সময়ের প্রয়োজনেঃ হঠাৎ একদিন কানা ছেলের নাম দেয়া হল পদ্মলোচন – হাতে হাতিয়ার – গাইল জ্বালাময়ী (?) gan

গানটা গাওয়া হল না বলে ছেড়ে দিলাম ব্লগেঃ কেউ আমার প্রতিভা বুঝল না। অমি ভাই বললেন আমি নাকি রবীন্দ্র সংগীত লিখেছি!!! নিম্নে আমার লিখা রবীন্দ্রসংগীত দিয়ে দিলাম, (আফটার অল আই এম এ রাইটার)

তুমরা যা করো বড়াই, আমি বাংলা মা রে চাই,

এই আলোর মাঝে চাই, এই শিখার মাঝে চাই,
তুমরা যা করো বড়াই, আমার বাংলা মা রে চাই।
হেথায় হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান
সবাই মিলে মঙ্গলে,
হেথায় নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ, ছাবাল
বাংলা বলে অন্তরে।
অন্তরে তাই বাংলা নিয়ে, বাংলাদেশের চিত্র এঁকে,
রাজাকারের ফাঁসি চেয়ে, বাংলার গান গাই।
জয় জয় জয় বাংলা বলে, বাংলার গান গাই।


গানটা গাওয়া হল না বলে ছেড়ে দিলাম ব্লগেঃ কেউ আমার প্রতিভা বুঝল না। অমি ভাই বললেন আমি নাকি রবীন্দ্র সংগীত লিখেছি!!! নিম্নে আমার লিখা রবীন্দ্রসংগীত দিয়ে দিলাম, (আফটার অল আই এম এ রাইটার)

তুমরা যা করো বড়াই, আমি বাংলা মা রে চাই,

এই আলোর মাঝে চাই, এই শিখার মাঝে চাই,
তুমরা যা করো বড়াই, আমার বাংলা মা রে চাই।
হেথায় হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান
সবাই মিলে মঙ্গলে,
হেথায় নারী, পুরুষ, বৃদ্ধ, ছাবাল
বাংলা বলে অন্তরে।
অন্তরে তাই বাংলা নিয়ে, বাংলাদেশের চিত্র এঁকে,
রাজাকারের ফাঁসি চেয়ে, বাংলার গান গাই।
জয় জয় জয় বাংলা বলে, বাংলার গান গাই।

তুমরা যা করো বড়াই, আমি বাংলা মা রে চাই।

এমন খিদের জ্বালায় তুষ্ট মানুষ দেখেছ কে কোন খানে ?
এমন শীতের দিনের দৃপ্ত মানুষ দেখেছ কে কোন রণে ?
বিরাঙ্গনার শক্ত হাতে, এমন মশাল দেখো নাই
ধন- ক্ষমতা চাই না মোরা, রাজাকারের ফাঁসি চাই।
তাই রাজাকারের ফাঁসি চেয়ে, বাংলার গান গাই।
জয় জয় জয় বাংলা বলে, বাংলার গান গাই।

তুমরা যা করো বড়াই, আমি বাংলা মা রে চাই।

হেথায় রাজিব, মুন্সী, তারিক মরে আন্দোলনের রাজপথে
মারুফ-লাকি মিছিল করে শত্রুর শ্যেন দৃষ্টিতে
গরিব ধনী , লেখক, পাঠক, রিকশাচালক বলেরে ভাই
জামাত শিবির বিদায় করে রাজাকারেরফাঁসি চাই
চলো রাজাকারের ফাঁসি দিয়ে , বাংলার গান গাই।
জয় জয় জয় বাংলা বলে, বাংলার গান গাই।

——————————– *** ————————————–

২ thoughts on “সময়ের প্রয়োজনেঃ হঠাৎ একদিন কানা ছেলের নাম দেয়া হল পদ্মলোচন – হাতে হাতিয়ার – গাইল জ্বালাময়ী (?) gan

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *