জন্মদিন কিংবা মৃত্যু দিবস কোনটাই মুসলিম হিসাবে আমাদের পালোন করা উচিত্ নয়।

যদি এটা করতে শরিয়তে বলা হ

তাহলে প্রতিদিনই আমাদের

নবী এবং রাসুল দের

জন্মদিন পালন এবং মৃত্যু

দিন পালন করতে হত।। আমাদের নবী এটা পছন্দ

করতেন না।

যদি এটা করতে শরিয়তে বলা হ

তাহলে প্রতিদিনই আমাদের

নবী এবং রাসুল দের

জন্মদিন পালন এবং মৃত্যু

দিন পালন করতে হত।। আমাদের নবী এটা পছন্দ

করতেন না।

তাহলে আপনি আমি মুসলিম

হয়ে কি করে আয়োজন

করে পোলাও কোরমা খেয়ে কেক

কেটে কিংবা বিরানী পার্টি দিন গুলোকে পালন করি। আর একটি গূরুত্বপূর্ন

কথা এটা ঘ্রীস্টান দের

চিহ্ন। তারা এগুলো আয়োজন

করে পালন করে।

আমরাও তাই করছি।

আপনিও করছেন। তার প্রমান

আপনি আমি আমরা ইংরেজি ক্য

মেনে এটা পালন করি।

কিন্তু কখনো শুনেছেন ঈদ-

এ-মিদুন্নাবি

কখনো ইংরেজি ক্যালেন্ডার মেনে পালিত হয়েছে? আমরা তো অনেকে বলতেই পারব

না যে আরবী সন

অনুযায়ী আমাদের

জন্মতারিখ কবে? আসুন নিজেদের মানসিকতায়

পরিবর্তন আনি। এটি শুধু আমার মুসলিম ভাই

দের প্রতি লেখা। অন্য

ধর্মাবলম্বি ভাইদের

সম্পর্কে আমার কিছু

বলা হয় নি।

৪ thoughts on “জন্মদিন কিংবা মৃত্যু দিবস কোনটাই মুসলিম হিসাবে আমাদের পালোন করা উচিত্ নয়।

  1. আর একটি গূরুত্বপূর্ন
    কথা এটা

    আর একটি গূরুত্বপূর্ন
    কথা এটা ঘ্রীস্টান দের
    চিহ্ন।

    ঘ্রীস্টান কি খায় না মাথায় মাখে?
    ইষ্টিশনের সম্ভবত লেখা সেন্সর করার সময় এসেছে!
    এটা কি সাম্প্রদায়িক উস্কানিমুলক কথা নয়?

Leave a Reply to একজন আইজুদ্দিন Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *