লোডশেডিং ও রেন্টাল বিদ্যুৎ

লোডশেডিং।। বিদ্যুতের সংকট নাকি জ্বালানির সংকট – মূলত কোন কারণে এ লোডশেডিং? উত্তরঃ জ্বালানির সংকট।

জ্বালানি দিয়েই তো হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হবে যদি জ্বালানিও সাশ্রয়ী ও সহজপ্রাপ্য হয়। কিন্তু লুটেরাদের নিজেদের ইচ্ছায় জ্বালানিকে দুষ্প্রাপ্য করে সংকটময় ও জটিল পরিস্থিতিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সূর্য, বায়ু, নদ নদীর গতিশীল পানি প্রবাহ, বর্জ্য প্রভৃতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তোড়জোড় চলছে। যদিও তা আমাদের দেশে সাড়া ফেলেনি। অথচ নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রাপ্যতা বিবেচনায় পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি দেশের সমতুল্য বাংলাদেশ।


লোডশেডিং।। বিদ্যুতের সংকট নাকি জ্বালানির সংকট – মূলত কোন কারণে এ লোডশেডিং? উত্তরঃ জ্বালানির সংকট।

জ্বালানি দিয়েই তো হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। ফলে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য হবে যদি জ্বালানিও সাশ্রয়ী ও সহজপ্রাপ্য হয়। কিন্তু লুটেরাদের নিজেদের ইচ্ছায় জ্বালানিকে দুষ্প্রাপ্য করে সংকটময় ও জটিল পরিস্থিতিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

সূর্য, বায়ু, নদ নদীর গতিশীল পানি প্রবাহ, বর্জ্য প্রভৃতি নবায়নযোগ্য জ্বালানি দিয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তোড়জোড় চলছে। যদিও তা আমাদের দেশে সাড়া ফেলেনি। অথচ নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রাপ্যতা বিবেচনায় পৃথিবীর শীর্ষস্থানীয় কয়েকটি দেশের সমতুল্য বাংলাদেশ।

প্রাকৃতিক গ্যাস হল আমাদের দেশের সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য জ্বালানি, যা দিয়ে ২০০৮ সাল পর্যন্ত দেশের ৮৮% বিদ্যুৎ উৎপাদন হত। এবং যাতে প্রতি ইউনিটে ব্যয় হত ২ টাকা। কিন্তু আজকের দিনে কিছু সুবিধাভোগীদের নিজেদের ইচ্ছার কারণে প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আর উত্তোলনে ৮০ শতাংশ : ২০ শতাংশের বিষয়টাতো আছেই। বাপেক্স ও পেট্রোবাংলাকেও শক্তিশালী করা হচ্ছে না। দেশে বাণিজ্যিক ও গৃহস্থালিতে সরবারহের জন্য গ্যাসের মোট চাহিদা দৈনিক ৩০০ কোটি ঘনফুট। যেখানে বর্তমানে দৈনিক ৫০ কোটি ঘনফুটের ঘাটতি নিয়ে উৎপাদন করা হচ্ছে ২৫০ কোটি ঘনফুট। এখন এ ঘাটতি যদি পূরণ হত তাহলে বিদ্যুৎ উৎপাদনে কোনো ভর্তুকি দিতে হতোই না এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের ট্যারিফ বৃদ্ধি ২.৫০ টাকার নিচেই থাকত।

অথচ এ ঘাটতি মোকাবেলায় মনোযোগ না দিয়ে তরল জ্বালানি ভিত্তিক রেন্টাল বিদ্যুৎ উৎপাদনে কেন লম্ফজম্ফ দেয়া হচ্ছে সেটা বড় প্রশ্ন। এ বছরের ১০ জুন চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও ১২শ মেগাওয়াটের প্রায় ১০টি ভাড়া ভিত্তিক তরল জ্বালানি ব্যবহার করা রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুক্তি নবায়ন করাতে দেখা গেল। যদিও এসবের প্রকৃত উৎপাদনের সামর্থ্য সবমিলিয়ে ৩০০ থেকে ৪০০ মেগাওয়াট। আর এ রেন্টালের ট্যারিফ ১৭ টাকা এবং সরকারে এখানে প্রতিবছর ভর্তুকি দিতে হচ্ছে গড়ে ৭ হাজার কোটি টাকা !

মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি সংকটকে স্থায়ী রেখে জটিলতা তৈরি করা হচ্ছে যার সুবিধা নিচ্ছে তরল জ্বালানি চালিত অবৈধ রেন্টাল প্ল্যান্ট গুলো। এদিকে অর্থমন্ত্রীর ভাষ্যমতে ১১ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা অর্জন করলেও আরও অর্থব্যয় করে নাকি ৭ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করা যাবে। এখন প্রশ্নঃ১১ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের ক্ষমতা যদি অর্জন করেই থাকি, তাহলে ৭ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের সক্ষমতা আবার কি?! এদেখি এক গোলমেলে ব্যাপার, মিথ্যের ফুলঝুরি।

৪ thoughts on “লোডশেডিং ও রেন্টাল বিদ্যুৎ

  1. কুইক রেন্টাল দিয়ে কুইকলি
    কুইক রেন্টাল দিয়ে কুইকলি দেশের পুটু মেরে দিয়ে নিজেদের পকেট ভারী করেছে সরকারী চাটার দল। এর দায় বহন করবে দেশ। অথচ নিজস্ব সামর্থকে ব্যবহার করে বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে কোন সরকারেরই মনোযোগ নেই। বিম্পি হোক আর আওয়ামী লীগ, সব রসুনের একই পুটকি।

    1. বিম্পি হোক আর আওয়ামী লীগ, সব

      বিম্পি হোক আর আওয়ামী লীগ, সব রসুনের একই পুটকি।

      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  2. চুরি ঠেকানোটা আসলেই কঠিন।
    চুরি ঠেকানোটা আসলেই কঠিন। বাঙালির নৈতিক অবক্ষয়ই এর কারন। ক্রম বর্ধমান জনসংখ্যা এবং চাহিদার অনুপাতে পর্যাপ্ত জ্বালানির চাহিদা ক্রমেই কমে আসছে। সেজন্য এখনই বিকল্প জ্বালানির সংকুলান করতে হবে। নইলে ১০ বছর পর আমাদেরকে জ্বালানির অভাবেই বিলুপ্ত হয়ে যেতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *