ফ্রিল্যান্সিং : শুরু করবেন যেভাবে

ব্লগটি পড়ার আগে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং এর গুরুত্ব পড়তে ভুলবেন না।

আমরা সবাই স্বাধীন থাকতে চাই, চাকরি-ব্যবসা করে অনেকেই হাঁপিয়ে উঠি। জীবনে চাওয়া পাওয়া পূর্ণ হলেও চাকরির মতো গোলামিতে একঘেয়েমি বা ব্যাবসা ধ্বসের টেনশন থাকে। তাই হঠাৎ করেই এমন এক ধরণের স্বাধীন পেশার উদ্ভব হয়ে গেছে যেটা না ব্যবসায়ের মতো ঝুঁকিপূর্ণ না চাকরির মতো একঘেয়ে।


ব্লগটি পড়ার আগে বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং এর গুরুত্ব পড়তে ভুলবেন না।

আমরা সবাই স্বাধীন থাকতে চাই, চাকরি-ব্যবসা করে অনেকেই হাঁপিয়ে উঠি। জীবনে চাওয়া পাওয়া পূর্ণ হলেও চাকরির মতো গোলামিতে একঘেয়েমি বা ব্যাবসা ধ্বসের টেনশন থাকে। তাই হঠাৎ করেই এমন এক ধরণের স্বাধীন পেশার উদ্ভব হয়ে গেছে যেটা না ব্যবসায়ের মতো ঝুঁকিপূর্ণ না চাকরির মতো একঘেয়ে।

হ্যাঁ, এটাই ফ্রিল্যান্সিং/আউটসোরসিং। এটা এমন একটা স্বাধীন পেশা যা নির্দিষ্ট সময়ে করে দিতে হয়। কাজের বিভিন্ন শ্রেনীভেদ আছে। যেমনঃ পারসোনাল অ্যাসিস্টেন্স, বিজনেস প্ল্যান, সেলস ও মার্কেটিং, অ্যাকাউন্টিং, ফিনান্সিং, অডিট, ডাটা এন্ট্রি, কন্টেন্ট/কপি রাইটিং, আর্টিকেল রাইটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সহ আরো অনেক কাজ পাওয়া যায়। যদি এসবের কোনটাই না জানেন তাহলে কোর্স করে নিয়ে তারপরে এসব কাজ করতে পারবেন।

তা কোথায় পাবেন এইসব কাজ? এসব কাজের জন্য আপনাকে যেতে হবে অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতে। এগুলি আমাদের দেশের জব মার্কেটপ্লেস গুলোর মতো। যেমনঃ বিডিজবস, প্রথম আলো জবস, সার্চ করলে এরকম বিশ পঁচিশটা মার্কেটপ্লেস পেয়ে যাবেন। টপ চারটি হলোঃ ওডেস্ক ডট কম, ফ্রিল্যান্সারস ডট কম, গেট এ কোডার ডট কম, ইল্যান্স ডট কম।

কিভাবে শুরু করবেন?

কোর্স করা আছে? তাহলে চিন্তা কি? এবার অনলাইন মারকেটপ্লেস গুলিতে ঢুকে রেজিস্ট্রার করে নিন। আর যদি না করা থাকে তাহলে কোথাও সম্পূর্ণ ফ্রিল্যান্স কোর্স করে নিন। চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের জন্য ফ্রিল্যান্স ও শ্রেনীভেদ অনুযায়ী তিনটি ভিন্ন বেসিক কোর্সের ব্যবস্থা করেছি আমি। যোগযোগ করতে লিংকে যেয়ে ক্লিক করুন। লিংক- বেসিক কোর্স

কাজের পরিধিঃ

কাজ ২০ ডলার থেকে ৫০০০ ডলার এর হয়ে থাকে। নতুন দের দরকার নীচ থেকে শুরু করা। আর টিম বা গ্রুপ ভিত্তিক হলে ভালো হয়। আস্তে আস্তে বড় কাজ আপনার হাতে ধরা দেবে।

পেমেন্ট মেথডঃ

সাধারণতঃ দুই রকম ভাবে আপনি আপনার কাজের পেমেন্ট পাবেন আপনার ক্লায়েন্ট থেকে।
১। ব্যাঙ্ক ওয়ার
২। ডেবিট কার্ড

যাদের ডাচ বাংলা বা ব্র্যাক ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট তারা খুব সহজেই টাকা নিয়ে আসতে পারবেন। এজন্য অনলাইন অ্যাকাউন্ট গুলিতে আপনার ব্যাং অ্যাকাউন্ট নাম্বারটি বসানো খুব জরুরি। যেমন ডাচ বাংলার নং ১০২১১১২১২২৪৫৬ টাইপ হয়ে থাকে। তিনটি অনলাইন পেমেন্টের নাম দিলাম-
১। পাইওনিয়র
২। পেয়জা
৩। স্ক্রিল

এগুলোর মাধ্যমেই আবার আপনি আপনার টাকা গুলি তুলতে পারবেন তাদের কাছে ডেবিট কার্ড অ্যাপ্লাই করে। তবে ভুলেও সেসব অনলাইন ফ্রিল্যান্স সাইটে জব খুজবেন না যেগুলোতে পেপাল সিস্টেম আছে।

যা থাকা দরকারঃ

১। আপনার ই-মেইল(যেটি দিয়ে অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলো তে রেজিস্টার করেছেন।
২। একটি স্কাইপি আইডি।
৩। টেনশনবিহীন পর্যাপ্ত সময়।
৪। আপনার ক্লায়েন্ট, যিনি আপনাকে কাজ দিবেন, তার কথা শোনার ধৈর্য।
৫। ঝঞ্ঝা, শব্দহীন পরিবেশ।

যা অবশ্যই পরিহার যোগ্যঃ

১। অসময়ে বন্ধু বান্ধবের সাথে সময় কাটানো। এর চাইতে চিন্তা করুন কিভাবে কাজ সমাধান করবেন।
২। মোবাইল, স্মার্টফোন।
৩। ফেসবুক ব্যবহার।

তাহলে তৈরি করুন নিজেকে ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য!!!

৯ thoughts on “ফ্রিল্যান্সিং : শুরু করবেন যেভাবে

  1. ধন্যবাদ আপনার এই সুন্দর
    ধন্যবাদ আপনার এই সুন্দর পোস্টের জন্য।

    সাথে একটু যোগ করতে চাই।
    ধরুন, কেউ একজন ফ্রিল্যান্সিং করে এবং অনলাইনে কাজ করে টাকা উপার্জন করে কিন্তু তাকে পেমেন্ট দেওয়া হয় পে-পলে।
    বাংলাদেশ থেকে এই টাকা কিভাবে উত্তোলন করা সম্ভব?

    যেহেতু এই পোস্টের সাথে অর্থের বিষয়টি জড়িত তাই এ বিষয়েও আলোকপাত করা দরকার ছিল।
    আশা করি, বিষয়টি বিবেচনা করে সংযুক্তি দেবেন।

    আপনার লেখার জন্য ধন্যবাদ।

  2. ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য সঠিক
    ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য সঠিক দিক নির্দেশনামুলক পোস্ট। বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সার তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের কাজ করার বিরাট একটা সুযোগ অপেক্ষা করছে। সমস্যা হচ্ছে পেমেন্ট গেটওয়ে। সবচেয়ে ভাল হত যদি পেপ্যাল সুবিধা আমাদের দেশে থাকত। আশাকরি পেপ্যাল কর্তৃপক্ষ ও সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক হবেন।

  3. আরো বিস্তারিত তথ্য যোগ করলে
    আরো বিস্তারিত তথ্য যোগ করলে ভাল হত।

    আর যদি না করা থাকে তাহলে কোথাও সম্পূর্ণ ফ্রিল্যান্স কোর্স করে নিন। চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের জন্য ফ্রিল্যান্স ও শ্রেনীভেদ অনুযায়ী তিনটি ভিন্ন বেসিক কোর্সের ব্যবস্থা করেছি আমি।

    কাজ শেখার জন্য যে শুধু র্কোস করতে হয় তা নয়, ইউটিঊব থেকেও শেখা যায়। এখন অনেকে ফ্রিল্যান্সিং শেখানোর নাম করে প্রতারণা করে থাকে। তারা কাজ না শিখিয়ে মার্কেটপ্লেসে ঢুকিয়ে দেয়। আর হ্যা কাজ না শিখে মার্কটপ্লেসে যাওয়া উচিত না। কারণ এরা নিজেকে না বাংলাদেশকেই উপস্থাপন করবে।

    ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *