প্রয়োজন সচেতন

বর্তমান সমাজের মেয়েরা নিজেদের ঠিক যতটুকু সমঅধিকারী ভাবে ঠিক ততটুকু যোগ্যতা তাদের মাঝে নেই।
শুধু যে অল্প বয়সী মেয়েরা তাই নয় ম-চাচী, ফুপি বয়সীরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে।
ছোট একটা ঘটনা বলি,
বছর ৩ আগে আমি যখন ইমেগ্রেশনের কাজে ঢাকা যাই তখন এক আত্মীয়ের বাসায় উঠেছিলাম।আত্মীয় যে বাসায় ভাড়া থাকতেন সেই বাড়ীওয়ালার একটা সুন্দরী মেয়ে ছিল।কলেজে পড়ে। ওর একটা পিচ্চি ভাই আছে।
মেয়েটা বেশ এলিট ক্লাসের ছিল।সারাদিন মেকাপ করা, টপস আর স্কিন জিন্স পড়া, কথায় কথায় ভেটকি মারা, আর হাত পা নড়ায় আজব এক ভঙ্গী করে কথা বলার মত মেয়ে আমার জনমে ২য় দেখিনি।

বর্তমান সমাজের মেয়েরা নিজেদের ঠিক যতটুকু সমঅধিকারী ভাবে ঠিক ততটুকু যোগ্যতা তাদের মাঝে নেই।
শুধু যে অল্প বয়সী মেয়েরা তাই নয় ম-চাচী, ফুপি বয়সীরাও এক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে।
ছোট একটা ঘটনা বলি,
বছর ৩ আগে আমি যখন ইমেগ্রেশনের কাজে ঢাকা যাই তখন এক আত্মীয়ের বাসায় উঠেছিলাম।আত্মীয় যে বাসায় ভাড়া থাকতেন সেই বাড়ীওয়ালার একটা সুন্দরী মেয়ে ছিল।কলেজে পড়ে। ওর একটা পিচ্চি ভাই আছে।
মেয়েটা বেশ এলিট ক্লাসের ছিল।সারাদিন মেকাপ করা, টপস আর স্কিন জিন্স পড়া, কথায় কথায় ভেটকি মারা, আর হাত পা নড়ায় আজব এক ভঙ্গী করে কথা বলার মত মেয়ে আমার জনমে ২য় দেখিনি।
মোটে ওদের বাসার ৩য় তলায় ৫ দিন ছিলাম। ৪র্থ দিনে ঘটল এক ঘটনা। রাত তখন ৯ প্রায়, খবর দেখতে বসেছি হঠাৎ ২য় তলা থেকে চিৎকার আছে।
চাচা কে সাথে নিয়ে দৌড় দিয়ে এসে দেখি মেয়ের বাবার প্রেসার লো। হা পা খিচুনি দিয়ে বিছানায় পড়ে আছে, আর কাঁপতেছে।
চাচা বললো, ভাইকে তারাতাড়ি হাসপাতালে নিয়ে চলেন। বাসায় কারো কাছে নিকতস্থ হাসপাতের এম্বুলেন্সের নাম্বার নেই। ধরাধরি করে নিচে নেমে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল।
৩ তলার একটা বাসায় কোন এম্বুলেন্সের নাম্বার নেই, নিকতস্থ হাসপাতালের নাম্বার নেই।
বাড়িওয়ালা ভদ্রলোকের আত্মীয় স্বজন রা দূরে থাকেন। তিনি জব করেন।
ভরসা শুধু মেয়ে আর বউ। এখন যদি বেচারা মরেও যায় তাও বউ মেয়ের কাছে সাহায্য পাওয়া ক্ষীন, কারন তারা ভয়ে অস্থির আসলে করবে কি??
এক্ষেত্রে মেয়েদের একটিভ হওয়া উচিত, সেদিন মেয়েটাকে গাধার মত একটা প্রশ্ন করেছিলাম, “আচ্ছা তোমাদের বাসার ঠিকানা কি? মানে বাসা নং, রোড নং “”
পরে বুঝলাম আসলে প্রশ্নটা ঠিক ছিল, কারন মেয়েটা হা মেলে ছিল সে তার বাসার নং এ জানে না।
যাদের বাসায় ছেলে নেই, বা ছোট বাচ্চা তাদের কে বিশেষ ক্ষেত্রে এলার্ট থাকা উচিত। যা বেশির ভাগ মেয়েরা থাকে না। এরা কলেজ, ফ্রেন্ড, ফেসবুক নিয়ে যেমন বেশি সিরিয়াস, অন্য দিক গুলো নিয়ে তেমন না।
বিষয় গুলো কেমন হতে পারে?
যেমনঃ
১) নিকতস্থ হাসপাতাল ও এম্বুলেন্সের নাম্বার রাখতে পারে! সরকারী নাম্বার বাদেও এম্বুলেন্সের ড্রাইভার এর নাম্বার টুকে রাখা যায়।
২) ফায়ার ব্রিগেডের নাম্বার রাখা
৩) হাই প্রেসার, লো প্রেসার, হার্ট এটাক হলে অস্থির না হয়ে কিভাবে পরিস্থিতি কন্ট্রোল করা যায়।
৪) অন্তত নিজেদের বাসার পূর্নাঙ্গ ঠিকানা রাখা।
৫) আত্মীয় স্বজনের রক্তের গ্রুপ কি এব্যাপারের ছোট একটা ডুকুমেন্টরি তৈরি করে রাখা যায়।
এতে কোন ক্ষতি নেই, বরংচ বিপদের সময় কাজে লাগে। আমি যে শুধু মেয়েদের সমালোচনা করছি তা নয়, ছেলেদের ও উচিত এসব বিষয়ে সচেতন থাকা।
তবে মেয়েরা বেশি উদাসিনী থাকে তাই।

২ thoughts on “প্রয়োজন সচেতন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *