Posted in Uncategorized

ফাঁসি

কাশেমকে মঞ্চে উঠানো হয়েছে। এই মঞ্চ যেন তেন মঞ্চ না। ফাঁসির মঞ্চ। কাশেম যখন মঞ্চে প্রথম পা রাখলো তখন তার শরীর শিরশির করে উঠলো। মনে হলো তার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গেছে। তার হাত বাঁধা। তবে চোখ বাঁধা না। মঞ্চের নিচে একদিকে কাশেমের বাবা মা আর তার ছোট বোন…

বিস্তারিত পড়ুন... ফাঁসি
Posted in Uncategorized

পুতুল

আমি মোটামুটি নিশ্চিত আমার সাথে কেউ হাঁটছে এবং মানুষটা যখন থেকে আমার সাথে হাঁটছে তখন থেকেই আমি অন্য রাস্তায় হাঁটছি। তবে মানুষটা যে মানুষ না সে ব্যাপারেও আমি মোটামুটি নিশ্চিত। অন্য রাস্তায় হাঁটছি সেটা বুঝতে পারছি কারন আমি রাস্তা চিনতে পারছি না। আমার পা কাঁপছে। রাত এতক্ষণে প্রায় দুইটা বাজার…

বিস্তারিত পড়ুন... পুতুল
Posted in Uncategorized

অল্প সময়, অল্প প্রেম

বিয়ে বাড়ি মানেই খাওয়াদাওয়া, লাইটিং, সাজগোজ এইসব। কারো কাছে বিদায়ের অনুষ্ঠান। কারো কাছে কাউকে পাওয়ার অনুষ্ঠান। কেউ আসে বোরহানি খেতে, কেউ রোস্ট। কিন্তু আমার কাছে বিয়েবাড়ি মানে প্রেমে পড়া। তখন আমি বিয়েবাড়ি যেতাম কারো না কারো প্রেমে পড়তে। এমন করে কত প্রেমে পড়েছি তা প্রায় অজানা। একবারের গল্প বলি। গেলাম…

বিস্তারিত পড়ুন... অল্প সময়, অল্প প্রেম
Posted in Uncategorized

আনন্দবিলাস (দ্বিতীয়াংশ)

নিসার মন খারাপ। সে বসে আছে তার প্রিয় বারান্দায়। গত ছয়দিন ধরে তার রাতে ঘুম হয়না। ঘুমটা যেন কেউ কেড়ে নিয়ে গেছে। বেশিরভাগ সময় কাটে তার এই বারান্দায়। কখনো ফুল দেখে, কখনো বই পড়ে কিংবা কখনো অবাক চোখে আকাশ দেখে। নিসা একটা ভুল করেছে। মস্ত বড় একটা ভুল। সে কি…

বিস্তারিত পড়ুন... আনন্দবিলাস (দ্বিতীয়াংশ)
Posted in Uncategorized

আয়নার ওপাশে

আবীর তার ঘরের দরজার ওপাশ থেকে দরজায় ধাক্কা দিচ্ছে আর তার মাকে ডাকছে। আবীর বলছে, “মা, দরজা খোলো, মা।” আবীরের মা, বাবা, দুই বোন এবং এক ভাই সবাই সেদিন বাসায় ছিল। সবাই আবীরের দরজার দিকে ভয়ার্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। আবীর দরজা নাড়ছে প্রায় পনের মিনিট হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ আগে আবীরের…

বিস্তারিত পড়ুন... আয়নার ওপাশে
Posted in Uncategorized

আনন্দবিলাস (প্রথমাংশ)

হায়দার রহমান বাজার করে ফিরছেন। হাতে দুইটা ব্যাগ। প্রতি শুক্রবার সকালে তাকে এই মহা বিরক্তপূর্ণ কাজটা করতে হয়। তিনি সকালে উঠে এক কাপ চা খান। চা খেতে খেতে পেপার পড়েন। তারপর ব্যাগ নিয়ে বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। তবে আজ তার মনটা খুশি খুশি। তিনি আজ কিছু ফ্রেশ কাঁচা শাখ-সবজী পেয়েছেন।…

বিস্তারিত পড়ুন... আনন্দবিলাস (প্রথমাংশ)
Posted in Uncategorized

অভিমান

“আমি কোথায়?” “আপনি নরকে।” “এটা নরক? আমার তো মনে হচ্ছে স্বর্গ।” “হ্যাঁ, আমারও আপনাকে প্রথম দেখে তাই মনে হচ্ছিলো। আপনি চিৎকার করছিলেন না। হাসিহাসি মুখ করে বসে ছিলেন। আসলে আমাদের সিস্টেমে সমস্যা হয়েছে। ঠিক হয়ে গেলে আপনি চিৎকার করা শুরু করবেন।” “আজিব তো! নরকেও সিস্টেম আছে, আবার সেই সিস্টেমে সমস্যাও…

বিস্তারিত পড়ুন... অভিমান
Posted in Uncategorized

তোমায় ভালোবাসি

রুপার দুইটা কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন কিডনি লাগবে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। কেবিনের সামনে তার বাবা, মা, ছোট ভাই আর ছোট বোন বসে আছে। ডাক্তার বলে দিয়েছেন আজকের ভিতরে কিডনি যেভাবেই হোক জোগাড় করতে হবে। রুপার পরিবারের সাথে রুপার হবু স্বামী সিরাজ ও সেখানে বসে আছেন। কেউই বুঝে…

বিস্তারিত পড়ুন... তোমায় ভালোবাসি
Posted in Uncategorized

আমি সে এবং আত্মহত্যা

আমি বসে আছি রেলষ্টেশনের একটি বেঞ্চে। ষ্টেশনে লোকজন কম। ভর দুপুরের রোদ কেটে গেছে। বিকালটা অনেক সুন্দর। তারপরেও কেন জানি একটা ক্লান্তি লাগছে মনে। হটাৎ একটা মেয়ে এসে বেঞ্চের ওপর প্রান্তে বসলো। দেখতে রূপবতী। নীল শাড়ি পড়া। চোখে কাজল। উদাস মনে বসে রেললাইনের দিকে তাকিয়ে আছে। তবে যে কোনো কারনেই…

বিস্তারিত পড়ুন... আমি সে এবং আত্মহত্যা
Posted in Uncategorized

ওসমান গনি

“কোনো মানুষ যখন একই কাজ দুইবার করে তখন তাকে কি বলা হয়?” আমি বললাম, “পাগল।” জাহিদুর রহমান বললেন, “হ্যাঁ, তবে সুস্থ মানুষও কিন্তু একই কাজ দুইবার করে। যেটা সে সবসময় বুঝতে পারেনা।” “ঠিক বুঝলাম না। বুঝিয়ে বলেন।” “বলছি, তার আগে বলুন চা খাবেন তো? আমি আর কিছু বানাতে পারি আর…

বিস্তারিত পড়ুন... ওসমান গনি