জামাত-শিবিরের বিনোদন প্রদানকারী ছাড়া আর কিছু নয়,খালি কারনে অকারনে আমদের হাসায় আর জ্ঞান বাড়ায়

জামাত-শিবিরের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ থাকব।এই এক মাত্র শিবিরের জন্য আমি ইতিহাস ও ধর্ম সম্পর্কে অনেক অনেক কিছু জানতে পারলাম।
বিশেষ করে বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ইসলামি ইতিহাস।এই একমাত্র শিবিরের কতগুলা বিনোদনীয় কথা-বার্তা কতটা কাল্পনিক তা দেখার জন্য আমি এসব নিয়ে জানা এবং পড়া শুরু করি।এরপর পরতে পরতে এত কিছু জেনে গেলাম বাংলাদেশ এবং ইসলাম ধর্ম নিয়ে তাতে শিবিরের উপর আমার বিনোদন প্রিয়তা আরও বেড়ে গেল।সাথে আরও বেড়ে গেল আমার ইতিহাস বিষয়ে আগ্রহ।সাথে ইসলাম ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাও।

জামাত-শিবিরের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ থাকব।এই এক মাত্র শিবিরের জন্য আমি ইতিহাস ও ধর্ম সম্পর্কে অনেক অনেক কিছু জানতে পারলাম।
বিশেষ করে বাংলাদেশের ইতিহাস এবং ইসলামি ইতিহাস।এই একমাত্র শিবিরের কতগুলা বিনোদনীয় কথা-বার্তা কতটা কাল্পনিক তা দেখার জন্য আমি এসব নিয়ে জানা এবং পড়া শুরু করি।এরপর পরতে পরতে এত কিছু জেনে গেলাম বাংলাদেশ এবং ইসলাম ধর্ম নিয়ে তাতে শিবিরের উপর আমার বিনোদন প্রিয়তা আরও বেড়ে গেল।সাথে আরও বেড়ে গেল আমার ইতিহাস বিষয়ে আগ্রহ।সাথে ইসলাম ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাও।
সত্যি কথা বলতে কি জামাত-শিবির যে কতটুকু খারাপ রাজনীতি এবং ইসলামের অপপ্রচার করে তা নিয়ে আমর মনে এখন বিন্দু মাত্র সন্দেহ নেই।শিবিরের কোন নেতার মতো আমাকে কেউ জামাত-শিবির বিরোধী ব্রেইন ওয়াশ করে নাই।কেও আমকে সত্য জানার জন্য রিকুয়েস্ট ও করে নাই।এই সব কিছুই করছি আমি জামাত-শিবিরের দাবির সত্যতা যাচায়ের জন্য।
আমার অনেক বন্ধু আমাকে নানা প্রকার প্রশ্ন করতো অথবা দাবি করত জামাত-শিবিরের নানা নৈতিক কাজকর্ম নিয়ে(যদিও এই সকল দাবি আমি গবেষণার মাধ্যমে ভুল প্রমান পেয়েছি)।

যাই হোক, জামাত-শিবির দাবি করে তারা ইসলাম এবং প্রিয় নবী হযরত মহাম্মাদ(সঃ) এর আদর্শ নিয়ে নাকি রাজনীতি করে।তারা যে কতটুকু ইসলাম এবং প্রিয় নবী হযরত মহাম্মাদ(সঃ) এর আদর্শ নিয়ে রাজনীতি করে তা যাচাই করার জন্য আমার বেশী কষ্ট করতে হয় নি,কারণ তাদের আদর্শের প্রমাণ তারা নিজ হাতেই দিয়ে দিয়েছ। তাদের দাবি ছিল তারা নাকি চাঁদে সাঈদীকে দেখেছে।
আমি তাদের কাছে প্রশ্ন করতে চাই তারা কি পবিত্র কোরান শরীফ এর সকল আয়াতের সঠিক অর্থ জানে?যদি জেনে থাকে তাহলে এই সকল আজাইরা আউল-ফাউল দাবি তারা কিভাবে করে?আর যদি না জেনে থাকে তাহলে তাদের ধর্মীও রাজনীতির প্রশংসা করতে হবে।ইসলামের নাম নিয়ে তাদের এই নতুন ধর্ম আসলেই প্রশংসনীয়।

তাদের নতুন ধর্মে তারা বর্ণিত করেছে নাস্তিককে হত্যা করা তাদের ঈমান।কিন্তু কষ্ট লাগলো এটা শুনে যে তারা নাকি এই জ্ঞান ইসলামের বিভিন্ন পবিত্র গ্রন্থ থেকে পেয়েছে।আমি তাদের চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারব ইসলামের কোন গ্রন্থ বা কোন লিখিত অথবা মৌখিক বাক্যে এইরকম কোন কথা বর্ণিত নাই। আমি এত দিনে বিভিন্ন পবিত্র গ্রন্থ থেকে এই বিষয়ে যা জানতে পারলাম তা হল—-
“সর্বদা তাদের সাথে ধর্মীয় বিষয়ে আলোচনা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবে, কিন্তু যদি দেখ তারা বিভিন্ন প্রশ্নের কারনে তাদের ধর্মীয় বিশ্বাস হারায় তাহলে তুমি তোমার জ্ঞানের আলোকে যথাপুযুক্ত ভাবে তাদের প্রশ্নের জবাবের মাধ্যমে তাদের ধর্মের প্রতি বিশ্বাস ও শ্রদ্ধাশীল করে তুলবে।আর যদি না পার তাহলে সর্বদা চেষ্টা করে যেতে থাক। কিন্তু কখনো তাদের উপর জোর-জবরদস্তি করা চলবে না।’’

তাহলে তারা কিভাবে বলতে পারে যে,নাস্তিকদের জায়গা এই দেশে নাই??( যদিও বড় কথা এই যে,বাংলাদেশ কোন ধর্মীয় রাষ্ট্র না।)
তাদের ধর্মীও আদর্শতা দেখার জন্য এর থেকে বেশী প্রমানের কোন দরকার নেই।তারা কোন ধর্ম থেকে এই সকল তথ্য পায় তা আমার জানা নেই।কারন আমার ইসলাম আমাকে এই জ্ঞান দেয়নি।

ও হ্যাঁ আর ও একটি বিশেষ কারনের জন্য জামাত-শিবিরকে অসংখ্য ধন্যবদ তারা মাঝে মধ্যে আমাদের নানা আজব-গুজব কথা বলে প্রতিনিয়ত মজা দিয়ে থাকে।এখন মন খারাপ থাকলে আমি জামাত-শিবিরের বিভিন্ন পেজে গিয়ে বসে থাকি।তাদের কথা-বার্তা শুনে এত হাঁসি পাই যে ২ মিনিটে মন ভাল হয়ে যায়। সবাই আবার এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে গিয়ে যদি মেজাজ খারাপ হয়ে যায়,তাহলে আমি দায়ী নই।

এই পোস্টটি সম্পূর্ণ আমর নিজের ধারায় লেখা।কোন ভুল থাকলে ক্ষমা করবেন।

৫ thoughts on “জামাত-শিবিরের বিনোদন প্রদানকারী ছাড়া আর কিছু নয়,খালি কারনে অকারনে আমদের হাসায় আর জ্ঞান বাড়ায়

  1. জামাত-শিবির বিনোদন দাতা ভাবলে
    জামাত-শিবির বিনোদন দাতা ভাবলে ভূল করবেন। জামাত-শিবির হলো সমাজে ক্যানসারের জীবানু। এরা সমাজে ক্যানসার ছড়ায়। তবে সেটা অবশ্যই তাদের মাঝে যারা ধর্মান্ধ, অবশ্যই ধর্ম ভীরু নয়।

  2. দেশের মানুষ বুঝে কম চিল্লাই
    দেশের মানুষ বুঝে কম চিল্লাই বেশী। তারা যদি বুঝত জামাত শিবিরের কথার মানে তাহলে ৮ ৯ জন হাসতে হাসতে প্রতি মাসে মরে যাইতো…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *