কিসের আবার নারীদিবস !! – জিনিয়া জাহিদ

ব্যক্তিগতভাবে আমি এমন কোনও তথাকথিত ঘোষিত দিবস পালন করিনা যা আমার মূল্যবোধ পরিপন্থী। বছরের একটা দিন ঘটা করে “মা দিবস”, “বাবা দিবস” কিংবা “ভালোবাসা দিবস” পালনে আমি যেমন ঘোর বিরোধী ঠিক, তেমনি ৩৬৫ দিনের মধ্যে একটি দিবসকে “নারী দিবস” পালনেও আমার ঘোর আপত্তি।

আমি নারী, আমি এতেই গর্বিত। আমি কখনোই পুরুষ হতে চাইনি। আমি মানুষ হতে চেয়েছি। আমার নারী স্বত্ত্বা থেকে প্রাপ্ত বৈশিষ্ট্যকে বিসর্জন দিয়ে আমি পুরুষালী স্বত্ত্বা ধারণ করতে চাইনি। বরং নারী স্বত্ত্বার বিশেষ গুণগুলোকে আরও বিকশিত করে এগিয়ে গেছি।


ব্যক্তিগতভাবে আমি এমন কোনও তথাকথিত ঘোষিত দিবস পালন করিনা যা আমার মূল্যবোধ পরিপন্থী। বছরের একটা দিন ঘটা করে “মা দিবস”, “বাবা দিবস” কিংবা “ভালোবাসা দিবস” পালনে আমি যেমন ঘোর বিরোধী ঠিক, তেমনি ৩৬৫ দিনের মধ্যে একটি দিবসকে “নারী দিবস” পালনেও আমার ঘোর আপত্তি।

আমি নারী, আমি এতেই গর্বিত। আমি কখনোই পুরুষ হতে চাইনি। আমি মানুষ হতে চেয়েছি। আমার নারী স্বত্ত্বা থেকে প্রাপ্ত বৈশিষ্ট্যকে বিসর্জন দিয়ে আমি পুরুষালী স্বত্ত্বা ধারণ করতে চাইনি। বরং নারী স্বত্ত্বার বিশেষ গুণগুলোকে আরও বিকশিত করে এগিয়ে গেছি।

বুকের ওড়না ছুড়ে ফেলে দিলেই নারী স্বাধীন হয়ে যায় না। শরীরে কাপড়ের মাত্রা কমিয়ে পুরুষের মত কাপড় পড়লেই নারী অধিকার আদায় হয় না। যতদিন রাষ্ট্র নামক প্রতিষ্ঠানটি দেশের মাঝে বিদ্যমান সকল উপযোগকে নারী-পুরুষ ভেদাভেদ না করে নাগরিক অধিকার হিসেবে উন্মুক্ত করে না দেবে ততদিন এইসব লোক দেখানো দিবস পালন করে নারীর এগিয়ে যাবার পথে প্রতিবন্ধকতা দূর হবে না।

১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের সুতা কারখানার যে নারী শ্রমিকেরা মজুরিবৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, এবং কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের রাস্তায় নেমেছিলেন, আজ এই ২০১৩ তে এখনো বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশেই পুরুষের সমান কায়িক পরিশ্রম করেও পারিশ্রমিক প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দারুণভাবে বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকেন নারী শ্রমিকরা। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় যুগে যুগে এই দিনটিতে সভা-সমাবেশ করে কিংবা বক্তৃতা দিয়ে আদৌ নারীর অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়েছে কী?

আজ কী বিশ্বের কোথাও কোনও নারী নির্যাতিত হবে না? আজ কী সকল নারী শ্রমিক তার পুরুষ সহকর্মীর সমান মজুরি পাবে? আজ কী নারী তার একঘেয়েমী জীবনের প্রাত্যহিক কাজ থেকে বিরতি নিতে পারবে? আজ কী সব নারী মুক্তির স্বাদ পাবে? আজ এই একটা দিন কী সব নারী “মানুষ” বলে গণ্য হবে?

যদি না হয়, তবে কেন এই প্রহসনের বিশেষ দিবস উদযাপন?

নারীর আবার আলাদা কোনও অধিকার থাকবেই বা কেন? পুরুষেরই বা কী এমন আলাদা অধিকার থাকতে পারে? একটা দেশে নারী-পুরুষ সবাই নাগরিক মর্যাদা প্রাপ্ত হয়ে থাকেন। কাজেই নাগরিক হিসেবে সবার সমান অধিকার থাকাটাই কাম্য। সেই অধিকার যাতে সকল নাগরিক ভোগ করতে পারে তা দেখার দায়িত্ব রাষ্ট্রের।

আমি কর্মক্ষেত্র থেকে বাসায় নিরাপদে ফিরব কী না তা নিশ্চিত করবে রাষ্ট্র। আর রাষ্ট্র যদি নারী-পুরুষ ভেদাভেদ না করে সকলের জন্য সমান নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে পারে তাহলে কিন্তু ঘরে বাইরে কোনও নারীকেই আলাদাভাবে কোনও অধিকার আদায়ের জন্য কোনও আন্দোলন করতে হয় না।

নারীর জন্য বাসের মধ্যে কয়েকটি সিট বরাদ্দ দিয়ে, নারী কোটায় চাকরি কিংবা সাংসদ বানিয়ে নারীর অধিকার নিশ্চিত হয় না বরং তা হয় নারীকে চরমভাবে অপমান করা। নারীর জন্য বাসের আলাদা কোনও সিট বরাদ্দের দরকার নেই, দরকার নেই কোনও নারী কোটা। শুধু সবার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক, নিশ্চিত করা হোক আইনের সঠিক ব্যবহার।

আমরা নারীরা নিজেরাই বাসের যেকোনো সিটে বসতে পারব..সিট না পেলে দাঁড়িয়ে যাব। নিশ্চিত করা হোক বাসে সিট না পেলে দাঁড়িয়ে গেলেও কেউ আমার শরীরে হাত দিয়ে যৌনসুখ খোজার চেষ্টা করবে না। ভিড়ের বাসে উঠতে না পারলেও দিনে-রাতের যেকোনো সময় আমি যাতে হেটে বাসা বা অফিস অব্দি পৌঁছাতে পারি সে নিরাপত্তা রাষ্ট্র কর্তৃক নিশ্চিত করা হোক। সবার জন্য পড়াশুনা, চাকরি সবকিছু উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক। নারী মেধা ও শ্রম দিয়ে সমাজে তার স্থান করে নেবে।

সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত হলে, সেই সঙ্গে প্রতিটি পরিবারে সকল সদস্যের সমান গুরুত্ব নিশ্চিত হলেই নারীর উপর সহিংসতাও কমে আসবে।

উনবিংশ শতাব্দীতে জাতিসংঘ কর্তৃক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত “নারী দিবস” যুগের পরিক্রমায় একজন নারীর জন্য আজ মারাত্মক অপমানজনক দিবস হিসেবেই গণ্য হয়। তাইতো উন্নত দেশগুলোর নারীরা আজ এই দিবস পালন করে না। দিবসটি পালন করা মানেই সমাজের মাঝে যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া যে তোমরা নারী, তোমরা করুণার পাত্র, বছরের একটি বিশেষ দিন তোমাদের জন্য বরাদ্দ।

যেন মনে করিয়ে দেওয়া তোমরা বঞ্চিত, তোমরা নির্যাতিত, তোমরা নিষ্পেষিত শ্রেণীর। নারী দিবসে সমাজে বিরাজমান লিংগগত বৈষম্যকে যেন আরও প্রকট করে তোলে। বিশেষ দিবস উদযাপনের মধ্য দিয়ে পুরুষ-নারীতে ভেদাভেদ করে নারীর জন্য আলাদা কোনও অধিকার অর্জিত হতে পারে না। বরং উভয়পক্ষের সহাবস্থান নিশ্চিত করেই মানুষ হিসেবে নিজেদের অধিকার আদায় করা যেতে পারে।

শতবর্ষ আগে জার্মানির ক্লারা যেমন নারীদের জন্য আলাদা একটি দিবসের জন্য দাবি তুলেছিলেন, সেই দিন বেশি দূরে নেই যেদিন শত শত নারীরাই এই দিবস বাতিল করার জন্য দাবি তুলবে। নারীদের কণ্ঠেই উচ্চারিত হবে, “লিঙ্গভেদে কোনও দিবস কারও জন্য নয়, বরং মানুষ হিসেবে সকলের অধিকার হবে সমান।”

২১ thoughts on “কিসের আবার নারীদিবস !! – জিনিয়া জাহিদ

  1. পোস্ট টি ভাল হয়েছে । আমি
    পোস্ট টি ভাল হয়েছে । আমি একমত । তবে দিবসের কারন ও প্রভাব টা সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি৷ । কোন ফ্যালাসি তে যেন না ভোগে । লেখিকা দিবসের বিপক্ষে ফ্যালাসি দিয়েছেন । 100 বছর আগে অনেক নারী হয়েছিলেন রক্তাত্ত এই দিনে তাদের সম্মানার্থে এই দিবস । যাই হোক , দিবসের উদ্দেশ্য মূল্যবোধে নাড়া দেয়া , স্বাভাবিক জীবনের বাইরে চিন্তার একটা গতিশীলতা আনা । বিশ্ব বাবা দিবস এবং বিশ্ব মা দিবস কি খুব অগুরুত্বপূর্ণ ? আমরা কি বাবা মা কে ভালবাসি না বছিরের অন্য কয়েকটা দিন ? হয়ত বাস্তবের নানা ব্যাস্ততার কারনে তাদের প্রত্যেকটা দিন সময় দেয়া হয় না কিন্তু একটি দিনে আমরা যদি বাবা মায়ের জন্য আলাদা ভাবে সময় দেই তাহলে সমস্যা টা কোথায় ? স্বাধীনতা দিবসেই কি দেশ টা স্বাধীন থাকে ? বাকী দিন গুলো থাকে না ? তাহলে লেখিকার মতে এটা অবাঞ্চিত দিন । নাকি স্বাধীনতা দিবস মানে আমাদের মনে করিয়ে দেয়া বহু কষ্টে অর্জিত আমার দেশ । মাতৃভাষা দিবসেই কি আমরা ভাষা শহীদ দের শ্রদ্ধা করি ? নাকি এই দিনটি বিশেষ ভাবে আলাদা করে রাখি শহীদ দের সম্মানের জন্যে ? বাস্তবতার চাপে কি সম্ভব হয় প্রতিদিন শহীদ মীনারে ফুল দেয়া ? দিবস কি মানুষের আবেগের সৌন্দর্য নয় ? ঈদ হচ্ছে আনন্দ করার উত্সব । এর মানে তো এই না বাকি দিন গুলো আনন্দ করব না । দিবস অবশ্যই মুল্যবোধে নাড়া দেয় । নারী দিবস যদি অপমানের শামিল হয় তাহলে তো নারী আন্দোলন ও অপমানের শামিল । শ্রমিক দিবস ও শ্রমিক কে অপমান করার শামিল হয় সে হিসেবে । ফ্যালাসি দিবেন না ।

    তবে বাসের সিট এর ব্যাপারে আমি একমত । এটার মানে নারী কে করুনা করা , অথর্ব প্রমান করা ।

  2. ধন্যবাদ , নূর ভাই : দিবসের
    ধন্যবাদ , নূর ভাই : :থাম্বসআপ: দিবসের ব্যাপারে আমার দ্বিমত নাই, অবশ্যই এতে সচেতনতা তৈরি হয় । কিন্তু পুরুষ দিবস নাই কেন ? স্বাধীনতা কি ?পুরুষরা কি কালে কালে মজুরিবৈষম্য, কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, এবং কাজের অমানবিক পরিবেশের বিরুদ্ধে বা অন্যায়ের বিরুাধি স্বাধীন হইতে গিয়া রক্তাক্ত হয়নাই ? এই দিবসগুলিই কিন্তু ভাষা/স্বাধীনতা/মে দিবস বা অন্যান্য ট্যাগ পাইছে । আবার এই সব ক্ষেত্রে নারিও ছিল ,অর্থাৎ দিবসগুলি পুরুষ-নারী উভয়েরই।পুরুষরা তো এই ক্ষেত্রে কেবল পুরুষ আন্দোলন বলেনাই। ঈদ-পুজা বা বাবা-মা দিবস যদি পুরুষ নারী নির্বিশেষে মানুষ হিসেবেই হয় । তো শুধু আলাদা নারী দিবস পালনের গুরুত্ব কতটুক । এরচে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ টাইপের কোন এক দিবস হইলে ভালো হইত না ?

    1. শোভন, এইডস দিবস কি এইডস
      শোভন, এইডস দিবস কি এইডস রোগীরা ই পালন করে? শহীদ দিবস কি শহীদেরা ই পালন করে? দিবস তো সবার জন্যে। এবার আপনি বলেন নারী আন্দোলন টা ও তো লিঙ্গ নির্বিশেষে একটা আন্দোলন না, কিন্তু এটা কি লিঙ্গ নির্বিশেষে মানুষ সাপোর্ট দেয় না?

      আপনি বলেছিলেন আপনি তথাকথিত কোন দিবসে বিশ্বাসী না। যাই হোক, দিবস কোন ভাবেই অপমানজনক না, দিবস অধিকারের চিহ্ন। আবেগের চিহ্ন।

  3. পোস্ট ভালো লাগল। কিন্তু ভাই,
    পোস্ট ভালো লাগল। কিন্তু ভাই, আপনি তো ইস্টিশন বিধি ভেঙে প্রথম পাতায় তিনটি পোস্ট করে ফেলেছেন। এইদিকে একটু খেয়াল রাইখেন। তাইলে আমাদের সবারই ব্লগিং আনন্দময় ও ফলপ্রসু হবে।

    1. আপনার রিমুভ করা লাগবে না।
      আপনার রিমুভ করা লাগবে না। ইস্টিশন মাস্টারের নজরে পড়লে উনিই সরিয়ে দেবেন। 🙂

  4. আমি যা লেখমু তাই প্রথম পাতায়
    আমি যা লেখমু তাই প্রথম পাতায় যাবে ?বা প্রথম পাতায় লেখা না দেয়ার পদ্ধতি কি? এর মধ্যে ইস্টিশন মাস্টারের নির্বাচিত লেখাই শুধু থাকবে ?
    প্লিজ হেল্প মি :কানতেছি:

    1. এতো দিশেহারা হইতেছেন কেন?
      এতো দিশেহারা হইতেছেন কেন? পোস্ট দেওয়ার আগে নিজেই তো চেক করে দেখতে পারেন প্রথম পাতায় আপনার কয়টি পোস্ট অলরেডি আছে। সেটা দেখেই পোস্ট দিবেন। নো চিন্তা, ডু পোস্ট 😀

  5. দুলাল ভাই আমি দুর্নীতি
    :মাথাঠুকি: দুলাল ভাই আমি দুর্নীতি বিদ্বেষী । আমি নারি বিদ্বেষী হইলে লেখিকা কি ? পত্রিকায় যেই হারে , বিশেষত নারী দিবসের কয়েকটা দিন প্রমাণিত পুরুষের কারণে ধর্ষণের সংবাদ আসে সেই পরিমাণে কি নারীর কারণে পুরুষের ক্ষয়ক্ষতির লিস্ট কোথাও ছাপে ? আমার মহল্লার এক সুন্দরী ইন্ডিপেন্ডেন্টে সংবাদ পড়ে ,অনেক ক্যান্ডিডেটের চেয়ে তার মূল্য কিভাবে বাড়ল তা সবাই বুঝে । ডাজেন্ট ম্যাটার । প্রকৃতি প্রদত্ত যোগ্যতায় মানুষ নিজের অধিকার আদায় করুক যাইয়া । আরেকটা ঘটনা বলি , আমার মহল্লায় এক বিবাহিত মেয়ে এক অবিবাহিত ছেলের সাথে পলাইল , থানায় কেস করল তার স্বামী নির্যাতন করে । ব্যাপারটা নারীর দুর্বলতার সুযোগে মিথ্যাচার ।এই নারী দিবসের একটা অন্যায় ব্যাবহার এইটা ।অথচ মহল্লাবাসী জানে ঘটনা কি ! অধিকার আদায় করমু নিজের যোগ্যতায়,দুর্বলতা বা দুর্নীতি দিয়া না । আর এতে পুরুষ/নারী সমান ।

    1. কারো মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার
      কারো মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার সময়, সেই মন্তব্যের নিচেই দেখবেন প্রতিমন্তব্য লেখাটা আছে। ওখানে ক্লিক করে আপনার প্রতিমন্তব্য লিখুন। নাইলে আপনি যেভাবে উত্তর দিচ্ছেন তাতে দেখেন, কোন মন্তব্যের উত্তর কই গিয়া বইসা আছে। এহ রে, একটা স্কুল খুলতে হবে মনে হচ্ছে। :মাথানষ্ট:

      1. থ্যাংক ইউ ডাক্তার সাব
        থ্যাংক ইউ ডাক্তার সাব :আমারকুনোদোষনাই: ফার্স্ট টাইম ব্লগে একাউন্ট খুললামতো , সব বুঝতে একটু টাইম লাগতাছে ।

  6. আপনার লেখনীতে আপনার
    আপনার লেখনীতে আপনার ব্যক্তিত্বের আত্মমর্যাদার সুন্দর দিকটি ফুটে উঠেছে। ভালো হয়েছে :থাম্বসআপ:

    1. আপনার লেখাটা পড়ে ভাল লাগল।
      আপনার লেখাটা পড়ে ভাল লাগল। তবে আপনার অন্যান্য কয়েকটা পোস্টের প্রতিমন্তব্য কিছুটা এগ্রেসিভ ও এরোগেন্ট মনে হয়েছে। হতে পারে এটা বয়সের প্রভাব। কিন্তু বিষয়টা হচ্ছে, আপনার বা আমার সবকিছু কিন্তু সবাই পছন্দ করবে না। তার মধ্যে অনেকে নিজের অপছন্দটা খুব Bluntly বলবে। অনেকে আবার আপনার বক্তব্য একবারে নাও বুঝতে পারে। সেক্ষেত্রে রেগে না গিয়ে সমালোচনার বিপরীতে দু-একবার বরং খুব Humble একটা প্রতিমন্তব্য করে দেখুন তো, ফলাফলটা কেমন হয়? একটা ছোট অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। ১৮ থেকে ২৫/২৬ বছর বয়স অব্দি নিজেকে মনে হত রাজা। আমি যা ভাবি, যা বলি সেটাই বুঝি ঠিক। জীবনটা বুঝি এতটাই সহজ। কিন্তু আমার ধারনা ছিল ভুল। আসলে কাউকে পরাজিত করার মধ্যে কোন বীরত্ব নেই। মানুষকে জয় করার চেষ্টা করুন। তাতে লাভ বরং বেশী। ভাল থাকুন।

      1. ওহ ! আমি খুব একটা মেইল চেক
        ওহ ! আমি খুব একটা মেইল চেক করিনা,তাই প্রতিমন্তব্যে দেরি হল । এজন্য মন্তব্যটি চোখে পড়েনাই … প্রথম কথা , এটা আমার লেখা না, জিনিয়া জাহিদ নামে একজন কোন পত্রিকায় যেন লিখছিল সেটা শেয়ার করছি । আমি যে বেশ রগচটা এটা আমার কথায় নগ্নভাবে প্রকাশ পায় । আমি এটা কন্ট্রোল করার চেষ্টা করছি …তবে আলগা বিনয়ও ভাল্লাগেনা ।আমি রাজা ঠিক , সমস্ত খারাপ গুণের রাজা । :শয়তান:

  7. িখেছেনঃ শোভন ১৩ >> সময়: শনি,
    িখেছেনঃ শোভন ১৩ >> সময়: শনি, 09/03/2013 – 10:19অপরাহ্ন
    ব্যক্তিগতভাবে আমি এমন কোনও তথাকথিত ঘোষিত দিবস পালন
    করিনা যা আমার মূল্যবোধ পরিপন্থী। বছরের একটা দিন
    ঘটা করে “মা দিবস”, “বাবা দিবস” কিংবা “ভালোবাসা দিবস”
    পালনে আমি যেমন ঘোর বিরোধী ঠিক, তেমনি ৩৬৫ দিনের
    মধ্যে একটি দিবসকে “নারী দিবস” পালনেও আমার ঘোর আপত্তি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *