আমার ভালো থাকা

যেদিন পহেলা দেখিছিনু অরণ্যের মধ্যিখানে,
অবাক হয়ে কি যেন ভবেছিনু তাকিয়ে তাহার পানে ।
হাঁটিতেছিল পায়েল পায়ে দূর্বা মাড়িয়ে,
পড়িতেছিল তাহার লাবণ্য প্রান্তর গড়িয়ে ।
নেত্রজোড়া ছিল তাহার ঘুটঘুটে আঁধার,
সময় ছিল না তাহাকে আপনার সাথে বাঁধিবার ।
হয়েছিনু শুধু কথা চোখের ভাষায়,
কেটেছিনু বহু সময় সৌন্দযর্্যের নেশায় ।
বহুকাল পর আবার যখন হয়েছিল দেখা,
দেখিছিনু তোমায় কাশবনের মাঝি একা ।



যেদিন পহেলা দেখিছিনু অরণ্যের মধ্যিখানে,
অবাক হয়ে কি যেন ভবেছিনু তাকিয়ে তাহার পানে ।
হাঁটিতেছিল পায়েল পায়ে দূর্বা মাড়িয়ে,
পড়িতেছিল তাহার লাবণ্য প্রান্তর গড়িয়ে ।
নেত্রজোড়া ছিল তাহার ঘুটঘুটে আঁধার,
সময় ছিল না তাহাকে আপনার সাথে বাঁধিবার ।
হয়েছিনু শুধু কথা চোখের ভাষায়,
কেটেছিনু বহু সময় সৌন্দযর্্যের নেশায় ।
বহুকাল পর আবার যখন হয়েছিল দেখা,
দেখিছিনু তোমায় কাশবনের মাঝি একা ।
হয়েছিনু নিথর, কয়েছিনু কথা,
কয়েছিলে যাহা, মেনেছিনু যথা ।
ক্ষনিক পর হনু যখন এক এক দুই,
মাটি তখন আকাশ ছুঁই ছুঁই ।
রংধনুর সাত রং লেপেছিনু মোর মনে,
কোমল হাত ধরি হেঁটেছিনু তোমার সনে ।
ভাবতেও পারিনি কখনো যা,
সম্পদ হয়ে এসেছে মোর কাছে তা ।
উচ্ছাসিত হয়ে সেবেছিনু তোমায়,
মোর স্থানটুকুও তো ছিল না মোরই মাঝে ।
আপনার দুঃখ হারিয়ে হয়েছি আমি তোমার দুঃখে দুঃখী,
ভেবে রেখেছিনু যে করেই হোক আমি করবো তোমায় সুখী ।
হেঁটেছিনু আমি তোমারই পদাঙ্ক স্বরন করি,
যে যন্ত্রনায় আজও আমি দিবা নীশি পুড়ি ।
হাত ধরি বলেছিনু তোমায় ভালোবাসি,
থাকিবো সদা তোমারই পাশি ।
বলেছিলে একই কথা মোরে জড়িয়ে ধরে বুকে,
হৃদয় মোর ভরিয়াছিনু সঙ্গাহীন এক অপূর্ব সুখে ।
আমিতো এখনো বিচরন করি তোমারই পাশি,
সাথে লয়ে কষ্টের সুর তোলা ষন্ত্রনাময়ী এক বাঁশী ।
সহস্রবার খুঁজেও পাইনি আমি তোমার ডাক,
তাইতো বলি এখন ভালোবাসা নিপাত যাক !
তুমি ছিনু ক্ষণিকের,
তুমি ছিনু নরকের ।
তুমি ছিনু কালো অধ্যায় কোন এক বইয়ে,
ছিঁড়ে ফেলিলেই লেখকের যাবে সয়ে ।
কথা দিয়েছনু তুমি কথা ভাঙ্গিবার তরে ,
অরণ্যে পথিক তোমার জন্যে বেঁচে বেঁচে মরে ।
সুখে থাকো বা দুঃখেই থাকো তুমি,
ভালো আছি ।
হ্যাঁ, ভালো আছি আমি ।

১ thought on “আমার ভালো থাকা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *