দুরনিতির খেলা

আজ সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে গিয়েছিল। কলেজে ২টা পরিক্ষা আছে। তাই মাথায় চাপ নিয়েই ট্রেনে উঠলাম। এসব আর বলতে চাই না। আমার বক্তব্য আজ অন্য। প্রতিদিন ট্রেনে করে কলেজে যাই। আজকেও যাচ্ছিলাম। আর এমন সময় আমার মনে হল নচিকেতার আমি সরকারি কর্মচারী গানটা। না এমনি এমনি নয়। পরিক্ষার টেনশনে আমার মাথায় আর কিছু আসার কথা না। পরিক্ষা দিতে পারবো কিনা গিয়ে এ নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। অথচ এর মধ্যে আবার গান।
কারো ফাইল পাস করে
নিরলজ্যের মতো হাত
খানা পেতে দিতে পারি
আমি সরকারি কর্মচারী।
সরকারি কর্মচারী বলে তারা নিজেদের ভাবে বিশাল কিছু। আর দুর্নীতি করা তাদের কাছে কোন কিচ্ছু বলে পরিগনিত হয়না।

আজ সকালে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হয়ে গিয়েছিল। কলেজে ২টা পরিক্ষা আছে। তাই মাথায় চাপ নিয়েই ট্রেনে উঠলাম। এসব আর বলতে চাই না। আমার বক্তব্য আজ অন্য। প্রতিদিন ট্রেনে করে কলেজে যাই। আজকেও যাচ্ছিলাম। আর এমন সময় আমার মনে হল নচিকেতার আমি সরকারি কর্মচারী গানটা। না এমনি এমনি নয়। পরিক্ষার টেনশনে আমার মাথায় আর কিছু আসার কথা না। পরিক্ষা দিতে পারবো কিনা গিয়ে এ নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। অথচ এর মধ্যে আবার গান।
কারো ফাইল পাস করে
নিরলজ্যের মতো হাত
খানা পেতে দিতে পারি
আমি সরকারি কর্মচারী।
সরকারি কর্মচারী বলে তারা নিজেদের ভাবে বিশাল কিছু। আর দুর্নীতি করা তাদের কাছে কোন কিচ্ছু বলে পরিগনিত হয়না।
প্রতিদিন যাতায়াতের সময় আমার চোখে পড়বেই ট্রেনের টিটই না টিসি এর মধ্যে একটা হবে এরা কোন না কোন ভাবে যাত্রির সাথে অসুদুপায় অবলম্পন করে। যা অনেক কষ্টের সাথে সহ্য করে আমি চলি। তারা কিছু যাত্রিদের কাছে দমকির সাথে টিকিট চায় যাদে দেখে এক্তু অশিক্ষিত বলে মনে হয় সাধারনত গ্রামের লোক। যারা টিকিট দেখাতে পারে না তাদের কাছ থেকে মাত্র ১০-২০ টাকা নেয়। আর তাদের বসার সিটের ব্যবস্থা করে দেয়। অথচ যারা সততার খাতিরে ৩৫ টাকা দিয়ে স্ট্যান্ডিং টিকিট কিনে ট্রেনে উঠে তারা দাড়িয়েই যায়। যদিও দাড়িয়ে যাবার টিকিট, কিন্তু সেই ঘোষ দাতাদের বসার আগে সেই মানুষদের সিটে বসার অধিকার। আমার কাছে সততার মূল্য অনেক। এভাবে রেলের এসব কর্মচারীরা নানা ভাবে দুর্নীতি করেই চলে একের পর এক।বলতে সেশ করলে শেষ করা যাবে না। আজ যা হল তা দেখে আমি স্তম্ভিত। সামান্য টয়লেটের টয়লেট পেপের টাও তারা ছারতে নারাজ। টয়লেট পেপার টা মাথার টুপির মধ্যে ঢুকিয়ে তার ব্যাগে ভরে নিল। আর আমি তাঁর দিকে তাকিয়ে দেখছি। তখন তাঁর মুখটা চোর চোর ভাব ধারন করেছিল। সে নিজেও জান এটা উচিত নয়। তারপর এ যেন তাদের পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে কি সে খুব লাভবান হল!!! সামান্য টয়লেট পেপার এর বাণ্ডেল টা কি তার কেনার সামথ্য নেই। এভাবে আমাদের কাছে নানা ভাবে আর কত ছোট হবেন আপনারা!!!! তাদের মুখের মধ্যে থুথু দিতে ইচ্ছা করে আমার। ঘৃনায় আমার মন চায় তারা যখন দরজার পাশে দাঁড়ায় তখন এক লাত্থি মেরে নিচে ফেলে দেই।

২ thoughts on “দুরনিতির খেলা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *