একের পর এক নিখুঁত হিসেব কষে চাল দিচ্ছে পেছনের কোন এক পাকা মাথা?

বুঝতে পারছি না একের পর এক নিখুঁত হিসেব কষে চাল দিচ্ছে পেছনের কোন পাকা মাথা?

বিএনপির দাবী কী? তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন, কারণ শুধু মাত্র সেই সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে পারলেই বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার আশা করতে পারে। কেন পারে? কারণ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গত চার বছরে বিশাল দুর্নাম কুড়িয়েছে। বলা যায় ফেব্রুয়ারির আগে তাদের জনপ্রিয়তা তলানিতে নেমে গিয়েছিল।


বুঝতে পারছি না একের পর এক নিখুঁত হিসেব কষে চাল দিচ্ছে পেছনের কোন পাকা মাথা?

বিএনপির দাবী কী? তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন, কারণ শুধু মাত্র সেই সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে পারলেই বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার আশা করতে পারে। কেন পারে? কারণ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার গত চার বছরে বিশাল দুর্নাম কুড়িয়েছে। বলা যায় ফেব্রুয়ারির আগে তাদের জনপ্রিয়তা তলানিতে নেমে গিয়েছিল।

কিন্তু বিএনপির সেই দাবী আদায়ের জন্য জামাত সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে বলে কি জামাতের এজেন্ডা সার্ভ করবে বিএনপি? তাই তো করছে! কেন করছে? কারণ বিএনপি গত চার বছরে জাতির সামনে এমন কোনো কর্মসূচি তুলে ধরতে পারেনি যা থেকে মনে করা যায় যে তারা জনগণের কথা ভাবে। অর্থাৎ দলগতভাবে বিএনপির জনসমর্থনও তলানিতে। সেখান থেকে উঠে আসতে হলে তাদেরকে জনগণের কাছে যেতে হতো। জনগণের দাবীর সাথে একাত্ম হতে হতো। কিন্তু তারা তা না করে নিজেদের ব্যক্তিগত লাভালাভির বিষয়ে মাঠ গরম করতে চেয়েছে।

যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় ঘোষণার পর পরই যখন জামাত রাজনীতির মাঠ তাতিয়ে তোলে সেই তাতানো মাঠে রুটি সেঁকতে নেমেছে বিএনপি। ফেব্রুয়ারির পর থেকে প্রতিদিনই বিএনপি এক পা করে জামাতের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে এখন পুরো শরীর জামাতের কাছে সমর্পিত করে দিয়েছে।

এটা কি আওয়ামী লীগ ঠেকাতে পারত না? পারত। কেন ঠেকায়নি? তারা চেয়েছে এভাবে বিএনপি শূণ্যের কোঠায় নেমে যাক। তাহলে তাদের জন্য ময়দান চিরস্থায়ী ভাবে ফাঁকা হয়ে যাবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ এটা বোঝেনি যে দেশে নাম কা ওয়াস্তে হলেও গণতন্ত্রের চর্চা রাখতে হলে বিএনপিকে তার দরকার, জামাতকে নয়, বা জামাতাশ্রিত বিএনপিকে নয়।

আজকে যে বিএনপি হরতাল ডাকল তাতে কে ইন্ধন দিল? বিএনপিই দিল। তার পরও কি পুলিশ আর একটু সহনশীল হতে পারত না? কেন পুলিশ বিএনপির অফিসে ঢুকে বোমা তল্লাশির নামে সিনিয়র নেতাদের গ্রেপ্তার করল? কই, পুলিশ তো জামাতের অফিসে ঢুকে বোমা সার্চ করেনি! জামাত-শিবির কি গত এক মাস বাজি পুড়িয়েছে? খোকা, রিজভী, ফখরুলের মত নেতারা কি পকেটে করে বোমা নিয়ে বসেছিল? যারা বোমা বহন করেছিল তাদেরকে কি পুলিশ ধরতে পেরেছে? খবর বলছে, না। তাহলে কোন প্রোভোকেশনে পুলিশ একাজ করল? কাদের গুটি চালনায় পুলিশ বিএনপির হাতে আরো তিন দিন হরতালের উপলক্ষ তুলে দিল?

আওয়মী লীগকেই এসব হিসেব করতে হবে। যেহেতু বোঝা যাচ্ছে বিএনপির ঘাড়ে সওয়ার হয়ে জামাত যুদ্ধাপরাধীর বিচারের ইস্যুকে দূরে ঠেলে বিএনপির এক দফার আন্দোলনকে সামনে নিয়ে আসছে, এবং জনগণ এখন সেই এক দফার বিষয়েই বেশি করে ভাবছে। সেহেতু আওয়মী লীগের হাতে কি সেই কৌশল ছিল না যা দিয়ে বিএনপিকে বিএনপির দাবীতে অটল রাখা যায়? যদি তা থেকে থাকে তাহলে এটা খুঁজে বের করতে হবে কার কুমন্ত্রনায় প্রায় একঘরে জামাত আবার বিএনপির বলে বলিয়ান হয়ে মাঠে দাবড়ে বেড়াচ্ছে? পেছনের পাকা মাথাটি বা মাথাগুলো কারা?

একের পর এক বোমা হামলা, একের পর এক ঠাণ্ডা মাথার হত্যা, একের পর এক সরকারি (কার্যত জনগণের সম্পদ। পাঁচশ কোটি টাকার সম্পদ পুড়েছে কানসাটে) সম্পদ পুড়ছে।
প্রতিদিন একটু একটু করে দেশে ‘তৃতীয় শক্তির’ আগমনী বার্তা ভেসে আসছে। তার পরও সরকার কী অদ্ভুত নির্লিপ্ততায় ফিতা কাটছে, পায়রা ওড়াচ্ছে…।

বুঝতে পারছি না একের পর এক নিখুঁত হিসেব কষে চাল দিচ্ছে পেছনের কোন পাকা মাথা?

(সংগ্রহিত)

৩ thoughts on “একের পর এক নিখুঁত হিসেব কষে চাল দিচ্ছে পেছনের কোন এক পাকা মাথা?

  1. যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায়

    যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় ঘোষণার পর পরই যখন জামাত রাজনীতির মাঠ তাতিয়ে তোলে সেই তাতানো মাঠে রুটি সেঁকতে নেমেছে বিএনপি। ফেব্রুয়ারির পর থেকে প্রতিদিনই বিএনপি এক পা করে জামাতের পাতা ফাঁদে পা দিয়ে এখন পুরো শরীর জামাতের কাছে সমর্পিত করে দিয়েছে।

    এটা কি আওয়ামী লীগ ঠেকাতে পারত না? পারত। কেন ঠেকায়নি?

    আওয়মী লীগকেই এসব হিসেব করতে হবে। যেহেতু বোঝা যাচ্ছে বিএনপির ঘাড়ে সওয়ার হয়ে জামাত যুদ্ধাপরাধীর বিচারের ইস্যুকে দূরে ঠেলে বিএনপির এক দফার আন্দোলনকে সামনে নিয়ে আসছে, এবং জনগণ এখন সেই এক দফার বিষয়েই বেশি করে ভাবছে।

    তো আপনি তাহলে বলতে চাইতেছেন, দেশের সবচেয়ে দায়িত্বশীল??!! দল হিসেবে আওয়ামী লীগের উচিৎ বিএনপি’র কর্মকাণ্ডেরও দায়িত্ব নেয়া এবং বিএনপি যদি ভুল করে বা ভুল পথে যায় তা শুধরে দেয়া!!
    গুড!!!!
    আর আপনি কি শিউর জনগন রাজাকারের বিচারের চেয়ে বিএনপি’র এক দফা নিয়ে বেশী ভাবছে!!!!????

    আজকে যে বিএনপি হরতাল ডাকল তাতে কে ইন্ধন দিল? বিএনপিই দিল।
    খোকা, রিজভী, ফখরুলের মত নেতারা কি পকেটে করে বোমা নিয়ে বসেছিল?
    পুলিশ বিএনপির হাতে আরো তিন দিন হরতালের উপলক্ষ তুলে দিল?

    ওকে, শুধু পকেটে বোমা থাকলেই গ্রেপতার করা যাবে!!?? বিএনপির অফিসে যদি কক্টেল পাওয়া যায় তার দায়িত্ব কি সরকারের নাকি রিজভির-ফখরুলের???
    যারা নিজেদের ইন্ধনে হরতাল ডাকে তাদের হাতে হরতালের উপলক্ষ তুলে দিলেই কি বা না দিলেই কি??? ডাস ইট মেক এনি ডিফারেঞ্ছ???

    ভাই, এইসব পেঁচাল পারা থামান!! :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:

  2. ভাই রুদ্র @ যাই বলেন, ভেবে
    ভাই রুদ্র @ যাই বলেন, ভেবে দেখেন আমাদের গণতন্ত্রের অপমৃত্যু ঘটতে চলেছে। আসছে পরিবারতন্ত্র…
    আবশেষে হায় হায় ছাড়া কোন পথ খোলা থাকবেনা।
    :bow: :bow:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *