বাংলাদেশে ভারতীয় চ্যানেল সম্প্রচার কি বন্ধ করা উচিত? – আমি মনে করি না!

ইদানিং অনেককেই দেখছি এদেশে ভারতীয় চ্যানেল বন্ধের দাবীতে সোচ্চার হতে। এমনকি এই দাবীতে প্রতিকার চেয়ে একজন আইনজীবি দেশের উচ্চ আদালতে রীটও করেছেন। কিন্তু আমি তাদের সাথে একমত নই। আমি চাই না এদেশ হতে ভারতীয় চ্যানেল বন্ধ করা হউক।
আসলে আমি আমার মা কে নিয়ে চিন্তিত। আমি না হয় বাহিরে আড্ডা দেই। তার উপরে বাসায় থাকলে কম্পিউটার আর ফেইসবুকতো আছেই। তাই আমার বিনোদনের সোর্সের অভাব নেই। কিন্তু আমার মা এর একমাত্র বিনোদনের সোর্স হলো ভারতীয় চ্যানেল জী বাংলা আর স্টার জলসা।


ইদানিং অনেককেই দেখছি এদেশে ভারতীয় চ্যানেল বন্ধের দাবীতে সোচ্চার হতে। এমনকি এই দাবীতে প্রতিকার চেয়ে একজন আইনজীবি দেশের উচ্চ আদালতে রীটও করেছেন। কিন্তু আমি তাদের সাথে একমত নই। আমি চাই না এদেশ হতে ভারতীয় চ্যানেল বন্ধ করা হউক।
আসলে আমি আমার মা কে নিয়ে চিন্তিত। আমি না হয় বাহিরে আড্ডা দেই। তার উপরে বাসায় থাকলে কম্পিউটার আর ফেইসবুকতো আছেই। তাই আমার বিনোদনের সোর্সের অভাব নেই। কিন্তু আমার মা এর একমাত্র বিনোদনের সোর্স হলো ভারতীয় চ্যানেল জী বাংলা আর স্টার জলসা।

আসলে আমাদের উচিত ভীনদেশি চ্যানেল বন্ধ না করে, কেন এদেশের অধিকাংশ মানুষ জাহিদ হাসান, মোশাররফ করিম, চঞ্চল, তিশার মত দূর্দান্ত অভিনেতা অভিনেত্রীর থাকার পরেও, মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী, অমিতাভ রেজা, সালাউদ্দিন লাভলুর মত পরিচালক থাকার পরেও এদেশের নাটক না দেখে ভীনদেশি নাটক সিরিয়াল দেখছে তার কারণ খুঁজে বের করা।

এর কিছু কারণ আমিই বলে দেই।
আমার মা সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রমের শেষে রাতে বিনোদনের আশায় টিভি দেখতে বসেন। মা যদি ভারতীয় এই সব চ্যানেল দেখে তবে রাতে অন্তত চার থেকে পাঁচটা সিরিয়াল দেখতে পারে (সর্বোচ্চ)। কিন্তু আমাদের দেশি চ্যানেলগুলো বিনোদন মুলক অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে এত বিজ্ঞাপন প্রচার করে যে তা সত্যি বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময়ই বিজ্ঞাপনের ফাঁকে আপনি যদি দুই এক মিনিটের জন্য কোন কাজ করতে টিভির সামনে থেকে উঠেন কিংবা অন্য কোন চ্যানেলের অনুষ্ঠান দেখেন তবে এত বিজ্ঞাপণের ভীড়ে আপনি অনেক সময়ই ভুলে যাবেন আপনি এত ক্ষণ কোন চ্যানেলে কোন অনুষ্ঠান দেখছিলেন। তার উপরে সবজান্তা বিশেষ অজ্ঞদের আঁতলামী পূর্ণ টকশোর কথা নাই বা বললাম।

আমার প্রশ্ন হলো, আমার মা কি সারাদিনের অক্লান্ত পরিশ্রমের শেষে বিজ্ঞাপন কিংবা আঁতলামীপূর্ণ টকশো দেখার আশায় টিভি দেখতে বসেন?

বাস্তবতা হচ্ছে এদেশে বর্তমানে কোন সত্যিকারের বিনোদন মূলক চ্যানেল নেই। যা আছে তা হলো বহুজাতিক কোম্পানীর বিভিন্ন পণ্যের বিজ্ঞাপণ প্রচারের বাণিজ্যিক চ্যানেল। মাঝে মাঝে আপনি কনফিউজড হয়ে যাবেন এই ভেবে যে, আমাদের চ্যানেলগুলো কি বিনোদনমূলক অনুষ্ঠানের ফাঁকে ফাঁকে বিজ্ঞাপন দেখায়? নাকি বিজ্ঞাপনের ফাঁকে ফাঁকে অনুষ্ঠান দেখায়?
আর অপ্রিয় হলেও সত্য শুধুমাত্র এই কারণেই কেবলমাত্র আমার মা না আজ বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি ঘরের প্রায় সব মা’ই এই সকল ভারতীয় চ্যানেলে উনাদের বিনোদন খুঁজে নিয়েছেন। স্বেচ্ছায় নয়, অনেকটা বাধ্য হয়েই।

আচ্ছা আপনাকে একটা প্রশ্ন করি।
ধরুণ বাংলাদেশ বনাম ভারতের ক্রিকেট ম্যাচ হচ্ছে। খেলা সরাসরি দেখাচ্ছে বাংলাদেশি চ্যানেল নাইন কিংবা GTV ও ESPN। জয়ের জন্য বাংলাদেশের প্রয়োজন ৬ রান। হাতে আছে শেষ ওভারের শেষ তিন বল। ব্যাট করছে রুবেল হোসাইন। বল করছে জহির খান। অপর প্রান্তে আছে আমাদের অধিনায়ক মুশি। প্রথম বলে রুবেল কোন রান নিতে পারে নি। একটি ডট বল। হাতে আছে মাত্র দুই বল, প্রয়োজন ৬ রান। দ্বিতীয় বলে সে এক রান নিলো। ক্রিজে এখন আমাদের মুশি। বাংলাদেশের প্রয়োজন আর ৫ রান হাতে আছে মাত্র একটি বল। কিংবা ধরুন ভারত ব্যাটিং করছে। শেষ ওভারের শেষ তিন বলে তাদের প্রয়োজন ১০ রান। ব্যাট করছে ধোনী। বল হাতে আমাদের সাকিব। পরপর দুই বলে দুইটি চার মেরেছে ধোনী। ভারতের প্রয়োজন শেষ বলে মাত্র দুই রান। চরম উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচ। আপনি একবার টিভির সামনে সোফায় বসছেন আবার উঠে দাঁড়াচ্ছেন। আপনার পাশে আদরের ছোটবোনটি প্রার্থণা করছে মনে প্রাণে। ভয়ে তার চোখ দুটো বন্ধ। টেনশানে আপনার হাতের নখ প্রায় সবগুলোই ছিঁড়ে ফেলছেন এমন অবস্থা। সেই সময় আপনি কোন চ্যানেলে খেলা দেখবেন?

আমি কিন্তু ভীনদেশি চ্যানেল ESPN কেই পছন্দ করবো। কারণ আপনি যদি বাংলাদেশি চ্যানেল নাইনে কিংবা GTV তে খেলা দেখেন তবে আপনি সেই উত্তেজনা পূর্ণ মুহুর্তে দেখবেন কোন একটি বহুজাতিক কোম্পানীর পণ্যের বিজ্ঞাপন। আর আপনি যদি ESPN এ খেলা দেখেন তবে দেখবেন শেষ বলে আমাদের মুশির সজোড়ে হাকানো সীমানা পার করা ছক্কা কিংবা সাকিবের শেষ বলে ধোনীর সজোড়ে উচিয়ে মারা বলটা দূর্দান্ত এক ক্যাচ হিসেবে লুফে নিয়েছে আমাদেরই নাসির্। ফলাফল বাংলাদেশের জয়।

ওহ! আপনাকে একটা তথ্য দেই। ICC এর নিয়মে ৬ বলে এক ওভার হলেও বাংলাদেশি চ্যানেলেগুলোর নিয়মে ৫ বলেই এক ওভার্। আর যদি দয়া করেও আমাদের চ্যানেলগুলো শেষ বলটি বোনাস হিসেবে দেখায়ও তবে মুশির ছক্কা কিংবা নাসিরের ক্যাচের সাথে সাথেই তারা বিজ্ঞাপন প্রচার করা শুরু করবে। আপনি যদি রিপ্লে দেখার আশা করে থাকেনতো একটু বেশিই আশা করে ফেলছেন। একটু সবুর করবেন। বিজ্ঞাপন প্রচারের পরপরই তারা হয়তো তা দেখাবে।

তাই আমি চাই না এদেশে কোন ভিনদেশী চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ হউক। কারণ আমাদের হাতে কোন ভালো বিকল্প নেই। আমাদের অবশ্যই আগে ভালো কিছু বিকল্প তৈরী করতে হবে ভালো বিকল্প তৈরি না করেই যদি বাংলাদেশে ভারতীয় চ্যানেলগুলোর সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যায় তবে এদেশের চ্যানেলগুলো আরো আরো স্বৈরাচারী হয়ে উঠবে। প্রচুর বিজ্ঞাপন দেখাবে। তাদের ভাবখানা হবে এমন ‘দেখলে দেখ, না দেখলে মুড়ি খাও!’

তাই মাথা ব্যাথার কারণে সমাধান হিসেবে মাথাটাই কেঁটে ফেলার আমি ঘোরতর বিরোধী।
আসলে ভারতীয় চ্যানেল বন্ধ না করে আমাদের চ্যানেল গুলোর উচিত তাদের সাথে প্রতিযোগিতা করে এদেশের দর্শকদের আবার এদেশের অনুষ্ঠান মুখি করা। আর এজন্য অবশ্যই তাদের বিজ্ঞাপনের পরিমান কমাতেই হবে। আর অবশ্যই আঁতলামী পূর্ণ টকশোর হার কমিয়ে বিনোদন মূলক অনুষ্ঠানের পরিমান বাড়াতে হবে। ঘন্টায় ঘন্টায় একই সংবাদও না দেখিয়ে সংবাদ দেখানোর পরিমাণও কমাতে পারে তারা। কারণ ২৪ ঘন্টাই স্ক্রিনের নিচে স্ক্রল করে সেই সব সংবাদ দেখানো হয়।

সর্বোপরি আমার কথা হচ্ছে আমাদের ভারতীয় বা অন্যকোন ভীনদেশি চ্যানেল বন্ধ না করে তাদের সাথে প্রতিযোগীতা করা উচিত। এতে এদেশের অনুষ্ঠানের মানও আরো ভালো হবে। আর অনুষ্ঠানের (পড়ুন চ্যানেলের) মান আরো ভালো হলে দর্শকরা অবশ্যই ভারতীয় চ্যানেলের পরিবর্তে এদেশি চ্যানেলই দেখবে।

অনেকেই হয়তো বলবে কই ভারততো আমাদের চ্যানেল তাদের দেশে দেখায় না। আসলে সেটা আমাদের কূটনৈতিক ব্যার্থতা। এর উত্তর আমাদের রাজনীতিবিদগণই ভালো দিতে পারবেন। আমি কেবল মাত্র আমাদের মা বোনরা কেন বাংলাদেশী ভালো ভালো অনেক অনুষ্ঠান, নাটক ফেলে ভীনদেশি চ্যানেলের অনুষ্ঠান দেখে তাই বললাম।

১৩ thoughts on “বাংলাদেশে ভারতীয় চ্যানেল সম্প্রচার কি বন্ধ করা উচিত? – আমি মনে করি না!

  1. আপনার কথাগুলো যৌক্তিক?
    আপনার কথাগুলো যৌক্তিক? বাংলাদেশে দেখার মত কোন বিনোদন চ্যানেল নাই। যা আছে সেগুলো বিজ্ঞাপন চ্যানেল। আমি বুঝি না, মানুষ যেসব চ্যানেল দেখেনা বিজ্ঞাপনের জ্বালায়, সেসব চ্যানেলে বিজ্ঞাপনদাতারা বিজ্ঞাপন কেন দেয়?

  2. সহমত। ভারতীয় চ্যানেলের যে
    সহমত। ভারতীয় চ্যানেলের যে বিশাল দর্শক গ্রুপ আছে তার জন্য দেশীয় চ্যানেল গুলোর এমন কোন প্রচেষ্টা নেই যা তাদের দেশীয় চ্যানেল গুলো দেখতে উদ্বুদ্ধ করবে।রুট লেভেলের সাধারণ দর্শকদের বিনোদনের চাহিদা দেশীয় চ্যানেল গুলো বুঝতে পারেনা।হাতে গোনা দু একটা ভালো অনুষ্ঠান দ্বারা এই দর্শকদের দেশীয় চ্যানেল দেখতে বাধ্য করা সম্ভব না। এই সাধারণ দর্শকদের না বুঝে অনুষ্ঠান বানিয়ে আসলে লাভ নেই।

    1. অনুষ্ঠান ভালো হলেও লাভ নাই।
      অনুষ্ঠান ভালো হলেও লাভ নাই। যে পরিমান বিজ্ঞাপন দেখায় মানুষ শত ভালো অনুষ্ঠান হলেও একটা পর্যায়ে বিরক্ত হয়ে দেখা বন্ধ করে দিবে। সবকিছুরই একটা লিমিট থাকে কিন্তু এদেশের চ্যানেলগুলোর বিজ্ঞাপন প্রচারের কোন লিমিট নাই।

  3. ব্যবসা সম্পর্কে ধারনাহীন
    ব্যবসা সম্পর্কে ধারনাহীন মানুষজন টিভি চ্যানেল চালাচ্ছে। তাদের চ্যানেল তাদের পরিবারের সদস্যরাও দেখে কিনা সন্দেহ।

    1. একমত! আসলেই আমাদের চ্যানেল
      একমত! আসলেই আমাদের চ্যানেল মালিকদের ব্যবসা সম্পর্কে ধারণা নেই। আর তাদের পরিবারের কেউ এসব চ্যানেল দেখে বলে আমার মনে হয় না। :-/
      আমার মতে কাউকে ছোটখাট শাস্তি দিতে হলে আমাদের দেশি চ্যানেলগুলোতে বিজ্ঞাপন দেখতে বসিয়ে দেওয়া যেতে পারে। বেশি ক্ষণ দেখলে মাথা পাগল হয়ে যাবে। 😛

  4. পোষ্টের সাথে পূর্ণমাত্রায়
    পোষ্টের সাথে পূর্ণমাত্রায় সহমত। বিজ্ঞাপণের চোটে কি অনুষ্ঠান দেখছিলাম সেটা ভুলে যাই। চ্যানেল চেঞ্জ করে শেষে এইচবিও বা ডিস্কভারীতে গিয়ে থামি। সেখান থেকে নড়তে পারি না। বিদেশি চ্যানেলগুলো কি আয় করে না? ওগুলা নিশ্চয় আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম না। বিজ্ঞাপণ প্রচারেও সুষ্ঠু নীতিমালা নির্ধারণ করতে না পারলে দেশি চ্যানেল দর্শক হারাবে।

    1. ডিস্কভারী দেখতে বসলেতো
      ডিস্কভারী দেখতে বসলেতো উঠতেই
      ইচ্ছা করে না। হিস্ট্রি চ্যানেলটাও দারুণ।
      আর এই চ্যানেলগুলোতেও বিজ্ঞাপন
      দেখায়। কিন্তু আপনি রিমোর্ট টিপে অন্য
      চ্যানেল দেখার সুযোগই পাবেন না। মনের
      মধ্যে একটা ভয় কাজ করে।
      যদি বিজ্ঞাপনের পরে শুরুটা মিস
      করে ফেলি! তাদের অনুষ্ঠানের মান
      দূর্দান্ত! আর বাংলায়
      হওয়াতে তো আরো ভালো লাগে।
      বিজ্ঞাপন প্রচার সংক্রান্ত
      নীতিমালা করা মনে হয় খুবই
      জরুরী হয়ে গেছে।
      রংধনুর রং সাতটি! কিন্তু মানুষের
      রং কয়টি?
      জানিনা,তবে উত্তর খুঁজে বেড়াই।
      ভালোবাসি হরেকরকম মানুষের
      সাথে মিশতে।

  5. যত যাহা যুক্তি ফুক্তি দিন,
    যত যাহা যুক্তি ফুক্তি দিন, বন্ধ করার পখ্যে এম ন হাজারির টা যুক্তি খাড়া করা যায়। ভারতিয়দের চ্যানেল বন্ধ করার সময় হয়ে গেছে।

    1. শুধুমাত্র ভারতীয় চ্যানেল কেন
      শুধুমাত্র ভারতীয় চ্যানেল কেন বন্ধ করতে হবে? তাহলে পাকিস্থানী, আমেরিকান, বৃটিশ সহ অন্যদেশের চ্যানেল নয় কেন? 😮
      নাকি শুধুমাত্র ভারতীয় সংস্কৃতি হচ্ছে অপসংস্কৃতি বাকি সব সংস্কৃতি! 😮
      একদেশের বুলি অন্য দেশে গালি হতে পারে (সব ক্ষেত্রে না)। ভালো খারাপ সবদেশেই আছে।

    2. শুধুমাত্র ভারতীয় চ্যানেল কেন
      শুধুমাত্র ভারতীয় চ্যানেল কেন বন্ধ করতে হবে? তাহলে পাকিস্থানী, আমেরিকান, বৃটিশ সহ অন্যদেশের চ্যানেল নয় কেন? 😮
      নাকি শুধুমাত্র ভারতীয় সংস্কৃতি হচ্ছে অপসংস্কৃতি বাকি সব সংস্কৃতি! 😮
      একদেশের বুলি অন্য দেশে গালি হতে পারে (সব ক্ষেত্রে না)। ভালো খারাপ সবদেশেই আছে।

  6. ডিস্কভারী দেখতে বসলেতো উঠতেই
    ডিস্কভারী দেখতে বসলেতো উঠতেই ইচ্ছা করে না। হিস্ট্রি চ্যানেলটাও দারুণ। আর এই চ্যানেলগুলোতেও বিজ্ঞাপন দেখায়। কিন্তু আপনি রিমোর্ট টিপে অন্য চ্যানেল দেখার সুযোগই পাবেন না। মনের মধ্যে একটা ভয় কাজ করে। যদি বিজ্ঞাপনের পরে শুরুটা মিস করে ফেলি! তাদের অনুষ্ঠানের মান দূর্দান্ত! আর বাংলায় হওয়াতে তো আরো ভালো লাগে। 🙂
    বিজ্ঞাপন প্রচার সংক্রান্ত নীতিমালা করা মনে হয় খুবই জরুরী হয়ে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *