেই আজ জঙ্গি তৎপরতা চলছে তার সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে বৈশ্বিক জঙ্গিবাদের একটা সংযোগ রয়েছে, বিশেষ করে জঙ্গি অর্থায়নে বিশ্বব্যাপী গড়ে উঠেছে বিশাল নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্কের বড় অবলম্বন অস্ত্র ও মাদক চোরাচালানের ব্যবসা। জঙ্গিবাদের বিস্তার ও জঙ্গি তৎপরতা চালানোর জন্য বিশাল অর্থের প্রয়োজন হয়। জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধকরণে প্রচার-প্রোপাগান্ডা, জঙ্গি রিক্রুটমেন্ট, প্রশিক্ষণ, মোটিভেশনসহ আশ্রয়-প্রশ্রয়, বাড়ি-গাড়ি এবং অস্ত্র সরঞ্জামাদি, সব কিছুর পিছনেই বিপুল পরিমাণ অর্থের দরকার হয়। তা ছাড়া মাঠ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক নিয়োজিত সদস্যদের মাসোয়ারাও দেওয়া

    মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদের অবিশ্বাস।


    মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ একটা বড় ধরনের শয়তানের নাম। কারণ তিনি নবীর সুন্নত দাড়ি টুপি মাথায় রেখে ইসলামের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে। এটা বুঝতে মুসলমানদের কষ্ট হওয়ার কথা নয়। কারণ তারা সর্বকালের সেরা বিজ্ঞানী হযরত মোহাম্মদ সাঃ এর অনুসারী। তারা অগ্রিম অনেক কিছু বুঝতে পারে। এইরকম শয়তানের সংখ্যা বাংলাদেশে নিহাত কম নয়। যেমন আহসান হাবীব পেয়ারও আব্দুল্লাহ আল মাসুদের মত আরেকটা বড় শয়তান। কেননা ইসলামের নাম বিক্রি করে তিনি মানুষকে ধোকা দেওয়ার কাজ করেছেন, এবং তিনি এটাও বলছেন যে তিনি কখনো আল্লাহর রাস্তায় যাবোনা, আল্লাহ তাহার রাস্তায় আসবে নাউজুবিল্লা,কত বড় শয়তান।

    মাওলানা মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদের ইসলাম ত্যাগ ও সোসাল মিডিয়াতে ঝড়


    সম্প্রতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদ নামের এক মাওলানা , মুফতি ও হাফেজ ইসলাম ত্যাগ করেছেন। আর সেটা নিয়ে ফেসবুক , ইউটিউব সহ সামাজিক মাধ্যমে ব্যপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু আশ্চর্য্যের বিষয় হলো - মুফতি সাহেব ইসলাম ত্যাগ করে ইসলাম সম্পর্কে যে বিষয়গুলো উত্থাপন করেছেন , তার একটাও কিন্তু কেউ খন্ডন না করে বরং তাকে ব্যাক্তি আক্রমন করে বলা হচ্ছে - সে কখনও মুসলমান ছিল না , সে ইহুদিদের দালাল, সে টাকা খেয়ে ইসলাম ত্যাগ করেছে ইত্যাদি। তো আসুন বিষয়টা একটু আলোচনা করা যাক।

    ক‌েমন আছ‌ে পাহাড়‌ের আদ‌িবাসীরা?


    পাহাড়‌ের আমার জন্মভুম‌ি আজ কাল‌িমাল‌িপ্ত। পাহাড়‌ের মানুষ আজ শৃঙ্খল‌ে বন্দী।আমরা আজ অধ‌িকারহীন জাত‌ি । আমার ব‌োন‌ের রক্ত‌ের রঞ্জ‌িন স্বদ‌েশ ভূম‌ি । ভাইয়‌ের রক্ত‌ে পাহাড় আজ স‌িক্ত। আমার বাপ ভাইয়‌ের মা ব‌োনের অজস্র হাহাকার পাহাড়‌ের বুক‌ে প্রত‌িধ্বন‌িত হচ্ছ‌ে ।পাহাড়‌ের বুক‌ে রুদ্ধশ্বাস এক পর‌িস্থ‌িতি আমাদের বুক‌ের উপর দ‌িয়ে চল‌ে যাচ্ছ‌ে ।শ্বাপদ সংকুল ভব‌িষ্যত এবং বর্তমান প্রজন্ম‌ের পথচলা। স‌েনা শাসন ও ন‌ির্যাতন চলছ‌ে নির্ব‌িচার‌ে ।অত্যাচার ও শ‌োষণ‌ের মাত্রা দ‌িন দ‌িন বৃদ্ধ‌ি পাচ্ছে । বাঙালী শাসকগ‌োষ্ঠীর শ‌োষণ‌ের কাল‌ো থাবায় জর্জর‌িত পাহাড়‌ের মানুষ।বারুদ‌ের গন্ধে বেড়‌ে উঠছ‌ে বর্তমান প্রজন

    যাপিত জীবনের পোড়া-ক্ষতে রঙ্গমঞ্চের জীবন!


    উথালপাতাল মন খারাপ হলে পরে অকারণ হাঁটাহাঁটি করতাম। বিরামহীন হাটতাম। সিলেট উপশহর থাকাকালীন এই রাতবিরেত হাঁটার কারণে বার কয়েক পুলিশ-র‍্যাবের দৌড়ানিও খেয়েছি। আম্বরখানায়ও এরকম হয়েছে। উপশহর, শিবগঞ্জ বা আম্বরখানা থাকাকালীন সাধারণত রাতের খাবার খেয়ে হাঁটতে বেরুতাম। এদিকওদিক হয়ে কীভাবে জানি শেষ গন্তব্য হতো হয় কদমতলি বাসস্ট্যান্ড নয়তো সিলেট রেল স্টেশন। মাঝেমধ্যে কাজিরবাজারের দিকে যেতাম। ওদিকে কিছু ছোটোখাটো রেস্টুরেন্ট সারারাত খোলা থাকে। আর সারারাত-ই টিভিতে বাংলা সিনেমা চলে। এক কাপ চা নিয়ে ঘন্টা দেড়েক অনায়েসে বসা যায়। সাথে যদি দু'একটি সিগারেট ক্রয় করা হয় দোকানি সাধারণত আর কিছু বলার সাহস পেতো না। নদীর ওপাড়েও এইরকম বহু রেস্টুরেন্ট আছে তবে ঠিক এইরকম নয়। খাওয়াদাওয়াটাই মুখ্য লক্ষ্য তাদের। বন্দরবাজারের কিছু রেস্টুরেন্টও সেইরকম। কাজিরবাজারের নদীর পাড় দখল করে বাঁশের উপর তৈরি এসব রেস্টুরেন্টগুলিতে হরেক কিসিমের লোক থাকতো। বেশিরভাগ শ্রমজীবী। রিকশা-ভ্যানচালক থেকে পান-সুপারি বিক্রেতা, ধানের কারবারি, মাছ বিক্রেতা কিংবা মধ্যসত্ত্বভোগী কে নেই! রাজনীতি অর্থনীতি হয়ে ঘরসংসার থেকে নতুন নায়ক কাজী মারুফ সবই আলোচনা হতো। মোদ্দাকথা আমার এতটুকু হেঁটে আসার পেছনে এঁরাও আছেন। হাতে টাকাকড়ি থাকলে অবশ্য চুক্তি করে ঘন্টা হিসেবে রিকশা নিতাম।

    চাঁদমামার সাথে কথোপকথন


    অামাদের তিনটে এজমালি মামা অাছে - চাঁদ মামা, সূর্য মামা ও সিংহ মামা। চাঁদ সুরুজ মামা হোক অাপত্তি নেই, তারা ভাগনেদেরকে মামুসুলভ স্নেহ করে; কিন্তু সিংহকে মামা বানানো অার অামের রাজাকে ল্যাংড়া বানানো একই ষড়যন্ত্রের অংশ। এ সব কিছুর জন্য দায়ী ইহুদীরা!

    অাকাশের চাঁদ দেখছি। চাঁদমামার সাথে শুরু হলো হালজমানার হালহকিকত নিয়ে কথা। চাঁদও বহুদিন পর ভাগনেকে পেয়ে খুশিতে গদগদ। শুরু হলো অালাপচারিতা।

    অামি : অামি কয়েকটি প্রশ্ন করতে চাই মামা।
    চাঁদমামা : হ্যা, ঝটপট করে ফেল তোর প্রশ্ন।

    দ্বিচক্রযান


    দ্বিতীয় অংশ -
    ..
    বাড়ি ফিরেই সাইকেল টা কোনোমতে রেখেই সোজা চিলেকোঠার ঘরে ছুটল অয়ন , মনটা বড্ড বিষিয়ে গেছে আজ ।এই চিলেকোঠার ঘরটা তার বড্ড আপন ,তার নিজস্ব একাকিত্বের পৃথিবী , রাগ-অভিমান,ভালোবাসা আর বিচিত্র কল্পনার সাক্ষী ও সঙ্গী । সিডি প্লেয়ারে একটা Sad Song চালিয়ে ভলিউম টা বাড়িয়ে দিয়ে জানলা দিয়ে দূরের নীল আকাশের দিকে উদাসীন চোখে তাকিয়ে আপন মনেই নিজেকে শুধোল অয়ন ,
    " ও এরকম করতে পারল ? "
    তাহলে কেনা মায়া মায়া চোখ নিয়ে তাকাতো আর কৌতুকপূর্ন মিষ্টি হাসিটা খেলে যেত ঠোটে !
    অয়ন আপন মনে ভাবতে লাগল , তার এখনো বিশ্বাসই হচ্ছে না !

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর