মমতা বন্দোপাধ্যায় মা জননীর চরণ সমীপেঃ

যখন ভারত পদ্মা নদীতে বাঁধ দিয়েছে তখনো আমরা ভারতের বিরুদ্ধে কিছুই বলিনি। একের পর এক তারা ৫৪ টি নদীর উপর বাঁধ দিয়েছে। আমরা সবসময়ই অতি নীরব থেকেছি। এবার তিস্তার জল শুকিয়ে বল খেলার মাঠ হলেও আমরা কিছুই বলিনি। কারণ আমরা আগে থেকেই খুব দুরদর্শী এবং এখনো। নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় আমাদের অর্থাত্‍ পীরদের কদর বেড়েছে। অনেকেই পানির জন্য দরবারে কোরমা, পোলাও, মুরগী, পাঁঠা, বকরী, গরু, ছাগল হাদিয়া দিয়েছে। এতে তারা অনেক নেকী হাছেল করেছে। খরার কারণে ফসল নষ্ট হওয়া থেকে বাচার জন্য অনেকেই হালকা জিকিরের আয়োজন করেছে। সেখানেও তারা চারগুন হাদিয়া দিয়েছে।


যখন ভারত পদ্মা নদীতে বাঁধ দিয়েছে তখনো আমরা ভারতের বিরুদ্ধে কিছুই বলিনি। একের পর এক তারা ৫৪ টি নদীর উপর বাঁধ দিয়েছে। আমরা সবসময়ই অতি নীরব থেকেছি। এবার তিস্তার জল শুকিয়ে বল খেলার মাঠ হলেও আমরা কিছুই বলিনি। কারণ আমরা আগে থেকেই খুব দুরদর্শী এবং এখনো। নদীর পানি শুকিয়ে যাওয়ায় আমাদের অর্থাত্‍ পীরদের কদর বেড়েছে। অনেকেই পানির জন্য দরবারে কোরমা, পোলাও, মুরগী, পাঁঠা, বকরী, গরু, ছাগল হাদিয়া দিয়েছে। এতে তারা অনেক নেকী হাছেল করেছে। খরার কারণে ফসল নষ্ট হওয়া থেকে বাচার জন্য অনেকেই হালকা জিকিরের আয়োজন করেছে। সেখানেও তারা চারগুন হাদিয়া দিয়েছে।

তিস্তা ও পদ্মায় পানি থাকলে বন্যা ও নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়ে আমাকে হাদিয়া দেওয়ার মতো সহায় সম্বল হারিয়ে পথে বসতো এবং অশেষ নেক হাছেল থেকে বঞ্চিত হতো। কিন্তু নদীগুলোতে চর পড়ায় এই সমস্যাগুলি হচ্ছে না। আর যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহন করে আমাদের এই মহান উপকার করায় পূণ্যবতী, ন্যায়পরায়না, পরোপকারী, মহীয়সী, মা জননী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে লাল গোলাপের শুভেচ্চা জ্ঞাপন করছি। আমি তার চরণ ধুলা আশা করছি। আশা করি মা জননী আমার দরবারে চরণ রেখে আমাকে ও মুরীদগণকে ধন্য করবেন। সেই সাথে আমি প্রধানমন্ত্রী কেও অশেষ ধন্যবাদ দিচ্ছি।

সেইসাথে বদদোয়া ঐসকল ইসলাম বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী, দেশের স্বার্থ বিরোধী, দেশপ্রেমহীন লোকদের জন্য যারা তিস্তা পদ্মার পানির জন্য লংমার্চ করে।

আমার সাথে আওয়ামীলীগ, জামাত শিবির, বিএনপির কোনো কানেকশন নাই। আমি এখন মমতা মা জননীর সম্মানার্থে গরুর মাংস ছেড়ে সকল প্রকার পাঁঠা,খাসী,ও বকরীর মাংস খাই।

বিঃদ্রঃ এখনো হাদিয়া হিসেবে গরু নেওয়া হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *