পাঁজরছেদি বুলেটঃপ্রভাব-উত্তর সংজ্ঞায়ন, পোড়া নিশ্বাসের বাজার এবং নিলামকর্তার হাতুড়ি (Vincent Van Gogh suicide note,1980)

প্রিয় ভাই,

তোমার স্নেহপূর্ণ চিঠির জন্য ধন্যবাদ। ধন্যবাদ খামের ভেতরে থাকা পঞ্চাশ ফ্রাংকের একটা নোটের জন্যও।

তোমাকে অনেক কথাই বলার ছিল কিন্তু অনর্থক মনে হচ্ছে।সেসব উচ্চমার্গের ভদ্রলোকেদের ব্যাপার স্যাপারগুলো তুমি মীমাংসা করেছ বলেই আশা রাখি।

আমাকে তোমার বাড়ির শান্তি হিসেবে মনে করার ভাল মন্দ সব বিবেচনা করাই হয়তো তোমার জন্য সবচেয়ে কম ঝামেলার কাজ।আমি তোমার কথাই মানছি পাঁচ তলার উপর একটি বাচ্চা পালা তোমার এবং জো’র ভয়ংকর অশান্তির একটা কাজ।


প্রিয় ভাই,

তোমার স্নেহপূর্ণ চিঠির জন্য ধন্যবাদ। ধন্যবাদ খামের ভেতরে থাকা পঞ্চাশ ফ্রাংকের একটা নোটের জন্যও।

তোমাকে অনেক কথাই বলার ছিল কিন্তু অনর্থক মনে হচ্ছে।সেসব উচ্চমার্গের ভদ্রলোকেদের ব্যাপার স্যাপারগুলো তুমি মীমাংসা করেছ বলেই আশা রাখি।

আমাকে তোমার বাড়ির শান্তি হিসেবে মনে করার ভাল মন্দ সব বিবেচনা করাই হয়তো তোমার জন্য সবচেয়ে কম ঝামেলার কাজ।আমি তোমার কথাই মানছি পাঁচ তলার উপর একটি বাচ্চা পালা তোমার এবং জো’র ভয়ংকর অশান্তির একটা কাজ।

সবকিছু তো ভালই যাচ্ছে। কেন শুধু শুধু আমার এ অ-ভাবনা নিয়ে কথা বলতে হবে?দীর্ঘশ্বাস ছাড়ি! সম্মিলিত স্বার্থের ক্ষেত্র তৈরির বহু আগে অনেক দূর যেতে হবে।

অন্যান্য চিত্রকররা,যাই মনে করুক না কেন, ইচ্ছা করেই পেটের ধান্দার কথাবার্তা থেকে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করে।

সত্যটা হচ্ছে এই, আমরা আমাদের ছবি দিয়ে শুধু কথা বলাই। মনের পুণঃপৌনিক জিজ্ঞাসার ব্যগ্রতা নিয়ে আমি আবার বলছি, যদিও আমি একবার বলেছি,হয়তো আবারও বলব, করটে মগ্ন যে কারো চেয়ে তোমাকে বেশি কিছু মনে করি। আমার কয়েকটা ক্যানভাসের ভেতরের ক্যানভাসগুলো তোমাকে দিয়ে আঁকিয়ে নিয়েছি অন্তিম মূহুর্তেও যেগুলো শান্তি দিবে। আপেক্ষিক সংকটের মূহুর্তগুলোয় বলতে গেলে ধরা খেয়ে যাই, এই যা! জীবিত আর মৃত চিত্রকরের নিলামকর্তাদের মাঝে অনেক টানাপোড়েন।

আর হ্যাঁ, আমার কাজ, এটার জন্যই জীবনের ঝুঁকি নিয়েছি, এটার জন্যই সব অজুহাত উড়ে গেছে।সবই ঠিক আছে না কিন্তু তুমি তো ভাই মানুষ বেচ না যতটুকু জানি। বরং তুমি পক্ষটা নিয়েই নাও। কোনটা নিবে? সততা নাকি ‘তুমি যা চাও’?

৩ thoughts on “পাঁজরছেদি বুলেটঃপ্রভাব-উত্তর সংজ্ঞায়ন, পোড়া নিশ্বাসের বাজার এবং নিলামকর্তার হাতুড়ি (Vincent Van Gogh suicide note,1980)

  1. মহান শিল্পীরা খুবই
    মহান শিল্পীরা খুবই আত্মাভিমানী হয়। ভ্যান গগও খুবই আবেগী টাইপের মানুষ ছিলেন।
    রুদ্রের কবিতার লাইন মনে পড়ে যায় গগের সুইসাইডাল নোট পড়ে-

    চলে যাওয়া মানে প্রস্থান নয়- বিচ্ছেদ নয় চলে যাওয়া মানে নয় বন্ধন ছিন্ন-করা

    ভ্যান গগ চলে গেছেন, কিন্তু রেখে গেছেন তাঁর অমূল্য সব চিত্রকর্ম। যা আমাদেরকে এখনো মনের খোরাক জোগায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *