দূর্নীতি কে করেছে আর তার দায় কার ঘাড়ে পড়েছে?

দূর্নীতির দায় কার? সরকারের না আমলাদের? নাকি জনগণের? এমন প্রশ্নের মুখোমুখি প্রায়শই হই নিজে নিজে। আজ একটা প্রমাণাদি হাতে পেলাম যেখান থেকে কিছুটা হলেও পরিষ্কার হওয়া যায় দূর্নীতির দায় আসলে কাদের, কিভাবে দূর্নীতি হয় তৃণমূল থেকে।



দূর্নীতির দায় কার? সরকারের না আমলাদের? নাকি জনগণের? এমন প্রশ্নের মুখোমুখি প্রায়শই হই নিজে নিজে। আজ একটা প্রমাণাদি হাতে পেলাম যেখান থেকে কিছুটা হলেও পরিষ্কার হওয়া যায় দূর্নীতির দায় আসলে কাদের, কিভাবে দূর্নীতি হয় তৃণমূল থেকে।

ছবিটি ভালো করে দেখুন। প্রথমে দেখুন সবুজ ঘরের নিচে বাদামী রঙ করা ঘরটি। সেখানে স্পষ্টভাবেই দেখা যাচ্ছে ২৮/০৫/১৪ তারিখে পরিশোধিত বিলের পরিমান ৭৫২ টাকা। প্রতিমাসের বিদ্যুৎ বিল এরকমই আসে, অর্থাৎ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যেই। এবার চলে যান সবুজ ঘরের উপরের লাল রঙ করা ঘরটিতে। প্রিভিয়াস ডেইট ০১/০৫/১৪ তারিখে রিডিং ছিলো ৪০৯৫ আর প্রেজেন্ট ডেইট ৩১/০৫/১৪ তারিখে রিডিং ছিলো ৫০৬০, অর্থাৎ ৩১ দিনে ব্যবহৃত বিদ্যুতের পরিমাণ ৯৬৫ ইউনিট! বিশ্বাস হয় একটি বাসাবাড়িতে ৯৬৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহৃত হতে পারে? যেই বাসার বিদ্যুৎ বিল আসবার কথা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে সেখানে যদি ৭৬৬৮.৪৫ টাকা আসে তখন নিশ্চয়ই কেউ হাসতে হাসতে বিল পরিশোধ করতে যাবে না।

তো গেলাম বিদ্যুৎ বিতরণ কেন্দ্রে, মনে মনে আগে থেকে প্রস্তুতি ছিলো কি হতে পারে সরকারী অফিসে। তাও আবার বিদ্যুৎ বিলের অভিযোগ জানাতে যাচ্ছি, ভোগান্তি নিশ্চয়ই কোন অংশে কম হবে না এটা মাথায় নিয়েই পৌঁছালাম বিদ্যুৎ অফিসে। ঢুকতেই দেখি চেয়ারে মহারাজ (পিয়ন/দারোয়ান/কামলা টাইপ) গা এলিয়ে রাজকীয় ভঙ্গিতে বসে আছেন চেয়ারে, পা দুটো চেগিয়ে। তাকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম অভিযোগ কেন্দ্র কোথায়? মহারাজ হাতের ইশারায় কোণার রুম দেখিয়ে বললেন, কিন্তু উনি তো নাই! উনিটা কে সেটা আর জানতে ইচ্ছা হলো না, রুম জানতে পেরেছি তাই মহারাজকে আর বিরক্ত না করেই রুমের দিকে আগালাম। ভালো করেই জানি সরকারী অফিসের আমলা/কামলারা অনেক মূল্যবান, তার চাইতেও মূল্যবান তাদের সময়। মূল্যবান সময়ের জন্যেও মূল্য দিতে হয়, কিন্তু কি করব বলেন, দিনে এনে দিনে খাই লোক, তাই মহারাজদের (আমলা/কামলা) মূল্যবান সময় কিনে নিতে পারি না। যাই হোক, রুমে ঢুকেই দেখি একটা টেবিলের এপারের বেঞ্চিতে ঠ্যাং তুলে আবার আয়েশী ভঙ্গিতে বসে আছেন আরো কিছু রাজপুরুষ আর ওপারে মূল সিটটি একা একা পড়ে রয়েছে আর তার পাশের সিটে একজন বসে চোখ বন্ধ করে মনে মনে কাউকে স্মরণ করছিলেন। ঢুকেই জিজ্ঞাসা করলাম উনি কই? বেঞ্চিতে বসা মহারাজেরা মনে হয় মনোকষ্ট পেয়েছেন, নেতা গোছের দুইজন বলে উঠলো এতোজন বসে আছি আপনার কারে দরকার?

তখন তাদের দেখালাম বিলের কপিটা আর বললাম এই মাসের বিল এসেছে তাই অভিযোগ জানাতে আসলাম। কপিটা দেখে একজন বললেন দুই তলায় অমুক সাহেবের কাছে যান, আরেকজন বলে উঠলেন, না না দুইতলায় না নিচের ঐপাশের রুমে যান। কথা না বাড়িয়ে পা বাড়ালাম নিচের ঐরুমের দিকে, আগেই বলেছি দিনে এনে দিনে খাওয়া মানুষ আমি, এসব রাজা-মহারাজাদের মূল্যবান সময় কিনে তাদের উপভোগ করার সামর্থ্য নেই। নিচের ঐদিকে রুমে গিয়ে একজনকে জিজ্ঞেস করতে তিনি বললেন তিন তলায় তমুক সাহেবের কাছে যেতে। উঠলাম সিঁড়ি মাড়িয়ে তিন তলায়, সারি সারি টেবিল আর চেয়ার খালি পড়ে আছে। এই খালি চেয়ার-টেবিল দেখে মনে পড়ে গেলো দেশে কতো পাশ দেওয়া ছেলে-মেয়েরা রাস্তায় একটা চাকরীর জন্য হা পিত্যেশ করছে, খেয়ে না খেয়ে চাকুরী নামক সোনার হরিণটির পিছনে ছুটছে। আর এখানে সারি সারি টেবিল-চেয়ার পড়ে আছে, তমুক সাহেবের টেবিলের সামনে গিয়ে দেখলাম তিনজন মহিলা প্রজা; আমার মতনই আর্জি নিয়ে এসেছেন ২০০ টাকা বাড়তি বিল আসাতে। তাদের অভিযোগ একমাসা তারা বাড়িতেই ছিলেন না, অথচ বিল এসেছে প্রতিমাসে যেরকম আসে সেরকম!!! মনে মনে বললাম ঘরে একটা দোয়া দরূদ পড়ালে জ্বীন, ভূত গুলো চলে যেতো, ফলে বাড়িতে না থাকলে তখন আর কেউই বিদ্যুৎ ব্যবহার করতো না। কিন্তু তমুক সাহেবের কথা হলো সরকার বিদ্যুতের দাম বাড়াইছে, এখন একটু বেশি বিল আসবেই। ভাবখানা এমন যেন ব্যবহার করলেও আসবে; না করলেও আসবে। উনি আর তাদের কথা না শুনে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনার সমস্যা কি? আমি তমুক সাহেবকে দেখালাম আমার সমস্যা কোথায়। উনি বিলের কাগজ হাতে নিয়ে বললেন আজকের রিডিংটা কতো? আমি আশেপাশে খুঁজতে থাকলাম মিটার রিডার কাউকে পাই কিনা দেখার জন্য, না পেয়ে বললাম স্যার জানিনা তো। উনি বললেন আগে আজকের রিডিংটা নিয়ে আসেন এরপর বুঝা যাবে সমস্যা কই! বুঝেনই তো ডিজিটাল যুগের পোলাপাইন তাই বাসাবাড়িতে কল দিয়ে বললাম নিচে নেমে মিটারের রিডিং জানাতে। কিছুটা অবসর পেয়ে ঘাড় ঘুরাতেই দেখি নানা রঙের, বাহারের বোতল সাদা সাদা, স্বচ্ছ্ব, সবুজ কি সোন্দর সেইসকল পেট মোটা গলা চিকন বোতলগুলা। দুই একটা বোতলের তলায় কিছু রঙ্গিন পানি পইড়া থাকতেও দেখি, নাটক-সিনেমা-বিজ্ঞাপনে এগুলোকে মদের বোতল হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। বোতলের গায়ে লেগে থাকা স্টিকার দেখে জিভে জল চলে আসে, আহহহহ স্কচ!!! কিন্তু হতচ্ছাড়া মোবাইল বেজে উঠলো, তাই আর ঐদিকে না তাকিয়ে তমুক সাহেবের নিকটে গেলাম। আমরা মূর্খ জনগণ, কিভাবে বুঝবো ডিজিটাল মিটারে রিডিং কেমনে নেয়!!! তমুক সাহেবের দিক নির্দেশনা মোতাবেক রিডিং নিলাম মিটারের। ২৬ জুন ২০১৪ তারিখে মিটারের রিডিং হচ্ছে ৫০৩৫.৩৬, তমুক সাহেব সেটা নিজের হাতে লিখলেন বিলের কাগজে। উপরে গোল করে লাল রঙে চিহ্নিত করা হয়েছে অংশটুকু।


এবার একটু চৌকোনা লাল রঙ করা ঘরটিতে দেখুন প্রেজেন্ট ডেইট ৩১ মে ২০১৪ তে নেয়া রিডিং ছিলো ৫০৬০। দু’টোর ফারাক দেখে মনে মনে আবারো ভাবলাম বাড়িওয়ালাকে জানাতে হবে যাতে বিল্ডিং-এ একটা দোয়া-দরূদ বা মিলাদের ব্যবস্থা করেন, এর ফলে বিল্ডিং এর জ্বিন-ভুতগুলো দূর হবে। এরপর তমুক সাহেব কথা ছাড়াই ৫০% বিল কমিয়ে দিয়ে বিলের পরিমাণ ৩৮০০ টাকা করে দিলেন। রাজা-মহারাজাদের ক্ষমতাই এমন, কলমের খোঁচায় যেকোন কিছু পরিবর্তন করে দিতে পারেন তাহারা নিমিষেই।


নীল রঙের দেয়া ঘরটিতেই কলমের খোঁচায় বিল কমিয়ে দেয়া।

কিন্তু জানেনই তো গরীব প্রজা, দিনে আনি দিনে খাই, তাই ৫০% কমানোটাও পোষাচ্ছে না দেখে মহারাজকে প্রশ্ন করলাম, স্যার ৩১ মে’তে যেই রিডিং নিয়েছে সেইটা তো ২৬ জুনেও এসে হয় নাই তো আমি কেন এই পরিমাণ বিল পরিশোধ করবো? তিনি জানালেন মিটার চেইঞ্জ হইছে ঐটার বিল সহ এড কৈরা দেয়া হইছে, আপনি এখন এইটা নিয়া দুই তলায় অমুক সাহেবের কাছে যান। জানেনই তো গরীব মানুষ দিনে আনি দিনে খাই, তাই ট্যাকা দিয়া কিনতে পারি না রাজা-মহারাজাদের থুক্কু তাদের সময় কিনতে পারি না। তাদের সময় অনেক মূল্যবান, তাই কথা না বাড়িয়ে গেলাম দুই তলায় অমুক সাহেবের কাছে, যাওয়ার সময় আবারো খালি পড়ে থাকা টেবিল-চেয়ারের দিকে তাকালাম। শেষবারের মতন তাকালাম পড়ে থাকা এক গাদা (কম করে হলেও ১৫ টা) নানা কিসিমের বড় বড় বোতলগুলোর দিকে আর ছ্যাবের সাথে একটা ঢোক গিলে নামলাম দুই তলায় অমুক সাহেবের কাছে যাওয়ার জন্য। একজনকে জিজ্ঞাসা করতেই দেখিয়ে দিলো অমুক সাহেবের রুমখানা। ছোট্টরুমে অমুক সাহেব বসে আছেন কোন এক কোম্পানীর বকেয়া বিলের ফাইল নিয়ে। ঐ কোম্পানীর একজন প্রতিনিধিকেও দেখলাম বেশ উৎফুল্ল মেজাজে আছেন কাল্পনিক এক বোতল বডি মাসাজ অয়েল নিয়ে। তাদের দেন-দরবার ততক্ষণে শেষ প্রায়, কি একটা ফাইল আনলেই কাজটা হয়ে যাবে এমন আশ্বাস নিয়ে বিশ্বাসের সাথে ঐ কোম্পানীর লোকটি বের হয়ে পড়েন। এবার আমি তুলে ধরলাম অমুক সাহেবের কাছে আমার আনা আর্জিটুকু। উনি হাতে নিয়ে বললেন তমুক সাহেবের কাছে যেতে, তাকে জানালাম তমুক সাহেবের কাছ থেকে হয়েই এসেছি স্যার। তিনি আর কথা না বাড়িয়ে ধুপধাপ করে দুটি সিল মেরে উনার মূল্যবান দুটি অটোগ্রাফ দিয়ে বিলের কাগজটি দিয়ে দিলেন। তাকে বললাম স্যার বিলের পরিমাণ অনেক বেশি, এতোটা বিল আসে না। আপনি একটু দেখুন বিগত মাসে বিলের পরিমাণটুকু। তিনি বললেন সেটা তমুক সাহেবকে গিয়ে বলুন, উনি ব্যাপারগুলো দেখেন। মনে মনে বললাম তমুক সাহেবের কাছ থেকে এসেছি কথাটা বোধহয় আপনার কর্ণে পৌঁছায় নি, বড়লোকের কান, রাজা-মহারাজার কান তাতে কি আর ইতর, গরীব, মূর্খদের কথা পৌঁছায়? তাকে আবারো বললাম, স্যার বিল তো আমি মোবাইল ফোনে দেই তো এবার কিভাবে দেবো? উনি বললেন ব্যাংকে গিয়ে দিতে হবে। বিনামূল্যে কিছুটা প্রাপ্তির সুখ নিয়ে বের হয়ে এলাম বিদ্যুৎ অফিস থেকে।

এবার আপনারাই বলুন দূর্নীতির শুরুটা আসলে কে করেছে, সেই দূর্নীতিতে কারা ভাগ বসাতে চেয়েছে আর তার দায় কার ঘাড়ে পড়েছে?

৬৪ thoughts on “দূর্নীতি কে করেছে আর তার দায় কার ঘাড়ে পড়েছে?

  1. ছোটবেলায় এক আত্মীয়রে দেখতাম
    ছোটবেলায় এক আত্মীয়রে দেখতাম মিটার রিডারের সাহায্যে ব্যাপক ডাকাতি করতেন।
    এখন মাঝে মাঝে মিটার রিডাররা বিল বেশি দিতে চান কিন্তু মিটার রিডিং দেখাইলে আবার ঠিক করে দেয়।অনেক কারখানা আর ফ্যাক্টরিতে মালিকরা মিটার রিডারদের সাহায্যে ব্যাপক ডাকাতি করেন।

    1. এটিও আরেকজনের বিল, সমস্যা
      এটিও আরেকজনের বিল, সমস্যা জানতে পেরে নিজেই গেলাম কাহিনী কি জানবার জন্যে। :চশমুদ্দিন: :চশমুদ্দিন: :চশমুদ্দিন:

  2. এখানে আসলে কিছু টেকনিক্যাল
    এখানে আসলে কিছু টেকনিক্যাল ব্যাপার আছে। আমার এক ক্লাসমেট ডিপিডিসি-তে চাকরি করে। সেই সুবাদে আমরা জানি ব্যাপারটা।

    বিদ্যুত বিলের ব্যাপারটা এখনও অধিকাংশ যায়গায় ডিজিটাল হয়নি। ফলে রিডিং লিখে নিয়ে সে অনুযায়ী বিল করার প্রথা রয়ে গেছে। যেটা হয়- ধরুন কেউ একজন বাসায় নেই। সেসময় রিডিং লিখতে এসেছে বিদ্যুৎ অফিসের লোক। সে বাসায় কোন লোক না দেখে রিডিং নিতে পারলো না। পরে আরেক বার এসে দেখে যাবে এতোটা বেকুব তো আর তারা না! আবার সে এটাও জানে না যে এই বাসার লোকজন কি সারা মাসের জন্যই নেই নাকি আধা ঘণ্টার জন্য বাইরে গেছে। সে তখন আন্দাজে একটা রিডিং মন মত বসিয়ে নেয়!
    ফলে বিল আসে অস্বাভাবিক… তাতে তাদের কিছু এসে যায় না! কারণ ভোগান্তি হবে কাস্টমারের, তার কী এসে যায়? কাস্টমার ছিল না কেন বাসায়- এখন বুঝুক মজা!

    আবার এখানে কিছু বিজনেসও আছে! হিডেন বিজনেস…!
    সরকারের বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন বিদ্যুৎ সরবারহকারী প্রতিষ্ঠান (যেমন ডিপিডিসি, ডেসকো, পল্লী বিদ্যুৎ ইত্যাদি) একটা নির্দিষ্ট হারে পার ইউনিট বিদ্যুৎ কিনে নেয়। কিন্তু গ্রাহকের কাছে এই বিদ্যুৎ বিক্রি করে একটা আলাদা ট্যারিফ-এ!
    যেমন ডেসকো’র ট্যারিফ হলো- ৪০০ ইউনিট পর্যন্ত একটা নির্দিষ্ট রেট, ৪০০-এর বেশি হলে অন্য একটা রেট!
    এখন কোন ভাবে যদি ৩৯৬ ইউনিটকে ৪২০ বানানো যায় তাহলে অতিরিক্ত ইউনিটগুলোর এক্সট্রা চার্জ ডেসকো পাবে যেটা সরকারে কোষাগারে যাবে না! ফলে এটা ডেসকোর “হিডেন বিজনেস”!

    এরকম আরো অনেক ব্যাপার-স্যাপার আছে… তবে সচেতন থাকলে এটা এড়ানোও সম্বব!
    প্রতিবার মিটারের রিডিং দেখে যাবার সময় আপনিও একটু মিলিয়ে নিন মিটারের সাথে ঝুলিয়ে রাখা (লাল) মিটার রিডিং রেজিস্টার কার্ডে কত লেখা হলো। মিটারের সাথে সেটা মিল আছে কিনা! এবার গতবারের থেকে সেটা বিয়োগ দিয়ে দেখুন ঠিক আছে কিনা। মাস শেষে বিল হাতে পেলেই বুঝবেন সঠিক ইউনিট এসেছে কিনা।
    রিডিং লেখার সময়ই যদি ভুল ঠিক করে নেন তাহলে পরবর্তীতে আর বিল নিয়ে ভোগান্তি হবে না।

    সচেতনতা শুরু করতে হবে নিজেকেই। সর্বপরি বিদ্যুৎ আমাদের অতি মূল্যবান একটি সম্পদ। তাই বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ মিতব্যয়ী হোন। মনে রাখবেন- আপনার ঘরের একটি অপ্রয়োজনীয় বাতি নেভানো মানে পাশের বাসার একটি অতি জরুরী বাতি জ্বালানোর সুযোগ করে দেয়া…
    🙂

    1. চমৎকার মন্তব্যের জন্য
      চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, তবে জেনে খুশি হবেন যে শহুরে বাসাবাড়িতে মিটার থাকে বাইরে, ঘরের ভেতরে নয়। এইখানে দূর্নীতি হয় মিটার রিডার কর্তৃক, যে কিনা ঘরে বসে আধ্যাত্মিক ক্ষমতা বলে জ্বিন, ভুত দ্বারা মিটার রিড করে। সরকার লোক নিয়োগ দিচ্ছে কাজ করার জন্য অথচ ঐ লোক কাজ করছে ঘরে বসে স্ত্রীর সাথে রান্নাবাটি খেলে। তার সেই সময় কোথায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটার রিড করবে? ডেসকোর ব্যাপারগুলো আগে জানা ছিলো না, আপনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে দেবার জন্য। আমার মনে হচ্ছে ডেসকোর ন্যায় হিডেন বিজনেস সরকারী দপ্তরেও চলে।

      চেতনতা শুরু করতে হবে নিজেকেই। সর্বপরি বিদ্যুৎ আমাদের অতি মূল্যবান একটি সম্পদ। তাই বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ মিতব্যয়ী হোন। মনে রাখবেন- আপনার ঘরের একটি অপ্রয়োজনীয় বাতি নেভানো মানে পাশের বাসার একটি অতি জরুরী বাতি জ্বালানোর সুযোগ করে দেয়া…

      হক কথা এবং আমি এটি বরাবরই মেনে চলি :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. ফেলুদা কি দোষ করলো প্রিয়
      ফেলুদা কি দোষ করলো প্রিয় গল্পকার!!! 😀 😀 😀 [আপনি একটা ক্যারেক্টার জন্ম দিয়া দেন]

  3. প্রায় চার বছর আগে টাকা দিয়ে
    প্রায় চার বছর আগে টাকা দিয়ে বসে আছি অথচ আজও পল্লী বিদ্যুতের সোনার হরিণ মিটারের দেখা পাইনি। টাকা দিয়েও একটা উপজেলা সদরে মিটার পাওয়া যায় না এই হচ্ছে ডিজিটাল দেশের নমুনা। আমার ধারণা সরকারের পাবলিক সার্ভিসের মধ্যে সবচেয়ে বেশী মানুষ ভোগান্তি পোহায় বিদ্যুৎ নিয়ে। দেখার কেউ নাই।

    দুর্নীতি সরকারী লোক করছে, সুতরাং সরকারের সমালোচনা হবে না তো কি বিরোধী দলের সমালোচনা হবে? এইসব দুর্নীতি দূর করার দায়িত্ব কার? সরকারের তাইলে কাজটা কি?

    1. এই জায়গায় বেসরকারী
      এই জায়গায় বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও কম যায় না! সরকারের সাথে পাল্লা দিয়ে তারাও এখন দূর্নীতিতে সিদ্ধ হস্ত!

    2. দুর্নীতি সরকারী লোক করছে,

      দুর্নীতি সরকারী লোক করছে, সুতরাং সরকারের সমালোচনা হবে না তো কি বিরোধী দলের সমালোচনা হবে? এইসব দুর্নীতি দূর করার দায়িত্ব কার? সরকারের তাইলে কাজটা কি?

      আতিক ভাই সরকারের সমালোচনার বিরোধীতা করছি না, শুধু এটাই বলছি ঢালাওভাবে সরকারের দোষ দেয়াটা ঠিক হচ্ছে না। এক সরকার তো আর টানা ক্ষমতায় থাকছে না, ফলে সরকার বদলের সাথে সাথে লোক বদলায়। আমি শতভাগ গ্যারান্টি দিয়েই বলতে পারি, সরকারী বহু দপ্তরে “সর্ষে ক্ষেতে ভূত”-এর ন্যায় কট্টর বিরোধীদল পন্থী বহু লোক রয়ে গেছে যাদের কাজই হচ্ছে সরকারকে বেকাদায় ফেলতে দূর্নীতির মহা আখড়া খুলে বসা। একদম তৃণমূলে গিয়ে কাজ করা অনেক কষ্টকর এবং দুঃসাধ্যও বটে। এখানে আবার এটাও মাথায় রাখতে হবে, রসুনের কোয়া আলাদা হলেও পুটকি এক। তৃণমূল পর্যায়ে সরকারী প্রতিষ্ঠান সমূহে রয়েছে সিবিএ, এদের কাজই হচ্ছে শতভাগ শ্রমিক স্বার্থ রক্ষা করা। এই সিবিএ এর জন্য অনেক সময় অনেক কিছু করা সম্ভবও হয় না, এমনকি এই সিবিএ এর মামাবাড়ীর আবদারের যন্ত্রণা কি তা নিজেও এখন কিছুটা বুঝতে পারছি। তাই আবারো বলবো এককভাবে সরকারকে ঢালাওভাবে দোষারোপ করতে নারাজ আমি, কেননা বর্তমানে খাম্বাখুম্বা কারবার বা টেন পার্সেন্ট টাইপ কারবার করে না সরকার।

      1. আপনার এসব তেল ঝরানি কতা
        আপনার এসব তেল ঝরানি কতা বার্তা বন করেন।
        আমি শিউর, সারা বাংলাদেশে জত্ত গুলান সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী আছে তাদের পেত্তেকে আওয়ামীলীগের টিকিট কাটা করমি।
        এদের জেকুনু কাজের দুশ সরকারের, আপনে চাই মানেন আর না মানেন!

        আম্লিগ খ্রাপ……… খুপ খ্রাপ…………।

        1. আপনার হিসাব মতে তারেক্কা
          আপনার হিসাব মতে তারেক্কা চুরার সময়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সকল দুর্নীতির দায় তাহলে বিম্পির উপর বর্তায় না! বাহঃ, ভালোতো, ভালো না!

          1. আপনার হিসাব মতে তারেক্কা

            আপনার হিসাব মতে তারেক্কা চুরার সময়ে বিদ্যুৎ বিভাগের সকল দুর্নীতির দায় তাহলে বিম্পির উপর বর্তায় না

            তারেক্কা চুরা জানি কুন অফিসের কর্মচারী আচিলো?

          2. যে অফিসের কর্মচারী এখন যুবরাজ

            যে অফিসের কর্মচারী এখন যুবরাজ জয়, সেই অফিসের কর্মচারী ছিলেন।

            একটু সংশোধন হবে। যুবরাজ জয় প্রধানমন্ত্রী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা আর তারেক সাব এইসকল ইহুদী নাছারাদের জিনিসপাতি হৈতে দূরে ছিলেন এবং এখনো আছেন। অনলাইন সম্পর্কে নূন্যতম ধারণাই নাই আমাগো তারেক সাবের।

          3. আর তারেক সাব এইসকল ইহুদী

            আর তারেক সাব এইসকল ইহুদী নাছারাদের জিনিসপাতি হৈতে দূরে ছিলেন এবং এখনো আছেন।

            কাইচে………

      2. সিবিএ কারা চালায়? কারা এদের
        সিবিএ কারা চালায়? কারা এদের শেল্টার দেয়? এদের এতো দাপটের কারণ কি? ঘুরে ফিরে কোন না কোন মন্ত্রী এমপির নাম আসবেই। তাই এইসব ধুনফুন বুঝায়ে লাভ নাই।

        1. সিবিএ চালায় আমলারা আর তাদের
          সিবিএ চালায় আমলারা আর তাদের শেল্টার দেয় মন্ত্রীরা আর মন্ত্রীদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করি আমরা জনগণেরা :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: আল্টিমেট দোষটা কাদের তাইলে?

          1. সিবিএ আমলারা চালায়? এই আপনার
            সিবিএ আমলারা চালায়? এই আপনার রাজনৈতিক গিয়ান? :খাইছে:

            আর দায় যদি জনগনেরই তাইলে এই পোস্ট লিখছেন ক্যান? নিজের পাছায় নিজে লাত্থি দিলেই ল্যাঠা চুকে যাইত। :ঘুমপাইতেছে:

          2. রাজনীতি নিয়ে এদের পড়া লেখা
            রাজনীতি নিয়ে এদের পড়া লেখা নেত্রীর বক্তব্য পত্রিকায় বা টিভিতে পড়া বা দেখা পর্যন্তই।

          3. মূর্খদের জ্ঞান বিতরণ করা উচিত
            মূর্খদের জ্ঞান বিতরণ করা উচিত না। কারণ জ্ঞান বিতরণ করা হয় যারা কম জানে তাদের শিখতে। মূর্খের জ্ঞান অন্যরা গ্রহন করলে সেটাকে বলা হয় কুশিক্ষা। আগে শিক্ষিত হয়ে তারপর জ্ঞান বিতরণ করতে আসো? আর না হলে স্বীকার করে নেও, যা বলেছ সেটা সঠিক নয়। ভুল স্বীকার করে নেওয়ার মধ্যে মহত্ব থাকে। যেটা ভবিষ্যতে তোমাকে জ্ঞানী হিসাবে দাঁড় করাতে পারবে।

          4. আপনি বোধ হয় খেয়াল করেন
            আপনি বোধ হয় খেয়াল করেন নি

            টাইপিং মিস্টেক, সেখানে আমলা-কামলা হবে। মূলত এরা শ্রমিক নেতা।

            আমি স্বীকার করতে সাচ্ছন্দ্যবোধ করি, এটা আশা করি জানেন। সহজে মেনে নেই আমি। :ফুল:

          5. রাজনীতি নিয়ে এদের পড়া লেখা

            রাজনীতি নিয়ে এদের পড়া লেখা নেত্রীর বক্তব্য পত্রিকায় বা টিভিতে পড়া বা দেখা পর্যন্তই।

            আপনার বিদ্যা কতখানি ভাই, জানতে মুঞ্চায়!

          6. বিদ্যা নিয়ে অহঙ্কার করতে নাই,
            বিদ্যা নিয়ে অহঙ্কার করতে নাই, আপনার চাইতে অনেক বিদ্বান আছে ভায়া।
            বিদ্যা কিন্তুক ঘাটে মাঠে বিচড়াইয়া জানান দেওনের জিনিষ না, খিয়াল কৈরা!

      3. এইসব বালের যুক্তি দেখায়েন না।
        এইসব বালের যুক্তি দেখায়েন না। যারা দুর্নীতি করে তারাই বিরোধী দলের লোক। এইসব বালখিল্য আলাপে আর কতদিন? সরকার চেঞ্জ হওয়ার সাথে সাথে প্রতিটা প্রতিষ্ঠানের উপরওয়ালা চেঞ্জ হয়। উপরওয়ালা খাস সরকারী লোক ছাড়া হয় না। এইসব উপরওয়ালার কাজ কি? সরকাররে বিপদে ফালান?

        1. উপরওয়ালার কাজ হইলো ছিল মারা
          উপরওয়ালার কাজ হইলো ছিল মারা আর সই করা, মাঝে মাঝে দুই একটা বড় কুম্পানী আইলে পরে কিছু খসানো। পোস্টেই দেখেন তমুক সাহেবের রুমের বর্ণনা আর ছিল মারা অমুক সাহেবের বর্ণণা কিভাবে দিয়েছি। তমুক সাহেবের রুম ভর্তি স্কচের বুতলে আর অমুক সাহেব কোনমতে গদিতে বসছে। শুধু এইটা না আপনি চট্টগ্রাম আসলে একদিন আপনেরে নিয়া বেশ কয়েকটা সরকারী অফিসে পরিদর্শনে যামু নে। দেখবেন উপরওয়ালা আছেন কি হালে আর মধ্যমওয়ালা আছেন কোন হালে। আপনিই বলেন দূর্নীতি কি আপনি করতেন নাকি আপনের কম্পাউন্ডার করতো? সরকার বদলি করছে আপনেরে কিন্তু কম্পাউন্ডাররে তো করে নাই। :ফুল: :ফুল: :ফুল:

          1. আমার কম্পাউন্ডারের দূর্নীতি
            আমার কম্পাউন্ডারের দূর্নীতি বন্ধ করার দায়িত্ব আমার ছিল এবং আমি করছিলাম। দ্যাটস ইট।

          2. আতিক ভাই এইডার উত্তর পাইলাম
            আতিক ভাই এইডার উত্তর পাইলাম না

            সরকার বদলি করছে আপনেরে কিন্তু কম্পাউন্ডাররে তো করে নাই।

          3. সরকার তো নিজ ইচ্ছায় আমাকে
            সরকার তো নিজ ইচ্ছায় আমাকে বদলী করে নাই। আমার নিজের পড়ালেখার প্রয়োজনেই আমি ট্রান্সফার নিছি। আর দ্বিতীয় তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারিদের বদলীরও নিয়মও অনেক ঘাপলা আছে।

          4. আর দ্বিতীয় তৃতীয় শ্রেণীর

            আর দ্বিতীয় তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারিদের বদলীরও নিয়মও অনেক ঘাপলা আছে।

            এইতো লাইনে আইলেন। ঘাপলা, আছে!!!

          1. সেই সময়ে দূর্নীতির হেড
            সেই সময়ে দূর্নীতির হেড কোয়ার্টার ছিলো হাওয়া ভবন, এটা নিশ্চয়ই নতুন কিছু না।

  4. বিদ্যুৎ বিভাগ খালেদা জিয়া
    বিদ্যুৎ বিভাগ খালেদা জিয়া চালায়, তাই এই বিভাগের সব দুর্নীতির দায় খালেদা জিয়ার।

    1. আমি কি কইছি খালদা চালায়!!!
      আমি কি কইছি খালদা চালায়!!! আমি তো এখানে শুধু এইটুকুই বুঝাইতে চাইসি দোষ করছে মোছওয়ালায় আর ফাডা বাঁশের চিপায় পড়ছে দাড়িওয়ালায়।

  5. বিদ্যুৎ বিভাগ খালেদা জিয়া

    বিদ্যুৎ বিভাগ খালেদা জিয়া চালায়……………

    লাগছে, লাগছে……… এক্কেবারে জায়গা মতো লাগছে!

      1. …………… ভাইজানের দেখি

        …………… ভাইজানের দেখি অর্গাজম শুরু হইয়া যায়।

        ভাইজানদের যদি অর্গাজম হইত তাইলে তো সারা বছর আপনাদের ত্যানা পেঁচিয়ে রাখতে হইত ভাইজানো। ভাগ্যিস, পুরুষ মাইনশের অর্গাজম হয় না!

        আলোচনা মনে হয় লাইন ছাইড়া যাইতেছে…… কি কন?

        1. যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে,
          যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকে, প্রসাশনের সকল ব্যর্থতার দায় সেই সরকারের উপরই বর্তায়। এই সহজ কথাটা মানতে সমস্যা কোথায়? আলোচনা লাইনচ্যুত আপনারাই করেন। যে আলোচনায় স্বীয় রাজনৈতিক দল ফেঁসে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে, সেই আলোচনার মোড় অন্য দিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার আয়োজন আপনারাই করেন। সহজবোধ্য একটা বিষয় দলীয় স্বার্থের কথা বিবেচনা করে দোষ নিজেদের ঘাড়ে নিতে আপনারা নারাজ! কেন? মানুষকে আপনারা এত বোকা ভাবেন কেন? এতে আপনাদের কোন লাভ হচ্ছে না। বরং অনেক ক্ষতি হচ্ছে। সাধারণ মানুষ আপনাদের কথায় বিভ্রান্ত না হয়ে আপনাদের বক্তব্যগুলো দলীয় বক্তব্য হিসাবে গ্রহন করছে। দলের মুল ক্ষতিটা কিন্তু আপনারাই করছেন। সত্যকে সত্য বলা শিখুন। সমালোচনা হজম করার মানষিকতা নিয়ে এক্টিভিজমে আসুন। নিজ দলের সমালোচনা করা মানে দলের বিরুদ্ধে বলা নয়। সমালোচনার মাধ্যমে দলকে ভুল পথ থেকে ফিরিয়ে আনুন। আখেরে লাভটা আপনাদেরই হবে।

          1. দেখুন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে একজন
            দেখুন, রাস্তায় দাঁড়িয়ে একজন পুলিশ কনস্টেবল দশ টাকা ঘুষ খাচ্ছে, তার দায় সরকারের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছেন।
            ফাইল টানা কর্মচারী টেবিল থেকে টেবিলে ফাইল টানতে পঞ্চাশ টাকা ঘুষ খাচ্ছে, তার দায় সরকারের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছেন।
            পল্লিবিদ্যুত ডেসকো ডেসা তিতাসের লাইন ম্যান হাজার টাকা ঘুষ খাচ্ছে, তার দায় সরকারের ঘাড়ে চাপিয়ে দিচ্ছেন।

            সরকারের একার পক্ষে কি এতো তৃনমূল পর্যায়ের দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব?
            যদি রোধ করতে না পারে তবে তার দায় কি একমাত্র সরকারের?

          2. বরং উল্টোটা।
            সব কিছুর

            বরং উল্টোটা।
            সব কিছুর ব্যর্থতার দায় আপনারাই একমাত্র শেখ হাসিনার কাঁধে চাপিয়ে দিতে চান।

          3. চেইন অব কম্যান্ড বলে একটা কথা
            চেইন অব কম্যান্ড বলে একটা কথা আছে। আন্ধা না হইলে বুঝতেন। একজন পুলিশ ১০ টাকা ঘুষ খাইতেছে কিনা এইটা দেখার দায়িত্ব শেখ হাসিনার না। কিন্তু যার দেখার দায়িত্ব সে ঠিক মত দেখতেছে কিনা চেইন অব কম্যান্ড অনুযায়ী সেটার দায় কম্যান্ডের শির্ষে থাকা শেখ হাসিনার।

          4. ডাক্তার সাব, ধরেন অপারেশন
            ডাক্তার সাব, ধরেন অপারেশন করার পর রোগীর পেটের মধ্যে গজ ব্যান্ডেজ রেখে দিয়েই শেলাই করে দিলেন আর এ কারনে রোগী মারা গেল। তখন, এ সরকার অদক্ষ ডাক্তার নিয়োগ দিয়েছে বলে যদি আন্দোলন হয় তবে তার দায়-ও নিশ্চয় শেখ হাসিনার কাঁধে বর্তাবে?

          5. ভাই আপনার যুক্তির বহর দেখলে
            ভাই আপনার যুক্তির বহর দেখলে একটা ক্লাস ফাইভের পোলাপাইনেও লজ্জা পাবে।
            আমি যদি অপারেশন করতে গিয়ে এইরকম ভুল করি তাইলে সেটা দেখার দায় আমার হাসপাতালের পরিচালকের। পরিচালককে দেখার দায় ডিজি হেলথের। আর ডিজি হেলথকে দেখার দায় মন্ত্রনালয়ের। মন্ত্রনালয়কে দেখার দায় প্রধানমন্ত্রীর।

            অসংখ্যা অদক্ষ ডাক্তার দ্বারা যদি স্বাস্থ্য খাত আপনার কথিত অবস্থার মত হুমকির মুখে পড়ে তাহলে আলটিমেটলি দায় সরকারের কাঁধেই যাবে।

            আমি জুনিয়র ডাক্তার থেকে শুরু করে, পরিচালক, ডিজি হেলথ, স্বাস্থ্য মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী সবাই সরকারের অংশ। তাই হেলথ সেক্টরের ব্যর্থতা মানেই সরকারের ব্যর্থতা। একই কথা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেক্টর নিয়েও। বুঝা গেছে? নাকি এখনও বুঝেন নাই?

          6. ভাই আপনার যুক্তির বহর দেখলে

            ভাই আপনার যুক্তির বহর দেখলে একটা ক্লাস ফাইভের পোলাপাইনেও লজ্জা পাবে।

            কিলাশ ফাইবে যাইতে এক্ষনো দুই বচ্চর!

            তারপর, যেটুকু বলেছেন তা আংশিকভাবে সঠিক। দুর্নীতির দায়, যারা করে তারা হতে শুরু করে শীর্ষমহল পর্যন্ত। ধরুন, আপনার চেইনের কোনও একটা শিকল ছিঁড়ে গেল, সেটা প্রধানমন্ত্রী পর্যন্ত পৌছালো না, সে ক্ষেত্রেও কি তার দায় সরকারের? চেইনের সবাই আওয়ামীলীগ করে এটা নিশ্চয় বলতে চাইবেন না!

          7. যদি বলেন যে আমি জুনিয়র
            যদি বলেন যে আমি জুনিয়র ডাক্তার থেকে শুরু করে, পরিচালক, ডিজি হেলথ, স্বাস্থ্য মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী সবাই সরকারের অংশ তাহলে সরকারের সাফল্যের অংশিদারও সবাই, এভাবে প্রত্যেককেই যদি সাফল্যের অংশ হতে পারে তবে ব্যর্থতার অংশ কেন এক মাত্র প্রধানমন্ত্রীর? ব্যর্থতার দায়
            -ও অবশ্যই প্রধানমন্ত্রীসহ সবাইকে নিতে হবে।

            ব্যর্থতার দায় একজনের ঘাড়ে বর্তানো গেলে একটি রাষ্ট্র ব্যর্থ হয় কিভাবে? রাষ্ট্রের ব্যর্থতা বলতে কি পুরো দেশের ব্যর্থতা বোঝায় না? পুরো দেশ ব্যর্থ হলে দেশের জনগন কি সফল হতে পারে? নিশ্চয় তাদেরও ব্যর্থ হওয়ার কথা, কি বলেন?

          8. ব্যর্থতার দায়ভার সব
            ব্যর্থতার দায়ভার সব প্রধানমন্ত্রীর এই কথা কে কইছে? সরকার মানেই যদি প্রধানমন্ত্রী বুঝেন তাইলে তো সমস্যা।

          9. পরিচালনায় ব্যর্থ সরকার এটা
            পরিচালনায় ব্যর্থ সরকার এটা মেনে নিলাম, তবে আসল ব্যর্থতাতো আমাদের। এই ইতর জনগণের, যারা নির্বাচিত করে সরকারকে। দায় আমাদেরও আছে, কেন আমরা দূর্নীতিকে প্রশ্রয় দেবো? কেনো আমরা সুযোগ দেবো দূর্নীতি করার!!! এই একটা প্র্যাকটিস আমার খুবই বিরক্ত লাগে, যেখানে আমরা চোরকে গালি দেই না বরং গালি দেই যার চুরি হয়েছে। ভাবখানা এমন চোরের ধর্ম যেহেতু চুরি করা তাই তার সেই ধর্মানুনুভুতিতে আঘাত দিয়ে পাপ করেছে যার চুরি হয়েছে। যে ঘুষ খাচ্ছে, যে দূর্নীতি করছে তাকে ধরিয়ে দিন। আজকাল মোবাইলে ক্যামেরা আছে, এটাকে একটু এদিক সেদিক করে ব্যবহার করলেই হলো। মুক্ত গণমাধ্যমে তা ছড়িয়ে দিন, শুরু হোক এখান থেকেই। এই কথাগুলো আমরা কখনোই বলিনা আর যা বলি তা হলো কার বগলে গন্ধ কতো!!!

          10. কুনু অপিসের পিওন যদি লেপটিনে
            কুনু অপিসের পিওন যদি লেপটিনে যাইয়া ফিলাশ করার হ্যান্ডেল ভাইঙ্গা ফেলাই তাইলে সরকারের কাজ হইলো শাতে শাতে আইসা সেইটা ঠিক কৈরা দেওয়া। নাইলে, পানি দিয়া দ্যাশ ভাইসা গেলে সেই ব্যর্থতার দায় সরকারের।

          11. উপ্রে তো বললামই। এই পোস্ট
            উপ্রে তো বললামই। এই পোস্ট লিখছেন কেন তাইলে? নিজের ব্যর্থতার দায়ভার নিয়া চুপচাপ বইসা থাকেন।

          12. পোস্ট লেখার উদ্দেশ্য তো
            পোস্ট লেখার উদ্দেশ্য তো ক্লিয়ার। দূর্নীতির দায় আসলে কার সেটা পরিষ্কার করা। দূর্নীতি শুরু হয় একদম তৃণমূল থেকে।

  6. আরিস্সালা… এতো দেখতেসি
    আরিস্সালা… এতো দেখতেসি পুরাই রাজকীয় ব্যাপার ! বিদ্যুৎ অফিসে একটা পিয়নের চাকরী দরকার।
    বি.দ্র: আগ্রাবাদ এলাকায় আবিদর পাড়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের জনৈক মিটার রিডারের একটা ৬তলা বিল্ডিং আছে।

    1. বি.দ্র: আগ্রাবাদ এলাকায় আবিদর

      বি.দ্র: আগ্রাবাদ এলাকায় আবিদর পাড়ায় বিদ্যুৎ বিভাগের জনৈক মিটার রিডারের একটা ৬তলা বিল্ডিং আছে।

      এ দোষ তাহার নহে, এহা সেকাচিনার ইশারায় সংগঠিত একটি বাকশালি কর্মকাণ্ড। এর দায় একমাত্র সেকাচিনা-র!

      1. তিনি এলাকায় বিম্পি’র ন্যাতা
        তিনি এলাকায় বিম্পি’র ন্যাতা এবং বিদ্যুৎ বিভাগীয় সিবিএ ন্যাতা হিসেবে (সু)পরিচিত।

  7. সব রাজনৈতিক প্রভাব। সৎ থাকতে
    সব রাজনৈতিক প্রভাব। সৎ থাকতে দেয়া হয়না। অফিসারের চেয়ে মিটার রিডারের দাপট বেশি। কারন সে সিবিএ এর নেতা! ৮০ ভাগ দূর্নীতি করে মিটার রিডার। বাকি ২০ ভাগ এর মধ্যে ১৯ ভাগই সুপারিন্টেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার, চিফ ইঞ্জিনিয়ার এবং এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার এর দ্বারা হয়।

  8. পড়লাম। বাহ
    পড়লাম। বাহ
    ==============================================
    ফেসবুকে আমার ইস্টিশন বন্ধুদের Add করার ও আমার ইস্টিশনে আমার পোস্ট পড়ার অনুরোধ করছি। লিংক : https://web.facebook.com/JahangirHossainDDMoEduGoB

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *