Posted in Uncategorized

ঈশ্বরের বিরুদ্ধে হুলিয়া-

বন্ধুগন, একবিংশ শতাব্দীর এই দুর্বৃত্তায়নের পৃথিবীতে মানুষের স্থাপত্য যখন মানুষের জন্যই হুমকিস্বরুপ চন্দনমাখা স্বপ্নের ভেতরে যখন বুনো হাতির উলুধ্বনি ওঠে ঠিক তখন ই, মানুষের এই সমাবেশে দাঁড়িয়ে আমি আপনাদের কাছে হাত জোড় করে বলি ভালোবাসা খুঁজতে যাবেন না কোথাও। মানুষের ভেতরে মুখোশ, মানুষের বাহিরে মুখোশ, মানুষের মুখোশেও আজ মুখোশ লেগে…

বিস্তারিত পড়ুন... ঈশ্বরের বিরুদ্ধে হুলিয়া-
Posted in Uncategorized

শুধু মানুষ মরুক-

মৃত্যুই যার একমাত্র আবেদন তার আবার আনন্দ কিসের, উল্লাস কিসের? মৃত্যু ব্যাতিত কোন উৎসব আমাকে আন্দোলিত করেনা। মানুষ মরুক, সড়ক দুর্ঘটনায় মরুক, ছুরিকাঘাতে মরুক, বোমা-বারুদে মরুক উর্ধ্বতন কর্মকর্তা মরুক, ডাক্তার-আইনজীবী, কবি-রাজনীতিবীদ, মাগীর খদ্দেরসহ সকলে মরুক। সকল মানুষ মরলে, পৃথিবী অন্তত আরো দু’শ কোটি বছর স্থায়ী হবে। বস্তুত, মানুষের বেঁচে থাকার…

বিস্তারিত পড়ুন... শুধু মানুষ মরুক-
Posted in Uncategorized

-তার চেয়ে বেশ মৃত্যু ভালো

আমাকে কেউ বাহিরে আনো এইখানে এই অন্ধকার ভালো লাগে না । আমাকে কেউ ভেতরে টানো এইখানে এই আলো ভালো লাগে না । আমাকে কেউ বাহিরে আনো। আমাকে কেউ ভেতরে টানো । তার চেয়ে বেশ মৃত্যু ভালো ।

বিস্তারিত পড়ুন... -তার চেয়ে বেশ মৃত্যু ভালো
Posted in Uncategorized

দুটি কবিতা : বিরহের পাখি ও বহিরাগত বুকে- ও ভালোবাসাহীন ফিরে গেলে আমার হৃদয়-

বিরহের পাখি ও বহিরাগত বুকে- পতনের মূহুর্ত থেকে আমার বিরহের পাখি পালিয়ে গ্যাছে । বিরহের পাখি- এইবার ঘরে আসো, হাত-মুখ ধোও লাউয়ের ডগার মত আকড়ে ধরো হাড়ের শরীর আগুনের মুখ থেকে ফিরিওনা ঝরনার ঠোঁট । বিরহের পাখি- শেষবার ঘরে আসো, দেখে যাও নিজস্ব আলোর তাপে ফিকে হয় মানুষের রং ।…

বিস্তারিত পড়ুন... দুটি কবিতা : বিরহের পাখি ও বহিরাগত বুকে- ও ভালোবাসাহীন ফিরে গেলে আমার হৃদয়-
Posted in Uncategorized

-নিঃস্বঙ্গ পুরুষের সকাল

নিঃস্বঙ্গ পুরুষের উষ্নতম সকাল কতটা কষ্টের সে তো আমি জানি। নারীর প্রসব ব্যাথার খবর আমি জানিনা যে স্ত্রীর স্বামী প্রবাসে, তার বা তাদের কষ্ট জানিনা। শুধু জানি, নারীহীন পুরুষের সকাল কতটা ব্যান্জনার। মিথ্যে খুনের মামলায় যার জীবন চৌদ্দশিকের ধারাপাতে বাঁধা তার কতটুকু কষ্ট আমি বুঝি? শুধু জানি, সঙ্গমহীন পুরুষের সকাল…

বিস্তারিত পড়ুন... -নিঃস্বঙ্গ পুরুষের সকাল
Posted in Uncategorized

আমার মৃত্যুর কারণ-

গতকাল মধ্যরাতে আমার মৃত্যু হলো টিকটিকি খবর পৌছে দিলো মহল্লার মসজিদে বৃদ্ধ তেলাপোকা অবৈজ্ঞানিক উচ্চারণে তেলাওয়াত করতে থাকে দোয়া ইউনুস। আমার লাশের উপর দিয়ে কালো পিঁপড়ের মিছিল যায় মিছিলে আঘাত হানে পুলিশের বুলেট, টিয়ারশেল জমা হয় লাশের উপর লাশ । সমস্ত ঘরে ভেসে বেড়ায় পিঁপড়ের রক্ত ও কান্নার আওয়াজ। কিছু…

বিস্তারিত পড়ুন... আমার মৃত্যুর কারণ-
Posted in Uncategorized

কবিতা-১

যে মেয়েটা আমার বুকের উপর মাথা রাখতে চায় অথবা, মাঝরাতে সবাই ঘুমিয়ে গেলে আমি যার বুকের দিকে হাত বাড়াই আশ্চর্য্য দুটি প্রদীপ জ্বালাবো বলে। সে জানেনা, আমি এক জাবজ্জীবন দন্ডিত পুরুষ আমার উদরে শিউলির বাগান ছিলো কবে-ই তা পুড়িয়ে দিয়েছি, উড়িয়ে দিয়েছি হিমে ও আগুনে । যে আমাকে মানুষ রুপে…

বিস্তারিত পড়ুন... কবিতা-১
Posted in Uncategorized

বর্ণমালার জলোচ্ছ্বাসে বিকল্প জীবন:

স্তম্ভিত হবার আগেই মটরের গভীর থেকে বেরিয়ে আসে গোপন বৈভব। আমলকির শাখায় পিঁপড়া অক্ষরে লিখা আছে- বাঁকা নীল চাঁদের আত্নকাহিনী। কালো ট্রাঙ্কের অন্ধকার জলে টুপ করে পড়ে গ্যাছে হাত ঘড়ি আমার এখন ঘন্টা নেই, মিনিট নেই, সেকেন্ড নেই। ধূসর খামে একটা সময়হীন কাগজের চিঠিতে বর্ণমালার জলোচ্ছ্বাসে বিকল্প জীবন খুঁজি। উদগ্র…

বিস্তারিত পড়ুন... বর্ণমালার জলোচ্ছ্বাসে বিকল্প জীবন:
Posted in Uncategorized

আজ অনেকদিন পর বৃষ্টি দেখলাম-

আজ অনেকদিন হলো বৃষ্টি দেখি না আকাশে-মাটিতে কোথাও বৃষ্টি নেই টেলিভিশনে- পত্রিকায় কোথাও বৃষ্টির খবর ছাপা হয়না প্রায়-ই আমার চোখে-মুখে মেঘের গুড় গুড় আওয়াজ শুনি মেঘ ভাঙ্গেনা বৃষ্টিও দেখিনা । আজ অনেকদিন হলো বৃষ্টি দেখি না বসন্ত আমার প্রিয়, অথচ ভুলেই যাই আমার ভেতর আষাড় ও শ্রাবন , আজকাল ওরা…

বিস্তারিত পড়ুন... আজ অনেকদিন পর বৃষ্টি দেখলাম-
Posted in Uncategorized

অভিসেন গুপ্তের কবিতাটা-১

চলে যাওয়াটা কি জরুরী? এইতো এলে, অনেকটা পথ পায়ে হেঁটে ধূলো সমেত, চোখের মলাটে শুকিয়েছে কাজল, কানের দুল-ও কাঁপছে মৃদু। একটু বসো, শান্ত করো বুকের কাঁপন তারপর বলো- আছো কেমন? চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে দু গাল গপ্পো করো আরো! কিছুটা সময় থাকো আরো!

বিস্তারিত পড়ুন... অভিসেন গুপ্তের কবিতাটা-১