গভীর সমুদ্রে নতুন গ্যাস ক্ষেত্র, চুক্তির বেড়াজালে বাংলাদেশ!

বাংলাদেশের ১০ ও ১১ নম্বর দুটি গভীর সমুদ্র ব্লকে ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের বিশাল গ্যাস পাওয়া গেছে। দ্বি-মাত্রিক জরিপে পাওয়া এ দুটি ব্লকে গ্যাসের প্রাথমিক মজুদ মনে করা হচ্ছে ৫ থেকে ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) এর কথা বলেছেন ব্লক দুটির ইজারা পাওয়া প্রতিষ্ঠান কনোকো-ফিলিপস। এ গ্যাস স্থলে আনার জন্য ২৮০ কিলোমিটার পাইপ লাইন নির্মাণ করতে হবে। ২০২৩ সালে ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ তথ্য জানিয়েছেন।


বাংলাদেশের ১০ ও ১১ নম্বর দুটি গভীর সমুদ্র ব্লকে ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুটের বিশাল গ্যাস পাওয়া গেছে। দ্বি-মাত্রিক জরিপে পাওয়া এ দুটি ব্লকে গ্যাসের প্রাথমিক মজুদ মনে করা হচ্ছে ৫ থেকে ৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) এর কথা বলেছেন ব্লক দুটির ইজারা পাওয়া প্রতিষ্ঠান কনোকো-ফিলিপস। এ গ্যাস স্থলে আনার জন্য ২৮০ কিলোমিটার পাইপ লাইন নির্মাণ করতে হবে। ২০২৩ সালে ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করা হবে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

তবে এ দুটি ব্লক থেকে গ্যাস উত্তোলন করার জন্য বেশ কিছু শর্ত বেধে দিয়েছে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান কনোকো-ফিলিপস। এর মধ্যে রয়েছে মিয়ানমারের আদলে নতুন করে পিএসসি করতে হবে। সরকার কনোকো-ফিলিপসের এ দাবির ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রের ১০ ও ১১ নম্বর পাওয়া ওই গ্যাস দিয়ে বাংলাদেশ কমপক্ষে ৮ বছর চলতে পারবে।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, ২০১১ সালের ১৬ জুন গভীর সাগরের ১০ ও ১১ নম্বর ব্লকে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য কনোকো ফিলিপসের সঙ্গে উৎপাদন বন্টন চুক্তি (পিএসসি) করে পেট্রোবাংলা। এ সময় কনোকো-ফিলিপসের সঙ্গে প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাস চার দশমিক ২ ডলার কেনার চুক্তিতে করে পেট্টোবাংলা। পেট্টোবাংলা এই দামে গ্যাস কিনতে না চাইলে কনোকো দেশের ভেতরে গ্যাস বিক্রি করার চেষ্টা করবে। যদি দেশের মধ্যে কেউ তাদের গ্যাস কিনতে না চায় তাহলে তারা বিদেশে রপ্তানির সুযোগ পাবে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা ও পেট্টোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, ২৮০ কিলোমিটার পাইপ লাইন নির্মাণ করে কেউ এ গ্যাস স্থলভাগে আনতে চাইবে না। আর সেই সুযোগেই ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল করে কনোকো-ফিলিপস বিদেশে গ্যাস রপ্তানি করবে। কারণ গ্যাস পাওয়া যাবে এটা নিশ্চিত হওয়ার পর কনোকো-ফিলিপস গ্যাসের দাম বাড়ানোর জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। ২০১১ সালের জুন মাসে করা প্রডাকশান শেয়ারিং কনট্রাক্ট (পিএসসি) বা উৎপাদন অংশিদারিত্ব চুক্তিটির গুরুত্বপূর্ণ ধারা পরিবর্তন করতে তারা এখন মরিয়া। ২০১১ সালের জুনে যখন তারা পিএসসি করেছিলো তখন ১ হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম পেট্টোবাংলা তাদের কাছ থেকে ৪ দশমিক ২ ডলার দিয়ে কেনার চুক্তি করেছিলো। এ দাম এখন ৭ ডলার করার আবদার করেছে তারা। শুধু তাই নয় ৭ ডলারের উপর আবার প্রতি বছর ২ শতাংশ হারে দাম বাড়াতে হবে। অর্থ্যাৎ প্রতি বছরই গ্যাসের দাম বাড়াবে তারা। এর পাশাপাশি গ্যাসক্ষেত্র থেকে স্থলভাগ পর্যন্ত ২৮০ কিলোমিটার যে পাইপ লাইন নির্মাণ করার চুক্তি তারা করেছিলো সেই পাইপলাইন এখন বাংলাদেশেকেই করতে হবে। এসব শর্তে রাজি না হলে কনোকো-ফিলিপস এলএনজিতে রূপান্তর করে চুক্তি অনুযায়ী গ্যাস সিলিন্ডারের মাধ্যমে বিদেশে রপ্তানি করবে।

জানা গেছে, কনোকো-ফিলিপসের একটি প্রতিনিধি দল এসে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের সঙ্গে দেখা করে বেশ কয়েকটি দাবি উত্থান করেছেন গত মঙ্গলবারে। এর মধ্যে রয়েছে, মিয়ানমারের যে পিএসসি রয়েছে সে আলোকে কনোকো-ফিলিপস নতুন করে চুক্তির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা পরিবর্তন করতে চায় তারা। এর মধ্যে রয়েছে বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাসের মূল্য ৪ দশমিক ২ ডলার থেকে বাড়িয়ে সাত ডলার করা। প্রতি বছরে এ দাম থেকে ২ শতাংশ হারে দাম বৃদ্ধির সুযোগ রাখা। গভীর সমুদ্র থেকে এ গ্যাস স্থলভাগে আনতে যে ২৮০ কিলোমিটার পাইপ লাইন নির্মাণ করতে হবে তা বাংলাদেশের করতে হবে। এসব সুযোগ দেওয়া হলে ২০১১ সালের জুনে করা চুক্তিতে বিদেশে গ্যাস রপ্তানির যে সুযোগ রয়েছে তা প্রত্যাহার করবে কনোকো-ফিলিপস। অন্যথায় এই বিপুল পরিমান গ্যাস সিলিন্ডারে ভরে তারা বিদেশে রপ্তানি করবে। সরকারের ভুল জ্বালানি চুক্তির কারণে এই দেশের মানুষ প্রাকৃতিক সম্পদ থেকে তার অধিকার হারাবে।

উল্লেখ্য মিয়ানমারে গভীর সমুদ্রের যেসব গ্যাসক্ষেত্র থেকে বিদেশী প্রতিষ্ঠান বা আইওসি গ্যাস তুলছে তার মূল্য প্রতি হাজার ঘনফুটে দেওয়া হয় সাত ডলারের কিছু বেশি। সমুদ্র থেকে পাইপ লাইন নির্মাণ করে স্থলভাগে গ্যাস আনার খরচও মিয়ানমার সরকার দিয়ে থাকে।

জানা গেছে, ২০১১ সালের ১৬ জুন মার্কিন ভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান কনোকো-ফিলিপসের সঙ্গে পেট্টোবাংলা প্রডাকশান শেয়ারিং কনট্রাক্ট (পিএসসি) বা উৎপাদন অংশিদারি চুক্তি করে। পিএসসি চুক্তি অনুযায়ী, বঙ্গোপসাগরের দুটি ব্লকের পাঁচ হাজার একশ ৫৮ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করবে কনোকো-ফিলিপস। নয় বছর মেয়াদি এ চুক্তিতে তিন ধাপে জরিপ ও খনন কাজ চালানোর জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে কোনোকো-ফিলিপস। এ জন্য প্রতিষ্ঠানটি ১৬ কোটি মার্কিন ডলার ব্যাংক গ্যারান্টিও দিয়েছে। উল্লেখিত গ্যাস ব্লক দু’টি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরে।

জানা গেছে, চুক্তি অনুযায়ী ১০ ও ১১ নম্বর ব্লকে তেল-গ্যাস পেলে তার ৮০ শতাংশ মালিকানা পাবে কনোকো-ফিলিপস। চুক্তিতে আরো বলা হয়েছে, ওই দুটি ব্লক থেকে আহরিত তেল-গ্যাস সরকারি সংস্থা পেট্টোবাংলা বা বাংলাদেশের কোন বেসরকারি সংস্থা কিনতে রাজি না হলে কনোকো-ফিলিপস বিদেশেও রপ্তানি করতে পারবে।

২৫ thoughts on “গভীর সমুদ্রে নতুন গ্যাস ক্ষেত্র, চুক্তির বেড়াজালে বাংলাদেশ!

  1. এভাবেই আমাদের সম্পদ থেকে আমরা
    এভাবেই আমাদের সম্পদ থেকে আমরা বঞ্চিত হই। অতীতেও সাদা চামড়ার শুয়োরগুলো এদেশ থেকে সব লুটে নিয়েছিল। রাজনৈতিক দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বর্তমানেও একই ঘটনা ঘটছে।

    চুক্তি অনুযায়ী কাজ না করলে কনোকো-ফিলিপসকে ঝেটিয়ে বিদায় করা হোক।

  2. লুটেরারা সব নিয়ে যাবে।
    লুটেরারা সব নিয়ে যাবে। নিজেদের স্বার্থে পুরো দেশটাকে বিক্রি করে দিতে আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরা কুণ্ঠাবোধ করবে না। জাতীয় কমিটিকে কর্মসুচী দিয়ে প্রতিবাদ করার আহবান জানাচ্ছি।

    1. জাতীয় কমিটিকে কর্মসুচী দিয়ে

      জাতীয় কমিটিকে কর্মসুচী দিয়ে প্রতিবাদ করার আহবান জানাচ্ছি।

      সে জন্যই তো পেরেস কিলাব বানানো হইয়েচে!

        1. এক সময় জাতীয় কমিটিরে তেল মারত

          এক সময় জাতীয় কমিটিরে তেল মারত আপনার দল। সেটা ভুইলা গেছেন মনে হয়।

          আপনাদের কি অতো সহজে ভোলা যায়!
          “বহু দিনের পীরিত গো বন্ধু…………

          1. স্বাধীন বাংলাদেশে আপনারা
            স্বাধীন বাংলাদেশে আপনারা পিরিত কার লগে করেন নাই? অবশ্য বেশ্যার পিরিতি হয় সার্বজনীন! নীচে আহমেদ ছফা’র কয়েকটা লাইন আপনার উদ্দেশ্যে কোড করলাম।

            আমরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছি, আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব মেনে নিয়েছি। শুধু তার দুর্নীতি এবং অহংপুষ্ট মনোভাবের সমালোচনা করেছি বলে আওয়ামী লীগের লোকেরা আমাদের প্রাপ্য সম্মান, অধিকার এবং মর্যাদা থেকে বঞ্চিত করেছে। আজকে আওয়ামী লীগকে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আন্দোলন করতে হচ্ছে। কোন জামায়াত- যারা একাত্তরে নরহত্যা করেছে বলে অভিযোগ করা যায়। যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছে। আমি সবিনয়ে একটি প্রশ্ন করতে চাই, আমাদের অপরাধ ছিল কি? মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের থেকেও আমরা কি অধিকতর অপরাধী ছিলাম?

            – আহমদ ছফা , একটি খোলা নালিশ (আজকের কাগজ, জানুয়ারি ১৯৯৬)

          2. এসব বলে কেন লজ্জা দেন?
            এসব বলে কেন লজ্জা দেন? যুদ্ধে, প্রেমে আর রাজনীতিতে সব জায়েজ। মজার বিষয় হচ্ছে পোস্টের বক্তব্য নিয়ে আইজু ভাইয়ের কোন কমেন্ট নাই। কিন্তু যায়গা মত উনার চুলকানি ঠিকই আছে। হেডম থাকলে পোস্টের বক্তব্য নিয়ে কিছু মন্তব্য দেন আইজুদ্দিন।

          3. হেডম থাকলে পোস্টের বক্তব্য

            হেডম থাকলে পোস্টের বক্তব্য নিয়ে কিছু মন্তব্য দেন আইজুদ্দিন

            সত্যিকারের ততখানি হ্যাডমওয়ালা মরদ আমি নই, তবে পরবর্তীতে সামগ্রিক বিষয় নিয়ে একটা ব্লগ লেখার আশা রাখছি।
            আশা করি সে পোস্টে আপনার গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য পাবো।

          4. আলম পারভেজের সাম্প্রতিক পোস্ট
            আলম পারভেজের সাম্প্রতিক পোস্ট থিকা আহমদ ছফা-র বক্তব্যের টুকলিফাই মারছেন, ভাল!

            তো লন, আহমদ ছফা-র আরেক খান টুকলিফাই………

            আমি বরাবর বলেছি, আওয়ামী লীগ যখন জিতে তখন শেখ হাসিনা তথা কিছু মুষ্টিমেয় নেতা জিতেন, আর আওয়ামী লীগ যখন হারে গোটা বাংলাদেশ পরাজিত হয়। আমি আওয়ামী লীগার নই, কিন্তু আওয়ামী লীগের পলিটিক্যাল কনটেন্ট আউটলিভ করার মত কোন পলিটিক্স আমরা তৈরি করতে পারিনি। আওয়ামী লীগ থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ভিন্নরকম রাজনীতি সৃষ্টি করার চেষ্টা আমরা করেছি, করতে পারিনি” (আওয়ামী লীগ যখন জিতে………সাক্ষাৎকার-নভেম্বর, ১৯৯৫)

            খুপ খেয়াল কৈরা …………… আওয়ামী লীগ যখন হারে গোটা বাংলাদেশ পরাজিত হয়!

          5. আহমেদ ছফা এই উক্তির মাধ্যমে
            আহমেদ ছফা এই উক্তির মাধ্যমে কি বুঝাতে চেয়েছেন? সেটা কি বুঝতে পারছেন? নাকি এটা আওয়ামীলীগের পক্ষে বলেছেন বলে ধরে নিয়ে ডুগডুগি বাজাচ্ছেন?

  3. প্রতিটা সরকারই দেশের জ্বালানি
    প্রতিটা সরকারই দেশের জ্বালানি সম্পদ নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। কি বিম্পি, আর কি আওয়ামী লীগ। নিজেদের ক্ষমতারোহন নিষ্কণ্টক করতে বিদেশী প্রভুদের পায়ে দেশের সম্পদ ঢেলে দিতে এরা দ্বিধা করেনি। যেখানে নাইকোর কাছে আমরা প্রায় ৪০০০০০ কোটি টাকা প্রাপ্য, উল্টা এখন আমরা তাদের আরও দিচ্ছি। জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো…

    1. বলার কি থাকতে পারে? পাগলও
      বলার কি থাকতে পারে? পাগলও পাগলের ভাল-মন্দ বুঝে। শুধুমাত্র দলকানারা অন্ধ হয়ে প্রলয়ে অংশ নেয়। ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতিতে নেত্রী যাহা বলে তাহাই সহীহ। এর বাইরে কিছু বলার মত যোগ্যতা বা ক্ষমতা নাই।

    2. প্রতিটা সরকারই দেশের জ্বালানি

      প্রতিটা সরকারই দেশের জ্বালানি সম্পদ নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছে। কি বিম্পি, আর কি আওয়ামী লীগ। নিজেদের ক্ষমতারোহন নিষ্কণ্টক করতে বিদেশী প্রভুদের পায়ে দেশের সম্পদ ঢেলে দিতে এরা দ্বিধা করেনি।

      সর্বান্তকরণে সহমত।

      জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো…

      ল্যাংড়া লুলা পা নিয়া কতদুর যাইবেন?আগে বাড়তে হলে যে একজোড়া শক্ত-সামর্থ্য পা থাকা চাই!

      1. ল্যাংড়া লুলা পা নিয়েও হেঁচড়ে
        ল্যাংড়া লুলা পা নিয়েও হেঁচড়ে হলেও মানুষ অনেক দূরে যাইতে পারে। কিন্তু আপনার মত ল্যাংড়া লুলা চিন্তাধারা নিয়ে এক ইঞ্চিও আগাইতে পারবেন না। বুঝা গেছে?

    1. মানুষ এরকম ভয়াবহ দলান্ধ

      মানুষ এরকম ভয়াবহ দলান্ধ কিভাবে হয়?

      ফ্রি কোর্স করানোর সুব্যবস্থা আছে, লাগলে জায়গায় খারাইয়া আওয়াজ দিয়েন না।

          1. কোন কিছু পাওয়ার জন্যও তো
            কোন কিছু পাওয়ার জন্যও তো যোগ্যতার প্রয়োজন হয় ভায়া।
            ঐ যে কথায় বলে না, মুক্তো-র মালা যাকে তাকে দিতে নাই বা কার পেটে জানি কি সহে না …………
            লাভ যে হবে না এটা আমিও নিশ্চিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *