হলমার্ক কেলেঙ্কারীঃ অনুসন্ধান থেকে সরে এসেছে ‘দুদক’!

বাংলাদেশের ইতিহাসে সব চেয়ে বড় আর্থিক কেলেঙ্কারির নাম ‘হলমার্ক’। একটি ভূঁইফোড় প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা ঋণ দেয় সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখা। হলমার্কের এমডি তানভীর এই প্রতিষ্ঠান খোলার কিছুদিন আগেও ছিলেন চায়ের দোকানদার। এ ঘটনায় সরকারের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মোদাচ্ছেরের সরাসরি সম্পর্ক ছিলো। ঘটনা যখন মিডিয়াতে ফাঁস হয় তখন সরকার বাধ্য হয়েই হলমার্কের এমডি তানভীরকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টার টিকিটিও স্পর্শ করতে পারেনি কেউ। এতো বড় মিডিয়া হাইপ পাওয়া একটা কেলেঙ্কারির পর মেরুদন্ডহীন ‘দুদক’ হম্বিতম্ভি শুরু করে, মামলাও করে তাদের বিরুদ্ধে। কিন্তু সম্প্রতি দুদকের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা দেবতার প্রসাদ খেয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন হলমার্কের বিরুদ্ধে তার কোন তদন্ত করবে না। শুধু তদন্তই করবে না এ বক্তব্য দিয়ে ক্ষান্ত দিলে না হয় কথা ছিলো, হলমার্ক বিষয়টি নিস্পত্তি হয়ে গেছে এটাই এখন মনে করছে দুদক। কথায় আছেনা- ‘যে যায় লংকায়, সে হয় রাবন’।

তখন একমাত্র হলমার্কের বিরুদ্ধেই ঋণ জালিয়াতির অভিযোগ উঠেনি সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা হোটেল শাখার বিরুদ্ধে। এ শাখা থেকে আরো ১১’শ কোটি টাকা লোপাট করে দিয়েছে দেশের মালদার ব্যবসায়ীরা। এসব ব্যাপারে দুদক মিডিয়া ও মানুসের চাপে পড়ে সোনালী ব্যাংক ও টাকা লোপাটকারীদের বিরুদ্ধে যেসব মামলা করেছিলো তা আর করবে না, এমন কী তারা কোন অনুসন্ধানও করবে না। কিন্তু কেন? কারণ দেবতার প্রসাদ খেয়ে দুদক নেতিয়ে গেছে। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মোদাচ্ছের ট্যাকা খাইতে পারে তাতে কুনো দোষ হয় না, দুদক টাকা খাইলে ক্যানো দোষ হবে-এমন প্রশ্নই দুদকের কর্মকর্তাদের।

গত ৪ এপ্রিল দদুকের পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান বিষটি দুদক চেয়ারম্যানকে পত্র দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন। ওই চিঠির স্মারক নম্বর দুদক/বি:অনু:তদন্ত-১/মানিলন্ডিারিং/৩২-২০১২(অংশ-৫)১০৩১২/১ (৩)। এ পত্রে বলা হয়েছে যে, একেএম আজিজুর রহমান, ডিজি্এম সোনালী ব্যাংক লিমিটেড রুপসি বাংলা শাখা সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ভূয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ঋন মঞ্জুর করে প্রায় ৩৭’শ কোটি টাকা লোপাটের অভিযোগ আনা হয়। উপযুক্ত বিষয়ের প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, আনিত অভিযোগের সাথে সংশ্লিস্ট স্থানীয় এলসি বা নন ফান্ডেড দায় এর বিষয়ে কমিশন কর্তৃক অনুসন্ধান না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এতদাসংক্রান্ত অনুসন্ধান নথি নিস্পত্তিমর্মে গণ্য করে সিদ্ধান্ত প্রদান করছে।’

কী দারুন দেখতে, তাই না? কৃষক ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত না দিলে কোমরে দড়ি দিয়ে জেল হাজতে, স্যালারি এ্যাকাউন্ট জামানত দিয়ে ১ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে না পারলে ব্যাংকের লোকজন আপনার বাড়ি গিয়ে শান্ত হবে না, আত্মিয়পরিজনকেও জানাবে যে আপনি ডিফল্ডার। আর ৩৭’শ কোটি টাকা গাপিস করে দিলে আপনার জন্য আট বেহেশতের দরজা খোলা। কি, অবাক হচ্ছেন? এখন মনে হচ্ছে না, ‘ক্যাচ মি ইফ ইউ ক্যান’ সিনেমার ডি ক্যাপ্রিওর জায়গা কিম্বা হলমার্কের তানভীরের স্থানে আপনি কেন হলেন না? আফসোস হবারই কথা। বৃথায় কস্ট করে ফিজিক্স, ক্যামিস্ট্রি পড়েছেন। আসল রসায়নই ধরতে পারলেন না! আর তা হলো বাংলাদেশে যেসব দল ক্ষমতায় যায় তাদের দলে নাম লেখালে বরং ওই ফিজিক্স ক্যামিস্ট্রির ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট ছেলেটা আপনার মেয়ের মাস্টার হতো। আর আপনি দান খয়রাতের মত তাদের হাতে মাস শেষে কিছু টাকা গুজে দিতে পারতেন। এমন মানব জনম কি চেয়েছিলেন?

এবার একটু পেছন ফিরে তাকাই:
টাকা গাপিস করে দেবার পর তানভীরকে রিমান্ডে নেবার পর তিনি কিছু কথাবার্তা সে সময় বলেছিলেন। তখন একটাই আলোচিত লিডিং কোশ্চেন ছিলেো- এ টাকা গেল কোথায়? রিমান্ডে থাকা আসামিদের কাছে এর জবাব খুঁজছে দুর্নীতি দমন কমিশন ‘দুদক’। এরই মধ্যে টাকা উদ্ধারে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছিল দুদক ও সোনালী ব্যাংক। দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, অধিকাংশ টাকাই বিদেশে পাচার হয়েছে। পাচার যদি বিদেশে হয়ে থাকে তাহলে এখন ক্যানো ঘটনা নিস্পত্তি ধরে অনুসন্ধান থেকে সরে আসলেন? দুদকের লোকজনের পকেটে কত ঢুকেছে? এ তদন্তভার কার উপর ন্যস্ত করবেন?

সে সময় দুদকের কমিশনার শাহাবুদ্দীন জাতির উদ্দেশে বলেছিলেন, টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে, সেটা নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। কিছু টাকা দেশেও নামে-বেনামে বিভিন্ন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট করে কিংবা আসামিদের আত্মীয়স্বজনের কাছে রাখা থাকতে পারে। সেগুলোর তদন্ত করছে কমিশন। তাছাড়া আদালতে প্রমাণ করার জন্যও আত্মসাত্ করা টাকার হদিস এবং সেগুলো উদ্ধার জরুরি। সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ কুমার দত্ত সে সময় জানিয়েছেন, তাদের এখন মূল লক্ষ্য বিভিন্ন কৌশলে আত্মসাৎ করা টাকাগুলো উদ্ধার করা। এরই মধ্যে প্রায় ২৩২ কোটি টাকার বিল জমা নিয়েছেন। টাকা উদ্ধারের জন্য তারা দুদককে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছেন এবং দুদকও ব্যাংককে সহযোগিতা করছে। সোনালী ব্যাংকের পক্ষ থেকে টাকা উদ্ধার প্রক্রিয়া, আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে দুজন আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছে। তারা এ বিষয়ে কাজ করছেন।

দুদকের তদন্ত ও মামলার এজহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ বছরে সোনালী ব্যাংকের রূপসী বাংলা শাখায় গোপালগঞ্জের বাসিন্দা ডিজিএম কে এম আজিজুর রহমান শাখা ব্যবস্থাপক থাকাকালে হলমার্ক গ্রুপসহ ৬টি প্রতিষ্ঠানের নামে প্রায় ৩ হাজার ৭০০ কোটি টাকার ঋণে অনিয়ম ও জাল-জালিয়াতের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। সেগুলোর মধ্যে হলমার্ক গ্রুপ একাই নিয়েছে ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকারও বেশি। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর প্রথমে সোনালী ব্যাংকের অডিটে, পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিটে ধরা পড়ে। এ পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ জুন’ ২০১৩ থেকে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। আড়াই মাসের অনুসন্ধান শেষে দুটি সুপারিশসহ ১৯৪ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন তৈরি করে দুদকের অনুসন্ধান টিম। তার একটি হচ্ছে ২৭ জনের বিরুদ্ধে ১১টি মামলা দায়ের করা আর অপরটি হচ্ছে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের কার্যক্রম অনুসন্ধান করা।

৩১ thoughts on “হলমার্ক কেলেঙ্কারীঃ অনুসন্ধান থেকে সরে এসেছে ‘দুদক’!

  1. স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মোদাচ্ছের

    স্বাস্থ্য উপদেষ্টা মোদাচ্ছের ট্যাকা খাইতে পারে তাতে কুনো দোষ হয় না, দুদক টাকা খাইলে ক্যানো দোষ হবে-এমন প্রশ্নই দুদকের কর্মকর্তাদের।

    :ভেংচি:

  2. কুটি কুটি ট্যাকাটুকার গন্ধ
    কুটি কুটি ট্যাকাটুকার গন্ধ পাইলে এমনেই চারদিক থেকে চুনোপুঁটি থেকে শুরু করে শার্কও ছুইটা আসবে- এইটা স্বাভাবিক।

  3. এইসব নিয়ে হাউকাউ করে সরকারকে
    এইসব নিয়ে হাউকাউ করে সরকারকে বিব্রত করবেন না পিলিজ লাগে। সরকারের অনুভূতি আজকাল বড়ই নাজুক। অল্পতেই অনুভূতি লাড়া খেয়ে যায়। আর সরকার লাড়া খেয়ে গেলে বুঝেনই তো… যুদ্ধাপ… টুট টুট টুট…ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা… :পার্টি:

  4. কী দারুন দেখতে, তাই না? কৃষক

    কী দারুন দেখতে, তাই না? কৃষক ১০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত না দিলে কোমরে দড়ি দিয়ে জেল হাজতে, স্যালারি এ্যাকাউন্ট জামানত দিয়ে ১ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে পরিশোধ করতে না পারলে ব্যাংকের লোকজন আপনার বাড়ি গিয়ে শান্ত হবে না, আত্মিয়পরিজনকেও জানাবে যে আপনি ডিফল্ডার। আর ৩৭’শ কোটি টাকা গাপিস করে দিলে আপনার জন্য আট বেহেশতের দরজা খোলা। কি, অবাক হচ্ছেন?

    না, অবাক হই না। বরং অবাক হই যখন দেখি ইষ্টিশনের শিক্ষিত সুশীলেরা শুধুমাত্র আম্লিগের ল্যাঞ্জা খানা চ্যাগাইয়া ধইরা পাছায় গন্ধ আছে কি না দেখার জন্য পাছা বরাবর নাক লাগাইয়া দ্যায় কিন্তুক অন্য দলের দুর্নীতির ব্যাপারে স্বীয় ল্যাঞ্জা খানা নিজের পাছার মধ্যে ঢুকাইয়া দিয়া চোখ কান বন্ধ কৈরা রাখে। অবাক হই তখন, যখন কিছু আবাল বলগার যত্র তত্র আম্লিগের দুর্নাম করতে গিয়া হুদাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার টাইন্না আইনা খোদ এই বিচারের বিরুদ্ধাচারন করে যেন আম্লিগ এই বিচার করতে গিয়া খুব অপ্রাদ কৈরা ফেলাইচে।

    অবাক হই তখন, যখন দেখি এই হোল মার্ক দুর্নীতি আম্লিগ সরকারের সময়ে উদ্ঘাটন হওয়া সত্ত্বেও মানুষ আম্লিগের-ই সমালোচনা করে।

    অবশ্য এখন আর খুব বেশি অবাক হই না।

    1. কিন্তুক অন্য দলের দুর্নীতির

      কিন্তুক অন্য দলের দুর্নীতির ব্যাপারে স্বীয় ল্যাঞ্জা খানা নিজের পাছার মধ্যে ঢুকাইয়া দিয়া চোখ কান বন্ধ কৈরা রাখে।

      ক্ষমতায় এখন আওয়ামীলীগ,অন্যদল দুর্নীতি কেমনে করবে ভাইজান? আর অন্য দলের অতীতের দুর্নীতি নিয়ে কি কম লেখা হইছে? আপনি নিজেই লিখেন, কেউ নিষেধ করছে? নাকি অন্য দলের দুর্নীতি নিয়ে লিখলে ইস্টিশনে প্রকাশ করা হয় না। আজব আপনাদের চিন্তা-ভাবনা! আপনাদের কাছে আওয়ামীলীগ এমন একটা দল, যে দুর্নীতি করলেও বলা যাবে না!

      1. জি আমিও আইজুদ্দিন সাহেবের
        জি আমিও আইজুদ্দিন সাহেবের মন্তব্য দেখে অবাক হই নাই। এমনই তো হওয়ার কথা। 😀
        উনারা আওয়ামী লীগের দুর্নীতি দেখলে অবাক হননা, অবাক হন সেইটা নিয়ে কেউ কথা বললে। আর সবখানে যুদ্ধাপরাধের ইস্যু টানার এই অভ্যাস যেন কারা শুরু করছিলো? আওয়ামী লীগের দুর্নীতি নিয়ে কিছু কইতে গেলেই কারা যান তেড়ে এসে বলতো “আপনে ছুপা ছাগু। তাই সরকারকে সমালোচনায় ফেলে জামাত-বিম্পিকে ক্ষমতায় আনতে চাইতেছেন। আপনে চাননা যুদ্ধাপরাধের বিচার হউক, ব্লা ব্লা ব্লা…”

        1. উনারা আওয়ামী লীগের দুর্নীতি

          উনারা আওয়ামী লীগের দুর্নীতি দেখলে অবাক হননা,

          আমার বক্তব্য পরিষ্কার ডাক্তার সাব, আওয়ামী দুর্নীতি নিয়া সারাদিন কথা কন কোন আপত্তি নাই কিন্তু আওয়ামী দুর্নীতি নিয়া কথা বলতে গিয়া অন্য দলের দুর্নীতি চাপা ফালাইবেন সেটা কোনভাবেই কাম্য নয়।

          আপনার জন্য কয়েকটি বিশেষ উপহার………

          1. দেখেন আপনারে আর পাঁচজন আওয়ামী
            দেখেন আপনারে আর পাঁচজন আওয়ামী দলকানার চেয়ে কিছুটা বুদ্ধিমান মনে করি, তাই এইসব টাইপড বালখিল্য আচরণ আপনার থেকে কাম্য নয়। বিম্পির এইসব দুর্নীতিতে অতিষ্ঠ হয়েই মানুষ আওয়ামী লীগকে ভোট ঢেলে দিয়েছিলো, মনে আছে তো? এখন বিম্পির এইসব গার্বেজ দেখায়ে আপনি আওয়ামী লীগের দুর্নীতিকে জায়েজ করতে পারেন না। ইউ হ্যাভ নো রাইট টু ডু দ্যাট। বিম্পি কেন নির্বাচনের আগে সরকারের বিরুদ্ধে শক্ত আন্দোলন জমাইতে পারে নাই? কারণ সাধারণ মানুষের কোন সাপোর্ট নাই। সাধারণ মানুষ কেন আরেকটা বাটপারের জন্য রাস্তায় নেমে মারা যাবে? এইজন্যই আওয়ামী লীগ একতরফা নির্বাচন করেও টিকে আছে। বিম্পি কিন্তু ৯৬ এ টিকতে পারে নাই। কারণ তখনও মানুষের আস্থা ছিল আওয়ামি লীগের প্রতি। ধীরে ধীরে এই দুই দলের উপর থেকে আস্থা শুন্যে এসে ঠেকছে। আপনারা যারা মনে করছেন তৃতীয় শক্তি দাঁড়াতে পারবে না অচিরেই। তারাও হয়ত ভুল ভাবছেন। কারণ বিস্ফোরণ হলে কি ঘটে সেটার আগাম আভাস দেওয়া মুশকিল। ৫ ফেব্রুয়ারি তার উত্তম উদাহরণ। আওয়ামী লীগ এই টার্মে ক্ষমতায় এসে আরও বেপরোয়া আচরণ শুরু করেছে। অথচ আমি ভেবেছিলাম এবং আশা করেছিলাম শেখ হাসিনা অন্তত এই টার্মে অনেক বেশী কনফিডেন্টলি এবং শক্তহাতে দেশ ও দল নিয়ন্ত্রণ করবেন। কিন্তু আমি হতাশ। সত্যিই হতাশ…

          2. এখন বিম্পির এইসব গার্বেজ

            এখন বিম্পির এইসব গার্বেজ দেখায়ে আপনি আওয়ামী লীগের দুর্নীতিকে জায়েজ করতে পারেন না। ইউ হ্যাভ নো রাইট টু ডু দ্যাট।

            রাইট, আই হ্যাভ নো রাইট টু ডু দ্যাট। আমি কখনও আওয়ামীলীগের দুর্নীতিকে জায়েজ করার চেষ্টা করি নি, কখনও করব না।
            কিন্তু বিগত সরকারের দুর্নীতি ভুলে গিয়ে চোখের সামনে শুধু যেটুকু পড়ে সেটা নিয়েই বক বক করব সেটাও নয়। দুর্নীতি আমাদের রন্ধ্রে, সেটা আওয়ামী সরকারের সময়ে হোক বা বি এন পিঁর সময়ে, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া মানে বিবেক কে ধোঁকা দেওয়া। কিন্তু এক পাক্ষিক সমালোচনাকারীরাও কি তাদের বিবেকবোধ কে ধোঁকা দিচ্ছে না?

            আওয়ামী লীগ এই টার্মে ক্ষমতায় এসে আরও বেপরোয়া আচরণ শুরু করেছে। অথচ আমি ভেবেছিলাম এবং আশা করেছিলাম শেখ হাসিনা অন্তত এই টার্মে অনেক বেশী কনফিডেন্টলি এবং শক্তহাতে দেশ ও দল নিয়ন্ত্রণ করবেন।

            আপনার মতো আমিও ভেবেছিলাম এবং যথারীতি আপনার মতো আমিও হতাশ।

          3. আজীব কথা শুনাইলেন। তাইলে তো
            আজীব কথা শুনাইলেন। তাইলে তো এখন থেকে দুর্নীতি নিয়ে কথা কইতে গেলে সেইইইই বঙ্গবন্ধুর আমল থেকে শুরু করতে হবে। লেখার নমুনা হবে অনেকটা এইরকম, হলমার্ক ট্যাকা মাইরা খাইচে। এর আগে বিম্পির আমলে অমুকে মাইরা খাইচিল। তার আগে আওয়ামী আমলে তমকে মাইরা খাইচিল। তার আগে বিম্পির আমলে সমুকে মাইরা খাইচিল। তারও আগে এরশাদের আমলে হমুকে মাইরা খাইচিল। তার তারও আগে জিয়ার আমলে চমুকে মাইরা খাইচিল। তার তার তারও আগে… চললতেই থাকবে :আমিকিন্তুচুপচাপ:

          4. আম্লীগ আর বিম্পির পুটু যে এক
            আম্লীগ আর বিম্পির পুটু যে এক জায়গায়, সেটা দেখিয়ে দেয়ার জন্য আইজ্জা ভাইরে ধইন্যাপাতা!

      2. আপনাদের কাছে আওয়ামীলীগ এমন

        আপনাদের কাছে আওয়ামীলীগ এমন একটা দল, যে দুর্নীতি করলেও বলা যাবে না!

        এটা কিন্তু সত্য নয় দাদা। আমি অন্তত আওয়ামী দুর্নীতি নিয়ে কথা বলতে পিছু পা হই না।
        কিন্তু কেউ এক চোখা সমালোচনা করলে সেটা খুব দৃষ্টি কটু লাগে।
        পছন্দ কেউ করুক না করুক, সেটা চোখে পড়লে আমার চোখ জ্বালা করবেই।

    2. আইজউদ্দিন ভাই,
      ইস্টিশনে

      আইজউদ্দিন ভাই,
      ইস্টিশনে লিখতেছি আমি, আপনি, সে, ও…. আমরা অনেকেই। কমিউনিটি ব্লগে ব্লগের নীতিমালা মেনে সবাই লিখতে পারে। এখানে ইস্টিশনের দোষটা কোথায়? অন্য রাজনৈতিক দলের দুর্নীতি নিয়ে লিখতে ইস্টিশনে কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞা আছে বলে জানা নাই। আপনি ব্লগকে দায়ী করছেন কেন? আপনি নিজেই লিখেন। যদি ইস্টিশন বাঁধা দেয় আপনার পাশে দাঁড়াব, আমি কথা দিলাম।

      আর বাকি যে কথাগুলো বলছেন, এগুলো অনলাইনে আপনাদের মত আওয়ামী এক্টিভিস্টদের ভুলের খেসারত বলে মনে করছি। আমার ব্লগগুলো পড়ে আসুন, তারপর আমার সম্পর্কে মুল্যায়ন করলে ভাল লাগত। আপনার মন্তব্যটা বাচ্চাসুলভ হয়ে গেল না?

      1. এখানে ইস্টিশনের দোষটা

        এখানে ইস্টিশনের দোষটা কোথায়?আপনি ব্লগকে দায়ী করছেন কেন?

        দেইক্ষা কইলেন নাকি না দেইক্ষাই কইলেন?
        ভাল কৈরা দেখুন, ইষ্টিশনের দোষ দেই নাই, ইষ্টিশনের শিক্ষিত সুশীল দের কতা কইছি।

        আপনি নিজেই লিখেন। যদি ইস্টিশন বাঁধা দেয় আপনার পাশে দাঁড়াব, আমি কথা দিলাম।

        ইষ্টিশনে এখনও এমন কোনও কাজ করি নাই যে ইষ্টিশন বাঁধা দেবে আর ইষ্টিশন বাঁধা দিলে আমি কথা দিলাম তার জবাবদিহি আমি নিজেই করব। তবে আপনার সহযোগিতার আশ্বাস মাথায় তুলে রাখলাম।

        পরিশেষে একটা প্রশ্ন রেখে যেতে চাই, হলমার্ক কেলেঙ্কারি কোন সরকার জনসম্মুখে নিয়ে এসেছে?

        1. পরিশেষে একটা প্রশ্ন রেখে যেতে

          পরিশেষে একটা প্রশ্ন রেখে যেতে চাই, হলমার্ক কেলেঙ্কারি কোন সরকার জনসম্মুখে নিয়ে এসেছে?

          আওয়ামীলীগ জনসম্মুখে নিয়ে এসেছে, নাকি এটা আওয়ামীলীগের ঘাড়ে চেপে বসেছিল বলেই ফেইস করতে বাধ্য হয়েছে? আর সরকার যদি হলমার্ক কেলেংকারী জনসম্মুখে নিয়েই আসে তাহলে আবার মুখ ফিরিয়ে নিলে সমালোচনা করা যাবে না কেন? চেতনার কোন ধারায় এটা লিপিবদ্ধ আছে? নাকি আপনাদের সরকার যা ইচ্ছে করবে, কিন্তু কিচ্ছু বলা যাবেনা বলে ধরে নিয়েছেন? আপনাকে আওয়ামী সমর্থক মনে করতাম, এত দলকানা মনে করি নাই! অধঃপতনের একটা মাত্রা থাকা উচিত!

          1. প্রতি উত্তরে কিছু বলতে
            প্রতি উত্তরে কিছু বলতে চেয়েছিলাম। অনেককিছুই আপনি বলে দিয়েছেন।

          2. আপনাকে আওয়ামী সমর্থক মনে

            আপনাকে আওয়ামী সমর্থক মনে করতাম, এত দলকানা মনে করি নাই! অধঃপতনের একটা মাত্রা থাকা উচিত!

            সহমত!

            :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:
            :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

          3. এখানে আপনার বক্তব্য,
            আপনাকে

            এখানে আপনার বক্তব্য,

            আপনাকে আওয়ামী সমর্থক মনে করতাম, এত দলকানা মনে করি নাই!

            আবার অন্য পোস্টে আমার সম্পর্কে আপনার মন্তব্য,

            দলকে সমর্থন করা আর দলীয়ভাবে অন্ধ হয়ে দলের সকল অপকর্মকে সমর্থন করা কিন্তু এক কথা নয়। যাক, এই পোস্টের পর আপনার সম্পর্কে ধারনা কিছুটা হলেও পরিবর্তন হয়েছে।

            আপনি যে আমাকে কখন কি ভাবেন সেটা ভেবেই তো আমি হয়রান হয়ে যাচ্ছি!
            দাদা, সব কিছু ঠিকঠাক আছে তো?

          4. আগে কিছুটা পরিবর্তন হয়েছিল।

            আগে কিছুটা পরিবর্তন হয়েছিল। এখন শতভাগ।

            দেইক্ষেন, এর পর যেন আবার ইউ-টার্ন নিয়ে বইসেন না।
            আপনার সম্পর্কে কিন্তু আমার ধারনা সেই আগেরটাই বহাল রইল।

          5. ইউটার্ন নিয়া নিশ্চয় তারেক্কা
            ইউটার্ন নিয়া নিশ্চয় তারেক্কা চুরার বিম্পি হইয়া যাব না। এটা নিশ্চিত থাইকেন। আর আম্বাদের উপর আস্থা শতভাগ গেছে গা। জামায়াতিদের হিটলিষ্টে আছি অনেক দিন ধরেই। পঁচা ভামরা পারলে আমাকে পিষে মেরে ফেলবে। হেফাজতি আর ওলামালীগ সরকারকে যে লিষ্ট দিছে সেখানে আমার নাম আছে। টার্ণ নিয়া কই যামু আর?

          6. খোদার কসম, আমার নাম কোথাও
            খোদার কসম, আমার নাম কোথাও নাই।
            মজার ব্যাপার, আমার নাম আওয়ামীলীগের ঘরেও নাই, বাইচ্চা গেছি!

          7. বাইচ্চা তো গেছেনই। আওয়ামী
            বাইচ্চা তো গেছেনই। আওয়ামী লীগের ঘরে নাম না থাকতেই যে অবস্থা, আওয়ামী লীগের ঘরে নাম থাকলে তো ‘আমার আম্লিগ, আমার আম্লীগ’ জিকির করতে করতে ইন্তেকাল ফরফাইতেন!

  5. হলমার্কের এমডি তানভীর এই

    হলমার্কের এমডি তানভীর এই প্রতিষ্ঠান খোলার কিছুদিন আগেও ছিলেন চায়ের দোকানদার।

    :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *