পথ শিশুদের আম উৎসব’১৪ এর রিভিউ…

গতকাল Little ভাইয়ের পোস্ট করা এই ছবিটি আমার এতো ভাল লেগেছে যে সাথে সাথে (অনুমতি না নিয়েই) প্রো-পিক বানিয়ে ফেলেছিলাম!
আমার এক বন্ধু সেটা দেখে প্রশ্ন করেছে- এটা কি সেই চন্দ্রিমা উদ্যানের মেয়েটা?
আপনারা কি কেউ বলতে পারেন, আমার ঐ বন্ধু কোন মেয়েটের কথা বলেছে?


গতকাল Little ভাইয়ের পোস্ট করা এই ছবিটি আমার এতো ভাল লেগেছে যে সাথে সাথে (অনুমতি না নিয়েই) প্রো-পিক বানিয়ে ফেলেছিলাম!
আমার এক বন্ধু সেটা দেখে প্রশ্ন করেছে- এটা কি সেই চন্দ্রিমা উদ্যানের মেয়েটা?
আপনারা কি কেউ বলতে পারেন, আমার ঐ বন্ধু কোন মেয়েটের কথা বলেছে?

খাঁটি গরীব-এর ৬ জুন ‘১৪ তারিখের মিটিং-এর পর আমি একটা গল্প লিখেছিলাম। শুরুটা ছিল “ময়নার বাপ জুতা সেলাই করে…” আমার সেই গল্প অনেকের ভালবাসায় সিক্ত হয়েছে। আমার সেই বন্ধু ধরেই নিয়েছিল ময়না একটা বাস্তব চরিত্র… আর তাই এই ছবিটা দেখে তার প্রথমেই ময়নার কথা মনে হয়েছে।
স্বার্থক আমার লেখালেখি। ধন্য “আমরা খাঁটি গরীব” গ্রুপ…

আমি তাকে জবাব দিয়েছি- “ময়নারা দেখতে ঠিক এমনই হয়… ওদের হাসিগুলোও বরাবরই এমন নির্মল।”

“আমরা খাটি গরীব”-এর কল্যানে বলতে আর বাধা নেই- আমরা পেরেছি… আমরা সত্যিই এটা পেরেছি!

আমার “পথ শিশুদের আম উৎসব’১৪” শিরোনামে লেখা গত ৬ জুন ২০১৪ এর পোস্টটিতে অনেকেই খুব আগ্রহ দেখিয়েছেন। প্রকাশ করেছেন স্বতঃস্ফুর্ত অভিনন্দন, প্রশংসা এবং শুভকামনা। সংশয়ও প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ!
তাদের সবার জন্য গত ২১ জুন ২০১৪ সারা দেশ ব্যাপি আয়োজিত ”সারাটা দেশ হাসবে, আমের রসে ভাসবে” – পথশিশুদের আম উৎসব ২০১৪ -এর কিছু এক্সক্লুসিভ ফটো দেয়া হলো… আরো অনেক ফটো ছিল। সবগুলো দেবার সময়-সাহস-মেগাবাইট কিছুই পর্যাপ্ত পরিমানে আমার নেই। :ভেংচি:
বেশি আগ্রহীদের পোস্টের একদম শেষে দেয়া লিংকে ঢুঁ মারার পরামর্শ রইলো…


ট্রাকে তোলা হচ্ছে আম। :কেউরেকইসনা:


গন্তব্যে ছুটে যাওয়ার অপেক্ষায় আমের ট্রাক… :ভালাপাইছি:


শেষ বারের মত ব্রিফিং দেয়া হচ্ছে কিভাবে কী করতে হবে… :ফেরেশতা:


ঢাকার নারী স্বেচ্ছাসেবীদের একাংশ… :-B


বিশ্বকাপ পাক না পাক, খাঁটি গরীবের কল্যাণে নেইমার এবং মেসি- দুইজনে দুইটা আম তো অন্তত পেয়েছে!!! এটাই বা মন্দ কী? :ভেংচি:


এই দুইটা আমার। আমার আম কাউরে দিমু না! :হাসি:


সিলেটের বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিশুদের আম হাতে উচ্ছাস… :থাম্বসআপ:


দুই হাতে দুটি আম, এই হাসির অনেক দাম! 😀


আমের রসে সিক্ত শিশু… :চশমুদ্দিন:


রসালো আমে তৃপ্ত কামড়… :খুশি:


এই ছবির ক্যাপশন আপনারাই দিয়ে নেন… :-B


আমাদের খাঁটি গরীব “সামিয়া” আপু… তার এই হাসিই বলে দেয় নেবার চেয়ে দেবার আনন্দ কতো বেশি! :ফুল:


পিছিয়ে ছিল না রংপুরের গরীবরাও :বুখেআয়বাবুল:


এবং আমাদের বরিশালের হিরোরা…! সংখ্যায় মাত্র অল্প কয়েকজন হয়েও যে সাহসিকতা ও উদ্যোম তারা দেখিয়েছে সেজন্য তাদের জাস্ট :salute:


সারাদিনের তুমুল বৃষ্টিতে কাক ভেজা চট্টগ্রামের গরীবরা… :আমারকুনোদোষনাই:


শুধু আমই নয়, বিভিন্ন পথ শিশুদের মাঝে কিছু উপহার ও খেলনা সামগ্রীও দেয়া হয়েছিল এবার… :থাম্বসআপ:


নতুন খেলনা পেয়ে উচ্ছাসিত শিশুদের সাথে আমাদের গরীবরা… :খাইছে:


আমময় একটি পথশিশুদের স্কুল… :টাইমশ্যাষ:


উচ্ছাসিত শিশুদের ছুটে যাওয়া শৈশব… :পার্টি:


এবং আমাদের ঢাকার গরীব বাহিনী… ফটোগ্রাফার দুইটা হলে যা হয় আরকি! :হাসি: :ভেংচি:


আমরা খাঁটি গরীব… আমরা গরীবের পাশে। আপনি আছেন তো আমাদের সাথে? :জলদিকর:

আরো ছবির লিংক…
আরো আরো…

এবং আরো কিছু ছবি…

অনেক কষ্ট করে এবং মেগাবাইট খরচ করে পুরো পোস্টটি পড়ার এবং দেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ সবাইকে… 😀 :গোলাপ:

৮৮ thoughts on “পথ শিশুদের আম উৎসব’১৪ এর রিভিউ…

  1. প্রতি বছরই এই আম উৎসবের
    প্রতি বছরই এই আম উৎসবের ছবিগুলো দেখলে চোখ ভিজে আসে। আম হাতে পাওয়ার পর কি অসাধারণ মুখচ্ছবি পথ শিশুদের! এই দৃশ্যগুলোর সাথে কোনো কিছুরই তুলনা হয় না।
    আপনারা আসলেই ‘মানবতা’ শব্দটা বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই স্ট্যান্ডিং স্যালুট।
    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

    1. আলহামদুলিল্লাহ্‌…
      সকল

      আলহামদুলিল্লাহ্‌…
      সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ-তায়ালার।
      আর সেই সাথে এই প্রশংসার দাবীদার আপনারাও…
      আপনারা পাশে ছিলেন বলেই এটা সম্ভব হয়েছে।
      :খুশি:

    2. প্রতি বছরই এই আম উৎসবের

      প্রতি বছরই এই আম উৎসবের ছবিগুলো দেখলে চোখ ভিজে আসে।

      আম উতসব প্রকৃতপক্ষে একটা শো আপ ছাড়া আর কিছু মনে করিনা! এটা সমাজসেবার একটা ঢং! এতে সুবিধাবঞ্চিতদের দীরঘমেয়াদি কোন প্রাপ্তি ঘটছেনা, কিছু মানুষের ‘সমাজসেবার’ শখ পূরণ করা ছাড়া!

      1. ঢং থেকে যদি দারুন কিছু হয়
        ঢং থেকে যদি দারুন কিছু হয় তাহলে তো ঢং-ই ভাল! 😛

        আমরা আরো ভালো কিছুর অপেক্ষায় আছি… আপনাদের মত কিছু ক্রিয়েটিভ ও দূরদর্শী মানুষকে পাশে পেলে হয়তো সেই অপেক্ষার প্রহর সংকুচিত হবে।
        তো শেহজাদ ভাই, কবে থেকে যোগ দিচ্ছেন আমাদের সাথে?

        1. ঢং থেকে যদি দারুন কিছু হয়

          ঢং থেকে যদি দারুন কিছু হয় তাহলে তো ঢং-ই ভাল!

          ঢং থেকে কিন্তু ভালো কিছু হচ্ছেনা বলেই মনে করি! :ভেংচি:

          তো শেহজাদ ভাই, কবে থেকে যোগ দিচ্ছেন আমাদের সাথে?

          লং টার্মে সুবিধাবঞ্চিতদের উপকার হয়, এমন কিছু যদি কখনো করেন, অবশ্যই আপনাদের সাথে থাকবো! :ফেরেশতা: :ফেরেশতা: :ফেরেশতা:

      2. কিছু একটা করে দেখান। অন্যদের
        কিছু একটা করে দেখান। অন্যদের কাজটাকে ‘ঢং’ বলার মতো ধৃষ্টতা না দেখিয়ে বরং আসল কিছু করেন। বোলোগিং করে দুনিয়া উল্টানোর প্রচেষ্টা বন্ধ করেন।
        সমালোচনা তখনই করবেন, যখন নিজে কিছু একটা করে দেখাতে পারবেন।

        1. হে হে! ভাইজান, আমরা যদি এর
          হে হে! ভাইজান, আমরা যদি এর চেয়ে অনেক ভাল কাজও করে থাকি, তারপরও আপনি কইবেন যে আমরা কিছুই করতে পারি নাই! ব্লগিং করে শেহজাদ আমান দুনিয়া উল্টায় না। সে ‘ভাম উতসব’-এর চেয়ে অনেক টেকসই কাজ, দীরঘমেয়াদি, সত্যিকারের মানুষের কাজে লাগে এরকম কাজ আগেও অনেক করেছে, এখনো করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে! সেগুলোর বর্ণনা দিয়ে কোন লাভ নেই। কারন না আপনারা ভাম ঊতসবের অন্তসারশূন্যতা ধরতে পারবেন, আর না আমাদের কোন কাজের প্রশংশা করার জন্য এগিয়ে আসবেন!
          শুধু আপনাদের মনের দরজা দিয়ে সত্যিকারে বোধের অনুপ্রবেশই কামনাই করতে পারি!

          1. তা আপনার সত্যিকারের ভালো
            তা আপনার সত্যিকারের ভালো কাজগুলা নিয়ে লেখেন না কে নিষেধ করছে? আমি আপনার এই আচরণের কোন মানে খুঁজে পেলাম না। কিছু দরিদ্র শিশুকে আম খাইয়ে মনে হয় উনারা বিরাট অন্যায় করে ফেলেছেন? অদ্ভুত তো!

          2. আমি আপনার এই আচরণের কোন মানে

            আমি আপনার এই আচরণের কোন মানে খুঁজে পেলাম না।

            পঞ্চাশ খান বোলোগের বোলোগার শেহজাদ আমান কে এরুপ তিরস্কারের জন্য তেব্ব্র নিন্দা জানাই!

          3. আপনে যে কতো কিছু করে
            আপনে যে কতো কিছু করে দেশোদ্ধার করে ফেলেন, সেটা জানা হয়ে গেছে। আপনি নাকি শিবির বিরোধী লেখাও লেখসেন অনেক বোলোগে। সেসবের লিংকো চাইসিলাম অনেক আগে। কিন্তু আচানক গায়েব হয়ে গেসিলেন। মনে আছে?

      3. আমি ভাই অতো কিছু বুঝিনা। এই
        আমি ভাই অতো কিছু বুঝিনা। এই কয়েকজনের ঢং থেকে কিছু বাচ্চার মুখে একদিন হাসি ফুটেছে এটাই বিশাল ব্যাপার। আপনি বলতে পারেন এদের এরচেয়ে বেশী কিছু করার সুযোগ ছিল। কিন্তু যেটুকু করেছে সেটাকে এপ্রিশিয়েট করেই কথাগুলো বলতে পারতেন। তাতে তারা উৎসাহ পেতো আরও ভালো কিছু করার। তা না করে আপনি বরং তাদের নিরুৎসাহিত করছেন। উৎসাহ দিতে জানাটাও এক ধরণের মানব সেবা। আপনার কথিত “ঢং” এর কথা চিন্তা করে যদি এরা কিছুই না করত তাতেই বা কি এমন বিশাল অর্জন হতো বলতে পারেন? সবসময় গ্লাসের অর্ধেক শুন্যতার দিকে না তাকিয়ে মাঝে মাঝে অর্ধেক পূর্ণতার দিকেও তাকান… 🙂

        1. “গ্লাসের অর্ধেক শুন্যতার দিকে
          :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:
          “গ্লাসের অর্ধেক শুন্যতার দিকে না তাকিয়ে মাঝে মাঝে অর্ধেক পূর্ণতার দিকেও তাকান…”

        2. আপনার কথিত “ঢং” এর কথা চিন্তা

          আপনার কথিত “ঢং” এর কথা চিন্তা করে যদি এরা কিছুই না করত তাতেই বা কি এমন বিশাল অর্জন হতো বলতে পারেন? সবসময় গ্লাসের অর্ধেক শুন্যতার দিকে না তাকিয়ে মাঝে মাঝে অর্ধেক পূর্ণতার দিকেও তাকান…

          মাফ করবেন আতিক ভাই! আপনার সাথে একমত হতে পারছিনা। আমরা যারা দীর্ঘদিন এই লাইনে কাজ করে আসতেছি, তারা দুটো জিনিস খুব অপছন্দ করি। ১। দালালীর টাকায় প্রশবিদ্ধ উৎস থেকে আসা টাকায় সমাজসেবা করা ২। সমাজসেবার নামে শো-আপ বা আয়োজকদের আনন্দ ফুর্তি । নিঃসন্দেহে আম উৎসবের কাজটি দ্বিতীয় ক্যাটাগরিতে পরে। এই ধরণের কাজ প্রশংসার খুব কমই দাবিদার। আর এই ধরনের পার্টি টাইপ সমাজসেবার কাজের অন্তসারশূন্যতা ধরিয়ে দেয়ার জন্য মাঝে মাঝে একটু কড়াভাবেই সমালোচনা করতে হয়। আম উতসবের মূল উদ্যোক্তাদের একজন রাকিব কিশোর ভাই আমার পরিচিত। একসাথে আমরা দুই-একটা সংগঠনেও ছিলাম। তার পরিচিত অনেকেই আবার আমাদের পরিচিত। তাদের মধ্যে এরকম মানুষও আমরা পেয়েছি, যারা এই উৎসবের অন্তসারশূন্যতা উপলব্ধি করতে পেরে এটা নিয়ে ব্যাঙ্গ করেছেন।
          যাদের এই লাইনে কাজ পরিচালনা করার বা নেতৃত্ব দেয়ার অভিজ্ঞতা নেই, তাদের কাছে এটা এই কাজ অনেক প্রশংসাবাণী পেতে পারে; কিন্তু সবার কাছে নয়।
          আর, আমার কথায় কেঊ কস্ট পেয়ে থাকলে আমি সেজন্য দুঃখিত। কিন্তু, তাদেরও বোঝা উচিত তাদের আসল অবস্থানটা কোথায় বা অবস্থাটাই আসলে কি?

          1. আমার কাছে কোন কাজই ফ্যালনা
            আমার কাছে কোন কাজই ফ্যালনা না। আপনার মত অতো থিয়োরি মেপে চলতে অভ্যস্ত না। কিছু না করার চেয়ে কিছু করাটাকে আমি ভালো মনে করি। ঐ টাকা গুলো দিয়ে এই কাজ না করে ওরা বার্গার, চিকেন ফ্রাই খেলেও খেতে পারত। সেটার চেয়ে এটা বেটার। আর ছোট ছোট সেবামূলক কাজ করার মধ্য দিয়েই বড় কাজ করার সাহস তৈরি হয়। তবে পিকচারগুলা দেখে আমার মাথায়ও একটা দুষ্টু প্রশ্ন যে উঁকি দেয়নি সেটা অস্বীকার করি কিভাবে? সবাই দেখলাম একরকম টি-শার্ট পড়ে আছে। মানে এই প্রোগ্রামের জন্য ওইগুলা বানানো হইছে। হয়ত নিজেদের টাকা দিয়েই উনারা বানাইছেন। কিন্তু ওটা না করলেও হতো। বরং ঐ টাকায় আরও কিছু শিশুর হাতে আম তুলে দিলেই ভালো হতো। 😛

          2. বিঃদ্রঃ প্রতিটি টি-শার্টের
            বিঃদ্রঃ প্রতিটি টি-শার্টের মূল্য ধরা হয়েছিল ২০০টাকা এবং আমার জানামতে উৎসবের দিন ভলেন্টিয়ারদের নাস্তা-রিফ্রেসমেন্টের খরচটা পর্যন্ত যাতে মূল ফান্ড থেকে নিতে না হয় সেজন্য ঐ ২০০টাকা থেকে ১০০টাকা মাথাপিছু আলাদা করে রাখা হয়েছে এবং বাকি ১০০টাকা মূল ফান্ডে জমা হয়েছে যা দিয়ে ট্রাকের ভাড়া, আম কেনা ও অন্যান্য আনুসাঙ্গিক খরচ মেটানো হয়েছে… 🙂

          3. শেহজাদ ভাই… আপনার সবগুলো
            শেহজাদ ভাই… আপনার সবগুলো কমেন্ট খুব মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। যা বুঝলাম তা হলো- আপনি এই সংগঠনের (প্রধান সংগঠকদের একজন সহ) বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় সংগঠকদের সাথে পরিচিত। সেই সাথে সংগঠনের কার্যকলাপের সাথেও… তারপরেও আপনার এই কমেন্টের হেতু ঠিক বোধগম্য হলো না। আপনি বলেছেন-

            “২। সমাজসেবার নামে শো-আপ বা আয়োজকদের আনন্দ ফুর্তি ।”

            আয়োজকদের “আনন্দ-ফুর্তি” কি এই উৎসবের মূল উদ্দেশ্য বলে আপনার মনে হয়েছে? একটা ভাল কাজ করতে পারলে মানুষের মনে আনন্দ হয়। সেটার মানে এই না যে ভাল কাজটা মূখ্য ছিল না মূখ্য ছিল আনন্দ!
            যেখানে এই আনন্দ ফুর্তিটুকু শো-আপ করার জন্য একটি টাকাও ডোনারদের কাছ থেকে নেয়া ফান্ড থেকে খরচ করা হয়নি! আপনি কি এটা জানেন যে এই ইভেন্টের প্রত্যেকটি ভলেন্টিয়ার উৎসবের জন্য নিজের ও পরিবার-বন্ধু-বান্ধব-আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে সংগ্রহিত টাকা দেয়ার বাইরেও শুধুমাত্র ইভেন্টের দিনের মাথাপিছু খরচ বাবদ অতিরিক্ত নির্দিষ্ট হারে চাঁদা প্রদান করেছে?
            আমার জানামতে পৃথিবীর এমন কোন ভলেন্টিয়ার টীম নেই যারা কাজ তো করেই আবার কাজ করতে গিয়ে যে মাথাপিছু খরচ হয় সেটাও নিজে বহন করে! অথচ এই ইভেন্টে সেটাই করা হয় এবং হয়েছে!
            ইয়েস, আই রিপিট- এখানে প্রতিটা ভলেন্টিয়ার মূল ফান্ডে (আম কেনার জন্য) চাঁদা দেবার পরেও শুধু ইভেন্টের দিনের বাড়তি মাথাপিছু খরচটা পর্যন্ত নিজের পকেট থেকে বহন করেছে। আপনার কথিত “আনন্দ-ফুর্তি”টুকু যা আপনি এই ইভেন্টের মূল আকর্ষণ/উদ্দেশ্য বলে ধরে নিয়েছেন তা তারা ফান্ডের টাকা দিয়ে নয় বরং নিজের পকেটের টাকা দিয়ে করেছে…!
            তারপরেও বলবেন এটা শুধুই শো-আপ ছিল? কিসের শো-আপ? এখানে কাকে আপনি নির্বাচনী প্রচারণা করতে দেখছেন? বা অন্য কোন স্পন্সর এর বিজ্ঞাপন দিতে? দেখেছেন কি? এই ইভেন্টের “টাইটেল স্পন্সরশীপ” কি বিক্রি করা হয়েছে কোন ব্যক্তি, দল বা প্রতিষ্ঠানের কাছে? তাহলে কিসের “শো-আপ”-এর কথা বলছেন আপনি? কে “ব্যক্তি ফায়দা” লুটে নিয়েছে এই ইভেন্ট থেকে? এই আয়োজনের প্রধান আয়োজক “রাকিব কিশোর ও কিসলু ভাই”… আমার পূর্বের লেখা বা এই ফটোব্লগ বা অন্য কোন পোস্টে কোন একটা মাত্র জায়গা দেখান যেখানে এই দুইজন ব্যক্তির নাম উল্যেখ করা হয়েছে? ওনারা যদি “শো-আপ”ই করতেন তাহলে তো অন্তত নিজের নামটা জাহির করার চেষ্টা থাকতো। আপনি আমাকে একটা জায়গা দেখান যেখানে এই দুইজন ব্যক্তি নিজের বা অন্য কারো ঢোল পিটিয়েছে…!

            আপনি প্রচারণার কথা বলবেন? বেশ, করলাম না প্রচারণা… ইসলাম বলে- এমন ভাবে দান করা যেন ডান হাত দিয়ে দান করলে বাম হাত জানতে না পারে!
            ঠিক আছে- করলাম সেভাবেই “প্রচারবিমুখ” দান। কী হতো তাহলে?
            ২০১০-এ যখন আম উৎসব হয়েছে তখন মাত্র ৪/৫জন মানুষ নিজ উদ্যোগে হাতে গোনা কয়েকটা শিশুকে আম খাইয়েছিল। মিনিমাম এই তথ্যটুকু সবাইকে বলার কারণে আজ ৪বছরের মাথায় সারাদেশের ৬টি বিভাগে একযোগে প্রায় নয় হাজার প্লাস+ শিশুর মাঝে ১০০মণের মত আম বিলানো সম্ভব হয়েছে। শুধু আমই নয়, সেই সাথে শিক্ষা উপকরণ, খেলনা এবং অন্যান্য গিফট সামগ্রী! এটা কি কাউকেই না জানানো হলে আদৌ সম্ভব হতো? অনেকেই এধরনের কাজ করতে চায় কিন্তু সুযোগ পায় না… কাউকে না বললে তারা জানবে কিভাবে???

            সর্বশেষ একটা জিনিস বলব- যতটুকু বুঝলাম, আপনিও কোন (এক বা একাধিক) সমাজসেবী সংগঠন বা কাজের সাথে জড়িত। হয়তো এক্কেবারে প্রচার বিমুখ হয়ে গোপনে গোপনে কাজ করে যাচ্ছেন। অন্য আরেকটি কমেন্টে আপনি বলেছেন-

            সময় হলে আমাদের কাজকর্মের কথা জানতে পারবেন, বিভিন্ন ব্লগে না হলে প্রিন্ট মিডিয়ায়, না হলে টেলিভিশনে, যেমন অতীতেও আমাদের কাজকর্মের উপর বিভিন্ন নিউজ বিভিন্ন জাতীয় প্রিন্ট মিডিয়ায় এসেছে অনেকবার!

            ঠিক সেই সময় কোন একটা ব্লগ বা প্রিন্ট মিডিয়ার আপনাদের অবদানের সমাচার পড়ে কেউ একজন যদি ঠোঁট বলে- হুহ! যেই না একটা কাজ করেছে সেটা আবার মিডিয়ায় ফলাও করে প্রচার করছে। এইগুলা “শো-আপ” ছাড়া কিচ্ছু না… যত্তোসব ভন্ডামী!!!”
            সেটা শুনতে আপনার কেমন লাগবে আশা করি বুঝতে পারছেন…
            আপনি অনেক মহান কিছু করেছেন, কিন্তু সেটা এতোটাই গোপনে যে কাউ জানলো না পর্যন্ত! আপনাকে দেখে কেউ অনুপ্রাণিত হবার সুযোগটুকু পর্যন্ত পেলো না… এমনকি আপনি যাদের জন্য এই মহান কাজটা করেছেন তারা পর্যন্ত “শো-আপ” হয়ে যাবার ভয়ে চুপ মেরে থাকলো… আর আপনিও কাউকে বললেন না পর্যন্ত যে এরকম একটা কাজ করে সমাজের উপকার সম্ভব! আপনার এরকম “মহান” কাজ পৃথিবীর কোন কাজেই আসবে না।
            কারণ পৃথিবীর বাস্তবতা হচ্ছে- “Results are awarded, Efforts are not!”

            আশা করি আমার বক্তব্য বুঝতে পেরেছেন… ভাল থাকুন, দেশ ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকুন; আপনার প্রচেষ্টা সফল হোক।
            :ফুল:

          4. আমরা যারা দীর্ঘদিন এই লাইনে

            আমরা যারা দীর্ঘদিন এই লাইনে কাজ করে আসতেছি

            ব্যাখ্যা করুন। আপনি এখনো কাজ করে আসতেসেন- অর্থাৎ, অন্যরা করলে সেগুলোতে সমস্যা, কিন্তু নিজেরা করছেন, সেগুলো সহীহ টাকা দিয়ে করা বলে কোনো সমস্যা নাই! নিয়মিত গাঁজা খাচ্ছেন নাকি ইদানিং?

          5. কিছু মনে করবেন না। আমারও বয়স
            কিছু মনে করবেন না। আমারও বয়স কম, “বাচ্চা পোলা” কথাটা আমার ক্ষেত্রেও খাটে এবং সেজন্যই বোধহয় আমার মাথায়ও ধরে নাই যে- আপনার

            “সমাজ সেবামূলক কাজের ৭-৮ বছরের অভিজ্ঞতা”

            থাকা সত্বেও অদ্যবধি সমাজের জন্য “সত্যিকারে উপকার” কী কী করেছেন তার কোন লিস্ট দিতে পারছেন না কেন?
            ৭/৮ বছর তো অনেক সময়! এতোদিন ধরে কাজ করা সত্যেও আপনার মত একজন ক্রিয়েটিভ লোক বলার মত কিছু পাচ্ছেন না? আমাদের আরও অপেক্ষা করতে হবে আপনার মহান কর্মের নমুনা দেখার জন্য???

            রাত পোহাতে আর কত দেরী পাঞ্জেরী???
            :জলদিকর: :টাইমশ্যাষ:

          6. ভাই সাহেব, আমি ইমরান সরকার বা
            ভাই সাহেব, আমি ইমরান সরকার বা লাকী আক্তারের মত সেলিব্রিটি না যে আমাদের সবকিছু আপনাদের দৃষ্টিগোচর হইবে! তারপরও পেপার পত্রিকার তরুণদের পাতায় নিয়মিত নজর রাখলে হয়তো আমাদের কাজকর্মের খবর আপনারাও পেতেন!
            হুম, বোঝা যাচ্ছে এই লাইনে নতুন তো! খবরা খবর একেবারেই কম রাখেন মনে হচ্ছে! ঠিক আছে, আপনাদের জন্য ইত্তেফাক আর ডেইলী স্টারে ছাপা হওয়া আমাদের কিছু কাজের নিউজের লিঙ্ক দিলামঃ

            http://shar.es/kq53b
            http://archive.thedailystar.net/campus/2012/07/01/awareness.htm

          7. ওয়েল ডান। গুড জব!!! এগিয়ে
            ওয়েল ডান। গুড জব!!! এগিয়ে যান… যতদিন আপনার মত মানুষের হাতে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ…।
            :থাম্বসআপ:

            (অফ টপিকঃ

            হুম, বোঝা যাচ্ছে এই লাইনে নতুন তো! খবরা খবর একেবারেই কম রাখেন মনে হচ্ছে!

            ভাই, আপনার মত মহৎ ব্যক্তির কাছে এরকম খোঁচা মারা কথা আশা করি নাই! আমি হতাস… )

  2. ইনশাল্লাহ আগামী বছর থেকে
    ইনশাল্লাহ আগামী বছর থেকে আপনাদের শারীরিক ও আর্থিকভাবে উপস্থিত হবার চেষ্টা করবো।

    1. দরজা সব সময় খোলা আছে… শুধু
      :থাম্বসআপ: :বুখেআয়বাবুল:
      দরজা সব সময় খোলা আছে… শুধু গ্রুপে যোগ দিন এবং পেজে লাইক দিয়ে এক্টিভ থাকুন।
      খুব শিঘ্রই এরকম আরো কিছু ইভেন্ট আসবে…

      1. আপ্নের চুলকায় নাকি? চুলকানির
        আপ্নের চুলকায় নাকি? চুলকানির মলম লাগান। :bum: বন্ধ হয়ে যাবে। সমালোচনা করা ছাড়াও পৃথিবীতে অনেক কাজ আছে। সেসব খুঁজে বের করতে গুগল লাগে না।

  3. আমি যতদূর জানি, এই উৎসবের
    আমি যতদূর জানি, এই উৎসবের উদ্যোক্তাদের মধ্য রাকিবুল বাসার ভাই একজন।
    তিনি একসময় আমার ফেসবুক ফ্রেন্ড ছিলেন, যতদূর মনে পড়ে তিনি এখন দেশের বাইরে ( আমার ভুলও হতে পারে)
    তিনি কি এই আম উৎসবের সাথে জড়িত আছেন?

    আপনাদের এই উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানাই।

    1. আইজুদ্দিন ভাই, রাকিবুল বাসার
      আইজুদ্দিন ভাই, রাকিবুল বাসার ভাইয়ের সাথে আমি ব্যক্তিগত ভাবে পরিচিত নই। তবে যতটুকু জানি- এই আম উৎসবের উদ্যোক্তা হচ্ছেন রোহিত হাসান কিছলু এবং রাকিব কিশোর।
      রাকিবুল বাশার একজন সেচ্ছাসেবী হিসেবে রংপুরে কাজ করেছেন গতবছর…
      তবে দেশের বাইরে থেকেও অনেকেই আমাদের সাথে সংযুক্ত আছেন। এবার ইতালিতে আস্ত একটা “ফান্ড রাইজিং” ইভেন্টই অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে এ উপলক্ষ্যে!
      সুতরাং বলা যায় দেশ-বিদেশের অনেকেই আছেন আমাদের সাথে… আরো কারা সংযুক্ত আছেন সেটা গ্রুপ কিংবা পেজে গিয়ে দেখতে পারেন। অনেকেই হয়তো আপনার পরিচিত এমনকি ফ্রেন্ড লিস্টের অনেককেই পেয়ে যাবেন মিচুয়ালে! 🙂

      আপনাকেও ধন্যবাদ ও অভিনন্দন… :ফুল:

    1. ধন্যবাদ অনুপ্রাণিত করার
      ধন্যবাদ অনুপ্রাণিত করার জন্য।
      আপনাদের এই স্বতঃস্ফুর্ত অনুপ্রেরণাই আগামীতে আরো অনেককে ভাল কিছু করার প্রয়াস যোগাবে…
      :ফুল: :ফুল: :ফুল:

  4. আম উতসব প্রকৃতপক্ষে একটা শো
    আম উতসব প্রকৃতপক্ষে একটা শো আপ ছাড়া আর কিছু মনে করিনা! এটা সমাজসেবার একটা ঢং! এতে সুবিধাবঞ্চিতদের দীরঘমেয়াদি কোন প্রাপ্তি ঘটছেনা, কিছু মানুষের ‘সমাজসেবার’ শখ পূরণ করা ছাড়া!

    আমার কথা এর উদ্যোক্তাদের কাছে খারাপ লাগতে পারে। কিন্তু, সমাজ সেবামূলক কাজের ৭-৮ বছরের অভিজ্ঞতা থেকেই আমি এই কথা বলছি। পারলে মানুষের জন্য সত্যিকারের কিছু করেন।

    1. হুম… শেহজাদ ভাই, আপনি শতভাগ
      হুম… শেহজাদ ভাই, আপনি শতভাগ সত্য কথাটাই বলেছেন। এটা স্বীকার করতে অন্তত আমার দ্বিধা নেই যে- এরকম ইভেন্টে গ্রহীতাদের কতটুকু কী উপকার হয় জানি না, কিন্তু আয়োজকরা যে “শখ পূরণ”-এর তৃপ্তি পায় সেটা অমূল্য!

      হয়তো আয়োজকদের মাথায় এরচেয়ে ভাল কিছু এখনো আসেনি যা দিয়ে সুবিধাবঞ্চিতদের দীর্ঘমেয়াদি কোন সুবিধা দেয়া যায়… স্বামর্থেরও একটা ব্যাপার আছে এখানে। তো আপনার এব্যাপারে কোন আইডিয়া/প্ল্যান/পরামর্শ আছে কি?
      কী করা যেতে পারে যাতে করে “মানুষের জন্য সত্যিকারের কিছু” করা হবে?
      আমি যদিও আয়োজক কমিটির উচ্চ পর্যায়ের কেউ নই… তবু আপনার পরামর্শ তাদের দৃষ্টি গোচরের চেষ্টা করবো।

      1. কিন্তু আয়োজকরা যে “শখ

        কিন্তু আয়োজকরা যে “শখ পূরণ”-এর তৃপ্তি পায় সেটা অমূল্য!

        স্বীকার করার জন্য ধন্যবাদ যে এটা ‘আয়োজকদের’ জন্যই করা হচ্ছে!

        1. ব্যস এই! কেবল ঐটুকুই চোখে
          ব্যস এই! কেবল ঐটুকুই চোখে পড়লো? :খাইছে:

          আমার একটা সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন ছিল শেহজাদ ভাই…

          আপনার এব্যাপারে কোন আইডিয়া/প্ল্যান/পরামর্শ আছে কি?
          কী করা যেতে পারে যাতে করে “মানুষের জন্য সত্যিকারের কিছু” করা হবে?

          :মানেকি:

          কিছুই বললেন না যে এব্যাপারে?! এইটুকু প্রত্যাশা ছিল আপনার কাছে… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

          1. উনি ভাই এমনিতেই অনেক
            উনি ভাই এমনিতেই অনেক মানবতাবাদী সংগঠনের সাথে জড়িত এবং তিনি নিজেও একজন বিশিষ্ট মানবতা-কর্মী। মানবতার জন্য তার দরদ এতোটাই যে উনি যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত কাদের মোল্লার ফাঁসি পর্যন্ত মেনে নিতে পারেন না। তাকে আবার নতুন করে আরেকটা কাজের মধ্যে ঢুকিয়ে নেওয়া কি ঠিক হবে?

          2. বলেন কি! ইনি দেখি তাহলে
            বলেন কি! ইনি দেখি তাহলে জলজ্যান্ত কিংবদন্তী!!!

            হুম… “নন্দ দুলাল” কবিতায় কাল্পনিক চরিত্রের নন্দ দুলালের কথা পড়েছি। আজকে চাক্ষুষ দেখে নয়ন জুড়ালো!!!
            😀

  5. কারো ঢং থেকে যদি সামান্য ভাল
    কারো ঢং থেকে যদি সামান্য ভাল কিছু হয় মন্দ কি? আপনাদের ঢং উৎসব চলতে থাকুক। আগামিতে এই ঢং উৎসবে আমাকেও নিয়েন। অনেকদিন দলবেঁধে ঢং করা হয়না! শেহজাদ ভাইকেও কোন ধরনের কন্ট্রিবিউশন ছাড়াই এই ঢং উৎসবে চাই।

    1. হা হা হা… ভাল বলেছেন।
      ঠিক

      হা হা হা… ভাল বলেছেন। 😀

      ঠিক আছে, গ্রুপ ও পেজ লিংক দেয়া হলো… এড হয়ে নিয়েন। পরবর্তী “ঢং উৎসব”-এর আমন্ত্রণ সেখানেই পেয়ে যাবেন যথাসময়ে… 😉

      https://www.facebook.com/groups/amrakhatigorib/
      https://www.facebook.com/amra.khati.gorib/

    2. এমনিতেই আমার রাজ্যের কাজ নিয়া
      এমনিতেই আমার রাজ্যের কাজ নিয়া বাচিনা! করার মত অনেক কাজ আছে, ‘ভাম উতসব’ ছাড়াও, যেটাতে মানুষের জন্য সত্যিকারের কিছু করা যায়। সেগুলো করে যাচ্ছিনা। আমরা ভাই, একদিনের জন্য উতসব করতে চাইনা। আমাদের কাজ সারা বছরের। সেগুলো আমরা সবসময় করে যাচ্ছি!

      * নিজের ঢোল নিজে পেটানোর জন্য দুঃখিত!

      1. নিজের ঢোল আপনাকে কেউ পেটাতে
        নিজের ঢোল আপনাকে কেউ পেটাতে মানা করে নাই। কিন্তু অন্যের ছোট ডুগডুগি ফুটো করে দেওয়ারও কোন মানে দেখিনা। আপনি আপনার বড় ঢোল পেটান না মনের সুখে। কে মানা করেছে। বরং আমরা শিখি আপনার কাছে কিভাবে সোশ্যাল ওয়ার্ক করতে হয়। :অপেক্ষায়আছি:

        1. শিখতে চাওয়ার আগ্রহ খুবি
          শিখতে চাওয়ার আগ্রহ খুবি প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু, আমি আমাদের কাজের বর্ণনা দিতে শুরু করলে আমার কেন জানি মনে হচ্ছে সেটার সমঝদার লোকের অভাব বাংলা ব্লগে যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে। ব্লগে ঝড় তোলা আর মাঠে সামাজিক-রাজনইতিক কাজে সচল থাকা, এগুলোকে গভীরভাবে বোঝা এক ব্যাপার নয়; সবাই সেটা পারেনা।

          এই ধরণের আম উতসবের কোন প্রয়োজনীয়তা আমি দেখিনা। তারা ৩,২০০ কেজি আম বিতরণ করেছে। ৩,২০০ কেজি আমের প্রতি কেজি ৫০ করে হলেও তার খরচ লেগেছে ১,৬০,০০০ টাকা। আর অন্যান্য আনুষাঙ্গিক খরছ মিলে তাদের খরচ যদি আরও ১,০০,০০০ টাকা হয়ে থাকে, তাহলে খরচ লেগেছে ২,৬০,০০০ টাকা। সেই টাকা দিয়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কয়টা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্কুল তৈরি করা যায়, অথবা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কতজন ছেলে-মেয়ের ১ বছরের পড়ালেখার খরচ বহন করা যায়, তা কি আপনারা আনুমাণ করতে পারেন?
          এরকম কিছু না করে তারা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের হাতে দুটো করে আম ধরিয়ে দিচ্ছে, সেটা খেয়ে তারা ২০-৩০ মিনিটের মধ্যে হজম করে ফেলছে।
          সো, এইসব কাজকে আমি শো আপ, ভাড়ামো, আর সমাজ সেবার শখ পূরন করার চেয়ে বেশি কিছু মনে করিনা! তাই, এই অচল ডুগডুগি ফাটিয়ে দেয়াই বাঞ্চনীয় বলে মনে করি!

          1. এই টাকা দিয়া আম উৎসব না করে
            এই টাকা দিয়া আম উৎসব না করে বার্গার খাইলে ভাল হইত। সমাজ সেবা বুঝতে হইলে বিরাট জ্ঞানী হইতে হয় এই কথা প্রথম শুনলাম ভাই। আপনার একটা সেবামুলক কাজের বয়ান দেন, একটু বুঝার চেষ্টা করি। না বুঝলে আপনার কাছে মাপ চাইয়া নিয়া আপনারে ওস্তাদ মানুম।

            আশাকরি কথায় ও কাজে মিল পাব।

          2. আমি একটু আগেই কিন্তু
            আমি একটু আগেই কিন্তু বলেছি…

            কিন্তু, আমি আমাদের কাজের বর্ণনা দিতে শুরু করলে আমার কেন জানি মনে হচ্ছে সেটার সমঝদার লোকের অভাব বাংলা ব্লগে যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে। ব্লগে ঝড় তোলা আর মাঠে সামাজিক-রাজনইতিক কাজে সচল থাকা, এগুলোকে গভীরভাবে বোঝা এক ব্যাপার নয়; সবাই সেটা পারেনা।

          3. এজন্যইতো কইলাম,
            সমাজ সেবা

            এজন্যইতো কইলাম,

            সমাজ সেবা বুঝতে হইলে বিরাট জ্ঞানী হইতে হয় এই কথা প্রথম শুনলাম ভাই। আপনার একটা সেবামুলক কাজের বয়ান দেন, একটু বুঝার চেষ্টা করি। না বুঝলে আপনার কাছে মাপ চাইয়া নিয়া আপনারে ওস্তাদ মানুম।

          4. ‘ছোটবাবু’রা বড় হয়ে ঊঠুক! আর
            ‘ছোটবাবু’রা বড় হয়ে ঊঠুক! আর ভাম উতসব নিপাত যাক!

            যাই হোক, সমাজসেবা করার জন্য বিরাট জ্ঞানী হয়া লাগেনা ঠিকই, কিন্তু ননসেন্স আর লোকদেখানো কাজের লোকেরা সমাজসেবার কাজ করতে চাইলে সেটা ভালো কিছু হয়না ‘ভাম উৎসব’ ছাড়া!

            আর নিজেকে সবার ওস্তাদ মানানো আমার উদ্দেশ্য নয়! সময় হলে আমাদের কাজকর্মের কথা জানতে পারবেন, বিভিন্ন ব্লগে না হলে প্রিন্ট মিডিয়ায়, না হলে টেলিভিশনে, যেমন অতীতেও আমাদের কাজকর্মের উপর বিভিন্ন নিউজ বিভিন্ন জাতীয় প্রিন্ট মিডিয়ায় এসেছে অনেকবার! এখনই জানার জন্য এত পাগল হইয়েন না!

          5. বেশ তাহলে

            [অফ টপিকঃ ও!
            বেশ তাহলে
            :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

            [অফ টপিকঃ ও! তাহলে আপনিও “শো-আপ” করার জন্য রেডি হচ্ছেন… মানে এখনও গুছিয়ে উঠতে পারেন নি, সময়-সুযোগ পেলেই এক যোগে ব্লগ-প্রিন্ট মিডিয়া-টেলিভিশন কাঁপিয়ে জাহির করে বেড়াবেন!!! আচ্ছা! আগে বলবেন তো… 😉 ]

            – সরি টু সে দিস। প্রতিহিংসা বশতঃ আপনাকে এগুলো বলিনি। জাস্ট বুঝানোর জন্য বললাম যে এরকম মন্তব্য পেলে বুকের বা পাশে কতটা লাগে! আপনি বলেছেন- “কাউকে কষ্ট দিয়ে থাকলে দুঃখিত”!
            এধরনের কথা বলার পরেও আপনি ঠিক শিউর ছিলেন না যে- “কেউ কষ্ট পাবে কিনা!”
            কিন্তু আমি শিউর যে আপনি কষ্ট পেয়েছেন এবং আপনাকে কষ্ট দেবার জন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত…
            আমাকে ক্ষমা করবেন শেহজাদ ভাই।
            :আমারকুনোদোষনাই:

          6. ব্লগের সবাইকেই নিজের মত মনে
            ব্লগের সবাইকেই নিজের মত মনে করেন কেন বলুনতো? সবাই আপনার মত কটুক্তি করার জন্য ওঁত পেতে বসে আছে- এমন টা তো নাও হতে পারে! তাই না?
            :মানেকি:

          7. ২,৬০,০০০ টাকা। সেই টাকা দিয়ে

            ২,৬০,০০০ টাকা। সেই টাকা দিয়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কয়টা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্কুল তৈরি করা যায়, অথবা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কতজন ছেলে-মেয়ের ১ বছরের পড়ালেখার খরচ বহন করা যায়, তা কি আপনারা আনুমাণ করতে পারেন?

            এমন কিছু যে করার পরিকল্পনা নেই সেটা আপনাকে কে বলল? গত ৪/৫ বছর ধরে এগুলো না করলে লোকে চিনতো-জানতো আমাদের? আপনার কি ধারনা- আগে পরে কিচ্ছু না করে হুট করে আপনার কাছে গিয়ে আমি যদি বলি- ভাই, কিছু টাকা দেন- একটা পথশিশুদের স্কুল খুলবো! আপনি দিয়ে দেবেন সাথে সাথে? নাকি জিজ্ঞেস করবেন- আপনি কোথাকার কে? আগে কী করেছেন?

            চ্যারিটি এতো সহজ জিনিস না। মানুষের আস্থা অর্জনও এতো সস্তা না! আজকের এই ২লাখ ৬০হাজার টাকা চাঁদা তোলার ক্ষমতা এমনি এমনি হয় নি। একদিইনে রাতারাতি আসেনি এগুলো… এগুলোর জন্যই “শো-আপ” করতে হয়েছে, করতে হয়!
            কাল যদি এরকম টাকা তুলে আমরা দুইটা পাবলিক ভার্সিটি পড়ুয়া ছাত্রের হাতে তুলে দিই টাকাটা তো আপনার মতই কেউ একজন বলে উঠবে- কে পেল এই টাকা? কই, আমি তো তাকে চিনি না! ঐ দুইজন আবার আয়োজকের নিজের লোক নয়তো!
            একটাকা চাঁদা না দেয়া মানুষটাও তখন উল্টা আয়জকের পকেটে কয়টাকা গেল সেটার হিসাব বের করার জন্য উঠে পড়ে লাগবে… :হয়রান:

          8. একদিইনে রাতারাতি আসেনি

            একদিইনে রাতারাতি আসেনি এগুলো… এগুলোর জন্যই “শো-আপ” করতে হয়েছে, করতে হয়!

            আপনি প্রচার প্রচারণাকে শো-আপ মনে করছেন কেন? ফান্ড তোলার জন্য এই রকমের প্রচারণা আমরাও করে থাকি!
            কিন্তু, কিশোর আর কিসলু মিয়ার কাজে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কিছুই উপকার হয় নাই! সোজা কথা দুইটা কইরা আম দিয়া কোন সমাজসেবা হয়না। এটা রাজনৈতিক দলগুলোর একবেলার কাঙ্গালি ভোজের চেয়ে বেশি কিছু না। কিন্তু, যখন দেখি এই ধরণের কাজকে সমাজসেবা হিসেবে, সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য করা একটা বিরাট কাজ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, এবং নিরবোধ আম-জনতা যখন সেটার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়, তখন মেজাজ খারাপ না হয়ে যায়না। আপনারা সমাজের সামনে আপনাদের এই রকম হালকা চালের, অযউতিক, অত্যন্ত স্বল্প মেয়াদি,এবং কাঙ্গালি ভোজ মার্কা উৎসবের মাধ্যমে সমাজের তরুণদের মধ্যে এই ভুল বার্তাই ছড়িয়ে দিচ্ছেন যে, এই ধরণের কাজই বুঝি সোশ্যাল ওয়ারক! এরকম কাজ চালিয়ে গেলে সন্দেহ হতেই পারে যে এসব আপনাদের একটা শো আপই…। আমার কথা সিম্পল আম উৎসব সমাজসেবা হলে, অসাধারণ কিছু হলে রাজনৈতিক দলের একবেলার কাঙ্গালি ভোজও তাই। আর ক্সলু আর কিশোর মিয়াকে মজা লস আর গরীব গ্রুপেই মানায়, সমাজসেবার কাজ নয়। তারা আগে বুঝুক মানুষের জন্য সত্যিকারভাবে কিভাবে কাজ করতে হয় এবং কি উপায়ে সেটা করা উচিত! তারপর, তারা মাঠে নামুক!

          9. হুম…
            বুঝলাম।
            এবং একজন

            হুম…
            বুঝলাম।
            এবং একজন “সত্যিকারের সমাজসেবক” দেখার জন্য অধির আগ্রহে আপনার দিকে তাকিয়ে রইলাম…
            :-B :-B :-B
            :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:
            :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে:

          10. মজা না লইয়া আমার বক্তব্যের
            মজা না লইয়া আমার বক্তব্যের সারমর্ম উপলব্ধি করতে পারলেই খুশি হব!

            :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

          11. আপনার কনফিডেন্সে এতো ঘাটতি
            আপনার কনফিডেন্সে এতো ঘাটতি কেন শেহজাদ ভাই? আপনার কি এটাই মনে হয়ে যে আপনি মজা নেয়ার মত যাচ্ছে-তাই কিছু একটা করছেন বা বলেছেন?

            আমি মোটেও মজা নিচ্ছি না। আমি সত্যি আপনার সাফল্য কামনা করছি… তাতে যদি আমার দেশের ১জন মানুষেরও সত্যিকারের কোন উপকার হয় তো মন্দ কী? আই উইল হার্টলি স্যলুট ইউ ফর দ্যাট!

          12. মজা না লইয়া আমার বক্তব্যের
            মজা না লইয়া আমার বক্তব্যের সারমর্ম উপলব্ধি করতে পারলেই খুশি হব! আর কিসলু আর কিশোর ভাইই “সত্যিকারের সমাজসেবক” হয়ে উঠতে পারবেন যদি তারা ভাম উৎসব বাদ দিয়া মানুষ সত্যিকারভাবে উপকৃত হয় এমন কাজ করা শুরু করেন!

          13. দুই লাখ ষাট হাজার টাকায়
            দুই লাখ ষাট হাজার টাকায় শিশুদের স্কুল ! গাঞ্জা কয় কেজি খাইসেন? পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের পোলাপানের নিজের খরচ যোগানোর পথ থাকে, সেটা যেভাবেই হোক। কিন্তু পোলাপানরে আম খাওয়ানোর কারনে আপনার মূলত কি কি সমস্যা উদ্ভূত হইসে, একটু জানাবেন।

          14. প্রতি বছরই এই আম উৎসবের

            প্রতি বছরই এই আম উৎসবের ছবিগুলো দেখলে চোখ ভিজে আসে। আম হাতে পাওয়ার পর কি অসাধারণ মুখচ্ছবি পথ শিশুদের! এই দৃশ্যগুলোর সাথে কোনো কিছুরই তুলনা হয় না।
            আপনারা আসলেই ‘মানবতা’ শব্দটা বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই স্ট্যান্ডিং স্যালুট।

            আহারে আমার সহজ সরল পিচ্চি ভাইটা!

      2. সেক্ষেত্রেও একটা কথা না বলে
        সেক্ষেত্রেও একটা কথা না বলে পারছি না শেহজাদ ভাই। আপনি বছরব্যপি বা দীর্ঘমেয়াদী ভাল কয়াজ করবেন- এটা খুব ভাল কথা। আমি আপনাকে এপ্রিশিয়েট করি… ধরেন আপনি একটা পথশিশুদের স্কুলই খুললেন… কিন্তু সেখানে ডোনারের অভাবে তাদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরন বা অন্যান্য সুবিধা দিতে পারছেন না। “খাঁটি গরীব টীম” যদি আপনার স্কুলে এক বেলা সবাইকে আম খাওয়াতে চায় এবং সেই সাথে কিছু শিক্ষা উপকরণ দিতে চায় “উইথ আউট এনি স্পন্সরশীপ” আপনি কি তা নেবেন? নাকি তখনও এটাকে ভন্ডামী বলে উড়িয়ে দেবেন?
        সেক্ষেত্রে কী করবেন আপনি? প্রতিনিয়ত ব্যক্তিগত পৃষ্ঠপোষকের আশায় সাহায্যের আবেদন জানিয়ে ফেসবুক-ব্লগে পোস্ট দিয়ে যাবেন? নাকি কোন এনজিও বা ব্যাংকের বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের স্পন্সরশীপ গ্রহণ করবেন?
        (বিঃদ্রঃ আপনি যখন এধরনের কোন প্রতিষ্ঠানের স্পন্সরশীপ নেবেন তখন কিন্তু অনেকেই ভ্রু কুচকে তাকিয়ে বলবে- বাপরে… ভাল ব্যবসা তো!!! স্পন্সরদের নাম জাহির করাও হলো, সমাজ সেবাও দেখানো হলো আবার উদ্যোক্তার পকেটও বেশ ভালোই ভরলো! এখন এটা দেখিয়ে ইলেকশনে নামলেই ষোল কলা পূর্ণ হয় শেহজাদ সাহেবের!!!)
        আশা করি সেদিন ঐসব সমালোচকদের কথা কানে তুলবেন না। এবং আমি কথা দিচ্ছি, আর কেউ আপনার পাশে থাকুক না থাকুক আমি “সফিক এহসান” সেদিনও আপনার ঐ মহৎ উদ্যোগের পাশে থাকবো।
        :বুখেআয়বাবুল:

  6. আমরা চাইলেই এইসব বঞ্চিত
    আমরা চাইলেই এইসব বঞ্চিত শুশুদের জীবন বদলে দিতে পারিনা। যারা পারে তারা চেষ্টাই করে না। তাই ছোট ছোট এমন কিছু উগ্যগে কিছুটা আনন্দ উপহার দেওয়া যায়। ছবি গুলোই বলে দিচ্ছে এই প্রাপ্তি তাদের জন্য কত বড়

    1. ছবি গুলোই বলে দিচ্ছে এই

      ছবি গুলোই বলে দিচ্ছে এই প্রাপ্তি তাদের জন্য কত বড়

      ছোট বাচ্চারা অতি অল্পতেই অনেক খুশি হয়ে যায়! তাই বলে তাদের পুঁজি করে সমাজসেবার শো-আপ আর পার্টি আর কতদিন চলবে?

      1. যতদিন না আপনার মত “সত্যিকারের
        যতদিন না আপনার মত “সত্যিকারের ভাল মানুষ-সমাজকর্মী”রা কিছু একটা করে দেখাবে বা অন্তত পক্ষে যারা কিছু করার চেষ্টা করছে তাদেরকে কটাক্ষ না করে বরং পরামর্শ দেবার চেষ্টা করবে- “আসলে কী করা উচিৎ”!
        :অপেক্ষায়আছি:

      2. শেহজাদ:
        আপনি কয়েকদিনের জন্য

        শেহজাদ:
        আপনি কয়েকদিনের জন্য তাবলীগ টাব্লীগে ঘুরে আসুন। গাঞ্জা খাওয়ার অভ্যাস কমে যাবে।

      3. অল্পতে খুশি হইলে আপনার সমস্যা
        অল্পতে খুশি হইলে আপনার সমস্যা কোথায়? আপনিতো ভাই এনজিও ব্যবসায়ীদের মত কথা বলছেন। আপনি নিজেও এই এনডিও বাণিজ্যের সাথে জড়িত আছেন। এখন কেউ এসব কাজে এগিয়ে আসলে আপনাদের ভাল লাগেনা। এনজিওরা লোক দেখানোর জন্য দান করেনা। কিন্তু নিজের পকেটে ঠিকই ভরে।

        ধন-সম্পদের প্রকৃত মালিক আল্লাহ তা’আলা। তিনি যাকে ইচ্ছা উহা প্রদান করে থাকেন। এজন্য এ সম্পদ অর্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে তাঁর বিধি-নিষেধ মেনে চলা আবশ্যক। সৎ পন্থায় সম্পদ উপার্জন ও সৎ পথে উহা ব্যয় করা হলেই তার হিসাব প্রদান করা সহজ হবে। কিয়ামতের দিন যে পাঁচটি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে কোন মানুষ সামনে যেতে পারবে না, তম্মধ্যে দু’টি প্রশ্নই ধন-সম্পদ বিষয়ক। প্রশ্ন করা হবে, কোন পথে সম্পদ উপার্জন করেছ এবং কোন পথে উহা ব্যয় করেছ।
        সন্দেহ নেই ধন-সম্পদ নিজের আরাম-আয়েশ এবং পরিবারের ভরণ-পোষণের ক্ষেত্রে ব্যয় করার অনুমতি ইসলামে আছে এবং অনাগত সন্তানদের জন্য সঞ্চিত করে রাখাও পাপের কিছু নয়। কিন্তু পাপ ও অন্যায় হচ্ছে, সম্পদে গরীব-দুঃখীর হক আদায় না করা। অভাবী মানুষের দুঃখ দূর করার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করা। অথচ আল্লাহ বলেন:
        وَالَّذِينَ فِي أَمْوَالِهِمْ حَقٌّ مَعْلُومٌ، لِلسَّائِلِ وَالْمَحْرُومِ
        “এবং তাদের সম্পদে নির্দিষ্ট হক রয়েছে। ভিক্ষুক এবং বঞ্চিত (অভাবী অথচ লজ্জায় কারো কাছে হাত পাতে না) সকলের হক রয়েছে।” (মাআরেজ- ২৪-২৫)
        অধিকাংশ মানুষ দান-খয়রাত করতে চায় না। মনে করে এতে সম্পদ কমে যাবে। তাই সম্পদ সঞ্চিত করে রাখতেই সর্বদা সচেষ্ট থাকে, এমনকি নিজের প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রেও খরচ করতে কৃপণতা করে।
        রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
        “মানুষ বলে আমার সম্পদ আমার সম্পদ অথচ তিনটি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত সম্পদই শুধু তার। যা খেয়ে শেষ করেছে, যা পরিধান করে নষ্ট করেছে এবং যা দান করে জমা করেছে- তাই শুধু তার। আর অবশিষ্ট সম্পদ সে ছেড়ে যাবে, মানুষ তা নিয়ে যাবে।” (মুসলিম)
        • দান-ছাদকা করার ফযীলতঃ
        দান-ছাদকা করলে সম্পদ কমে না: আবু কাবশা আল আনমারী (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি শুনেছেন রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
        ” مَا نَقَصَ مَالُ عَبْدٍ مِنْ صَدَقَةٍ
        “ছাদকা করলে কোন মানুষের সম্পদ কমে না।” (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)
        ক) দান সম্পদকে বৃদ্ধি করে: পবিত্র কুরআনে আল্লাহ পাক এরশাদ করেন:
        مَثَلُ الَّذِينَ يُنفِقُونَ أَمْوَالَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَمَثَلِ حَبَّةٍ أَنْبَتَتْ سَبْعَ سَنَابِلَ فِي كُلِّ سُنْبُلَةٍ مِائَةُ حَبَّةٍ وَاللَّهُ يُضَاعِفُ لِمَنْ يَشَاءُ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ
        “যারা আল্লাহর রাস্তায় সম্পদ ব্যয় করে তার উদাহরণ হচ্ছে সেই বীজের মত যা থেকে সাতটি শীষ জন্মায়। আর প্রতিটি শীষে একশতটি করে দানা থাকে। আর আল্লাহ যাকে ইচ্ছা অতিরিক্ত দান করেন। আল্লাহ সুপ্রশস্ত সুবিজ্ঞ।” (সূরা বাকারা-২৬১)
        রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
        مَنْ أَنْفَقَ نَفَقَةً فِي سَبِيلِ اللَّهِ كَانَتْ لَهُ بِسَبْعِ مِائَةِ ضِعْفٍ
        “যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে কোন কিছু ব্যয় করবে তাকে সাতশত গুণ ছওয়াব প্রদান করা হবে।” (আহমাদ, সনদ ছহীহ)
        রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরও বলেন:
        “যে ব্যক্তি নিজের হালাল কামাই থেকে- আল্লাহ হালাল কামাই ছাড়া দান কবুল করেন না- একটি খেজুর ছাদকা করে, আল্লাহ উহা ডান হাতে কবুল করেন অতঃপর তা বৃদ্ধি করতে থাকেন- যেমন তোমরা ঘোড়ার বাচ্চাকে প্রতিপালন করে থাক- এমনকি উহা একটি পাহাড় পরিমাণ হয়ে যায়।” (বুখারী ও মুসলিম)
        খ) দানকারীর জন্য ফেরেশতা দু’আ করে: আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
        “প্রতিদিন সকালে দু’জন ফেরেশতা অবতরণ করেন। তাদের একজন দানকারীর জন্য দু’আ করে বল, اللَّهُمَّ أَعْطِ مُنْفِقًا خَلَفًا “হে আল্লাহ দানকারীর মালে বিনিময় দান কর। (বিনিময় সম্পদ বৃদ্ধি কর)” আর দ্বিতীয়জন কৃপণের জন্য বদ দু’আ করে বলেন, اللَّهُمَّ أَعْطِ مُمْسِكًا تَلَفًا “ ” “হে আল্লাহ কৃপণের মালে ধ্বংস দাও।” (বুখারী ও মুসলিম)
        গ) দানকারীর দুনিয়া আখিরাতের সকল বিষয় সহজ করে দেয়া হয়:
        আবু হুরায়রা (রা:) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
        مَنْ يَسَّرَ عَلَى مُعْسِرٍ يَسَّرَ اللَّهُ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
        ”যে ব্যক্তি কোন অভাব গ্রস্তের অভাব দূর করবে, আল্লাহ তার দু’নিয়া ও আখিরাতের সকল বিষয় সহজ করে দিবেন।” (মুসলিম)
        ঙ) গোপনে দান করার ফযীলতঃ গোপন-প্রকাশ্যে যে কোনভাবে দান করা যায়। সকল দানেই ছওয়াব রয়েছে। আল্লাহ বলেন:
        إِنْ تُبْدُوا الصَّدَقَاتِ فَنِعِمَّا هِيَ وَإِنْ تُخْفُوهَا وَتُؤْتُوهَا الْفُقَرَاءَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكُمْ وَيُكَفِّرُ عَنْكُمْ مِنْ سَيِّئَاتِكُمْ
        ”যদি তোমরা প্রকাশ্যে দান-খয়রাত কর, তবে তা কতই না উত্তম। আর যদি গোপনে ফকীর-মিসকিনকে দান করে দাও, তবে এটা বেশী উত্তম। আর তিনি তোমাদের পাপ সমূহ ক্ষমা করে দিবেন।” (সূরা বকারা- ২৭১)
        চ) গোপনে দানকারী কিয়ামতের দিন আল্লাহর আরশের নীচে ছায়া লাভ করবে: নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “কিয়ামত দিবসে সাত শ্রেণীর মানুষ আরশের নীচে ছায়া লাভ করবে।… তম্মধ্যে এক শ্রেণী হচ্ছে:
        وَرَجُلٌ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ فَأَخْفَاهَا حَتَّى لَا تَعْلَمَ شِمَالُهُ مَا تُنْفِقُ يَمِينُهُ
        “এক ব্যক্তি এত গোপনে দান করে যে, তার ডান হাত কি দান করে বাম হাত জানতেই পারে না।” (বুখারী ও মুসলিম)
        ছ) দান-ছাদকা গুনাহ মাফ করে ও জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচায়:
        নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
        “হে কা‘ব বিন উজরা! ছালাত (আল্লাহর) নৈকট্য দানকারী, ছিয়াম ঢাল স্বরূপ এবং দান-ছাদকা গুনাহ মিটিয়ে ফেলে যেমন পানি আগুনকে নিভিয়ে ফেলে।” (আবু ইয়ালা, সনদ ছহীহ) রাসূলুল্লাহ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
        اتَّقُوا النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ
        “খেজুরের একটি অংশ দান করে হলেও তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা কর।” (বুখারী ও মুসলিম)
        জ) মানুষ কিয়ামতে দান-ছাদকার ছায়াতলে থাকবে: উক্ববা বিন আমের (রা:) থেকে বর্ণিত। নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, “নিশ্চয় দান-ছাদকা দানকারী থেকে কবরের গরম নিভিয়ে দিবে। আর মু’মিন কিয়ামত দিবসে নিজের ছাদকার ছায়াতলে অবস্থান করবে।” (ত্ববরানী, বাইহাক্বী, সনদ ছহীহ)
        • লোক দেখানোর জন্য দান: কিন্তু বর্তমান যুগে অনেক মানুষ এমন আছে, যারা অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে দান করে এবং তা মানুষকে দেখানোর জন্য। মানুষের ভালবাসা নেয়ার জন্য। মানুষের প্রশংসা কুড়ানোর জন্য। মানুষের মাঝে গর্ব অহংকার প্রকাশ করার জন্য। অনেকে দুনিয়াবি স্বার্থ সিদ্ধির জন্যও দান করে থাকে। যেমন, চেয়ারম্যান বা এমপি নির্বাচনে জেতার উদ্দেশ্য দান করে। কিন্তু দান যদি একনিষ্ঠ ভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য না হয় তা দ্বারা হয়ত দুনিয়াবি কিছু স্বার্থ হাসিল হতে পারে কিন্তু আখেরাতে তার কোন প্রতিদান পাওয়া যাবে না। হাদীছে কুদসীতে নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন আল্লাহ বলেন:
        أَنَا أَغْنَى الشُّرَكَاءِ عَنِ الشِّرْكِ مَنْ عَمِلَ عَمَلًا أَشْرَكَ فِيهِ مَعِي غَيْرِي تَرَكْتُهُ وَشِرْكَهُ “
        “আমি শির্ক কারীদের শিরক থেকে মুক্ত। যে ব্যক্তি কোন আমল করে তাতে আমার সাথে অন্যকে শরীক করবে, তাকে এবং তার শির্কী আমলকে আমি পরিত্যাগ করব।” (মুসলিম)
        বরং যারা মানুষের প্রশংসা নেয়ার উদ্দেশ্যে দান করবে, তাদের দ্বারাই জাহান্নামের আগুনকে সর্বপ্রথম প্রজ্বলিত করা হবে।
        রাসূল (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
        “সর্বপ্রথম তিন ব্যক্তিকে দিয়ে জাহান্নামের আগুনকে প্রজ্বলিত করা হবে।… তম্মধ্যে (সর্ব প্রথম বিচার করা হবে) সেই ব্যক্তির, আল্লাহ যাকে প্রশস্ততা দান করেছিলেন, দান করেছিলেন বিভিন্ন ধরনের অর্থ-সম্পদ। তাকে সম্মুখে নিয়ে আসা হবে। অতঃপর (আল্লাহ) তাকে প্রদত্ত নেয়ামত রাজীর পরিচয় করাবেন। সে উহা চিনতে পারবে। তখন তিনি প্রশ্ন করবেন, কি কাজ করেছ এই নেয়ামত সমূহ দ্বারা? সে জবাব দিবে, যে পথে অর্থ ব্যয় করলে আপনি খুশি হবেন এ ধরনের সকল পথে আপনার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে অর্থ-সম্পদ ব্যয় করেছি। তিনি বলবেন, তুমি মিথ্যা বলছ। বরং তুমি এরূপ করেছ এই উদ্দেশ্যে যে, তোমাকে বলা হবে, সে দানবীর। আর তা তো বলাই হয়েছে। অতঃপর তার ব্যাপারে নির্দেশ দেয়া হবে। তখন তাকে মুখের উপর উপুড় করে টেনে-হিঁচড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।” (মুসলিম)
        • আত্মীয়-স্বজনকে দান করা: সালমান বিন আমের (রা:) থেকে বর্ণিত, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন,
        “মিসকিনকে দান করলে তা শুধু একটি দান হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু গরীব নিকটাত্মীয়কে দান করলে তাতে দ্বিগুণ ছওয়াব হয়। একটি ছাদকার; অন্যটি আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার।” (নাসাঈ, তিরমিযী)
        • দান-ছাদকা করে খোঁটা দেয়া:
        يَاأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُبْطِلُوا صَدَقَاتِكُمْ بِالْمَنِّ وَالْأَذَى
        “হে ঈমানদারগণ! তোমরা খোঁটা দিয়ে ও কষ্ট দিয়ে নিজেদের দান-খায়রাতকে বরবাদ করে দিও না।” (সূরা বকারা- ২৬৪)
        আবু যর (রা:) থেকে বর্ণিত, নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
        “কিয়ামত দিবসে আল্লাহ পাক তিন ব্যক্তির সাথে কথা বলবেন না, তাদের দিকে তাকাবেন না, তাদেরকে পবিত্র করবেন না এবং তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণা দায়ক শাস্তি। কথাটি তিনি তিনবার বললেন। আবু যার (রা:) বললেন, ওরা ধ্বংস হোক ক্ষতিগ্রস্ত হোক- কারা তারা হে আল্লাহর রাসূল? তিনি বললেন, “টাখনুর নীচে ঝুলিয়ে যে কাপড় পরিধান করে, দান করে যে খোঁটা দেয় এবং মিথ্যা শপথ করে যে ব্যবসায়ী পণ্য বিক্রয় করে।” (মুসলিম)
        • কৃপণের পরিণতি: কৃপণতা একটি নিকৃষ্ট বিষয়। কৃপণতা থেকে মনের মাঝে হিংসা সৃষ্টি হয়। এ কারণে মানুষ লোভী হয়। ফলে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং সম্পদের লোভে যে কোন ধরণের অন্যায় ও অবৈধ কাজে পা বাড়ায়। এজন্য নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এবিষয়ে উম্মতকে সতর্ক করেছেন।
        তিনি বলেছেন:
        “তোমরা কৃপণতা ও লোভ থেকে সাবধান। কেননা পূর্ব যুগে এই কারণে মানুষ রক্তের সম্পর্ক ছিন্ন করেছে, মানুষকে খুন করেছে এবং নানা প্রকার পাপাচার ও হারাম কাজে লিপ্ত হয়েছে।” (আবু দাউদ, হাকেম) এজন্য নবী (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কৃপণতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। তিনি দু’আয় বলতেন, “হে আল্লাহ তোমার কাছে কৃপণতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।..” (মুসলিম)

    2. আমরা চাইলেই এইসব বঞ্চিত

      আমরা চাইলেই এইসব বঞ্চিত শুশুদের জীবন বদলে দিতে পারিনা। যারা পারে তারা চেষ্টাই করে না। তাই ছোট ছোট এমন কিছু উগ্যগে কিছুটা আনন্দ উপহার দেওয়া যায়। ছবি গুলোই বলে দিচ্ছে এই প্রাপ্তি তাদের জন্য কত বড়

      মামীমা, ওহ থুক্কু শামিমা আপা, আপনার এ কথার সাথে আমি পুরো পুরি একমত।

      1. ছবি গুলোই বলে দিচ্ছে এই

        ছবি গুলোই বলে দিচ্ছে এই প্রাপ্তি তাদের জন্য কত বড়

        আহারে, আমরা যদি শামিমার মত সেলিব্রিতি হইতাম, তাহা হইলে আমাদের সব কথাবার্তার সাথেও সব ব্রেইনলেস আম-জনতা একমত হইতো! :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে:

        1. সমস্যা নাই ভাইয়া। খোঁচা মারা
          সমস্যা নাই ভাইয়া। খোঁচা মারা ও কটুক্তি করা বন্ধ করে সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও বিনয়ী স্বরে কথা বলুন… দেখবেন আগামীতে সবাই আপনার সাথে একমত হচ্ছে!

          একমত করানোর জন্য সেলিব্রেটি হতে হয় না। জাস্ট নিজেকে দিয়ে প্রথম সেটা শুরু করতে হয়। আপনি আমার সাথে কখনোই একমত হবেন না যদি না আমি আপনার সাথে প্রথমে একাত্মতা পোষণ করতে না পারি… এটা সবার ব্যাপারেই প্রযোজ্য।

          ভাল থাকবেন শেহজাদ ভাই। আপনার পথ চলা মসৃণ হোক। :ফুল:

          1. খোঁচা মারা ও কটুক্তি করা বন্ধ

            খোঁচা মারা ও কটুক্তি করা বন্ধ করে সবার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ ও বিনয়ী স্বরে কথা বলুন.

            হয়নারে ভাই! বাংলা ব্লগে এই কালচারটা নেই বললেই চলে। আমি বন্ধুত্ব ও বিনয় এপ্লাই করে দেখেছি অনেক; লাভ হয়না!

            আর আপনার একমত হওয়ার থিওরীটাও বাস্তবসম্মত না। আমি যদি বলি অবিলম্বে আম উৎসব বন্ধ করে দিয়ে সত্যিকারভাবে মানুষের কাজে লাগে এমন কিছু ‘আমরা খাটি গরীব’ শুরু করুক, তাহলে কি কিশোর আর কিসলু মিয়া আমার সাথে একমত হবেন? কখনোই না!

        2. ………………… তাহা

          ………………… তাহা হইলে আমাদের সব কথাবার্তার সাথেও সব ব্রেইনলেস আম-জনতা একমত হইতো

          আপনার ঐ সেলিব্রেটি হওয়ার খায়েশ মাথা থেকে যতদিন না দৌড়ে পালাবে ততদিন এই ব্রেইনলেস আম জনতার পাদানী-ও ক্ষনে কুক্ষনে খেয়ে যেতেই হবে।

          সবাই কি আর সেলিব্রেটি হয় রে মন, কেউ কেউ তো কুত্তা তাড়ার উপর-ই থাকে!

  7. আমরা যার যার অবস্থান থেকে যা
    আমরা যার যার অবস্থান থেকে যা দান করব সেটাই রাব্বুলআলামিন কবুল করবেন। আপনারা দান-খায়রাত নিয়ে বিতর্ক লিপ্ত হবেন না। ধৈর্য্য ধরনে।

  8. গতকাল Little ভাইয়ের পোস্ট করা

    গতকাল Little ভাইয়ের পোস্ট করা এই ছবিটি আমার এতো ভাল লেগেছে…

    মারহাবা! মারহাবা! ‘জাগো’ আর ‘আমরা খাটি গরীব’ মিলে তো হাইব্রিড আমের চেয়ে ভালো হাইব্রীড তৈরি হইতাছে…!

    :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

      1. ধন্যবাদ! আগে আপনারা ঠিক হন!
        ধন্যবাদ! আগে আপনারা ঠিক হন! ভাম উৎসব নামের একবেলার কাঙ্গালি ভোজ বন্ধ করেন। সত্যিকার মঙ্গলজনক কিছু করেন। অবশ্যই আপনাদের সাথে যোগ দেব।

        1. ভাম উৎসব নামের একবেলার

          ভাম উৎসব নামের একবেলার কাঙ্গালি ভোজ বন্ধ করেন। সত্যিকার মঙ্গলজনক কিছু করেন। অবশ্যই আপনাদের সাথে যোগ দেব।

          আপনার মতো পাবলিকরে ড্যাশ ড্যাশ…………

          1. আহারে আমার বুডধা ভাইটা!
            আহারে আমার বুডধা ভাইটা! সোশ্যাল ওয়ার্ক সম্পর্কে, কিভাবে মানুষের উপকার করা যায় সে সম্পর্কে কোন ধারণাই রাখেনা বেচারা!

          2. সোশ্যাল ওয়ার্ক সম্পর্কে,

            সোশ্যাল ওয়ার্ক সম্পর্কে, কিভাবে মানুষের উপকার করা যায় সে সম্পর্কে কোন ধারণাই রাখেনা বেচারা!

            হাজার হোক আপনি ইউনুচ মিয়া-র চ্যালা, আপনার চাইতে বেশি ধারনা রাখি ক্যামতে?

          3. হায়রে হায়। আম্লিগ দেখি
            হায়রে হায়। আম্লিগ দেখি ট্যাগিং দিতে দিতে এখন দিশেহারা হইয়া যা খুশি তা ট্যাগিং করা শুরু করছে!

            ইস্টিশনে প্রথমেই আওয়ামী পন্থি অর্বাচীন ইয়াবা গ্রুপের (তারিক লিঙ্কন আর ডন মাইকেল নিয়ন্ত্রিত)কাছে ছাগু ট্যাগিং খাইলাম! তারপর ছুমিত ছাব, শওকত ছাব আর আপনি আমারে কখনো ছাগু, কখনো সুশীল, কখনো চীনা বাম নামে ট্যাগ মারিয়া দিয়াছেন!
            আর এখন ট্যাগ খাইলাম ‘ইউনুস্পন্থি’ হিসাবে! একটু ঝেরে কাশুনতো! আসলে আমাকে কি বলিতে চান, সেটা আগে ঠিক করুন।

            ** বন্যেরা বনে সুন্দর, ট্যাগপন্থিরা চিপি গ্যাং-এ!
            :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

        2. উল্টোটাও তো করা যেতে পারে-
          উল্টোটাও তো করা যেতে পারে- তাই না?
          আপনি কিছু করেন, আমরাও আপনার সাথে যোগ দিই…

          কই তেমন কোন দাওয়াত কিন্তু আজ অবধি দিতে দেখলাম না! কিসের এতো ভয় আপনার? নাকি সংকোচ? নাকি ইগো? নাকি অন্য কিছু…?

          1. আহেম! আহেম! আপনের ভাম উৎসব তো
            আহেম! আহেম! আপনের ভাম উৎসব তো শেষ! আবার; এক বছর পর হইবো! আর আন্নে কিনা এখন আমারে আপনেগো লগে যোগ দিতে কইচ্চেন!

            আর আমি আমাদের সাথে আপনাকে কাজ করার আহ্বান জানালে আফনে কি আমগো লগে আইবেন?

          2. ক্যান ভাই- আপনার কনফিডেন্স কি
            ক্যান ভাই- আপনার কনফিডেন্স কি এতোই কম? ধরেই নিয়েছেন দুনিয়ার কেউ আপনার সাথে আসবে না, দেশের সেবা কেবল আপনাকে একা একাই করতে হবে?
            :খাইছে:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *