বাকস্বাধীনতার বাকবাকুম !

একজন তসলিমা নাসরিনের কাছে কি বিশাল রাষ্ট্রটিও অসহায়,
নইলে কি তাকে নাগরিক নিরাপত্তাহীনতায় নির্বাসনে যেতে হয় ?
একজন তসলিমা নাসরিনের কাছে সংবিধানই মস্ত প্রশ্নবোধক,
বলো, মাতৃভূমির সংজ্ঞা কেন একেক ব্যাক্তিভেদে একেক ?
একজন তসলিমার কাছে সার্বভৌমত্ব যেনো নির্মমতার পরিহাস,
নিজের দেশ হারিয়ে তা্র নিভৃতে বিদেশ বিভূঁইয়ে পরবাস ।

তসলিমার লেখায় মহান শান্তির ধর্ম ইসলামও নড়বড়ে ভঙ্গুর,
ইসলাম টিকাতে তার কল্লা পাচলাখ ঘোষনা দিলো হুগুর ।
তসলিমার লেখায় আসমানী কোরানের বানীও যেন ফাপালো,
নাস্তিকের ফাঁসি চাই, চলো চলো মোমিন ঢাকাতে চলো ।
একজন তসলিমার কলমে যখন স্বয়ং আল্লার অস্তিত্ত্বই হুমকিতে,

একজন তসলিমা নাসরিনের কাছে কি বিশাল রাষ্ট্রটিও অসহায়,
নইলে কি তাকে নাগরিক নিরাপত্তাহীনতায় নির্বাসনে যেতে হয় ?
একজন তসলিমা নাসরিনের কাছে সংবিধানই মস্ত প্রশ্নবোধক,
বলো, মাতৃভূমির সংজ্ঞা কেন একেক ব্যাক্তিভেদে একেক ?
একজন তসলিমার কাছে সার্বভৌমত্ব যেনো নির্মমতার পরিহাস,
নিজের দেশ হারিয়ে তা্র নিভৃতে বিদেশ বিভূঁইয়ে পরবাস ।

তসলিমার লেখায় মহান শান্তির ধর্ম ইসলামও নড়বড়ে ভঙ্গুর,
ইসলাম টিকাতে তার কল্লা পাচলাখ ঘোষনা দিলো হুগুর ।
তসলিমার লেখায় আসমানী কোরানের বানীও যেন ফাপালো,
নাস্তিকের ফাঁসি চাই, চলো চলো মোমিন ঢাকাতে চলো ।
একজন তসলিমার কলমে যখন স্বয়ং আল্লার অস্তিত্ত্বই হুমকিতে,
মিছিল-মিটিং সবি হলো তার বলিষ্ঠকন্ঠ থামিয়ে দিতে ।

তসলিমা মানববাদী, নারীবাদী চায় নারীর পূর্ণ যৌন-স্বাধীনতা,
হায়! মোর চারখানা শষ্যক্ষেত, খায়েশ মিটাবে কে তা ?
তসলিমা জানান দেয়, বেহেস্ত দোজখ পরকাল বলে কিছু নেই ।
ইমানদন্ডে দণ্ডায়মান গেলমান বলে ৭২হুরী গেলো কই ?
তসলিমা জানায় নবি রসুল পয়গম্বর বহাল স্বঘোষিত ঘোষনায়,
মোমিন বংশ কেমনে বাড়াই অবলা চারখানা কারখানায় ?

তসলিমা নারীর সম অধিকার চেয়ে সোচ্চার বলিষ্ঠ এক কণ্ঠস্বর ।
তবে, ফুপু, খালা, মা, বোনের কুক্ষিগত সম্পদের বহর ?
একজন তসলিমা নাসরিন পুরো জাতীয় শক্তির চেয়েও শক্তিধর,
রাষ্ট্রযন্ত্র ধর্মমন্ত্র গোঁজামিলতন্ত্রে তসলিমাতেই এতো ডর !
আমি ভবঘুরে পুরুষ হয়েও নারীর মানবাধিকারের সমান্তরালেও,
তুমি আমারি মতোই মানুষ, মা-বোন-স্ত্রীর অন্তরালেও ।

তসলিমা নির্বাসনে সত্য, তার বিদ্রোহী কলম তো নির্বাসনে নয়,
মসীর বিরুদ্ধে অসী ধরলে, অসীধারীরই চুড়ান্ত পরাজয় ।
ধর্ম তুমি নারীবাদে পরাজিত, রাষ্ট্র সমাজ সভ্যতাও বেকায়দায়,
লেখার জন্য নির্বাসনে, সভ্যদেশ কি এড়াতে পারে এ দায় ?
রাষ্ট্র তোমার ভাঙ্গবে কবে বলো, দুই যুগের এই কুম্ভকর্ণের ঘুম ?
নইলে ঘুমের ঘোরে বকছো কেন বাকস্বাধীনতার বাকবাকুম !

-ভবঘুরে বিদ্রোহী (ভবদ্রোহী)
পুরান ঢাকায় থেকে
২৭/০৮/২০১৪, ০২ঃ১৫
উৎসর্গঃ নির্বাসিত নারীবাদী নারীমুক্তিকামী প্রথাবিরোধী লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে ।

৩ thoughts on “বাকস্বাধীনতার বাকবাকুম !

  1. অসাধারণ লিখেছেন! তবে ভাই,
    অসাধারণ লিখেছেন! তবে ভাই, তসলিমা আর আসিফ সম্প্রতি কোরানের উপর চায়ের কাপ রেখে কাজটা ঠিক করেন নাই। এতে করে, মৌলবাদী সম্প্রদায়কে আরও উস্কে দেয়া হল। উনারা এরকম করতে থাকলে আমরা যতই চাই না কেন, যতই উনাদের দেশে আসার দাবিকে সমর্থন করিনা কেন, উনাদের দেশে আসার ব্যাপারটা কিন্তু কঠিন হয়ে পরবে।

  2. বাঙলাদেশের নাগরিক হিসেবে
    বাঙলাদেশের নাগরিক হিসেবে তসলিমার অধিকার আছে এ দেশে থাকার এবং নিজের সুচিন্তিত মতামত লিখে বই প্রকাশ করার। আবার ভিন্ন মতাবলম্বীদের অধিকার আছে সেটার বিপক্ষে মতামত প্রকাশ করার। তবে কখনোই গায়ের জোরে কাউকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে দেশ ছাড়া করার কোন অধিকার নেই কারো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *