Posted in Uncategorized

নৈসর্গিক আধার

মেঘ মেঘ আবহাওয়ার দরুন হিউমিডিটি বেশী থাকায় ঘামে জব জব হয়ে আছে নিলয়। ঘাম মূল সমস্যা না- সমস্যা হচ্ছে আঠা আঠা অনুভূতি। মনে হচ্ছে দেয়ালে রং করার মতো করে কেউ একজন তাকে নাংগা করে ব্রাশ দিয়ে ভাল করে ডলে ডলে পা থাকে মাথা পর্যন্ত রং করেছে। বিশাল একটা ভুল করে…

বিস্তারিত পড়ুন... নৈসর্গিক আধার
Posted in Uncategorized

ঘুণপোকা; ভালবাসা

অমুল্য ধন বলে যা কিছু আছে জগতের মাঝে সারাজীবনের একমাত্র সম্পত্তি রাজাধি-রাজ ভালবাসা। প্রতিটা মানুষ দিবা নিশি শয়নে স্বপ্নে ঘুমে জাগরণে ভালবাসার মালা জপে যায় অবলীলায়। জন্ম লগ্নে প্রতিজ্ঞা করে ভালবাসার পিপাসায় তৃষিত হওয়ার। মরুভূমির বালুতে খাঁ খাঁ করা রোদের তাপে রি রি ঝাঁঝে বয়ে যাওয়া বাতাস তৃষ্ণায় আকুল মেঘের;…

বিস্তারিত পড়ুন... ঘুণপোকা; ভালবাসা
Posted in Uncategorized

মুখোশের অন্তরালে

অর্থ বিত্তের মোহ ত্যাগ করতে পারো চায়ের কাপে,নৈতিকতার জন্য নীতি কথা বলে কাপ ভরে ফেলো থুথুতে। সেই তুমিই অর্থের মোহে, স্বার্থের জন্য ভাঙ্গন লাগা নদীর পানির মতো পাক খাও দুর্নীতিবাজ আমলার পা’য়ের চারপাশে। স্বার্থের জন্য মুখোশ পড়ে যেমন মানুষ সাজো ঠিক তেমনি কামে, হিংসায়, ভোগে, লালসায় লকলকে লম্বা আগুন জিহ্বা…

বিস্তারিত পড়ুন... মুখোশের অন্তরালে
Posted in Uncategorized

বিকালে ভোরের আলো

কতটা পেলে পূর্ণতা আসে? মিটে যায় সব চাওয়া, উঠে যায় বাঁধার দেওয়াল। আদি থেকে অন্ত খুঁজে খুঁজে কি একটাও মিলবে এমন সাজানো ডালা যার সব ফুল সবার জন্য মনোহর। সবাই মাতোয়ারা গন্ধে। সব ফুল পুজায় লাগে। লাগে না তো! সব ফুলে দেবতা তুষ্ট হয় না। যেমন তুষ্ট না রমিজ উদ্দিন।…

বিস্তারিত পড়ুন... বিকালে ভোরের আলো
Posted in Uncategorized

প্রতীক্ষার দিন রাত্রি

আলোর নাচন আমার বিছানার শরীর জুড়ে। আধিপত্যের লড়াই ঘুমন্ত শরীরের কাপড়ের সাথে; কি করে শাড়ির ফাঁক- ফোঁকর গলে ঢুকে যাওয়া যায় শরীরের ভাজে ভাজে। চুমুতে চুমুতে লাল করে দেবার নেশায় মত্ত ঘুমে বিভোর শান্ত নিরহ অধর জুড়ে উন্মাতাল হয়ে ছুটাছুটি।

বিস্তারিত পড়ুন... প্রতীক্ষার দিন রাত্রি
Posted in Uncategorized

বৃষ্টির কুয়াশায় মোড়া সন্ধ্যা

জানি আমার জন্য কোথাও কেউ নেই। অবুঝ মন বোঝে না তো যতই তারে বোঝাই। চষে বেড়ায় শহরের অলি-গলি, দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত, পৃথিবীর এ কোণ থেকে ও কোণে। ঘূর্ণি বাতাসের ফাঁদে পড়ে দেবীর পূজারী কেউ কেউ ছুয়ে যায় জুলফি। মন ময়ূরী পেখম মেলে নেচে ওঠে এলো বুঝি কেউ…

বিস্তারিত পড়ুন... বৃষ্টির কুয়াশায় মোড়া সন্ধ্যা
Posted in Uncategorized

প্রহর শেষের আলো

পাহাড়ের বড্ড মন খারাপ। তার একান্ত আপন কেউ নেই। এই বাতাসের সাথে কুশল বিনিময় হয়, মাঝে মাঝে ঘুরে বেড়ানো মেঘ এসে থমকে দাঁড়িয়ে একটু জিরিয়ে নেয়, পাখির গুঞ্জন ভেসে আসে ভুল ভবিশ্যত। এই এতোটুকুই! দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে আর ভাবে- ইস তার বুকের উঠান জুড়ে মুখে কথার খই ফুটিয়ে খলবল করে দাপিয়ে…

বিস্তারিত পড়ুন... প্রহর শেষের আলো
Posted in Uncategorized

একলা দোকার দোলাচল

যখন রেহানার বিয়ে হয় তখন আমারা ক্লাস থ্রিতে। কি অবাক হলেন! আর ওর যখন বাচ্চা হয় সেদিন আমাদের ক্লাস ফোরের ফাইনাল পরীক্ষার অংক পরীক্ষা ছিল। কোন ভাবেই হিসাব মিলল না আমার সেদিন। না অংকের না রেহানার মা হওয়ার। মা হতে তো শাড়ি কাপড় পড়তে হয়, পান খেতে হয়, রান্না জানতে…

বিস্তারিত পড়ুন... একলা দোকার দোলাচল
Posted in Uncategorized

অতিথি তিথি

পুরা শরীর রিক্সার হুডের ভিতরে নিয়ে নেওয়া গেলে তিথি নিয়ে নিত। শামুকের মত নিজেকে খোলসের ভীতরে গুটায়ে নেওয়া গেলে খুব ভাল হত। জল-ঝড়, ঠাণ্ডা- গরম খোলসের উপর দিয়ে চলে যেত। বৃষ্টির ছাট এসে বুক পর্যন্ত ভিজে যাচ্ছে। প্রবল বাতাসের সাথে মুষলধারে বৃষ্টির বিশালাকার ফোটা হালকা পলিথিনের পর্দায় মানাচ্ছে না। শাড়ি…

বিস্তারিত পড়ুন... অতিথি তিথি
Posted in Uncategorized

কাজলদানীর কাজল

কাজলের খুব শখ ছিল আমার চোখের অঞ্জন হওয়ার। ২০০২ থেকে ২০১৩ দীর্ঘ এগারো বছরে ফসলী জমিতে গড়ে ওঠেছে নতুন গ্রাম। পদ্মার বুকে বিশাল চর জেগেছে, মানুষে গড়েছে নন্দন কানন। সেখানে নাকি কপোত-কপোতীর দল ফানুস উড়ায়। পাশের বাড়ির এক হাড়ি ভাগ হয়ে চার হাড়ি হয়েছে। ছোট মুক্তা মা হয়েছে। অথচ কাজল…

বিস্তারিত পড়ুন... কাজলদানীর কাজল