নীড়পাতা

টিকিট কাউন্টার

দৃষ্টি আকর্ষণ

  • ট্রেনিংরুম ঘুরে আসুন।
  • ইস্টিশনের এন্ড্রয়েড এ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করুন
  • পরিষ্কার বাংলা দেখার জন্য এখান থেকে ফন্ট ইন্সটল করে নিন।
  • অনলাইনে লেখা কনভার্ট করুন
  • ইস্টিশনের নতুন ব্যানার দেখতে না পেলে/সমস্যা হলে Ctrl+F5 চাপুন।
  • প্যাসেঞ্জার ট্রেন শিডিউল
  • আপনার ব্রাউজার থেকে ইস্টিশনব্লগের সাথে সবসময় যুক্ত থাকতে নিচের লোগোতে ক্লিক করে টুলবারটি ইন্সটল করুন।
  • ওয়েটিং রুম

    এখন 16 জন যাত্রী প্লাটফরমে আছেন

    • বিজয়
    • রাজিব আহমেদ
    • পৃথু স্যন্যাল
    • নীল কষ্ট
    • জেন রসি
    • নুর নবী দুলাল
    • সার্জিন শরীফ
    • মূর্খ চাষা
    • তায়্যিব
    • সৈয়দ মাহী আহমদ

    নতুন যাত্রী

    • গোলাম মাহিন দীপ
    • দ্য কানাবাবু
    • মাসুদ রুমেল
    • জুবায়ের-আল-মাহমুদ
    • আনফরম লরেন্স
    • একটা মানুষ
    • সবুজ শেখ
    • রাজদীপ চক্রবর্তী
    • নাজমুল-শ্রাবণ
    • চিন্ময় ভট্টাচার্য

    স্যাপিয়েন্সঃ মানবজাতির সংক্ষিপ্ত ইতিহাস by Yuval Noah Harari পর্ব ১ঃ বুদ্ধিমত্তার বিপ্লব - তৃতীয় অধ্যায়


    তবে আদিম আরণ্যকদের জীবনে গোত্রের সাথে গোত্রের এই সম্পর্কেটাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া যাবে না। যদিও একই উপজাতির অন্য গোত্রের সাথে মিলে স্যপিয়েন্সরা মাঝে মাঝে শিকার করতো, যুদ্ধ করতো, উৎসব করতো, কিন্তু তাদের বেশিরভাগ সময়ই কাটত নিজেদের গোত্রের ভেতরে। বাণিজ্য সীমাবদ্ধ ছিল সৌখিন জিনিষপত্রের মধ্যে, যেমন শঙ্খ, রঙ, রঙ্গিন পাথর ইত্যাদি। তারা নিজেদের ভেতরে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিনিময় করত, অথবা তাদের জীবন আমদানীকৃত পণ্যের ওপর নির্ভর করত, এরকম কোন নজির নেই। রাজনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও সেটা খুব একটা শক্ত ছিলনা। মাঝে মাঝে হয়ত যৌথ সভা হতো, তবে কোন স্থায়ী রাজনৈতিক কাঠামো ছিল না। সে সময়কার সাধারণ একজন লোক হয়ত মাসের পর মাস গোত্রের বাইরের কারো সাথে কথাই বলত না। সারা জীবনে সে বড়জোর কয়েকশ’ লোকের দেখা পেতো। সারা বিশ্বে স্যাপিয়েন্স জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল খুবই কম। কৃষি বিপ্লবের আগে সারা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ছিল কায়রো শহরের বর্তমান জনসংখ্যার চেয়ে কম।

    slide8

    একটি চিঠি এবং চিঠির উত্তর


    সমকামী আর রূপান্তরকামীদের মানবাধিকার যেন লঙ্ঘন না হয়, তা লক্ষ রাখার দায়িত্ব সমকামী আর রূপান্তরকামীদেরই শুধু নয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিপরীতকামীদেরও। মানবতার জন্য সব মানুষকেই এগিয়ে আসতে হয়। সবাই যদি এগিয়ে নাও আসে, তাহলেও ক্ষতি নেই। লক্ষ লক্ষ লোক দল বেঁধে সমাজ বদলায় না। ইতিহাস বলে,হাতে গোণা

    দেশী শাড়ীতে গ্রীক দেবী


    নাস্তিক কথাটির অর্থ জেনেই কি আপনি নাস্তিক, নাকি নিজের কিছু নোংরা আশা চরিতার্থ করতে ভোল বদলেছেন?

    সন্দেহ হয়, বেশ সন্দেহ হয় যখন আপনাদের জ্বালায় ব্লগে ঘোরাঘুরি করা কষ্টকর হয়ে যায়। সে কি ভাষা আপনাদের দাদা লেখালেখির। বোঝাই যায় বাবা-মা কি শুনিয়ে বড় করেছে!

    আপনারা বেশ ভালো রকম খারাপ ভাষা ব্যবহার করেন আমাদের ধর্মের সবচেয়ে সম্মানীত মানুষকে নিয়ে যাকে কিনা আমাদের বাবা-মায়ের চেয়েও বেশি শ্রদ্ধা করি আমরা। আপনাদের হাত কাঁপেনা কারণ আপনারা অনেক বেশি জ্ঞানী মানুষ।

    স্বাগতম পাকিস্তানঃ অন্ধকারের পথিক বাঙলাদেশ


    ১৯৭১ সালে সংগঠিত তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের সশস্ত্র সংগ্রাম, যার মাধ্যমে বাঙলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে। এই মানচিত্র অর্জন করা সহজ ছিল না। এই মানচিত্রের সাথে জড়িয়ে আছে ৩০ লক্ষ জীবনের বিসর্জনের ইতিহাস। ৪ লক্ষ নারীর আত্মত্যাগের সোনালী ফসলের নাম বাঙলাদেশ।

    হেফাজতের দাবীর মুখে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে ভাস্কর্য সরানো নিয়ে কিছু প্রাসঙ্গিক আলোচনা......


    বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত প্রাঙ্গনে রোমান যুগের ন্যায়বিচারের প্রতীক লেডি জাস্টিসের আদলে একটি ভাস্কর্য স্পাপন করা হয়েছিল। ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক। কাল রাতে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গন থেকে ভাস্কর্যটি সরিয়ে ফেলা হয়। সরিয়ে ফেলার কারন হেফাজত এবং কিছু ইসলামী সংঘটনের প্রবল আপত্তি। তারা সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করছিল। এবং ভাস্কর্য না সরালে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে এমন হুমকি দিয়ে আসছিল।সরকার অবশেষে তাদের দাবী মেনে নিয়েছে।

    ইসলামী সংঘটনগুলোর দাবী কতটা যৌক্তিক বা ছহি?

    ইস্ গ্রীকদেবী থেমিস যদি একবার জীবন্ত হয়ে উঠতো!


    সকালে বিবিসি’র সংবাদ দেখে আমরা একেবারে তাজ্জব! রাত বারোটার পর থেকে নাকি এই ভাস্কর্যটি অপসারণের জন্য অপকর্ম শুরু হয়েছে। এতে সমগ্র বাঙালি-জাতির সঙ্গে আমিও আতঙ্কিত, হতাশ, ক্ষুব্ধ, স্তম্ভিত, দুঃখিত, ব্যথিত ও যারপরনাই লজ্জিত। তস্করের মতো কতকগুলো নিম্নশ্রেণীর জীবের প্রশাসনিক ক্ষমতাবলে এটি অপসারণ করা হচ্ছে। রাত বারোটার পরে কোনো ভালোমানুষ কাজ করে? এই সময়টাতো থাকে তস্করদের দখলে। আর তখন সুপ্রীমকোর্টও বন্ধ! আর এই সুযোগে রাতের আঁধারে চোরের মতো এটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে কেন?

    গর্ভধারিণীর বিলাপ


    জাতীয় কবি তাঁর এক কবিতায় নারীকে অর্ধেশ্বরী ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু নার্গিসের সাথে তিনি যা করেছিলেন তা কেউ অর্ধেশ্বরীর সাথে করে কিনা সন্দেহ। অবশ্য মনে হয় ‘ঈশ্বরী’-র সাথেই করে। ঈশ্বরের সাথে এমন সাহস সচরাচর কাউকে করতে দেখা যায়না। এ বিষয়টা আগে যেমন ছিল বর্তমানেও তার থেকে কিছুটা পরিবর্তীত নয় যার প্রমাণ ধর্ষণ, ইভ টিজিং, যৌতুক। সবকিছুর পর মনে হয়, ঈশ্বরীরা গর্ভধারিণী, কিন্তু সম্মানিত নন।

    দেশের সকল ভাস্কর্য অপসারন এবং শরিয়া আইন চাই


    মৌলবাদী ধর্মান্ধ গোষ্ঠী এবং ক্ষমতাশীল ব্যক্তিদের চাপের মুখে পরে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গত রাত ২৫ মে ন্যায় বিচারে প্রতীক গ্রীক দেবী থেমিসের অনুকরনে তৈরী করা ভাস্কর্য মৃণাল হকের উপস্থিতে সরানো হয়।মৃণাল হকই এ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছেন।সেই থেকে চলছিলো প্রগতিশীল অসাম্প্রদায়িক লোকদের মাঝে নানা আলোচনা এবং সমালোচনা।

    একটি স্বপ্নের মৃত্যুতে


    মনের ক্যানভাসে তুলির আঁচড় পড়ে
    স্বপ্নের রংগুলি কথা বলে অতি ধীরে ধীরে
    নিরেট বাস্তব তখন গলা টিপে ধরে
    স্বপ্নের মৃত্যু তখন
    জগৎ জাগে আদিম অন্ধকারে।

    মিথ্যার ইন্দ্রজালে ধর্মের ফাঁদ করে
    ওরা শিকারী সেজে শিকার করে
    মেকি সভ্যতা তখন রুগ্ন বিবেকের বেশে
    ফিসফিস করে হাসে।

    সত্যেরা তখন ভারী ভয়ঙ্কর রূপে
    দেয় দেখা এই মিথ্যার ধুপে
    ধুসরতায় পুড়ে লাল আগুনের বিভিষিকা বেশে।।

    আকাশ ভরা মেঘ


    এত টাকা দিয়ে আমি কি করবো?
    ঘটনা হলো- অফিসের কাজে বের হয়েছি। মগবাজার থেকে সিএনজি'তে উঠেছি উত্তরা যাবো। অন্যদিনের তুলনায় আজ রাস্তা মোটামোটি ফাঁকা। ভয়াবহ গরম পড়েছে। ঘামে শার্ট পুরোপুরি ভিজে গেছে। পকেট থেকে মোবাইল বের করে ফেসবুক চালাচ্ছি। হঠাত দেখি আমার পাশে একটা বড় ব্যাগ। প্রথমেই মনে হলো ব্যাগের মধ্যে বোমা। আবার মাথার মধ্যে কে যেন বলল, ব্যাগ ভরতি টাকা। টাকা? সাথে সাথে ব্যাগ খুলে দেখি টাকা। কম করে হলেও এক শ'টা বান্ডিল। সব এক হাজার টাকার নোটের বান্ডিল। মাথা পুরাই নষ্ট। আমার হাত পা কাঁপছে, আনন্দে অথবা ভয়ে।

    পৃষ্ঠাসমূহ

    কু ঝিক ঝিক

    ফেসবুকে ইস্টিশন

    SSL Certificate
    কপিরাইট © ইস্টিশন.কম ® ২০১৬ (অনলাইন এক্টিভিস্ট ফোরাম) | ইস্টিশন নির্মাণে:কারিগর