নায়লা নাইম , একটি প্রশ্ন ও নারীর প্রুতি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি

নায়লা নাঈম।অনলাইন ও মিডিয়ার এক আলোচিত নাম। ফেসবুকে খোলামেলা ছবি দিয়ে যিনি ইতমধ্যে অনেকের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।তার শাড়ী থেকে শুরু করে ব্রার সাইজ সবই যেন ফেসবুক দুনিয়ার আলোচনার বিষয়বস্তু ।তার একেকটি ষ্ট্যাটাস কিংবা সেলফিতে লাইকের ঝড় বয়ে যায়,তাকে নিয়ে পত্রিকার বিনোদন বিভাগে নিউজ হয় ।আর যাদের ধর্মাণুভূতি কিংবা ভদ্রতানূভুতি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাকে ঘিরে তাদের গালি গালজ খিস্তিখেঊড়ও চলতে থাকে সমান তালে। গালি গালজ খিস্তি খেউড় কী ধরনের ভদ্রতাবোধ, ধর্মবোধের পরিচয় দেয় তা তারাই ভাল জানে ।


নায়লা নাঈম।অনলাইন ও মিডিয়ার এক আলোচিত নাম। ফেসবুকে খোলামেলা ছবি দিয়ে যিনি ইতমধ্যে অনেকের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।তার শাড়ী থেকে শুরু করে ব্রার সাইজ সবই যেন ফেসবুক দুনিয়ার আলোচনার বিষয়বস্তু ।তার একেকটি ষ্ট্যাটাস কিংবা সেলফিতে লাইকের ঝড় বয়ে যায়,তাকে নিয়ে পত্রিকার বিনোদন বিভাগে নিউজ হয় ।আর যাদের ধর্মাণুভূতি কিংবা ভদ্রতানূভুতি ক্ষতিগ্রস্থ হয় তাকে ঘিরে তাদের গালি গালজ খিস্তিখেঊড়ও চলতে থাকে সমান তালে। গালি গালজ খিস্তি খেউড় কী ধরনের ভদ্রতাবোধ, ধর্মবোধের পরিচয় দেয় তা তারাই ভাল জানে ।

আমরা জানি যে আমাদের এই বস্তুবাদী সমাজে নারীকে এখনও পণ্য হিসেবে দেখা হয়। নারী যেন এখনও শুধুই ভোগের বস্তু। যেহেতু নারী নিজেই এখনো ভোগ্য পণ্য, পণ্যের বিজ্ঞাপনে তাই নারীর বাড়তি ব্যবহারও বেশ লক্ষণীয় । পণ্য কিনার সময় পণ্যের গুণাগুণের চেয়ে চেয়ে পণ্যের মডেলের কথা আগে ভাবে এমন অনেক মানুষ রয়েছে এই সমাজে। কিছু মানুষের এই ধরনের মনস্তত্বকে কাজে লাগায় বিজ্ঞাপন দাতারা।পণ্যের বিজ্ঞাপনে তাই সুন্দর মুখশ্রীর জয়জয়কার থেমে নেই এখনও ।

সৌন্দর্য প্রকৃতির এক অপূর্ব দান ।সবাই সে সৌন্দর্য পায় না, পাওয়া উচিতও না ।নারীর সৌন্দর্য পুরুষের কাছে সবসময় আকর্ষনীয়।নারীর সৌন্দর্যকে উপজীব্য করে যুগ যুগ ধরে রচিত হয়েছে বহু শ্রেষ্ঠ সাহিত্য,আকা হয়েছে বহু মহৎ চিত্রকর্ম । নারীর সৌন্দর্য অনেকের জন্য নুতুন ব্যবসার দ্বারও উন্মুক্ত করে, অনেকের জন্য তা অর্থ উপার্জনের হাতিয়ারও বটে।অনেকটা কোন মহান শিল্পীর আকা শ্রেষ্ট কোন চিত্র কর্ম যা এক সময় তিনি খুব অল্প দামে বিক্রি করে ছিলেন জীবিকার প্রয়োজনে কিন্তু আজ সেটা নিলামে বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে এর বর্তমান মালিক। হুমায়ুন আজাদ বলেছিলেন “ক্ষুধা ও সৌন্দর্যবোধের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। যে-সব দেশে অধিকাংশ মানুষ অনাহারী, সেখানে মাংসল হওয়া রূপসীর লক্ষণ; যে-সব দেশে প্রচুর খাদ্য আছে, সেখানে মেদহীন হওয়া রূপসীর লক্ষণ। এজন্যেই হিন্দি আর বাঙলা ফিল্মের নায়িকাদের দেহ থেকে মাংস চর্বি উপচে পড়ে। ক্ষুধার্ত দর্শকেরা সিনেমা দেখে না, মাংস ও চর্বি দেখে ক্ষুধা নিবৃত্ত করে।” বর্তমান বাস্তবতায় এই উক্তির কিছুটা সংশোধনযোগ্য। নব্বই এর দশকের পর থেকে আমাদের দেশের মানুষের বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থার বেশ বড় সড় একটা পরিবর্তন হয়েছে ।দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়েছে ,বেড়েছে দারিদ্র বিমোচনের হার ,গড় আয়ু ইত্যাদী । এর সুফলের অনেকটাই ভোগ করে গড়ে উঠেছে একটি মডারেট মধ্যবিত্ত শ্রেনী।সেই সঙ্গে গড়ে উঠেছে ফেসবুক ভিত্তিক একটা নুতুন প্রজন্ম যাদের কাছে পরীক্ষার খবর , দেশের খবর , বিনোদনের খবর সব কিছুর উৎস যেন ফেসবুক।বিনোদন মাধ্যমের প্রুতি মানুষের রুচিরও বেশ বড়সড় একটা পরিবর্তন হয়েছে।মানুষ এখন চর্বি ওয়ালা মডেল-নায়িকা থেকে জিরো ফিগারের মডেল-নায়িকাদেরকে বেশী পছন্দ করে।কোন স্থুল নায়িকার ভেজা শরীরের নাচ থেকে স্লিম ফিগারের মডেলের ক্যাট ওয়ার্ক এখন অনেক বেশী আকর্ষনীয় ,অনেক বেশী আবেদনময় ।বলা যায় যে পুরুষের চাহিদা বিবর্তিত হয়েছে কিন্তু নারীর প্রুতি পুরুষের দৃষ্টি ভঙ্গি রয়ে গেছে সেই আগের জায়গায় । কিছু মানুষের এই ধরনের চাহিদাকে পুজি করে নায়লা নাঈমেরা আলোচনায় আসে।সস্তা প্রচারের আশায় নিজেকে বস্তু হিসেবে তুলে ধরে ।সেই সঙ্গে কিছু প্রুতিষ্ঠানও এই ধরনের চাহিদাকে কাজে লাগায়।কিছু দিন আগে লাক্স চ্যানেল আই সুপারষ্টার প্রুতিযোগীতায় অংশ নিতে আগ্রহী এক প্রুতিযোগীর সাক্ষাৎকার দেখেছিলাম।সেখানে সে বলেছিল যে সে এই প্রুতিযোগীতায় অংশ নিতে চায় কারন এই প্রুতিযোগীতা নারীর ক্ষমতায়নকে উৎসাহিত করে। আমার সামান্য বিদ্যাবুদ্ধিতে মাথায় ঢুকেনি যে কি করে এই ধরনের প্রুতিযোগিতা নারীর ক্ষমতায়নকে উৎসাহিত করে । এই ধরনের প্রুতিযোগিতায় খুব অল্প কয়েক জন নারীই প্রুতিষ্ঠা পায় এবং তাদের প্রুতিষ্ঠার পিছনে অভিনয় বা নাচের দক্ষতার চেয়ে তাদের সুন্দর মুখশ্রীর ভূমিকা অনেক বেশী। যে প্রুতিযোগীতা সুন্দর মুখশ্রীর স্বল্প কিছু নারী কে প্রোমট করে সে প্রুতিযোগীতা কী করে নিজেকে নারীর ক্ষমতায়ন বা নারীকে বস্তু পিন্ড হিসেবে হিসেবে তুলে ধরার বিপক্ষে নিজের প্রচারনা চালায় তা আমি বুঝি না । যূগের প্রয়োজনে নুতুন শিল্পীর প্রয়োজন। নুতুন অভিনয় শিল্পী ,কন্ঠ শিল্পী তুলে আনার প্রয়োজনে তাই ট্যালেণ্ট হান্ট প্রুতিযোগিতার আয়োজন হতেই পারে কিন্তু লক্ষ করলে দেখা যায় যে এই ধরনের প্রুতিযোগীতা প্রায় প্রুতি বছর আয়োজন করা হয় ,প্রায় প্রুতি বছর সেরা ১০-২০ জন কে নিয়ে মূল্ পর্ব আয়োজন করা হয় ।এদের সবাই চায় মিডিয়ায় প্রুতিষ্ঠা পেতে কিন্তু প্রশ্ন হল প্রুতি বছর এত মডেল অভিনেত্রীকে স্থান দেওয়ার মত জায়গা কি আমাদের দেশের মিডিয়ার আছে? এদের মধ্যে যারা সত্যিকারের ভাল অভিনেত্রী তারা শেষ পর্যন্ত টিকে যায়। কেউ কেউ কিছুদিন ষ্ট্রাগল করে শেষ পর্যন্ত প্রবাসী কিংবা দেশীয় কোন কোটিপতি কে বিয়ে করে মিডিয়া থেকে দুরে সরে যায়। কেউবা আবার খ্যাতির লোভে কিংবা টিকে থাকার প্রয়োজনে পা বাড়ায় অন্ধকার পথে। এই ধরনের উচ্চাভিলাষী নারীদের ব্যবহার করে নিজের আখের গুছিয়ে নেয় এই সমাজেই লুকিয়ে থাকা ভদ্রবেশী এক দল পুরুষ। বস্তুত এই ধরনের পুরুষেরা আমার কাছে কোন পতিতাপল্লীর দালালের সমতুল্য । আর ঐ ধরনের উচ্চাভিলাষী নারীদের চেয়ে রাস্তার মোড়ে কাষ্টমারের খোজে দাড়ানো কোন পতিতাকে আমার বেশি অনেক বেশি মহৎ বলে মনে হয় ।পতিতারা নিজের দেহকে ব্যবহার করে বেচে থাকার প্রয়োজনে,দুমুঠো ভাতের লোভে ।তাদের অনেকের জন্মই পতিতাপল্লীতে,কেটেছে শৈশব, প্রথম যৌবন এমন কি বার্ধক্যের শেষ দিন গুলিও । তাদের একটু আলোকের ষ্পর্শে আনার জন্য কিছুই করেনি এই সমাজ।কাজেই পতিতাবৃত্তি যদি লজ্জাজনক হয় তবে এই লজ্জার সবচেয়ে বড় দায়ভার আমাদের এই সমাজের। বিপরীত দিকে নায়লা নাইমেরা নার্সিসিজমে ভুগে নিজের দেহকে ব্যবহার করে শুধুমাত্র কিছু টিভিসি আর ঈদের কিছু নাটকের লোভে।অভিনয়ের সীমাবদ্ধতা তারা ঢাকতে চায় শরীর দেখিয়ে । বিখ্যাত হবার অদম্য বাসনায় তারা ভুলে যায় নিজেকে ,নিজের আত্ব মর্যাদাকে।

নায়লা নাঈম কি পোশাক পরবে তা তার একান্তই ব্যক্তিগত ব্যাপার তা নিয়ে আমার কোন আগ্রহ নেই।কিন্তু যখন সে নিজের দেহ কে ব্যবহার করে সস্তা প্রচারের আলোয় আসতে চায় তখনই প্রশ্নটা তৈরী হয়। আমরা সমাজে নারীর অধিকার নিয়ে কথা বলি, বলি যে একজন নারীকে বস্তু বা মাংস পিন্ড হিসেবে বিবেচনা না করে প্রকৃত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে কিন্তু নায়লা নাঈমের মত কেউ যখন জনপ্রিয়তার আশায় খোদ নিজেকে মাংস পিন্ড হিসেবে তুলে ধরে তখন এর প্রুতিবাদে যারা নারীর অধিকার নিয়ে কাজ করেন তাদের কাউকে দেখা যায় না কেন ? তবে নায়লা নাঈমের সমালোচনার আগে সব পুরুষের আত্বউপলব্ধির বড় প্রয়োজন। নায়লা নাইম কে গালি দেয়ার আগে তাই ভেবে দেখুন আপনি একজন নারীকে কি হিসেবে দেখেন,বস্তু হিসেবে নাকি মানুষ হিসেবে ।যদি বস্তু হিসেবে দেখে থাকেন তাহলে বলব একজন নারীকে চর্বিযুক্ত কিংবা চর্বিছাড়া মাংস পিন্ড হিসেবে না দেখে একজন মানুষ হিসেবে দেখুুন না কেন নায়লা নাইমেরা কোথায় হারিয়ে যায় ? নারীর অধিকার প্রুতিষ্ঠার পূর্বে তাই সবার আগে প্রয়োজন নারীর প্রুতি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি পরিবর্তনের।

১১ thoughts on “নায়লা নাইম , একটি প্রশ্ন ও নারীর প্রুতি আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি

  1. নায়লা নাইমের যদি এতই শরীর
    নায়লা নাইমের যদি এতই শরীর দেখাবার ইচ্ছে থাকে, তবে এক কাজ করা যায় —

    ৬৪ টি জেলার প্রতিটি স্টেডিয়ামে তার শরীর প্রদরশনের ব্যবস্থা করা হোক। শো তো হাউসফুল হবেই; নায়লা নাইম অর্ধশত কোটি টাকার মালিক হয়ে যাবেন অল্প কয়দিনেই। শুধু ৬৪ তি জেলার জেলা স্টেডিয়ামেই এই আয়োজন করলে প্রতি স্টেডিয়ামে অন্তত ১৫,০০০ দর্শকও হয়, টিকিটের দাম যদি ৫০০ রাখা হয়, তাহলে নায়লা মিয়ার ইনকাম হবে ৬৪*৫০০*১৫০০০ = 480000000 টাকা ৪৮ কোটি টাকা, তাও এক বছরে ।

    তাহলে নায়লা মিয়ার আর কষ্ট কইরা সিনামা আর মটেলিং কইত্তে হইবোনা। সারাজীবন উনি পায়ের উপর পা তুলিয়া খাইতে পারিবেন।

    1. এদের বাবার টাকার অভাব নেই,
      এদের বাবার টাকার অভাব নেই, টাকার লোভে এরা এই সব করে না। এদের এক টাই লক্ষ যে করেই হোক বিখ্যাত হতে হবে। পর্দায় নিজেকে দেখতে এদের খুব ভাল লাগে। নিজেকে দেখে নিজেই মুগ্ধ হয়।যতই দিন যায় মুগ্ধতার পরিমান বাড়তে থাকে । যখন বয়সের ভারে নিজের রুপ লাবণ্য হারিয়ে যায় তখন আবার এদের কেউ কেউ নিজেকে একেবারেই গুটিয়ে ফেলে। এক ধরনের মানসিক রোগ, এদের দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন

  2. মেয়েদের একটু চেহারা হলেই এদের
    মেয়েদের একটু চেহারা হলেই এদের পিঁপীলিকার মত পাখা গজায়,উড়িবার জন্য হন্যে হয়ে যায়!
    নায়লা আর ব্যতিক্রম হবে কেন? যত খোলামেলা হতে পারবে ততই মার্কেট! তাহলে ঠেকায় কে নায়লাকে!

    1. প্রুতিভা না থাকলে শুধু শরীর
      প্রুতিভা না থাকলে শুধু শরীর দেখিয়ে এই মার্কেট বেশী দিন ধরে রাখা যায় না। অতীতেও অনেকে পারে নি, এরাও পারবে না কিন্তু এই ধরনের প্রবণতা উদ্বেগজনক

  3. ।তার একেকটি ষ্ট্যাটাস
    কিংবা

    ।তার একেকটি ষ্ট্যাটাস
    কিংবা সেলফিতে লাইকের ঝড়
    বয়ে যায়,তাকে নিয়ে পত্রিকার
    বিনোদন বিভাগে নিউজ হয় ।

    মানতে পাড়লাম না,তার ভালো পোষ্ট গুলো বেশি হলে ৬০০ থেকে ৮০০ লাইক পরে।আর তার খোলা মেলা ছবিতে কম হলেও ১৫০০ লাইক পরে।আসলে সাবাই তাকে পছন্দ করে না,তার দেহ কে পছন্দ করে।

    1. এক জন উঠতি মডেলের জন্য ৮০০
      এক জন উঠতি মডেলের জন্য ৮০০ থেকে ১৫০০ লাইক কি কম? অনেকে আবার লাইক মারে না কিন্তু কমেন্টে গিয়ে ঠিক ই গালাগালি করে। অনেক নিরপেক্ষ সুশীল আবার লাইক ও মারে না ,কমেন্টেও গালাগালিও করে না কিন্তু ঠিকই নিয়মিত নায়লা নাইমের খোজ খবর রাখে । নায়লা নাইম খুব স্বল্প সময়ে যথেষ্টই আলোড়ন তৈরী করেছে

  4. বাহ… সুশীলদের মেলা বসেছে
    বাহ… সুশীলদের মেলা বসেছে দেখি! সুশীলরা ঠিকাদারী নিয়েছে কে কি পরবে না পরবে, কে কিভাবে নিজেকে উপস্থাপন করবে, ফেসবুকে কেমন ছবি দেবে, সেটাও সুশীলরা ঠিক করে দিবে। বাহ… চমৎকৃত হলাম। একজন তার ব্যক্তি স্বাতন্ত্রের বহিঃপ্রকাশ কিভাবে করবে, সেটা সম্পূর্ণই তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। সেটা নিয়ে কটাক্ষ করা কিংবা সমালোচনার নামে তার মাধ্যমে সমাজের অবক্ষয়কে গ্লোরিফাই করা, তাকে জ্ঞান দেয়া.. এসব যে অন্যের ব্যক্তিগত ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করা তথা অসভ্যতার পর্যায়ে পড়ে, সেটা সুশীলরা বোধ হয় বুঝে উঠতে পারেনি।

    আবালীয় পোষ্ট এবং সেই সাথে আবালী কমেন্টের বাহারে তব্দা খাইলাম।

    1. আমি মূলত দুটো বিষয় কে
      আমি মূলত দুটো বিষয় কে প্রাধান্য দিতে চেয়েছি। প্রথমটি হল এই শরীর দেখানো প্রবণতা বিভিন্ন সুপ্রুতিভা চর্চা যেমন অভিনয় ,সঙ্গীত চর্চা ইত্যাদীকে নিরুৎসাহীত করে। দ্বিতীয়টি হল দীর্ঘদিন আমাদের সমাজে নারীকে পণ্য হিসেবে তুলে ধরার যে সংস্কৃতি তৈরী হয়েছে , সেই সংস্কৃতিকে প্রমোট করে। সিনেমায় একজন অভিনেতা বা অভিনেত্রী কি পোশাক পরবে তা নির্ভর করা উচিত সিনেমায় সে কী ধরনের চরিত্রে অভিনয় করছে তার উপর। সিনেমার চরিত্র যদি হয় বার গার্লের তাহলে একজন অভিনেত্রী বার গার্লের পোশাক পরতে পারে ।পুরো বিষয়টা হওয়া উচিত চিত্র্যনাট্য নির্ভর ।কিন্তু চরিত্র ডিমান্ড না করার পরও পর্দায় শরীর প্রদর্শন কোন অর্থেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং সেটা নারী পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলে আমি মনে করি।
      কারও ব্যক্তিগত স্বাধীনতা যদি সমাজের জন্য ক্ষতির কারন হয়ে দাড়ায় তাহলে এর বিরুদ্ধে কিছু বলা যাবে না !! আজব কথা শুনাইলেন। ব্যক্তি নায়লা নাইম কি পোশাক পরবে বা কি ভাবে জীবন চালাবে সেটা তার ব্যাপার । এ বিষয়ে কিংবা ব্যক্তি নায়লা নাইমের প্রুতি আমার কোন আগ্রহ নেই। কিন্তু নায়লা নাইমের এই প্রবণতা যে একটা অসুস্থ প্রবণতা (সেটা নারীর পণ্যায়ন কিংবা প্রুতিভার চর্চা দুদিক দিয়ে )এটা প্রচার করা কোন অপরাধ নয়।
      নায়লা নাঈমের ব্যক্তিগত কাজকর্ম যদি আমার কাছে সমাজের জন্য ক্ষতিকারক বলে মনে হয় তাহলে তার কাজ কর্মের সমালোচনা করাও আমার ব্যক্তি গত অধিকারের মধ্যে পড়ে এই বোধটুকু না থাকলে ভবিষ্যতেও আবালীয় তব্দা খাইতেই থাকবেন

  5. অনেক দিন ধরে এই ব্যাপারে
    অনেক দিন ধরে এই ব্যাপারে ভাবছিলাম। আজকে আপনি এই নোংরা মস্তিষ্ক মানুষদের প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *