অদ্ভূত চোখ

অদ্ভূত চোখটায় গাঢ় সবুজ ছিল
মাঠ ছিল তেপান্তরের,
সারাটা বিকেল ধরে বসে ছিল
পুরনো গল্প আসবে ফিরে আধারে।

ফসলের স্বাধীন দিন গুলোর পরে
কেউ আর ফেরেনা ঘরে,
পথগুলো ফাঁদ পেতে রাখে,
নাগরিক দ্বন্দ্ব মাটির শিকড়ে।

ভালবেসে নিশ্বাস ছাড়ত যে মেয়েটার শরীর জুড়ে,
অন্ধকারে ও উজ্জল হয়ে থাকত যে চোখ
শেষরাতের বাসে চলে গেছে সেও
সময়টাকে গাঢ় করে।

পূর্ব পুরুষের পাপ জুড়ে রাখে পূর্ব-পশ্চিম,
শেষ সবুজ টুকু চোখটা ধরে রাখে তাই গভীরে
জল,মাটি,বাতাস শুধু দুঃখ ছড়ায় গভীরে,
গহীন গভীরে।

৫ thoughts on “অদ্ভূত চোখ

  1. ফসলের স্বাধীন দিন গুলোর
    ফসলের স্বাধীন দিন গুলোর পরে
    কেউ আর ফেরেনা ঘরে,
    পথগুলো ফাঁদ পেতে রাখে,
    নাগরিক দ্বন্দ্ব মাটির শিকড়ে।

    প রের ২ লাইন বুজলাম না 🙂 🙂 🙂

  2. অস্তিত্বে,অনুভূতিতে নগরায়নের
    অস্তিত্বে,অনুভূতিতে নগরায়নের যে টানা পোড়া তারই একটি অভিব্যক্তি তৈরি করেছি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *