মিরপুরে বিহারী হত্যাকান্ডে পাকিস্তানের ক্ষোভ

রাজধানীর কালসিতে বিহারী ক্যাম্পে ৯ জনকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় পাকিস্তানে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সেখানকার গণমাধ্যম ও সাধারন মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছে। এ বিষয়ে সরকারকে অবহিত করেছে পাকিস্তানে থাকা বাংলাদেশের হাইকমিশন।

প্রকৃত পক্ষে কালশিতে কি ঘটনা ঘটেছিল সে বিষয়টি জানার জন্য হাইকমিশনের পক্ষ থেকে একটি চিঠি গত সপ্তাহে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে দু’একদিনের মধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।


রাজধানীর কালসিতে বিহারী ক্যাম্পে ৯ জনকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় পাকিস্তানে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সেখানকার গণমাধ্যম ও সাধারন মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করছে। এ বিষয়ে সরকারকে অবহিত করেছে পাকিস্তানে থাকা বাংলাদেশের হাইকমিশন।

প্রকৃত পক্ষে কালশিতে কি ঘটনা ঘটেছিল সে বিষয়টি জানার জন্য হাইকমিশনের পক্ষ থেকে একটি চিঠি গত সপ্তাহে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পৌঁছেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে দু’একদিনের মধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

জানা গেছে, মিরপুরের ঘটনায় বাংলাদেশের মতো পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যমগুলোতেও গুরুত্বসহ সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে কেউ জানতে চাইলে পাকিস্তানে বাংলাদেশ হাই কমিশন যাতে সঠিক জবাব দিতে পারে সে জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে।

সূত্র জানায়, এ চিঠি আসার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। সেখানে কারা কি কারনে আগুন দিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটিয়েছে সেসব বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।

জানা যায়, শবে বরাত উপলক্ষে আতশবাজি ফোটানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১৩ জুন ফজরের নামাজের পর বিহারীদের সঙ্গে স্থানীয় বাঙালীদের সংঘর্ষ শুরু হয়। এরপর সকাল হলে সংঘর্ষ বাড়তে থাকে। সকাল ৮টার দিকে তা ভয়ঙ্কর রূপ নেয়। তখন পুলিশের সাথেও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলে। সংর্ঘষের এক পর্যায় আগুনে দ্বগ্ধ হয়ে নয়জন মারা যায়।

এ ঘটনায় বিহারী ক্যাম্পের বাসিন্দা সেলুন-কর্মী মোহাম্মদ ইয়াসিনের স্ত্রী, সন্ত্রান, নাতীসহ তাঁর পরিবারের নয়জন ঘটনাস্থলে মারা যান। আগুনে পুড়ে মৃতদের মধ্যে রয়েছেন বেবী (৪৩), আশিক (২৩), শিখা (২০), লালু (১৪) ও ভুলু (১৪), শাহানী (২৩), আফসানা (২০) রোকসানা (১৬) এবং মারুফ (দেড় বছর)।

পরদিন ১৪ জুন সকালে আগুনে পুড়ে মারা যাওয়া ৯ জনের লাশ উদ্ধারে গেলে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ বাধে। লাশগুলো ক্যাম্পের ভেতরে রেখে ক্ষুদ্ধ বিহারীরা বিক্ষোভে নামলে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় সংঘর্ষ চলে পুলিশের সাথে। পুলিশ অনেক চেষ্টা করেও লাশগুলো তাদের দখল থেকে নিতে পারেনি। পরে বেলা তিনটার দিকে ঢাকা জেলা প্রশাসক শেখ ইউসুফ হারুনের তত্ত্বাবধানে পুলিশ ও ‘স্ট্র্যান্ডেড পাকিস্তানিজ জেনারেল রিপ্যাট্রিয়শেন কমিটি’র নেতাদের উপস্থিতে লাশগুলো হস্তান্তর করা হলে মর্গে নেওয়া হয়।

৭ thoughts on “মিরপুরে বিহারী হত্যাকান্ডে পাকিস্তানের ক্ষোভ

  1. এত বালের ক্ষোভ আর পিরিত
    এত বালের ক্ষোভ আর পিরিত উথলাইয়া পড়লে ঐ জারজ গুলারে ফাকিস্তান ফেরত লই না কেন??

  2. জারজগুলার জন্য পাকিদের দিলে
    জারজগুলার জন্য পাকিদের দিলে যদি এত মহব্বত থাকে তাহলে লইয়া যা। আমরা উদ্ধার হই।

  3. মাসির দরদ দেখি উথলায়া পড়ছে।
    মাসির দরদ দেখি উথলায়া পড়ছে। নিয়ে গেলেই পারে। ওরাও বাঁচে। বাপের দেশে ফেরত গেলো।

  4. এই সমস্যার আশু সমাধান হওয়া
    এই সমস্যার আশু সমাধান হওয়া উচিত ।পুড়িয়ে মারা অমানবিক কিন্তু এরা এখন আমাদের বোঝা । এত্ত এত্ত মানুষ নিয়ে নিজেরাই বাচি না তার উপর আবার এই বিহারী উদ্বাস্তু !!

    1. নিজেদের অস্তিত্ব বিলীন করে
      নিজেদের অস্তিত্ব বিলীন করে বিহারীদের জন্য মানবতা দেখানোর এত মানবতা আমাদের থাকা উচিত না।

  5. বিষয়টি এতো সহজ না। আপনার
    বিষয়টি এতো সহজ না। আপনার দেশে কয় লাখ বিহারী আছে? বড় জোর দুই বা চাইর লাখ। আর আপনার বাঙালী আছে পাকিস্তানে ৩০ থেকে ৩৫ লাখ। এবার আসুন কাটাকাটি করি। ওরা যদি ৩৫ লাখ পাঠায় দেয় আপনার ৪ লাখের বিনিময়ে তখণ কিন্তু খ্যাশ খাইয়া যাবেন।
    পাকি দেশ থেকে কিন্তু রেমিট্যান্স পাঠায় বাঙালীরা। পৃথিবীর আর কোন দেশে এতো বাংলাদেশী বাঙালী নেই পাকিস্তান ছাড়া। এবার কিন্তু নিশ্চিত আপনার চেতনায় আঘাত প্রাপ্ত হবে।
    সব প্রানে ঈমান আসুক। আমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *