আসুন সৌদি বর্জন করি,ইসলাম রক্ষা করি!

বাঙালি মুসলমানদের ধর্মীয় ও জাতিগত অন্ধবিশ্বাস এবার কি হুমকির মুখোমুখি? ইসলামের জন্মস্থান, নবীর স্মৃতিবিজড়িত পূণ্যভূমি হিসেবে পরিচিত সৌদি আরব তো সব অ -পূন্য আর অপকর্মে এবারও টপক্লাস হয়ে উঠেছে! আমি জানি আমি যা বলব তা অনেক মুমিন বান্দাগন জানেন, কিন্তু লজ্জায় হোক কিংবা অন্ধবিশ্বাসেই হোক তারা অহেতুক তর্কে লিপ্ত হবেন। তা গালি থেকে শুরু করে হুমকিতে গিয়ে শেষ হবে। তবু লিখছি,কারণ আমার কথা আমি যৌক্তিক ভাবে বলেই যাব।


বাঙালি মুসলমানদের ধর্মীয় ও জাতিগত অন্ধবিশ্বাস এবার কি হুমকির মুখোমুখি? ইসলামের জন্মস্থান, নবীর স্মৃতিবিজড়িত পূণ্যভূমি হিসেবে পরিচিত সৌদি আরব তো সব অ -পূন্য আর অপকর্মে এবারও টপক্লাস হয়ে উঠেছে! আমি জানি আমি যা বলব তা অনেক মুমিন বান্দাগন জানেন, কিন্তু লজ্জায় হোক কিংবা অন্ধবিশ্বাসেই হোক তারা অহেতুক তর্কে লিপ্ত হবেন। তা গালি থেকে শুরু করে হুমকিতে গিয়ে শেষ হবে। তবু লিখছি,কারণ আমার কথা আমি যৌক্তিক ভাবে বলেই যাব।

সৌদিআরব ইসলামের উৎপত্তিস্থল হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষেরই বিশ্বাস যে সেখানে কোন খারাপ লোক থাকতে পারে না। অন্তত যারা দেশ পরিচালনা করেন, কিংবা ইসলাম রক্ষা করার গুরুদায়িত্ব যাদের উপরে তারা তো নয়ই। তাদের বহুসংখ্যক দাস -দাসীদের কথা আর কারও অজানা নেই। যদিও মুমিনরা তা স্বীকার করতে নারাজ। সেই দুঃসহ কাহিনী গুলোর সাক্ষী তারা যারা ঐদেশে কাজ করতে যান পেটের তাগিদে। যারা ভয়ানক নির্যাতন সয়ে লোকলজ্জার ভয়ে তা বলতেও পারেনা। যাদের পাঠানো টাকায় অকর্মণ্য স্বামী হয়তো আরেকটি বিয়ে করেছে!

এরা সবাই মুসলিম। এরা সবাই ইসলামের জন্য অপরের প্রাণ নিতে প্রস্তুত। এরাই বলে থাকে মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই। অথচ ধর্মের অজুহাতে অসংখ্য মুসলমান হত্যা করতে এদের বাধে না। সাম্প্রতিক সময়ে বোকো হারামের গনহত্যা কিংবা ইরাকে বিদ্রোহীদের গনহত্যা এর ভয়ংকর নজির। উল্লেখ্য যে এই দুটি স্থানেই মুসলমানের দ্বারা মুসলমান আক্রান্ত হয়েছে এবং এই দুটি বিষয়েই ইসলামের ধারক বাহক সৌদি আরব ছিল নিশ্চুপ! তবে সবচেয়ে নজিরবিহীন কান্ডটি ঘটেছে ফিলিস্তিন ইস্যুতে। মুসলমানদের উপর ইসরায়েলের গনহত্যায় প্রথম থেকেই নিঃশ্চুপ ছিল সৌদি আরব। সর্বশেষ তারা ফতোয়া জারি করে ফিলিস্তিনকে সমর্থন দেয়া হারাম ঘোষণা করেছে!

আমি জানিনা এটা কেমন ভ্রাতৃত্ববোধ!

সম্প্রতি আরেকটি খবরে মেজাজ খারাপ হয়েছে। সৌদি আরব সৌদি পুরুষদের বাংলাদেশী মেয়ে বিয়ে করার উপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে! এতে হয়তো বাংলাদেশী শ্রমিকদের আজীবন দাসী বানিয়ে ভোগ করার বিষয়টি রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেল
লিংক দেখুন

তবে কি প্রমাণ হয়? সৌদির চাইতে বাংলাদেশী মুসলমানরাই অধিকতর “ভালো” মুসলমান! কারণ তারা আর যাই হোক “ভাই” দের জন্য “যুদ্ধ” করতে চায়! 🙂 এরা সৌদিদের মত এতটা বর্বর এখনো নয়। রাজনীতির বাইরে ইসলামের “ভাই” সেন্টিমেন্ট এদেশের মুসলমানরা এখনো ধরে রেখেছে। তাই সৌদি আরব কে কেন বর্জন করা হবে না এই মর্মে মুমিন মুসলমানদের যৌক্তিক মতামত আশা করছি। তথ্যহীন অহেতুক তর্ক গ্রহনযোগ্য নয়।

৬ thoughts on “আসুন সৌদি বর্জন করি,ইসলাম রক্ষা করি!

  1. সৌদিদের বর্জন করলে ইসলামচ্যুত
    সৌদিদের বর্জন করলে ইসলামচ্যুত হয়ে যাবে যে! এদেশের মুসলিম সমাজের মত চুতিয়া বিশ্বের আর কোথাও নাই। সৌদিরা প্রকৃত ইসলামধারি না, এটা এদেশের মুসলমানরা আজীবন বুঝতে চাইবেনা।

    আপনার সৌদি বর্জন আহবান ব্যর্থ বলতে পারেন।

  2. আমরা এদেশে আসা সৌদি পণ্য
    আমরা এদেশে আসা সৌদি পণ্য বর্জনের ডাক দিতে পারি!

    চৌদি আরব একটা বেশ্যা দেশ ছাড়া আর কিছুনা!

  3. আসুন সৌদি পণ্য (যেগুলো আমাদের
    আসুন সৌদি পণ্য (যেগুলো আমাদের দেশে ঘুরে বেড়ায়) সেগুলোও বর্জন করি। সৌদিয়ারবে হজ্জে যাওয়া বন্ধ করা দরকার। অন্য দেশে শাখা খুলতে পারে মুমিন্সরা।

Leave a Reply to শওকত খান Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *