রমযান মাসে বিদ্যুতের নিরবিচ্ছন্ন সরবরাহ থাকবে

সেহরি, ইফতার এবং তারাবির নামাজে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত সরবরাহ থাকবে পুরো রমজান মাস জুড়ে। রাত ৮টার পরিবর্তে ১৫রমজান পর্যন্ত রাত সাড়ে ৯টায় দোকানপাট বন্ধ হবে। আর ১৬ রমজান থেকে যতক্ষণ ক্রেতা থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত দোকান খোলা থাকবে। রমজানে ইফতারের সময় সকল দোকানের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বন্ধ থাকবে। কোথাও আলোকসজ্জা করা যাবে না।


সেহরি, ইফতার এবং তারাবির নামাজে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুত সরবরাহ থাকবে পুরো রমজান মাস জুড়ে। রাত ৮টার পরিবর্তে ১৫রমজান পর্যন্ত রাত সাড়ে ৯টায় দোকানপাট বন্ধ হবে। আর ১৬ রমজান থেকে যতক্ষণ ক্রেতা থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত দোকান খোলা থাকবে। রমজানে ইফতারের সময় সকল দোকানের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বন্ধ থাকবে। কোথাও আলোকসজ্জা করা যাবে না।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে রমজানে সেহরি, ইফতার এবং তারাবির নামাজে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে বিতরণ কোম্পানিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শহর এলাকার পাশাপাশি গ্রামেও যাতে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে। তাপমাত্রা কমে আসায় এখন বিদ্যুৎ বিষয়ক সার্বিক পরিস্থিতির তেমন কোন অবনতির আশঙ্কা করছে না বিদ্যুৎ বিভাগ। রমজানে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক বৈঠকেও মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উৎপাদনকারী এবং সরবরাহকারীদের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, বিতরণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করতে বলা হয়েছে। কোথাও যান্ত্রিক সমস্যা সৃষ্টি হলে দ্রুত তা সারানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এজন্য ট্রলি, ট্রান্সফরমার ইত্যাদি সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তত রাখতে হবে। কোথাও ট্রান্সফরমার বিকল হলে তাৎক্ষণিকা অন্য ট্রান্সফরমার লাগিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক করে বিকল ট্রান্সফরমার ঠিক করতে বলা হয়। দোকান মালিক সমিতিকে ১৫রমজান পর্যন্ত রাত ৮টায় দোকান বন্ধ করার বিধান মেলে চলতে অনুরোধ করা হয়েছে। যদিও তারা এখনো পর্যন্ত ওই শর্তে রাজি হয়নি। এছাড়া দেশের সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। দোকান মালিক সমিতির চেয়ারম্যান এসএ কাদের কিরণ এ প্রসঙ্গে বলেন, আমরা ১৫রমজান পর্যন্ত রাত সাড়ে ৯টায় দোকান বন্ধ করার জন্য দোকানদার এবং বিপনীবিতানের কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানিয়েছি। আর ১৬রমজান থেকে ক্রেতা যতক্ষণ থাকবে ততক্ষণই দোকান খোলা রাখা হবে। তবে ইফতারের সময় সকল দোকানের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) বন্ধ থাকবে। কোন ধরনের আলোকসজ্জা করতেও সরকার আমাদের নিষেধ করেছে। আমরা দোকান মালিকদের এই নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেছি।

বর্তমানে দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে (সান্ধ্যকালীন) ৭,২০৬ মেগাওয়াট। প্রাথমিক ব্যবহার এবং সঞ্চালন ক্ষতি বাদ দিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে ৬,৫৩৬ মেগাওয়াট। শহরে বিশেষ করে রাজধানীতে বৃষ্টি হলে লোডশেডিং করা হচ্ছে না। তবে গরম বেশি পড়লে দিনে রাতে অন্তত দুই ঘন্টা লোডশেডিং করতে হচ্ছে। কিন্তু এর বিপরীতে গ্রামের অবস্থা খুবই খারাপ। গ্রামে এখনও ৮-১০ ঘন্টা লোডশেডিং হচ্ছে। তবে রমজানের সময় যাতে নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যুৎ থাকে সরকারের পক্ষ থেকে ওই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এজন্য সন্ধ্যায় ও গভীর রাতে শিল্পকারখানার আংশিক বন্ধ রাখা হবে। এই সময় শিল্পকারখানা বন্ধ থাকছে কী না তা সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানিগুলো তদারকি করবে। এছাড়া সপ্তাহে এলাকা ভিত্তিক শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার নিয়ম কঠোরভাবে প্রতিপালন করা হবে। অন্যদিকে সিএনজি স্টেশনে গ্যাস রেশনিং বলবৎ থাকায় রমজানে বাসাবাড়িতে গ্যাস সংকট হবে না বলে জানা গেছে।

৬ thoughts on “রমযান মাসে বিদ্যুতের নিরবিচ্ছন্ন সরবরাহ থাকবে

  1. রমজান মাসে বিদ্যুৎ কি ভুতে
    রমজান মাসে বিদ্যুৎ কি ভুতে যোগাড় করবে? অন্য মাসগুলোর প্রতি সরকারের এত বিমাতাসুলভ আচরণ কেন? আমরা এখন থেকে সরকারকে শুধুমাত্র রমজান মাসের আয়ের উপর ট্যাক্স দেব। অন্য মাসগুলো হচ্ছে ফি সাবিলিল্লাহ্‌।

  2. সরকার কি বিদ্যুৎ স্টক করে
    সরকার কি বিদ্যুৎ স্টক করে রেখেচিল যে রমজানের মাসে বস্তার মুখ খুলে দেবে?
    এই ফালতু অঙ্গীকার করার কারনেই মানুষ দিন দিন বীতশ্রদ্ধ হয়ে উঠছে।

    1. সরকারের এসব আদিখ্যেতার কারণে
      সরকারের এসব আদিখ্যেতার কারণে অনেক সৎ উদ্দেশ্য সমালোচনার মুখে পড়ে। বিদ্যুৎ পারমানবিক কেন্দ্র ছাড়া জমিয়ে রাখা যায় না। তাহলে রমজান মাসে বিদ্যুৎ আসবে কোথা থেকে আসবে।

      1. সিস্টেম লস, বিদ্যুৎ চুরি রোধ,
        সিস্টেম লস, বিদ্যুৎ চুরি রোধ, আর অসাধু কমকর্তাদেরকে খাম্বার সাথে বেঁধে রাখলেই বিদ্যুৎ যা উৎপাদন হচ্ছে, তা দিয়েই সুন্দরভাবে দেশ চালানো যাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *