নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 5 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • হাইয়ুম সরকার
    • দীব্বেন্দু দীপ
    • মোমিনুর রহমান মিন্টু
    • মিশু মিলন
    • পৃথু স্যন্যাল

    নতুন যাত্রী

    • তা ন ভী র .
    • কেএম শাওন
    • নুসরাত প্রিয়া
    • তথাগত
    • জুনায়েদ সিদ্দিক...
    • হান্টার দীপ
    • সাধু বাবা
    • বেকার_মানুষ
    • স্নেহেশ চক্রবর্তী
    • মহাবিশ্বের বাসিন্দা

    ছোটগল্প: রইসুল্লা হোক্কা


    মুক্তিযুদ্ধ তখন কেবল সবে শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছে মানে শুরু করতে বাধ্য হয়েছে বাংলার মানুষ। এটা মুক্তির যুদ্ধ, আবার বাঁচার যুদ্ধও। এতদিনে লক্ষ লক্ষ মানুষ নির্বিবাদে মেরে ফেলেছে পাকিস্তানী বাহিনী রাজাকারদের সাথে নিয়ে। রাজাকার কারা হয়েছে–অনেকেই হয়েছে, বিভিন্নভাবে বিভিন্ন কারণে হয়েছে, ঘৃণা এবং প্রতিহিংসাই এর মধ্যে সবচে’ বড় কারণ।

    তবে রইসুল্লা হোক্কার ক্ষেত্রে কারণটা ভিন্ন, আবার সে ঠিক রাজাকার নয়, বরং তাকে ছদ্মবেশী মুক্তিযোদ্ধাই বলতে হবে, মুক্তিবাহিনী তাকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবেই জানে, শুধু তার খুব কাছের দু’একজন জানে তার আসল পরিচয়। তবে তারাও মারা যায় দেশ স্বাধীন হওয়ার আগেই।

    নগরনটী (উপন্যাস: পর্ব-তিন)


    পুরোনো দ্বিতল গৃহ; দেয়ালে স্যাঁতা পড়েছে, স্থানে স্থানে চুন-সুরকি খসে পড়েছে। দেয়াল ধরে বেয়ে উঠেছে কয়েকটি লতা। ছাদের দড়িতে দোল খাচ্ছে পরিধেয় বস্ত্র-উত্তরীয়। ছাদের কাঠগড়ায় নেতিয়ে পড়ে আছে ছোট ছোট কয়েক খ- মলিন-কোঁকড়ানো কাপড়। আঙিনার সামনের জামরুলগাছের ছায়ায় জলচৌকিতে বসে আছে উমা ও সুলোচনা। সদ্যস্নান করায় উমার কেশের ডগা দিয়ে জল ঝরছে, জলে ভিজে যাচ্ছে কাঁচুলির পিঠের অংশ এবং অনাবৃত পিঠ, এখনো কাঁকুই পড়ে নি কেশে; আর সুলোচনার মুুখে সাজিমাটির প্রলেপ, মাথায় সুগন্ধি তেল মেখে কেশ বিন্যাস করছে, এখনো স্নান হয় নি তার। সদ্য স্নান সেরে হলুদ আর খয়েরি রঙের শুষ্কবস্ত্র পরে দোতলার অলিন্দে দাঁড়িয়ে কাঁকুই হাতে কেশবিন্

    ফারছী-বাঙালা


    ফারছী-বাঙালা
    “ফারছী-বাঙালা’ বলতে মূল বাঙালা-ভাষাকে বোঝায়। তেরো শতক থেকে ষোল শতক-তক মুসলিম সুলতানদের উদ্যোগে ও পৃষ্ঠপোষকতায় আদিবাঙালাভাষার সাথে আরবী-ফারছী-উর্দু শব্দের সার্থক সংযোজনের মাধ্যমে যে সহজ-সরল-সুখপাঠ্য বাঙালা-ভাষা তৈরী হয়, সেই বাঙালা-ভাষারই তখন আরেক নাম দেয়া হয় “ফারছী-বাঙালা” ।
    উনিশ শতকের গোড়ার দিকে বাঙলার স্বনামখ্যাত পণ্ডিত রাজা রাধাকান্ত মহাশয়ের শব্কল্পদ্রুতম গ্রন্থের পরিশিষ্ঠ খন্ডে বাঙালা ভাষা সম্পর্কে বলা হয়েছে
    ---“বঙ্গবিদ্যা তথা হিন্দীং পারসীং মারবীং' ।

    একাত্তরের দিনগুলিঃ এক মায়ের নিরপেক্ষ দিনলিপি


    দেশ-মাতৃকার প্রতি কত প্রগাঢ় ভালোবাসা থাকলে একজন মা বলতে পারেন-
    "......দিলাম তোকে দেশের জন্য কোরবানি করে। যা, তুই যুদ্ধে যা।"

    ইরিন


    জীবনের যেকোনো 'প্রথমে'রই বোধহয় আলাদা একটা মূল্য আছে। সমস্যা হচ্ছে, খুব কম প্রথমই মনে থাকে। তবে জ্ঞান হওয়ার পরে যেসব 'প্রথমে'র সৃষ্টি, সেগুলো বোধহয় মনে থাকে। প্রথম পড়া দস্যু বনহুর কিংবা মাসুদ রানা। প্রথম স্কুল পালিয়ে সিনেমা দেখতে যাওয়া কিংবা প্রথম সিগারেট। 'প্রথম' নিয়ে যদিও আমার খানিকটা আদিখ্যেতা আছে তবে প্রথম প্রেমের ক্ষেত্রে বোধহয় ব্যাপারটা কেবল আদিখ্যেতা না। বলা যেতে পারে, অনন্যোপায়। আউট অফ মাই কন্ট্রোল। বলাই বাহুল্য, প্রেমটা সফল হয়নি, তবে ভুলতেও পারিনি। কেন? সেটা আজও রহস্য।

    ধর্ম মিথ্যা হলে কিভাবে এত কোটি কোটি মানুষের মাঝে বেচে থাকে


    প্রশ্ন থেকে যায় যে এত বৃহৎ সংখ্যাক জনগোষ্ঠি পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া ধর্মকে বয়স্ক হওয়ার পরও কিভাবে আটকে ধরে রাখে?

    আমার দৃষ্টিতে গণতন্ত্র!


    গণতন্ত্রের ইতিহাস খুব বেশি দিনের নয়। তার আগে পৃথিবীতে দীর্ঘ সময় রাজতন্ত্র বা একনায়তন্ত্র প্রচলিত শাসন ব্যবস্থা ছিল।

    ঈদের নামাজ কোরানে নেই, যা কোরানে নেই তা মানবো কেনো?


    শুধু ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা নয়, আমরা যে দৈনিক যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি তা কত ওয়াক্ত সেটাও কোরানে স্পষ্ট করে বলা নাই।পাঁচওয়াক্ত নামাজ কি নিয়মে পড়তে হবে তা কোরানে নেই।কোন নামাজের কি নাম,কোন নামাজ কত রাকাত, কোন নামাজে কি সূরা বা দোয়া পড়তে হবে,রুকু-সেজদা-বসে পড়া নামাজের দোয়াগুলে কোরানে নেই।ওযুর নিয়ম কোরানে নেই।ওযুর দোয়া,সহবাসের দোয়া,বীর্যপাতের দোয়া,পাদ মারার দোয়া, গোসলের দোয়া,ঘুমানোর দোয়া,মসজিদের প্রবেশ-বের হওয়ার দোয়া ইত্যাদি দোয়া কোরানে নেই।নতুন চাঁদ দেখার দোয়া কোরানে নেই। প্রতিদিন ৫বার উচ্চশব্দে শব্দদূষন করা আযানটাও কোরানে নেই।

    যেভাবে কুরআনকে বৈজ্ঞানিক বানানো হয় সেভাবে দুনিয়ার সবকিছুকে বৈজ্ঞানিক বানানো সম্ভব


    আল কুরআনে যেভাবে বিজ্ঞান বের করা হচ্ছে এভাবে দুনিয়ার চরম মূর্খের কথাকেও বৈজ্ঞানিক বানানো সম্ভব। আমি ছোটবেলা ভাবতাম এ আকাশ কত উচুতে না আল্লাহ স্থাপন করেছেন, এর কোন খুটি নেই অথচ এ আকাশ আমাদের মাথার উপর পড়ে যায় না।আল্রাহ না কত মহান।পরে যখন কুরআনে এ কথাগুলো পড়লাম তা আমার মনের কথার সাথে মিলে গেল। শিশুসুলভ এ কথাগুলোকে কেউ যদি বৈজ্ঞানিক প্রমান করতে প্রয়াস পায় এ বলে যে এত ছোট ছেলে কিভাবে এমন বৈজ্ঞানিক কথা বলে নিশ্চয়ই সে সাধারণ মানুষ নয়, আল্লাহর প্রেরীত বিশেষ পুরুষ। তাহলে আমার এ কথাকে বৈজ্ঞানিক ব্যখ্যাদাতাকে আর যাই বলেন না কেন সুস্থ মস্তিস্কের বলা যাবে না।নিম্নে এক মুমিনের কুরআনের এরুপ কথাকে বৈজ্ঞান

    পৃষ্ঠাসমূহ

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর