রাজাকার বনাম মুক্তিযোদ্ধা : এক রাজাকারের বয়ান

রাজাকার বনাম মুক্তিযোদ্ধা: এক রাজাকারের বয়ান।
———————————————-
এ তেমন বড় কি অপরাধ????
আমরা তো ৭১ এ এক একজন বড় জোর শ খানেক বা তার কম বেশি বিধর্মী, কাফের, কওম ও ওয়াতানের শত্রু নেংটি হিন্দুদের খতম করেছি। তাদের সোনাদানা, টাকাপয়সা লুট করেছে। মাঝে মাঝে তাদের দু একটা মেয়েকে ভাল লেগে গেলে গণিমতের মাল হিসেবে ভোগ করেছি। আর পাকি বিরোধী , পাকি ভায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা মুরতাদের ধরে ধরে জবায় করেছি না হয় খান সেনাদের হাতে তুলে দিয়েছে। এত এত ভাল কাজের ভিড়ে আমাদের না হয় রাজাকার, আলবদর বা মানবতার শত্রু হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।


রাজাকার বনাম মুক্তিযোদ্ধা: এক রাজাকারের বয়ান।
———————————————-
এ তেমন বড় কি অপরাধ????
আমরা তো ৭১ এ এক একজন বড় জোর শ খানেক বা তার কম বেশি বিধর্মী, কাফের, কওম ও ওয়াতানের শত্রু নেংটি হিন্দুদের খতম করেছি। তাদের সোনাদানা, টাকাপয়সা লুট করেছে। মাঝে মাঝে তাদের দু একটা মেয়েকে ভাল লেগে গেলে গণিমতের মাল হিসেবে ভোগ করেছি। আর পাকি বিরোধী , পাকি ভায়ের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরা মুরতাদের ধরে ধরে জবায় করেছি না হয় খান সেনাদের হাতে তুলে দিয়েছে। এত এত ভাল কাজের ভিড়ে আমাদের না হয় রাজাকার, আলবদর বা মানবতার শত্রু হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

অন্য দিকে মুক্তি যুদ্ধের নামে, স্বাধীনতার নামে নিজেদের হালুয়া রুটির ভাগ পোক্ত করেনি তথাকথিত মুক্তি যোদ্ধারা।
করেছে অবশ্যয় করেছে।
অনেকে এমন আছে যারা অস্বীকার করতে কি পারবে —– যুদ্ধের নামে গ্রামে গ্রামে গিয়ে এর ওর বাড়িতে থেকেছে।
অক্ষমদেরও বাধ্য করেছে তাদের জন্য ভাল ভাল খাদ্যের ব্যবস্থা করতে।
কোন বাড়িতে সুন্দরী মেয়ে দেখলে , তখনি না হোক দেশ স্বাধীন হবার পর ফিরে এসে তাকে দখল করে খায়েশ মিটায় নি।
ডাকাতি তারাও করেছে —বহু হিন্দু বাড়িতে, দখল নিয়েছে তাদের সম্পত্তি।
স্বাধীন দেশে গ্রামীণ বা শহুরে দলাদলির সুযোগ নিয়ে এক পক্ষের টাকা খেয়ে অন্যপক্ষকে দালাল আখ্যা দিয়ে প্রকাশ্যে পৈশাচিক উপায়ে হত্যা করেছে। ধন সম্পদের পাহাড় গড়েছে সে সময় ডাকাতি করে তাঁরা। তাঁরা আজ টাকার জোরে বুক ফুলিয়ে চলে মুক্তি যোদ্ধা হিসেবে। তারায় আবার মন্ত্রী—– এমপি হয়।
কি আশ্চর্য বেপার।
— দাদারা যখন নদিতে বাধ দিয়ে শুষ্ক মৌসুমে এ দেশকে মরুভূমি বানানোর পায়তারা করে, আবার বর্ষা কালে কৃত্রিম বন্যায় আমাদের ডুবিয়ে মারে ।
তারায় আবার হে হে করে বলে সব ঠিক আছে সাফায় গায় নির্লজ্জের মত।

আর এই সব নিয়ে কেও হক কথা বলে —- ওমনি মুক্তি যুদ্ধের চেতনা বলে বিরুধি সিল মেরে বানানো হয় আমাদের গোত্রের মানুষ রাজাকার।
আর যে, তেল মেরে চোখ বুজে সমস্ত অন্যায় দেখেও না দেখার ভান করে, সে হয়ে উঠে মুক্তি যুদ্ধের তথা কথিত স্বপক্ষের শক্তি।

কি অদ্ভুত কি অদ্ভুত————- আমাদের আর তাদের মাঝে পার্থক্য তা তাহলে কি বলে???????????????????

বি: দ্রঃ এই লিখা সম্পূর্ণ কাল্পনিক। জীবিত বা মৃত কোন ব্যক্তির সঙ্গে ইহার কোন সম্পর্ক নেই।

৩ thoughts on “রাজাকার বনাম মুক্তিযোদ্ধা : এক রাজাকারের বয়ান

  1. এইসব বালসাল লিখে কি বুঝাইতে
    এইসব বালসাল লিখে কি বুঝাইতে চাইছেন ছাগু বান্দর, তো জামাত বিম্পি খমতা থাকতে কি বাল চিরছিল, জামায়াত শিবির ও তো ইন্ডিয়ার ভুদাই চুষে,মুখে ইসলামের পটু মারলেও ভিতরে ভিতরে ইহুদি খৃস্টানদের ধনে তেল মালিস করে! আর মুক্তিযুদ্ধের নিয়ে কথা বলতে ভাবি বলিয়েন! বাঁশের কেল্লায় বাল চিরেন যান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *