Posted in Uncategorized

ছেলেটি হাসে

এক পড়ন্ত বিকেলে উচ্ছল মেয়েদের দলটি কালো সর্পিল পিচ ঢালা পথে হেঁটে চলে। কাছের হল থেকে তারা এই মাত্র বের হয়েছে। ওদের মত অতিথি পাখিরা ও দল বেঁধে লেক আর লেকের এক চিলতে আকাশের সীমায় পাক খায়। ওদের বোধের আকাশ জুড়ে নির্দিষ্ট সীমার সীমাবদ্ধতা। মানুষের মন অসীম। সীমার বাধ্যকতা নাই।…

বিস্তারিত পড়ুন... ছেলেটি হাসে
Posted in Uncategorized

পাড় ভাংগা কান্না

জহির বেশ ক’দিন ধরে নিলুকে ওর মনের কিছু না বলা কথা বলতে চাইছে। কিন্তু সেরকম পরিবেশ না পাওয়াতে আর কিছুটা মনের জোরের অভাবে বলা হয়ে উঠেনি। আজ কোনোরকম ইতস্তত না করে ওর মনের অব্যক্ত কথা নিলুকে বলেই ফেলে। এরপর অনেকক্ষণ দু’জনে চুপ থাকে। জহির মাথা নীচু করে নিলুর উত্তরের প্রত্যাশায়…

বিস্তারিত পড়ুন... পাড় ভাংগা কান্না
Posted in Uncategorized

অবসর

জানালা দিয়ে বাইরে তাকালেন। কালো মেঘে ঢেকে আছে পুরোটা আকাশ। মেঘ জমেছে মনের কোণেও। আকাশের মেঘ কিছু পরেই সরে যাবে, মনের বিষন্নতার কালো মেঘ এতো সহজেই কি তাঁকে নিষ্কৃতি দিবে? সবাই চলে গেছে। ছুটি হয়ে গেছে। সেকশনের সবাই যাবার পরেও কিছু কাজ পেন্ডিং থেকে যায়। সেগুলো আগামীকাল করলেও চলে। কিন্তু…

বিস্তারিত পড়ুন... অবসর
Posted in Uncategorized

দীর্ঘশ্বাসেের জীবন

প্রতিদিন একই রুটিন।

বিস্তারিত পড়ুন... দীর্ঘশ্বাসেের জীবন
Posted in Uncategorized

বাবার বাড়ি ফেরা

মেয়ে বাবার বন্ধু। বাস্তবে অন্যতম কাছের বন্ধু। অন্যতম কেন? বাবার জন্য মেয়ের মত কাছে আর কে আছে? তা সে চিন্তায় ই হোক কিংবা অনুভূতিতে অণুক্ষণ নি:শবাসে প্রশ্বাসে বিশ্বাসের ফল্গুধারার মত, বাবার জন্য ভালোবাসা সতত বহমান! ভালোবাসা আদি ও অকৃত্তিম রুপে যেটুকুই বিদ্যমান, কিশোরির হৃদয়ে বাবা নামের মানুষটিকে ঘিরে যেভাবে সেগুলো…

বিস্তারিত পড়ুন... বাবার বাড়ি ফেরা
Posted in Uncategorized

মায়ায় মায়ায় সেই সন্ধ্যায়

শাহেদ বিকালটা একা একা উদ্দেশ্যবিহীন ভাবে ক্যাম্পাসে কাটানোর চিন্তা করছিলো। দুপুরের খাবারের পর, ঘুম ঘুম আসছিল। বিছানাটা বড্ড আকর্ষণীয় লেগে উঠলেও সে অনুভবকে অগ্রাহ্য করলো। আজকাল তো অহরহ এমন অনেক অনুভবকেই পাশ কাটাতে হচ্ছে। সিগ্রেট বাদ দিয়েছে। না হলে এখন বারান্দায় গিয়ে এই বদকর্মটি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতো। মৃত্যু। উপভোগের…

বিস্তারিত পড়ুন... মায়ায় মায়ায় সেই সন্ধ্যায়
Posted in Uncategorized

অভিমানী

অনেকক্ষণ সোফায় বসে থাকে কণা। মানুষটা চলে গেলো! একবার ওকে ডাকলও না। নাকি ডেকেছিল? সে শুনতে পায়নি.. হয়তো। তার ডাক কণা কি তখন শুনতে চেয়েছিল? তবে এখন কেন আক্ষেপ ‘ একবারও ডাকলও না’ বলে! সোফা থেকে ঘাড় ঘুরিয়ে সে ডাইনিং টেবিলের দিকে তাকায়। খাবার গুলো অমনিই পড়ে আছে। না খেয়েই…

বিস্তারিত পড়ুন... অভিমানী
Posted in Uncategorized

দুই ভূবন

বড় রাস্তাটি কিছুদূর পশ্চিমে গিয়ে ঠিক যেখানটায় ডানে মোড় নিয়েছে, আমান ওখানেই থাকে। একজন নবীন লেখক। নিজের মত করে নিজের অনুভূতির প্রকাশক। কিন্তু সেই সাথে আশেপাশের মানুষের অনুভূতি নিয়েও তাডিত হওয়া- একজন লেখকের হৃদয়ে এক অনুপম চিত্র অংকনের তাড়না কেন জানি ওর থেকেই যায়। বোধের মর্মে নাড়া দেয় এমন অনুভূতিতে…

বিস্তারিত পড়ুন... দুই ভূবন
Posted in Uncategorized

ভালোবাসার সাতকাহন (ধারাবাহিক উপন্যাসঃ পর্ব-৪)

” বৈরী বাতাসে ইচ্ছেগুলোর ইচ্ছেমত পদস্খলনে বেহায়া ভাবনাগুলো পায়ের তলায় থেকে থেকে পিষ্ট হয়ে চলে। . শূন্যতার আরো এক বিঘত উপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে মহাশূন্যে পা বাড়াই। আমি আর আমার সাথে সে, ভাবনার ভ্রান্তিজালে আমরা শূন্যতার এক গহ্বরে হেঁটেই চলি…” : এ্যাই, শুনছ? রেখার ডাকে বাস্তবে ফিরে আসে মিনার। কবিতাটি…

বিস্তারিত পড়ুন... ভালোবাসার সাতকাহন (ধারাবাহিক উপন্যাসঃ পর্ব-৪)
Posted in Uncategorized

ভালোবাসার সাতকাহন (ধারাবাহিক উপন্যাসঃ পর্ব-২)

কিছু মানুষ রয়েছে, যারা মনে হয় জন্ম থেকেই ধুরন্ধর অর্থাৎ শিয়ালের মত একধরণের ধূর্তামি তাদের ডিএনএ’তে বহন করে পৃথিবীতে আসে। প্রতিটি পদক্ষেপে তাদের এই পণ্ডিতম্মন্য গুণ চমকাতে থাকে। এ রকম কয়েকজন মানুষের দেখা পেলো রায়হান, শমশেরনগর আবাসিক এলাকায় যখন ওদের তিনজনের পরিবার শিফট হয়ে এলো। এদেরই একজন জসীম নেতা। নিজেই…

বিস্তারিত পড়ুন... ভালোবাসার সাতকাহন (ধারাবাহিক উপন্যাসঃ পর্ব-২)