অন্তরীক্ষ বাসিনী

প্রিয় ফুল- বেশ তো পারছো এখন
ঘরের দরজায় খিল এঁটে দিয়ে…
হৃদয়ের বদ্ধ কপাটগুলি খুলে- তার উদ্বাহুর নিগড়ে
‘কেমন ঝাপিয়ে পড় তুমি ৷
নীল আকাশের বুকে তোমার সুভাসিত সৌন্দর্যকে
-‘কেমন করে ঢালো
মেলে ধরো মহাগ্রন্থ তোমার কবিকে মহাকাব্য লেখার
নিজেকে নিবেদিত কর দেবতার পায়,
আমি এই সুদূরে থেকেও তা স্পষ্ট দেখতে পাই ৷
তোমার সুরভিত সৌন্দর্য দিয়ে যখন তাকে সাজাও



প্রিয় ফুল- বেশ তো পারছো এখন
ঘরের দরজায় খিল এঁটে দিয়ে…
হৃদয়ের বদ্ধ কপাটগুলি খুলে- তার উদ্বাহুর নিগড়ে
‘কেমন ঝাপিয়ে পড় তুমি ৷
নীল আকাশের বুকে তোমার সুভাসিত সৌন্দর্যকে
-‘কেমন করে ঢালো
মেলে ধরো মহাগ্রন্থ তোমার কবিকে মহাকাব্য লেখার
নিজেকে নিবেদিত কর দেবতার পায়,
আমি এই সুদূরে থেকেও তা স্পষ্ট দেখতে পাই ৷
তোমার সুরভিত সৌন্দর্য দিয়ে যখন তাকে সাজাও
সে তখন উজ্জ্বল নক্ষত্রের মত জ্বল জ্বল করে,
তুমি তাকে দিচ্ছ ইন্দ্রধনু, নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা
এসবই আমি দেখি ৷
মানুষ দেবতার চেয়ে বড় হয় ?
মানুষ হয়ে, মানবের একটি হাত বাড়িয়েছিলাম
আমার পরম আরাধ্য ইপ্সিত করতলে কি আছে !
প্রচন্ড শক্তিতে মুষ্ঠিবদ্ধ করতল খুলে দেখি !
আমারই হৃদয়- গ’লে ছিঁড়ে শুধু রক্তই শেষ চিহ্ন হয়ে আছে
হৃদয়হীন রক্তাক্ত বুক একবার চেয়ে দেখি
কুয়াশার শরীর হাতড়াই-
আমব়া কেউ কাউকে কোন সান্ত্বনা দিতে পারি না আর
কিচ্ছুতো নেই আর দিবার সান্ত্বনা;
দিয়ে যায় তবু – রক্তের দাগ মমতায় মুছে
গ’লে গিয়ে তুষারের শুভ্রতা ৷

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *