আমি

আমার ইচ্ছা ভাবনার ঘুড়িটাকে উড়িয়ে দিয়ে ভাবি তাকে মুক্তি দিলাম ।
তারপর মাঝে মাঝে সোজা দৃশ্যমান পথেও পথ হারাই,
কখন গন্তব্যে এসে গন্তব্যের দ্বার খুঁজি অহর্নিশ ,
আর কুয়াশার অন্ধকার সাতরিয়ে পার হয়ে যাই
আলোর সমুদ্র কেন জানি দৃষ্টির আড়ালেই থেকে যায় ।
আমি প্রচণ্ড অস্থির বন্ধ্যা রাত পার করে আসি গ্রহণ লাগা সূর্যের সকালে
সকাল আমায় আলো দিয়ে ভরিয়ে দেয় ,কাল কাল থকথকে জমাট বাধা আলো
আমি আলো গুলোকে তুলো ধুনা করি আরও অবিন্যস্ত বিন্যাস করার জন্য ।
আলো তুলা হয়ে উড়ে যায় গোলাপি আকাশে ,
গোলাপি আকাশ হলুদ হয়ে উঠে জানান দেয় বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া

আমার ইচ্ছা ভাবনার ঘুড়িটাকে উড়িয়ে দিয়ে ভাবি তাকে মুক্তি দিলাম ।
তারপর মাঝে মাঝে সোজা দৃশ্যমান পথেও পথ হারাই,
কখন গন্তব্যে এসে গন্তব্যের দ্বার খুঁজি অহর্নিশ ,
আর কুয়াশার অন্ধকার সাতরিয়ে পার হয়ে যাই
আলোর সমুদ্র কেন জানি দৃষ্টির আড়ালেই থেকে যায় ।
আমি প্রচণ্ড অস্থির বন্ধ্যা রাত পার করে আসি গ্রহণ লাগা সূর্যের সকালে
সকাল আমায় আলো দিয়ে ভরিয়ে দেয় ,কাল কাল থকথকে জমাট বাধা আলো
আমি আলো গুলোকে তুলো ধুনা করি আরও অবিন্যস্ত বিন্যাস করার জন্য ।
আলো তুলা হয়ে উড়ে যায় গোলাপি আকাশে ,
গোলাপি আকাশ হলুদ হয়ে উঠে জানান দেয় বিলিরুবিনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া
ফুসফুস অট্টহাসি হাসে জানে সে এ বিলিরুবিন তাকে নষ্ট করতে আসছে হেপাটাইটিস নিয়ে
ফুসফুসের অট্টহাসি হেপাটাইটিস ক্ষোভে গজরাতে গজরাতে
ফুসফুসকে আঁকড়ে ধরে অক্টোপাসের মতো ।
হৃদপিণ্ড চেয়ে দেখে তার আকাশও বদ্ধ ডোবার শীতল শেওলার মতো সবুজ হয়ে আসছে
অক্সিজেন ফুসফুসকে বাঁচাতে আসে না ফুসফুস শেষবার শ্বাস ফেলবার সময়
চোখ ঠিকরে শেষ অশ্রু ঝড়ে পড়তে গিয়েও প্রচণ্ড ভয়ে তীর তীর করে কাপতে থাকে
চোখের নিচের পাতায় আটকা পড়ে অশ্রু দোজখের বাতাসে শুকায় যায়
জীবন থামতে চায়
ভাবনা তখনো থামে না লাইফ সাপোর্ট দেয়া দম নিয়ে তখনো ভাবনা গোলাপি আকাশে ওড়ে
তার বিচ্ছিরি ছিন্ন ভিন্ন লম্বা শব্দের লেজ নিয়ে
ঘুড়ি উড়তে থাকে আর থেকে থেকে শ্বাসের শেষ টানের সাথে গোত্তা খাওয়া ঘুড়িটি আর একটু উপরে ওঠে
আরও উপরে, আরও উপরে, আরও উপরে,
দ্রুত হতে থাকে রক্তের গতি ধীর হয় শ্বাস … ঘুড়িটি হারিয়ে যায় গোলাপি আকাশে
আকাশটি বদল হয় গাড় লাল, কালচে লালে ..ভাবনা শেষবারের মতো হারায় যায়
আমিও হারাই চেনা গলির মোড়ে ফর্সা কুয়াশার আঁধারে
আমি অফিসের গ্যরেজে দাড়িয়ে গাড়ীর জন্য.. “অপেক্ষা গাড়ী আসতে এত দেরী লাগে ক্যান?”
স্থির আমি হঠাৎ মোবাইল খুঁজতে অস্থির হই , একটা কল করা দরকার ছেলেটাকে
আমি দিব্য বুঝতে পারছি আমি বাস্তবে নেই … আমি যেনো অন্য কোথাও
আমি বাস্তবে যাবো ,কেও নিয়ে যাও প্লিজ ….আমি বাস্তবে যাবো ….
“আমি ফিরতে দেরী হবে আজ , তুমি খেয়ে নিও , বাকী খাবার ফ্রিজে রেখো নষ্ট না হয় যেন”
মোবাইল খুঁজে পাই না ,ঈশ …কি জ্বালা ভয় লাগছে সন্ধা ঘনিয়ে আসছে ..ঈশ্
আরে, এইতো মোবাইল আমার মাথার কাছে ।
চোখ মেলে মেডিকেলের এক্সামিন বেডে একা ঘর্মাক্ত আমি
কখন জানি এসি বন্ধ তাই ঘেমে অস্থির ।
নাটাই ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে ভাবনাকে ঠুকিয়ে রাখি বদ্ধ জীবনের ডোবায়
বদ্ধ ডোবায় পদ্ম ফুটবে একদিন কৃত্রিমতা ভয়ে পথ করে দেবে সুদ্ধ প্রকৃতিকে .
প্রকৃতি ফুটে উঠবে গোলাপি আকাশের মতো গোলাপি পাপড়ি মেলে
ভাবনা গুলো সেখানেই আবার মুক্তি পাবে কারো মুগ্ধ চোখে …….

১ thought on “আমি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *