Posted in দুর্নীতি

শেখের বাড়ির পথে শূড়িখানা: ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

হোটেল এরামের ব্যাপারটা ঠিক ঠাক মত প্রথম জানতে পারি ২০১৬ সালের ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসে। সকাল দশটার মত বাজে। ধানমন্ডি বত্রিশ নাম্বারে ফুল প্রদানের পরে উল্টোদিকের রাস্তায় এসে দাড়িয়েছি। প্রচন্ড ভীড়ের ভেতরে প্রায় এক দেড় ঘন্টা যাবত অপেক্ষা করে ফুল দেয়ার পর শরীর ক্লান্ত এবং তৃষ্ণার্ত। আশেপাশের সব দোকান…

বিস্তারিত পড়ুন... শেখের বাড়ির পথে শূড়িখানা: ব্যবস্থা নেয়ার জন্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি
Posted in ব্লগ

বাতাসরে গাইতে শোনেন : হারুকি মুরাকামি (৩)

চিকাটা কইতে গেলে বইপত্র পড়েই না একদম। আসলে, খেলাধূলার পত্রিকা আর জাঙ্ক মেইল ছাড়া আর কিছু আমি ওরে পড়তে দেখি নাই। তথাপি, সময় নাশের লাইগা আমি যেসব বই পড়ি সেগুলিরে লয়ে অর সব সময় খুব কৌতুহল। মাছি যেমন কৌতুহল লয়ে মাছি মারার লাঠির পানে চায়, অমনেই অয় উঁকি মারত আমার…

বিস্তারিত পড়ুন... বাতাসরে গাইতে শোনেন : হারুকি মুরাকামি (৩)
Posted in অনুবাদ উপন্যাস

বাতাসরে গাইতে শোনেন : হারুকি মুরাকামি (২)

এই,কাহিনীর শুরু হইসে ৮ই আগস্ট ১৯৭০, আর শেষ হইসে আঠারদিন পরে- অন্য কথায় একই বছরের আগস্টের ২৬ তারিখে। ৩ ” গু খা তোরা, শালা বড় লোক হাউয়ার পোলারা,” চিকাটা চিৎকার কইরা উঠল। ক্রুদ্ধ নয়নে সে চায়া রইছে আমার পানে, বারের ওপরে তার হাতগুলি রাখা। হইতে পারে হুংকারটা সে আমারে দেয়…

বিস্তারিত পড়ুন... বাতাসরে গাইতে শোনেন : হারুকি মুরাকামি (২)
Posted in অনুবাদ উপন্যাস সাহিত্য

বাতাসরে গাইতে শোনেন : হারুকি মুরাকামি

“মিয়া শোন, বিশুদ্ধ লেখা বইলা কিছু হয় না, যেমনে হয় না তোমার কোন বিশুদ্ধ নৈরাশাও।” এমনটা আমাের বলসিলেন একজন লেখক। যখন আমি ভার্সিটির স্টুডেন্ট ঐ লেখকের লগে আমার দেখা হইসিল । তার কথাটার পুরা মানে আমি ধরতে পারসিলাম অনেক পরে, তয় তারপরো উনার কথার মাঝে আমি এক প্রকারের সান্ত্বনা খুঁজে…

বিস্তারিত পড়ুন... বাতাসরে গাইতে শোনেন : হারুকি মুরাকামি
Posted in অনুবাদ

দ্যা মিনিস্ট্রি অফ র্আটমোস্ট হ্যাপিনেস: অরুন্ধতী রয় (প্রথম অধ্যায়)

মানে, আমি বলতেসি যে পুরো বিষয়টাই তো আপনার হৃদয়ঘটিত – নাজিম হিকমাত ১ বুড়ো হওয়া পাখিগুলি মৃত্যুর উদ্দেশ্যে কোথায় যায়? তিনি গোরস্থানে বাস করতেন জনৈক বৃক্ষের মত। ভোরে বিদায় দিতেন কাকগুলিকে আর বাদুড়দের স্বাগত জানাতেন ঘরে। সন্ধ্যায় করতেন উল্টোটা। মধ্যবর্তী সময়ে পরামর্শ করতেন শকুনের প্রেতাত্নাদের সাথে। যেই প্রেতাত্নারা দেখা দিত…

বিস্তারিত পড়ুন... দ্যা মিনিস্ট্রি অফ র্আটমোস্ট হ্যাপিনেস: অরুন্ধতী রয় (প্রথম অধ্যায়)
Posted in Uncategorized

গুলশানের আলিয়া

খেছেনঃ সালেহ মুহাম্মাদ (তারিখঃ ৬ মে ২০১৭, ২:৫৪ পূর্বাহ্ন) মাঝরাতে মোবাইল বাজতেশিল। আমি ধইরা বললাম – কে? – বেবি ঘুমাইশ? একজন হাসতেসেন। তিনি নারীকন্ঠ। আমার ঘুম চইলা যায়। তাই ঘড়ি দেখি। রাত সাড়ে তিনটার পরে দুই তিন ঘর গেছে। ঘড়ির নীচে ফেসবুক। নীল রঙের অক্ষরে পাঁচজন আমারে হ্যাপি বার্থডে জানাইশেন।…

বিস্তারিত পড়ুন... গুলশানের আলিয়া
Posted in Uncategorized

খোরশেদের বাসায়

আমরা যাচ্ছিলাম খোরশেদের বাসায়। পথে দাড়ালাম। একটা বাড়ি দেখিয়ে আমার ছোটভাই বলছিলেন, – এই বাড়িটা অনেকটা খোরশেদ সাহেবের বাড়িটার মত। কিন্তু এটা খোরশেদ সাহেবের বাড়ি না। আমাদের খুব চিন্তা হয়। এই বাড়ির তিনতলায় খোরশেদের মত একটা লোক আছে বলে আমাদের মনে হতে থাকে। আমরা রাস্তা পার হয়ে দারোয়ান পানে যাই।…

বিস্তারিত পড়ুন... খোরশেদের বাসায়
Posted in গল্প

ড্যাডি

১. মধ্যরাতে আমার খুব অস্থির লাগছিল। মনে হচ্ছিল আমার তো কোন সন্তান নেই। একটা চন্চল ছোট্ট সন্তানের জন্যে আমি ঘামতে লাগলাম। আমি ফোন দিলাম ডাক্তারকে। ডাক্তার ফোন ধরে বললেন – কি খবর , আছ কেমন? – স্যার আমার সমস্যা হইতাছে। – যেমন? – আমার তো কোন সন্তান নাই। আমার খুব…

বিস্তারিত পড়ুন... ড্যাডি
Posted in Uncategorized

এইসব গোলাপের দিন(২২-২৫)

২২. সখী যাতনা কাহারে বলে? – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নার্সটি বলল, – এবার পহেলা ফাগুনে আপনি ঘুরতে গিয়েছিলেন? – নাহ্। – জানেন আমিও যাই নাই। সে ঠোঁট বাঁকাল। ঠোঁটই তো। কিন্তু বাকঁলে সমস্ত ব্রক্ষান্ড সমেত বেঁকে ওঠে। আমাদের ঘরটি রোদহীন। তাই নার্সের কামিজটি এখন গাঢ় সবুজ। সে আমার হাত থেকে লেবুগুলো…

বিস্তারিত পড়ুন... এইসব গোলাপের দিন(২২-২৫)
Posted in Uncategorized

সমুদ্র

আর একসাথে না থাকার সিদ্ধান্ত তারা নেয়। কোন একদিন কেনইবা যে এক অপরের সাথে থাকা শরু করেছিল ভেবে তাদের বিস্ময় হয়। তারা নীরিক্ষণ করে একজন আরেকজনকে। আকর্ষিত হবার মত কোন বিষয় তারা পরস্পরে খুঁজে পায় না। কিন্তু সকল ভাঙনের সাথেই দুঃখের যোগ থাকে কোন এক প্রকারে। তাই তাদের দুঃখ দুঃখ…

বিস্তারিত পড়ুন... সমুদ্র