Posted in Uncategorized

বামন হয়ে চাঁদে হাত

অতিধার্মিকদের প্রায়শ বলতে শুনি, আনুগত্য করলে ঈশ্বর নাকি খুশি হন, আর পাপাচার করলে হন রুষ্ট। আসলেই কি? ধারণাটা মানুষের। মানুষের উপলব্ধি মানবিক, অতিমানবিক হয় না। মানুষ কখন খুশি হয়? কীসে সে ক্রুদ্ধ হয়? কেন দুঃখিত হয় বা অভিমান করে?

বিস্তারিত পড়ুন... বামন হয়ে চাঁদে হাত
Posted in Uncategorized

ইমান

আমি নিজেকে ইমানদার ভেবে থাকি। আরবি ইমান আর ফারসি -দার মিলে বাঙলা হয় বিশ্বাসী, এ অর্থে সকলেই ইমানদার। অনেককিছু বিশ্বাস করি, কত কিছু অবিশ্বাস করি। এমন কেউই নেই, যে কেবল বিশ্বাস বা অবিশ্বাস করে। স্বঘোষিত আলিমদের প্রয়োগ দেখে মনে হয়, যেন এ শব্দটি একান্তই ধার্মিক মুসলমানের জন্যে বরাদ্দ! বিস্তৃত অর্থে,…

বিস্তারিত পড়ুন... ইমান
Posted in Uncategorized

উপসর্গ

ভাষায় ব্যবহার্য বিবর্তক অব্যয়সূচক শব্দাংশই উপসর্গ। উপসর্গের কাজ: ☼ নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করা, ☼ শব্দের অর্থের পূর্ণতা সাধন করা, ☼ অর্থের প্রসারণ ঘটানো, ☼ অর্থের সঙ্কোচন ঘটানো ও ☼ অর্থের বিবর্তন সাধন করা। যেমন: ‘বৃষ্টি’-র আগে ‘অনা’ যুক্ত করায় ‘অনাবৃষ্টি’ (অভাব অর্থে)। তেমনি অনাচার, অনাদর, অনামুখো। ‘উপ’ কণ্ঠের আগে…

বিস্তারিত পড়ুন... উপসর্গ
Posted in Uncategorized

প্র বা দ

কিছু প্রবাদ আমার খুব ভালো লাগে, আনমনে বিড়বিড় করি: ✪আত্মনং সততং রক্ষেৎ— আগে ঘর, তবে তো পর। ✪নিরস্তপাদপে দেশে এরণ্ডোহপি দরুমায়তে— আপন গাঁয়ে কুকুর রাজা। ✪অঙ্গারঃ শতধৌতেন মলিনত্বং ন মুঞ্চতি— কয়লা ধুলে ময়লা যায় না। ✪আত্মবৎ মন্যতে জগৎ— যে নিজে দুশ্চরিত্র, সে অপর সকলকেও দুশ্চরিত্র মনে করে। ✪চক্রবৎ পরিবর্তন্তে দুঃখানি…

বিস্তারিত পড়ুন... প্র বা দ
Posted in Uncategorized

ফেরা

তখনও আমি বেশ ছোট, টলোমলো আমার ছোট্ট পৃথিবীর মতোই স্বর্গীয় খেলা ফেলে পরীর ডানায় উড়তাম আর দিগন্ত দেখতে যেতেম হালট পেরিয়ে, পানি মাড়িয়ে নদীর ওপারে, যেখানে আকাশ মাটিতে ঠেকেছে। তেমনই এক দিনে, হঠাৎ আবিষ্কার করলাম আমার ঘুড়িতে ঝুলছে রোদবালিকার অস্তিত্ব। কেন? কীভাবে? জানি নি, জানতে চাই নি হতচকিত হয়ে শুধু…

বিস্তারিত পড়ুন... ফেরা
Posted in Uncategorized

প্রবন্ধের সার্থকতা

প্রবন্ধ বলতে আমরা বাস্তবতা ও কাল্পনিকতার মিশেলে অনুভূত সুনির্দিষ্ট বিষয়ের ওপর নাতিদীর্ঘ আলোচনার শিল্পপ্রকাশকে বুঝে থাকি। অর্থাৎ লেখক দৃশ্যমান জগতের বৈচিত্র্যে আমোদিত হয়ে ব্যাক্তিক চিন্তাধারার সমন্বয়ে মানুষের জীবনযাপন, আচার-আচরণ, সংস্কৃতি ইত্যাদির অংশবিশেষকে আপন প্রকাশভঙ্গিতে সাহিত্যের যে-অংশে নাতিদীর্ঘরূপে প্রস্ফুটিত করেন, তা-ই প্রবন্ধ। লেখক কতটুকু বুদ্ধিবৃত্তিক চেতনাধর্মী, তা স্বচ্ছভাবে ফুটে ওঠে তাঁর…

বিস্তারিত পড়ুন... প্রবন্ধের সার্থকতা
Posted in Uncategorized

কলমের জবাব চাপাতি দিয়ে হয় না

লেখালেখির কারণে আক্রমণ হালে সহজাত হয়ে দাঁড়িয়েছে, এ বড়ই আশঙ্কার ব্যাপার। যাঁরা একটু রীতিবিরোধিতা করেন, স্রোতের বিপরীতে চলতে চান, তাঁরাই হয়ে ওঠেন হিংস্র রক্তপায়ীদের হামলার লক্ষ্যবস্তু। আদিম খোলস ফেলে একটুখানি আধুনিকতার সাজ পরলেই ধেয়ে আসে বিষাক্ত তীর। নিজের প্রগাঢ় উপলব্ধির নির্যাসটুকু শোভন ভাষায় প্রকাশ করলেও তা কারও না কারও অনুভূতিতে…

বিস্তারিত পড়ুন... কলমের জবাব চাপাতি দিয়ে হয় না