ইসলাম – ১

(শুধুমাত্র মুসলমানদের জন্য- )
গুঁজবে কান দিয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার মমিনুল ভিটামিন এ ক্যাপ্সুল আর কৃমির ট্যাব্লেট খায়নাই । এখন বুঝলাম কেন সেঞ্চুরি পায়নাই । ওরে ,তরা কেউ অরে টাইট কইরা ধর ! আগে হুদাই মুশফিকরে দোষ দিছি ! অথচ মুশফিক আর আবুল হাছান সারাক্ষণ গ্যালারীর দিকে তাকায় থাক্লেও ক্যাপ্সুল খাইতে কোন গণ্ডগোল করেনাই । কিউট বয়েজ ।


(শুধুমাত্র মুসলমানদের জন্য- )
গুঁজবে কান দিয়ে জাতীয় দলের ক্রিকেটার মমিনুল ভিটামিন এ ক্যাপ্সুল আর কৃমির ট্যাব্লেট খায়নাই । এখন বুঝলাম কেন সেঞ্চুরি পায়নাই । ওরে ,তরা কেউ অরে টাইট কইরা ধর ! আগে হুদাই মুশফিকরে দোষ দিছি ! অথচ মুশফিক আর আবুল হাছান সারাক্ষণ গ্যালারীর দিকে তাকায় থাক্লেও ক্যাপ্সুল খাইতে কোন গণ্ডগোল করেনাই । কিউট বয়েজ ।

যায়ি হউক, পূর্নবয়স্ক ব্যক্তিরও ভিটামিন এ ক্যাপছুল খাইলে কিছুটা বমি বমি ভাব হয়। বাচ্চাদের এটা হয় আরও বেশী। ওষুধের স্বাভাবিক কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া প্রতিবছরই হয়। তবে সেটা খুবই সীমিত আকারে। ঠিক সেই ব্যাপারটাকেই পুঁজি করে দেশব্যাপী এক হাস্যকর গুজব ছড়াইল শিবুরা । ক্যাপস্যুল এবং কৃমির ওষুধ খাওয়ানো হবে সেটা নিম্নমানের এবং মেয়াদোত্তীর্ণ । আরও ছড়াইল এটা ভারতীয় একটা কোম্পানির তৈরি, যেই কোম্পানির এই ওষুধ তৈরির নাকি অনুমোদনই নেই। যদিও সরকার যেটা সাপ্লাই দিচ্ছে সেটা একটা ক্যানাডিয়ান কোম্পানির তৈরি করা ওষুধ।

কোরআন শরীফের উপর পাড়া দিয়া যারা চুরি চামারি করতাছে তাদের কথা না হয় বাদ দিলাম ,কিন্তু সত্যেরচে গুজবে কান দেয় ওইসব মানুষ যারা কুরআনের চর্চা করেনা ,এরা সত্যকে জানেনা,এরা সত্যকে চায়না । এই ভেড়ার পাল অলৌকিক ব্যাপারে মত্ত হইতেই বেশি ভালবাসে । এই নির্বোধেরা সারা দিনরাত সাস্থ্যকেন্দ্রের ডাক্তারগুলিরে নাজেহাল করছে । এরা ধর্মপ্রাণ আমি এই ডায়লগ প্রত্যাখ্যান করলাম । জামাত-শিবির তো মুনাফেক ,আর যারা যাচাই না কইরা কান দিল পরিষ্কার ধর্মান্ধ । হজরত বায়েজিদ বোস্তামি (রহ) বলেন , যদি তোমরা কাউকে দেখো সে বড় বড় কারামত ও অলৌকিক কিছু প্রদর্শন করছে ,তবুও তার ফাঁদে পা দেবেনা। যতক্ষণ শরিয়তের বিধানের প্রতি সে পূর্ণ যত্নবান কিনা তা জানতে না পারবে ।

রাসুলুল্লাহ(স) এর যুগে সাহাবারা বাপ-দাদার সম্পত্তির মত ইসলাম পায় নাই । নিজ যাচাইয়ে সত্যের তাড়নায় মুছলমান হইছে । হযরত তোফায়েল ইবনে আমের(রা),হযরত সালমান ফার্সি(রা),ইহুদীদের বড় পণ্ডিত ও পরে সাহাবি হযরত যায়েদ ইবনে সানআ(রা),হযরত উমর(রা) এদের ইসলাম গ্রহণের ঘটনাগুলো পড়ে দেখতে পারেন । মোজেজা দেইখা এরা কেউ মুসলমান হায়নাই কারন এরা জানত মোজেজা মুসা(আ) এর গোত্র-ও দেখাইত । তারা ফকিন্নি শিবিরের মত গুঁজব না সত্যি-ই যাদু/কুফরি কালাম বা ব্ল্যাক ম্যাজিক জানত । হ্যা,মোজেজার অবশ্যই গুরুত্ব আছে আর তা যখন মানুষ সব দিক দিয়া নিশ্চিত হওয়ার পরও রাসুলকে খোচাইছে শুধু তারা যেন ইসলাম থেকে বঞ্চিত না হয় এ কারনে,এ কারনে নবীগণের দ্বারা আল্লাহ ব্ল্যাক ম্যাজিক পরাস্ত করতেন । তবে আসল ব্যাপার হইল প্রেরিত রাসুল(আ)গণের আখলাক । এটিই আসল মোজেজা যার কারনে মানুষ মুসলমান হইত বা হয় ।

সাহাবারা(রা) বলেন এমন এক যুগ ছিল যেসময় মুনাফেকরা জামাত তরক(মিস) করতনা ।গুঁজব ছড়ানি তো দূরে থাক শরীয়তের কোন বিধান লঙ্ঘন করতে সাহস পাইতনা । আর এইসব করত মুসলমানের রাজত্বে থাকার সুবিধা আর বণ্টিত গনিমতের মাল পাওয়ার লোভে । সে সময় মুনাফেকরা ছিল ভীত,তারা জানত একটু এদিক সেদিক হইলেই কোনরকম মোজেজা ছাড়াই স্রেফ কোরআনের পাণ্ডিত্তে ভুগিচুগি ফাঁস হয়া যাইব কারণ মানুষ কুরআনকে ধারণ করত ।আর আজকে মুনাফেকরা এই স্পর্ধা করে ,তার কারণ পাব্লিক কুরআন জানেনা । যদি জানত, তারা দেখত জেহাদের সময় কুরআন হাতে নিয়া জেহাদ করার কোন দলিল নাই । অথচ হাস্যকর আজিব এই ভাঁওতা দিয়া তারা ভেড়ার পালরে ঈমান দেখায় ।

আহ ! কোন এক যুদ্ধবিজয়ের পর(সম্ভবত রোম ) এক ব্যক্তি সম্রাটের এক বাক্স পাইল যার ভিতরে মূল্যবান মণিমুক্তা ছিল । রাতের বেলা যখন গণিমতের মাল হিসাব হইতেছিল তখন ওইখানে অন্ধকার থেকে কেউ একজন একটা বাক্স ফিক্কা মেরে হাঁটা ধরে তখন সবাই হাঁক দিল – কে,তুমি?নাম কি ? অন্ধকার থেকে সে বলল,আমি কে তা জানার দরকার নাই । যার জানার দরকার সে জানে । এহেন মুখলেস হওয়ার কারনে কেউ তার পিছু নেয়ার সাহস পায়নাই আর সে অজ্ঞাত থেকে যায় । আর আমাদের ইস্লামের রক্ষাকরতারা ২০২১ সালে গুলশান প্রজেক্ট করে ।

“আর যখন তাদেরকে বলা হয় যে, দুনিয়ার বুকে দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করো না, তখন তারা বলে, আমরা তো মীমাংসার পথ অবলম্বন করেছি।” ( কুরআন ২:১১)

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “মনে রেখো যদি কোন মুসলমান কোন অমুসলিম নাগরিকের উপর নিপীড়ন চালায়, তাদের অধিকার খর্ব করে,তার কোন বস্তু জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়, তাহলে কেয়ামতের দিন আমি আল্লাহর আদালতে তার বিরূদ্ধে অমুসলিম নাগরিকদের পক্ষ অবলম্বন করব।”
(আবু দাউদ)
রাসুলুল্লাহ (স) এর নিকট এক সাহাবি জানতে চাইলেন , সমস্ত মাখলুকের মধ্যে নিকৃষ্ট কে? তিনি বললেন , খারাপের প্রশ্ন কোরো না,ভালর কথা জিজ্ঞাসা কর । নিকৃষ্টতম আলেমগনই হইল নিকৃষ্টতম মাখলুক ।

অপর এক হাদিছে আছে , বদকার আলেমদের প্রতি জাহান্নামের আজাব অতি দ্রুত অগ্রসর হইবে । মূর্তিপূজকদের আগেই তাদেরকে শাস্তি দেয়া হচ্ছে বলে তারা যখন আশ্চর্যবোধ তখন তাদের বলা হবে , জেনে অপরাধ করা আর না জেনে অপরাধ করা সমান হতে পারেনা । এখানে তাদের বিচার কাফেরেরচে কঠিন ।

মুনাফেক কাফের থেকেও নিকৃষ্ট ,ভয়ংকর । একারনেই আল্লাহ তাদের স্থান জাহান্নামে কাফেরদেরও নিচে রাখছেন ।

(হাদিসগুলো সহিহ ।তবে কিছু রেফারেন্স মনে নাই, কারো আগ্রহ থাকলে কিতাব দেখে নিবেন)
:মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

৪ thoughts on “ইসলাম – ১

  1. তবে আসল ব্যাপার হইল প্রেরিত
    তবে আসল ব্যাপার হইল প্রেরিত রাসুল(আ) গণের আখলাক। এটিই আসল মোজেজা যার কারণে মানুষ মুসলমান হইত বা হয়।

    1. তাদের কথা ধর্মের কথা তাই বা
      :হাহাপগে:
      তাদের কথা ধর্মের কথা তাই বা কে বলে ?
      নির্বোধেরা এসব কথায় ডিগবাজি দিয়া চলে ।
      EVERYBODY IS PAID BACK BY HIS OWN COIN ..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *