কর্ণ-যে ভাবে আমরা শব্দ শুনতে পাই,মধ্য কর্ণ, এবং সর্দি কাশি কেন হয়? পর্ব-৩০ (৩)

কর্ণ-যে ভাবে আমরা শব্দ শুনতে পাই,মধ্য কর্ণ, এবং সর্দি কাশি কেন হয়? পর্ব-৩০ (৩)

আপনারা ২৭-১ পর্বে জানতে পেরেছেন শব্দ তরঙ্গ কী ভাবে উৎপত্তি হয় ও কীভাবে তা আমাদের কর্ণ কুহরে পৌছায়।

২৮-২ পর্বে জানতে পেরেছেন বায়ুমন্ডলীয় শব্দ তরঙ্গ কী ভাবে কর্ণ সুড়ঙ্গ দিয়ে কর্ণ-পর্দার বহি-তলে পৌছে তবলার পর্দার ন্যায় তরঙ্গ উৎপাদন করে।

২৯-৩ পর্বে জানতে পেরেছেন আমাদের কর্ণ সব ধরনের শব্দও শুনতে সক্ষম নয়,আমাদের চক্ষু ও সব ধরনের আলোক তরঙ্গ দেখতে সক্ষম নয়।


কর্ণ-যে ভাবে আমরা শব্দ শুনতে পাই,মধ্য কর্ণ, এবং সর্দি কাশি কেন হয়? পর্ব-৩০ (৩)

আপনারা ২৭-১ পর্বে জানতে পেরেছেন শব্দ তরঙ্গ কী ভাবে উৎপত্তি হয় ও কীভাবে তা আমাদের কর্ণ কুহরে পৌছায়।

২৮-২ পর্বে জানতে পেরেছেন বায়ুমন্ডলীয় শব্দ তরঙ্গ কী ভাবে কর্ণ সুড়ঙ্গ দিয়ে কর্ণ-পর্দার বহি-তলে পৌছে তবলার পর্দার ন্যায় তরঙ্গ উৎপাদন করে।

২৯-৩ পর্বে জানতে পেরেছেন আমাদের কর্ণ সব ধরনের শব্দও শুনতে সক্ষম নয়,আমাদের চক্ষু ও সব ধরনের আলোক তরঙ্গ দেখতে সক্ষম নয়।

সেখানে আপনারা পরিস্কার হয়েছেন যে আমরা এই গ্রহের সর্বশেষ্ঠ প্রাণী হলেও আমাদের চক্ষু ও কর্ণ একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের বাইরের তরঙ্গ কিছুই দেখতেও পায়না ও শুনেতও পায়না।

সেখানে আমরা পূর্ণমাত্রায় অন্ধ ও বধির।

অন্যভাবে বলা যায় আমাদের চতুর্পার্শেই এমন অনেক বস্তু ও শব্দ থাকতেছে, যা আমাদের চক্ষু দেখতেও পায়না ও কর্ণে শুনতেও পায়না।

কিছু প্রানীরা এক্ষেত্রে আমাদের চাইতে অনেক বেশী ক্ষমতাবান, যেমন বাদুরের শ্রুতি ক্ষমতা আমাদের চাইতে অনেক বেশী।(পর্ব-২৯)

একটি বিজ্ঞান ভিত্তিক আলোচনায় শুনেছিলাম, কোন একটি প্রজাতির ব্যাঙ ভূমিম্পের আভাষ পূর্বেই টের পেয়ে যায় এবং আগে ভাগেই তারা তাদের গর্ত হতে বেরিয়ে পড়ে।বিজ্ঞানীরা এর উপর গভেষনা চালাচ্ছে, এভাবে ভূমিকম্পের অগ্রিম সংকেত পাওয়ার ব্যবস্থা করা যায় কিনা।
মধ্যকর্ণ কী

মধ্যকর্ণ কানের পর্দার (TYMPANINIC MEMBRANE)ঠিক অভ্যন্তরে, (চিত্র-১ ও ২) একটি বায়ুপূর্ণ ছোট্ট প্রকোষ্ঠ। এটা মস্তিস্কের অস্থির মধ্যে অবস্থিত।এর ঠিক ভিতরের দিকেই থাকে COCHLEA,(চিত্র-৫)যা আভ্যন্তরীন কর্ণ হিসাবে কাজ করে (এটা পরবর্তী পর্বে বর্ণনা করা হবে)।

এর পাচীর MUCUS MEMBRANE নামক একটা পাতলা আচ্ছাদন দ্বারা আবৃত, যা MUCUS নামক এক ধরনের তরল বা আধা তরল নিঃসরন করে থাকে।এই প্রকোষ্ঠটি EAUSTACIAN TUBE নামে একটি ৩৫ মিঃমিঃ দীর্ঘ নালী এর মাধ্যমে নাসিকার পিছনের নীচের অংশের গলনালীর এক পার্শের সংগে সংযূক্ত থেকে নাসিকা-গলনালীর একটা SINUS এর মত(বায়ূ পূর্ণ ফাপা জায়গা)হিসাবে কাজ করে ।(চিত্র-৪ দেখুন)

কী কাজ করে এই EAUSTACIAN TUBE?

আপনাদের জানা আছে আমাদের এই বায়ূমন্ডলের একটি চাপ আছে। এই চাপের পরিমান ভূ-লেভেল ও তাপ মাত্রার পরিবর্তনকে হিসাবে এনে, সমুদ্র উপরিতলের লেভেলে প্রতি বর্গ ইঞ্চির উপর প্রায় ১৪.৭ পাউন্ড এর সমপরিমান চাপ প্রয়োগ করে থাকে।যত উপরে উঠা যায়,ততই চাপ কমতে থাকে।(৩)

যেহেতু আমাদের কর্ণের বহিঃতল সরাসরি এই বায়ুমন্ডলের সংস্পর্ষে, তাই তাকেও এই চাপটা বহন করা লাগে।
মধ্যকর্ণের প্রকোষ্ঠে,পর্দার ভিতরের পৃষ্ঠে এই EAUSTACIAN TUBE টি গলনালী হতে বাহিরের সম মাত্রার চাপের বায়ূ প্রবেশ করাইয়া পর্দার উপর বায়মন্ডলীয় চাপের সাম্যতা বজায় রাখে। অন্যথায় মুহুর্তের মধ্যে বায়ুমন্ডলের এই প্রচন্ড চাপ আমাদের কানের পর্দা সহ্য করতে না পেরে ফেটে যেত।

আমরা এটা সরাসরি অনুভব করতে পারি যখন আমরা প্লেনে উপরে উঠি অথবা উপর হতে নীচে নামি।
তখন এই EAUSTACIAN TUBE টিই বাহিরের বায়ু অভ্যন্তরে প্রবেশ করাইয়া পর্দার উপরের সাম্যতা বজায় রাখে।
একই ভাবে পানির যতই নীচে নামা হবে ততই পর্দার উপর চাপ বাড়িবে।

বিদেশে ফার্মেসীতে এক ধরনের AIR PLUG কিনতে পাওয়া যায়। এটা পরে লইলে প্লেনে ভ্রমনের সময় পর্দার উপর বাহিরের চাপ হতে পর্দাকে রক্ষা করা যায়।
এই টিউবের প্রাচীর মধ্য কর্ণের নিকটের ১/৩ অংস হাড় এবং বাকী টুকু কার্টিলেজ দ্বারা তৈরী।(৪)

এই নালীটি আর একটা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে। তা হল মধ্যকর্ণে নিঃসরিত মিউকাস কে গলনালীর মধ্যে নিস্কাসিত করে দিয়ে মধ্য কর্ণকে পরিস্কার ও সুস্স্থ রাখে।

মিউকাছ (MUCUS) জিনিষটা কী?

এটা MUCUS MEMBRANE হতে নিঃসরিত একটা পিচ্ছিল তরল বা আধা তরল পদার্থ।এটা পাক প্রণালীতে খাদ্য দ্রব্যের সংগে মিশ্রিত হয়ে খাদ্র দ্রব্যকে পিচ্ছিল ও তরল ও সহজ পাচ্য করায়।

আবার শ্বাষ নালীতে নিশ্বাষের মধ্য দিয়ে বাইরের ধুলা বালি আবর্জনা, জীবানূ ইত্যাদি ঢুকে পড়লে শ্বাষ নালী ও গুরুত্ব পূর্ণ শ্বাষ যন্ত্র ফুসফুস কে ধুয়ে মুছে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য ও তখন এদের গাত্র থেকে এই মিউকাছ (MUCUS) নিঃসরিত হয়ে আবর্জনা ও ক্ষতিকর পদার্থকে কাশি ও সর্দির মাধ্যমে বের করে দেয়।

তখন আমরা এই মিউকাছ (MUCUS) কে কাশি বা সর্দি রুপে সরাসরি দেখতে পেয়ে থাকি।
তখন আমরা বলি আমাদের কাশি বা সর্দি হয়েছে।

কাজেই কাশি বা সর্দি হওয়াটাকে পাথমিক পর্যায়ে কোন বড় রোগ মনে করে COUGH DRPRESSANT (কাশি চেপে দেওয়ার ঔষধ) খেয়ে কাশি.সর্দি বসিয়ে দিবেন না।

হাঁচি ও এ ভাবে আমাদেরকে শ্বাষ নালীতে হটাৎ শ্বাসতন্তে বহির্মুখী প্রচন্ড গতিবেগের বায়ু প্রবাহ সৃষ্টি করে শ্বাষ যন্ত্র হতে ক্ষতিকর বস্তু বের করে দেয়।

একটা হাঁচির সময় শ্বাষনালীতে বায়ুর গতিবেগ সৃষ্টি হয় ২০০ মাইল/ঘন্টা।

প্রাথমিক পর্যায়ের সর্দি কাসি আপনার শ্বাস নালীকে পরিস্কার করে দুষিত,ক্ষতিকর পদার্থকে বের করে করে আপনার অমুল্য শ্বাষ যন্ত ফুসফুসকে বড় ও ক্ষতিকর ব্যাধির আক্রমনের হাত হতে রক্ষা করার কাজে ব্যস্ত থাকে।

আপনি বিরক্ত হয়ে কাশি বন্দ করে দিলে, তখন এই ক্ষতিকর পদার্থ খুব সহজেই আপনার ফুসফুসে ঢুকে পড়ে ফুসফুসকে আক্রান্ত করে ফেলবে। অর্থাত তখন আপনার গৃহ আক্রান্ত হয়ে গেল।
তখন আপনার ফুসফুস ক্যানসার বা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে যেতে পারে।

অনেক বিজ্ঞানীরা কাশিকে তুলনা করেছেন আপনার বাড়ীর রাত্রের পাহারাদার কুকুরটার সংগে, যে কুকুরটা রাত্রে চোর ডাকাত দেখতে পেলে আপনাকে রক্ষার জন্য ঘেউ ঘেউ করে চোর ডাকাতদের বাড়ীতে ঢুকতে প্রতিহত করতে থাকে।

আর তাকে যদি আপনি তার ঘেউ ঘেউ শব্দে আপনার ঘুমের ব্যাঘাত হওয়ার কারণে, ঘুমের ঔষধ খাইয়ে রাত্রে ঘুম পড়িয়ে রাখেন, তাহলে আপনার আরো বড় ক্ষতি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

আপনার পুরা বাড়ীটাই চুরি বা ডাকাতি হয়ে যাবে।

সর্দি কাশি ঠিক তদ্রুপ ভাবে মিউকাছ (MUCUS) নিঃসরণ করে করে আমাদের অভ্যন্তর ভাগ সর্দি কাশির আকারে ধুয়ে মুছে পরিস্কার করে বৃহত্তর রোগ বিপর্যয় হতে রক্ষা করে।

তবে ২-৩-সপ্তাহ হয়ে গেলে চিকিৎসা দরকার আছে।

ঠিক এই প্রকৃয়ার অংশ হিসেবেই EAUSTACIAN TUBE টিও মধ্য কর্ণকে অনবরত পরিস্কার রাখার লক্ষে সেখানকার অল্প কিছু কিছু নিঃসরিত মিউকাছ (MUCUS) কেও নাসিকার পিছনে গলনালীতে প্রবাহিত করে দেয়। তার পর তা কাশির মধ্য দিয়ে বের হয়ে যায়।

নাসিকার আসে পাশে হাড়ের মধ্যে এই মধ্য কর্ণের ন্যায় আরো বেশ কিছু বায়ু পূর্ণ ফাপা জায়গা রয়েছে, যাকে SINUS বলা হয়। যেমন FRONTAL SINUS, MAXILLARY SINUS,ETHMOID SINUS, SPENOID SINUS ইত্যাদি। সেখান থেকেও ঠিক একই প্রকৃয়ায় মিউকাছ (MUCUS) নিস্কাসনের দ্বারা পরিস্কার পরিচ্ছন্নের কাজ চলে থাকে।

সেখানে কোন ধরনের বিঘ্ন ঘটিয়া প্রদাহ হইলে তাকে বলা হয় SINUSITIS, যা প্রচন্ড মাথা যন্ত্রনার সৃষ্টি করে থাকে।
সাবধান!!! যেখানে সেখানে কাশি ও থুথু ফেলিবেননা, তাতে আপনার রোগ জীবানু বাইরে ছড়াতে পারে।

কারো মুখের কাছে কাশি বা হাঁচি দিবেননা, তাতে আপনার রোগ জীবানু উক্ত ব্যক্তির নিশ্বাষের মধ্য দিয়ে তার শরীরে প্রবেশ করতে পারে। আপনি ও অপরের কাশি ও হাচির সময় দূরে সরে যাবেন।

প্রাসঙ্গিক হয়ে যাওয়ার কারণে কাশির বিষয়টি আলোচনা করতে হল।

কী কী আছে এই মধ্য কর্ণে?

বায়ু ভর্তি এই মধ্য কর্ণ প্রকোষ্ঠে আছে ছোট ছোট ৩ খানা হাড্ডি।
এদের নাম ১) MALLEUS ২) INCUS ৩)STAPES-এইটা শরীরের সব চাইতে ছোট্ট হাড্ডি।

শব্দ তরঙ্গ যে ভাবে মধ্য কর্ণ অতিক্রম করে।

আপনারা ২৭ পর্বে জানতে পেরেছেন শব্দ তরঙ্গ বায়বীয়,কঠিন ও তরল পদার্থের মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হয়ে থাকে।
এতক্ষনে শব্দ তরঙ্গ বায়ু মন্ডলের মধ্য দিয়ে বহি কর্ণের পর্দা পর্যন্ত পৌছিয়া কর্ণ পর্দার উপর চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে পর্দার উপর কম্পনের সৃষ্টি করিল।

চিত্র ১,২ ও ৩ লক্ষ করুন। মধ্য কর্ণে MALLEUS হাড্ডিটার এক প্রান্ত (HANDLE) কর্ণ পর্দার পৃষ্ঠে এটে দেওয়া রয়েছে, এবং এর অপর প্রান্ত INCUS হাড্ডিটার এক প্রান্তের সংগে সংযুক্ত।আবার INCUS হাড্ডিটার অপর প্রান্ত STAPE হাড্ডিটার এক প্রান্তের সংগে সংযুক্ত। আর STAPE হাড্ডিটার অপর প্রান্ত আভ্যন্তরীন কর্ণ COCHLEA এর OVAL WINDOW নামক স্থানের সংগে এটে দেওয়া। টিত্র ২ ও ৫ দেখুন।

তাহলে এতক্ষনে অবশ্যই বুঝতে পেরেছেন, মধ্য কর্ণ কী ভাবে শব্দ তরঙ্গকে বহি কর্ণ হতে প্রহন করিয়া আভ্যন্তরীন কর্ণে সঞ্চারিত করে।

কর্ণ পর্দায় সঞ্চারিত তরঙ্গ কম্পনটি এই কঠিন পদার্থ পর পর সংযুক্ত ৩ টি হাড্ডির (MALLEUS, INCUS ও STAPES)এর মধ্য দিয়ে আভ্যনতরীন কর্ণ (COCHLEA)এর প্রাচীরে (OVAL WINDOW)নামক স্থানে পৌছে গেল।
শব্দের কম্পন তরঙ্গ এই কঠিন মাধমের (হাড্ডি)মধ্য দিয়ে সঞ্চারিত হওয়ার সময় ৩০ গুন বেশী শক্তিশালী হয়ে থাকে।(১)

পরের পর্বে আভ্যন্তরীন কর্ণ সম্পর্কে জানতে পারবেন।

চিত্র-১, TYMPANIC MEMBRANE(কানের পর্দা)। এর বিভিন্ন অংশের নাম লক্ষ করুন।

চিত্র-২-লক্ষ করুন,কানের পর্দার (TYMPANIC MEMBRANE)এর ঠিক অভ্যন্তরে লাল রংএর অংশ টুকুই মধ্য কর্ণ। এবং তার অভ্যন্তরেই মধ্য কর্ণ বা COCLEA।

চিত্র-৩, মধ্য কর্ণের ৩টি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হাড্ডি, ১) MALLEUS ২) INCUS ৩)STAPES কে পৃথক ভাবে দেখানো হয়েছে।

চিত্র-৪ নাশিকার পিছনের গলনালী।লক্ষ করুন ,”Opening of auditory (eustacian) tube” যেখানে EAUSTACIAN TUBE এর মুখ রয়েছে। এটা মধ্য কর্ণ হতে এসেছে।

চিত্র-৫ ককলিয়া।আভ্যন্তরীন কর্ণ।মধ্য কর্ণের ভিতরেই থাকে।লক্ষ করুন এর OVAL WINDOW নামক স্থানে STAPE হাড্ডিটার এক প্রান্ত এটে দেওয়া থাকে।

পূর্বের পর্ব সমূহ-

http://chkdr02.wordpress.com/

৩০ তম পর্বের সুত্র সমূহ-

১) http://en.wikipedia.org/wiki/Ear
AUDITORY & VESTIBULAR PATHWAYS
২) http://www.bioon.com/bioline/neurosci/course/audvest.html
৩)ATMOSPHERIC PRESSURE
http://wiki.answers.com/Q/What_is_the_normal_atmospheric_pressure_at_sea_level
4) Eustachian_tube
http://en.wikipedia.org/wiki/Eustachian_tube

৪ thoughts on “কর্ণ-যে ভাবে আমরা শব্দ শুনতে পাই,মধ্য কর্ণ, এবং সর্দি কাশি কেন হয়? পর্ব-৩০ (৩)

  1. @ চাকলাদার সাহেব
    @ চাকলাদার সাহেব সালাম,
    ___আপনি দেখছি এখানেও আছেন, তা ভাল করেছেন,আপনি আছেন সেটা দেখে খুশি হলাম,
    তো আপনার এতো সুন্দর লেখাটায় কেউ কমেন্ট করছেনা কেন বুঝলাম না৷ এটা সবার কাছে একটু জটিল লাগছে মনে হয়৷ (অসংখ্য ধন্যবাদ ভালো থাকবেন ভাই)

  2. @শরিফুল,
    বিষয়টা সবার জন্য

    @শরিফুল,
    বিষয়টা সবার জন্য বোধগম্য নয়। তবুও আগের অনেক পর্বেই ওখানকার ডাঃ আতিক সহ অনেকেই আমার এই পোষ্টগুলীর যথেষ্ট প্রশংসা করেছে।
    ধন্যবাদ তোমাকে

  3. আপনার পোষ্টগুলো আসলেই অনেক
    আপনার পোষ্টগুলো আসলেই অনেক তথ্যবহুল। বিস্তর গবেষণা করেই লিখেন বোঝা যায়। ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *