Posted in প্রবন্ধ

অজয় রায়ের বিশেষ প্রবন্ধ দ্বিতীয়াংশ : “বিজ্ঞানীর ধর্ম”

[নোট : অজয় রায় বাংলাদেশী পদার্থ বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞান লেখক এবং মানবাধিকার কর্মী। তিনি ১৯৫৯ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগে শিক্ষকতা করেছেন। ‘মুক্তান্বেষা’ নামক পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদক হিসবে কাজ করছেন, যার লক্ষ্য হচ্ছে সমাজে যুক্তিবাদ, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং মানবকল্যাণবোধ প্রতিষ্ঠা। বাংলাদেশের মুক্তমনা এবং মুক্তচিন্তক লেখকদের লেখা নিয়ে…

বিস্তারিত পড়ুন... অজয় রায়ের বিশেষ প্রবন্ধ দ্বিতীয়াংশ : “বিজ্ঞানীর ধর্ম”
Posted in প্রবন্ধ

অজয় রায়ের বিশেষ প্রবন্ধ : “বিজ্ঞানের ধর্ম”

[নোট : অজয় রায় বাংলাদেশী পদার্থ বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞান লেখক এবং মানবাধিকার কর্মী। তিনি ১৯৫৯ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা বিভাগে শিক্ষকতা করেছেন। ‘মুক্তান্বেষা’ নামক পত্রিকাটির প্রধান সম্পাদক হিসবে কাজ করছেন, যার লক্ষ্য হচ্ছে সমাজে যুক্তিবাদ, বিজ্ঞানমনস্কতা এবং মানবকল্যাণবোধ প্রতিষ্ঠা। বাংলাদেশের মুক্তমনা এবং মুক্তচিন্তক লেখকদের লেখা নিয়ে…

বিস্তারিত পড়ুন... অজয় রায়ের বিশেষ প্রবন্ধ : “বিজ্ঞানের ধর্ম”
Posted in সাহিত্য

জহির রায়হানের ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসটি লেখার অজানা ইতিহাস!

টুনি বুড়ো মকবুলের তৃতীয় পক্ষ। গায়ের রং কালো। দোহারা গড়ন। আয়ত চোখের এই মেয়েটির বয়স তেরো-চৌদ্দর মাঝামাঝি। কিশোরীর চঞ্চলতা এখনো তার মধ্যে বিরাজমান। তাই ঘর-সংসার কাকে বলে সে বুঝে ওঠেনি। সমবয়সী কারোর সঙ্গে দেখা হলে সে গল্পে মেতে ওঠে। কখনো হাসতে হাসতে মেঝেয় গড়াগড়ি খায়। পরীর দীঘির পশ্চিম ও পুব…

বিস্তারিত পড়ুন... জহির রায়হানের ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসটি লেখার অজানা ইতিহাস!
Posted in অন্যান্য

ইস্টিশনে খুঁজতে এলাম- ‘আমার মা কোথায়’

ইস্টিশন ব্লগে এটি আমার প্রথম লেখা। কিন্তু এ কোনো মৌলিক লেখা নয়। অনেক ভেবে দেখেছি, এক জীবনে পড়ার-জানার আছে অনেক কিছু। যেসব মণি মুক্তা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে শিল্প-সাহিত্যের মহাসাগরগুলোতে, তার রস আস্বাদন করার জন্য এক জীবন কিছুতেই যথেষ্ট নয়। তাই লেখার চেয়ে আমার বরং পড়ায়-দেখায় আগ্রহ বেশি। ইস্টিশন ব্লগে সক্রিয়…

বিস্তারিত পড়ুন... ইস্টিশনে খুঁজতে এলাম- ‘আমার মা কোথায়’