এটা কি সাম্প্রদায়িকতা নয় ?

তারাবীর নামাজে বাধা, মন্দিরের
রথযাত্রি এবং মুসল্লিদের
মধ্যে সংঘর্ষ :
মসজিদে তালা ঝুলানোর
হুমকি পুলিশের।তারাবীর
নামাযে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র
করে স্বামীবাগ মন্দিরের
রথযাত্রি এবং মসজিদের মুসল্লিদের
মধ্যে সংঘর্ষ হয়। মন্দিরের হিন্দু

তারাবীর নামাজে বাধা, মন্দিরের
রথযাত্রি এবং মুসল্লিদের
মধ্যে সংঘর্ষ :
মসজিদে তালা ঝুলানোর
হুমকি পুলিশের।তারাবীর
নামাযে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র
করে স্বামীবাগ মন্দিরের
রথযাত্রি এবং মসজিদের মুসল্লিদের
মধ্যে সংঘর্ষ হয়। মন্দিরের হিন্দু
ধর্মাাবলম্বিদের ইটের আঘাতে ৮
থেকে ১০ জন মুসল্লি আশঙ্কাজনক
ভাবে আহত হন।
উল্লেখ্য ৮২
নং স্বামীবাগে অবস্থিত
‘ঐতিহ্যবাহী স্বামীবাগ
জামে মসজিদ’ ঢাকার প্রাচীনতম
মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম।
অপরদিকে ‘স্বামীবাগ মন্দির’
রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত
একটি প্রধান হিন্দু মন্দির।
অনুসন্ধানে জানা যায় মসজিদ
এবং মন্দির দুটি পাশাপাশি অবস্থিত
হওয়ার কারনে ইবাদতে বিঘ্ন হওয়ার
অভিযোগে বেশ কিছুদিন ধরেই
স্থানিয় হিন্দু সম্প্রদায়
এবং মসজিদের মুসল্লিরা একপক্ষ অন্য
পক্ষকে দোষারোপ করছিল।
সম্প্রতি মন্দিরের পক্ষ থেকে ৭
দিনব্যাপী রথযাত্রার আয়োজন
করা হয়। স্থানিয় মুসল্লিরা দবি করেন
এই রথযাত্রার বাদ্য বাজনার
কারনে তাদের
ইবাদতে সমস্যা হচ্ছিল। কিন্তু
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার
জন্য মসজিদের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ
করা হয়নি।
অপর দিকে আজ রথযাত্রায় অসুবিধার
কারনে তারাবির নামাজ
চলাকালে মন্দিরের পক্ষ
থেকে নামাজ রাত ১০টার মধ্যে শেষ
করবার জন্য চাপ দেওয়া হয় মসজিদ
কতৃপক্ষকে। কিন্তু তারাবির নামাজ
দাবি মোতাবেক যথাসময়ে শেষ
না করার কারনে মসজিদের
মুসল্লিদের ঢিল ছোড়া শুরু
করে মন্দিরের একদল উশৃঙ্খল গোষ্ঠীর
পক্ষথেকে।

সময়ে ঘটনাস্থলে গেণ্ডারিয়া থানার
এসআই অমল কৃষ্ণ উপস্থিত হয়।
এবং মসজিদের ইমাম হাফেজ
মৌলানা আবুল
বাশারকে গ্রেপ্তারের
চেষ্টা চালান। এসময় উপস্থিত
মসজিদের মুসল্লিগন এবং মসজিদ
কমিটির লোকজনের হস্তক্ষেপে ইমাম
কে ছেড়ে দেন এসআই অমল কৃষ্ণ। মসজিদ
কমিটির সভাপতি মহাম্মাদ সিরাজ জানান
‘আগামীকাল (মঙ্গলবার)
থেকে তারাবির নামাজ রাত ১০টার
মধ্যেই শেষ করতে করতে হবে। অন্যথায়
মন্দিরের কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার
কারনে মসজিদে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।
” বলে হুমকি দেন
গেন্ডারিয়া থানার এসআই অমল কৃষ্ণ।
এসময় মসজিদ কমিটির সভাপতি এসআই
অমল কৃষ্ণের কাছে তারাবির নামাজ
কিভাবে দ্রুত শেষ করব
জানতে চাইলে এসআই অমল কৃষ্ণ দ্রুত
পড়ে তারাবির নামাজ শেষ করবেন
বলে জানান।
মসজিদে তালা ঝুলানো কথা শুনে মসজিদের
মুসল্লিরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন।
পরে ঘটনা সামাল দেওয়ার জন্য
গেন্ডারিয়া থানার
ওসি মেহেদী নিজেই
ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই
মন্দির থেকে একদল লোক দা,
লাঠি নিয়ে বের হয়ে মুসল্লিদের
ধাওয়া করে বলে অভিযোগ করেন
মুসল্লিরা। হিন্দুদের ইটের আঘাতে ৮
থেকে ১০ জন মুসল্লি আশঙ্কাজনক
ভাবে আহত হন।
এ সময় স্থানীয় মুরব্বী এবং মসজিদ
কমিটির লোকজন মুসল্লিদের শান্ত
রাখার চেস্টা করেন বিধায় বড়
ধরনের মুখোমুখি সংঘর্ষ
থেকে সাময়িক ভাবে রক্ষা হয়
বলে জানান মসজিদ কর্তৃপক্ষ।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৯
গাড়ি দাঙ্গা পুলিশ
এসে পুরো ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে।
এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ
করছে। স্থানিয় অনেক
মুসল্লিরা তাদের বাসায়
ফিরতে না পেরে আশেপাশের
মসজিদে অবস্থান করছে বলে রাত
১টা ৪০ মিনিটে পর্যন্ত জানা যায়।
বিশ্বস্ত সুত্র থেকে জানা যায়
ঢাকা ৬ আসন এর সংসদ
কাজী ফিরোজ রশিদ
বর্তমানে সেখানে উপস্থিত
হয়েছেন। এবং মঙ্গলবার সকাল ১০টার
মধ্যে সমাধান দিবেন বলে আশ্বাস
দেন।
কাজী ফিরোজ রশিদ ঘটনা স্থাল
ত্যাগ করলে মন্দিরের ভিতর
থেকে আবারও উস্কানিমূলক শ্লোগান
দিতে থাকে “মন্দিরে হামলা কেন,বিচার
চাই। মসজিদে হামলা দেও! ওপারের
হিন্দু এপারের হিন্দু এক হও”
সম্প্রদায়িক সম্প্রীতির
কথা বিবেচনা করে স্থানীয়
গণ্যমান্য ব্যক্তি মুসল্লিদের ধৈর্য
ধারন করতে বলেন। হিন্দু
ধর্মাাবলম্বিদের মন্দিরের মত পবিত্র
জায়গায় কেন দা, কাচি সহ লাঠি-
সোটা থাকবে বলে উপস্থিত
অনেকেই প্রশ্ন ছুড়ে দেন।
উপরে যে ঘটনাটা পড়লেন এর বিপরীত ঘটনা যদি ইন্ডিয়ায় ঘটতো তাহলে হয়ত এতক্ষণ শতাধিক মুসলমানের লাশ পড়ে যেত।হিন্দুরা যে সাম্প্রদায়িক সেটা আবার প্রমাণ হয়ে গেল।
আমরা চাই শান্তি,আমরা চাই সকলে মিলেমিশে বাস করতে

৪ thoughts on “এটা কি সাম্প্রদায়িকতা নয় ?

  1. যে দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম
    যে দেশের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সেই দেশে মার খাবে মুসল্লীরা!!! এটাতো শত বছরের ঐতিহ্যরেই বদলে দিলো!! এই ঘটনা প্রথমে আমিও জেনে বিচলিত হয়েছিলাম, কেননা ছাগু অসহায় যাত্রীর যেখান থেকে এই খবর কপি-পেস্ট মেরেছে তার নাম বাংলাদেশ হেরাল্ড। আমি আরো একটি লিংক পাই যেটির নাম “হিন্দু বার্তা” যেখানে মার খেয়েছে হিন্দুরা এবং সেখানে ছোঁড়া পাথরেরও কিছু ছবি ছিলো। মূল ঘটনাটি হলো, অসহায় যাত্রীর ভাই-বেরাদারেরা গতকাল রাতে একটি ফন্দি এঁটেছিল যে তারাবীর নামাযের সময়ে কীর্তনের শব্দ পাওয়া মাত্রই সেটিকে বাহানা বানিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগিয়ে দেবে। কিন্তু ভীষণ আফসোস “সর্ষে ক্ষেতে ভূত” যেমন থাকে, তেমনি ঐ ফন্দিতে পড়েছিল এমন কিছু লোক প্রশাসনকে তা জানিয়ে দিলে। প্রশাসন মুহুর্তকাল দেরী না করেই দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে নেয়। এরপরেও তারা কেমনে জানি কিছুটা ফ্যাসাদ তৈরী করতে চেষ্টা করে, কিন্তু তাতে তারা সফল হয় নাই। ঐসময় ঐস্থানে থাকা একজন প্রশাসনের ব্যক্তি থেকেও ব্যাপারটি সম্পর্কে জেনেছি।

  2. বাংলাদেশ হেরাল্ড এবং
    বাংলাদেশ হেরাল্ড এবং হিন্দুবার্তা দুইটাই সাম্প্রদায়িক নিউজপোর্টাল। সাম্প্রদায়িকতা উস্কানির দায়ে দুইটাকে নিষিদ্ধ করা উচিত। একটাও সঠিক সংবাদ পরিবেশন করেনি। দুইটার উদ্দেশ্য ছিল অসৎ।

  3. এই কপিপেস্ট পোস্টের মাধ্যমে
    এই কপিপেস্ট পোস্টের মাধ্যমে আপনি নিজেই সাম্প্রদায়িকতা ছড়াচ্ছেন। আসল ঘটনা জেনে আসুন, তারপর লিখুন। মেইনস্ট্রিম কোন মিডিয়ায় এই ঘটনা নিয়ে কিছু আসে নাই। দুই সাম্প্রদায়িক নিউজপোর্টালের গসিপ নিয়ে এখানে প্যান প্যান করার কোন মানে হয় না।

    একটা ৯০ ভাগ মুসলিমের দেশে ইসকনিদের হাতে মুসল্লিরা মাইর খাইছে, এটা পাগলও বিশ্বাস করবেনা। আবার ইস্কনি সমর্থিত হিন্দুবার্তার নিউজটিও বিশ্বাসযোগ্য নয়। এদের উদ্দেশ্য সৎ বলে মনে হচ্ছে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *