ইংল্যান্ডের এত চুলকায় ক্যারে, অ্যামনেস্টি জবাব দে

বঙ্গবন্ধুর কয়েকটা খুনীসহ মীর কাসেইম্মার মতো অসংখ্য মানবতাবিরোধীরা দেশ থেকে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে ইংল্যান্ডের। শুধু বাংলাদেশই নয়, বহু বছর ধরেই বিশ্বের নানা দেশ থেকে বিতাড়িত শতো শতো কুলাঙ্গারদের সৎ মা সেজেছে ইংল্যান্ড………..


বঙ্গবন্ধুর কয়েকটা খুনীসহ মীর কাসেইম্মার মতো অসংখ্য মানবতাবিরোধীরা দেশ থেকে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে ইংল্যান্ডের। শুধু বাংলাদেশই নয়, বহু বছর ধরেই বিশ্বের নানা দেশ থেকে বিতাড়িত শতো শতো কুলাঙ্গারদের সৎ মা সেজেছে ইংল্যান্ড………..

নির্বাসিত সব অপরাধীদের দিয়ে বৃটিশরা আন্ডারওয়ার্ল্ডে গড়ে তুলেছে নানা রকম অপরাধের কারখানা। লন্ডন এখন জঙ্গিবাদ, মৌলবাদের অঘোষিত রাজধানী। প্রমাণ চাই তো? তবে মিলিয়ে নিন- সিরিয়াতে চলমান যুদ্ধে দেখতে পাই কিশোর, তরুণ জঙ্গিদের অকাল মৃত্যু। তাদের বেশিরভাগই পাকিস্তান-ভারত-বাংলাদেশ বংশোদ্ভূত ইংল্যান্ডের নাগরিক। বাংলাদেশসহ বেশ কিছু দেশে মৌলবাদীরা আটক হচ্ছে। এদের প্রত্যেকেই কোন না কোনভাবে ইংল্যান্ডু এবং লন্ডুনের সাথে জড়িত……..

অপরাধকে প্রশ্রয় দিয়ে এই মহাধান্দাবাজ দেশটি জন্ম দিয়েছে মহা বকরবকরবাজ মানবতাবাদী সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। এরা উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন নিয়ে কখনোই বানী দেয় না, স্মারকলিপি দেয না। এরা তখনই ভাষা পায় যখন নিজামীর রায়ের দিন আসে, যখন খালেদা ফোন করে বলে, ‘র‌্যাব বন্ধ করে দেয়ার জন্য কিছু করুন……’

মৌলবাদের পরামর্শক, জামায়াতে ইসলামের এজেন্ট এই সংগঠনটি ভুলে যায় বিশ্বজুড়ে লন্ডন আর বৃটিশদের অত্যাচারের ইতিহাস। পলাশীর প্রান্তরের জন্ম দিয়ে নারকীয় তান্ডবের শুরু। চলেছে ৩০০ বছর। এই দীর্ঘ সময়ে ভারতবর্ষে কতো শতো গণকবর তারা রচিত করে গেছে তার খবর আজো সঠিকভাবে জানা যায়নি। কতো সূর্য সন্তানকে তারা চাবুকে পিটিয়ে পিটিয়ে মেরেছে। তখন মানবতা নিয়ে কোথায় ছিলো অ্যামনেস্টি……???

সারা পৃথিবীকে চাবকে চাবকে, ধমকে, আইন কানুনের ধর্ষণ করে শাসন করেছে বৃটিশরা। যুগ থেকে যুগে তারা চুরি করেছে পরের সম্পত্তি, বিদ্যা, বুদ্ধি, নারী, ধর্ম। আর সময়ের পালাবদলে কালো নরমাল প্যান্টের সাথে সাদা ফুলহাতা শার্ট ইন করে গলায় নীল কিংবা লাল রঙের টা্ি ঝুলিয়ে তারাই আজ নিজেদের সভ্য বলে দাবি করে। নৃ-তত্ব, ভূ-তত্ব, কোন তত্বেই বৃটিশদের নিজস্বতার কোন তথ্য নেই। শালা জোচ্ছুর কোথাকার। সেই দলের পোপ হয়ে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ বিষয়ক গবেষক আব্বাস ফয়েজ করে হাম্বি তাম্বি! বলি, নায়ক জসীম মরে গেছেন বলে কি বাঙ্গালি থাবড়া দেওয়া ভুলে গেছে ভেবেছিস…..???

মিস্টার ইংল্যান্ডু….আর ইউ ক্যান ইমাজিন যে সামথিং ইজ ভেরী রং? ম্যারিকার মতো নিজের হাতে তৈরি অস্ত্রই (ওসামা বিন লাদেন, মৌল সন্ত্রাসবাদ) তোমার গোয়ায় ঢুকবে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে তার মতো করেই। চামচামিবিদ্যা ইজ নট বেটার দ্যান ফারুকী’স পিপড়াবিদ্যা। মাইন্ড ইটু। দেশ আমাদের। দেশের ভালো মন্দও আমাদের। এ নিয়ে তোমার আলগা নাক চুলকানি উই ডুন্টু লাইক এন্ডু এলাউু……. ভালো হয়ে যাও…..অকে মিস্টার ইংল্যান্ডু….???

১ thought on “ইংল্যান্ডের এত চুলকায় ক্যারে, অ্যামনেস্টি জবাব দে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *