তারকাটা | প্রত্যাশা পূরণ হয়নি তবে হতাশ করেনি | মুভি রিভিউ সাথে একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা

গালের ডানপাশে জ্বর থাকায় অনেকক্ষন ধরে সিদ্ধান্ত নিলাম সিনেমা দেখতে যাওয়া ঠিক হবে কিনা 😛 । অবশেষে জ্বর কে থোড়াই কেয়ার করে জীবনের ঝুকি নিয়ে সিনেমা শুরু হওয়ার ১৫মিনিট আগেই হলে হাজির হলাম। হলে তখন হিন্দী গানের সুর নকল করে ফালতু লিরিক্সের বাংলা গান বাজছে (আসলেই গানের ক্ষেত্রেও সেন্সর করা উচিত যাতে এইসব আউল ফাউল গান শুনতে না হয়) । একেতো বিরক্তিকর গান তার উপর গরম। তাই ভিতরে বসে না থেকে বাইরে চলে এলাম। সিনেমা শুরুর মিনিট খানিক আগে সিটে গিয়ে বসলাম।


গালের ডানপাশে জ্বর থাকায় অনেকক্ষন ধরে সিদ্ধান্ত নিলাম সিনেমা দেখতে যাওয়া ঠিক হবে কিনা 😛 । অবশেষে জ্বর কে থোড়াই কেয়ার করে জীবনের ঝুকি নিয়ে সিনেমা শুরু হওয়ার ১৫মিনিট আগেই হলে হাজির হলাম। হলে তখন হিন্দী গানের সুর নকল করে ফালতু লিরিক্সের বাংলা গান বাজছে (আসলেই গানের ক্ষেত্রেও সেন্সর করা উচিত যাতে এইসব আউল ফাউল গান শুনতে না হয়) । একেতো বিরক্তিকর গান তার উপর গরম। তাই ভিতরে বসে না থেকে বাইরে চলে এলাম। সিনেমা শুরুর মিনিট খানিক আগে সিটে গিয়ে বসলাম।

জাতীয় সঙ্গীত বাজার সাথে সাথেই সিট ছেড়ে উঠে দাড়ালাম। এমন সময় পেছন থেকে আওয়াজ আসলো, “পোলাপাইন স্কুল কলেজে জাতীয় সঙ্গীতে দাড়ায় না আর হলের ভিতরে দাড়াইতে আইছে”
পেছনে তাকিয়ে আওয়াজকারীর উদ্দেশ্যে বললাম, “এই বয়সেই মাজায় সমস্যা? বাকী জীবন তো পড়েই আছে”
কি বুঝলো না বুঝলো জানিনা। পেছনের ছেলে গুলো উঠে দাড়ালো। ততক্ষনে আশেপাশের অনেকেই উঠে দাড়িয়েছে। যাই হোক যথারীতি সিনেমা শুরু হল। তারকাটা একটি সাদামাটা গল্প নিয়ে তৈরি। এই নকলের ভীড়ে সাদামাটা গল্প টাকে পজিটিভ ভাবেই নিচ্ছি। তবে পরিচালক এই সাদামাটা গল্প কেই খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

সিনেমার শুরুতেই স্ক্রীনে একটি বড় হাতুড়ী নিয়ে আবির্ভূত হয় আরিফিন শুভ। যে এই সিনেমার মূল চরিত্র ইব্রাহীম। আরিফিন শুভ বেশ দারুন ভাবেই ইব্রাহীম চরিত্র টিকে ফুটিয়ে তুলেছেন। তার গেটআপ এবং চরিত্রের সাথে একেবারে মানানসই এক্সপ্রেশনে দর্শক সিটি দিতে বাধ্য ছিল। জাদরেল সন্ত্রাসী ইব্রাহীম আসলামের ছোট ভাইকে খুন করে তার সাথে একটি ঝামেলা তৈরী করে। ইব্রাহীমের এই সন্ত্রাসী কার্যকলাপের জন্য তার বোন মৌসুমী তাকে ভাই বলে পরিচয় দেয়না। অথচ এই ইব্রাহীমই যখন একজন সাধারন যুবক ছিল, তখন সে ছিল মৌসুমীর নয়নের মনি।
এর পরে পর্দায় আবির্ভাব হয় বিদ্যা সিনহা মিমের। এবং যা হওয়ার কথা তাই হল, ইব্রাহীম চাঁদের মানে মিমের প্রেমে পড়ে যায়। মিম কে শিল্পী বানানো এবং পরে তারই সেক্রেটারী হিসেবে কাজ করা, পুরোনো শত্রুতার জেরে আসলামের সাথে বারবার ঝামেলা, বোনের অবহেলা ইত্যাদী কাহিনী নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে সিনেমা (কাহিনী আর কমুনা 😛 রাজ ভাই পিটাইতেও পারে 😛 )।

বাংলা সিনেমার বর্তমান পরিস্থিতিতে এধরনের সিনেমা নিয়ে সমালোচনা করা উচিত নয়। কারন একের পর এক বস্তাপঁচা সিনেমার মাঝে কিছুটা ভিন্ন আঙ্গিকেই হাজির হয়েছে তারকাটা। তবুও এই সিনেমার ভালো না লাগার দিক গুলো তুলে ধরলাম।
সিনেমায় কিছুক্ষন পরপর লম্বা গানের ব্যবহার কিছুটা খারাপ লেগেছে। মনে হল মিউজিক্যাল ফিল্ম দেখছি। তারকাটা এ্যাকশন ফিল্ম হলেও এতে এ্যাকশনের মাত্রা খুব কম ছিল এবং ফাইট দৃশ্য গুলো একেবারেই সাদামাটা। এই জন্য তারকাটা টীম কে মাইনাস।
মৌসুমীর সাথে একটি গানে শুভর ন্যাকামীটা চোখে বেধেছে। শুভ কে ললিপপ বেবি বানিয়ে দেয়ার কোনো মানে ছিলনা 😛 । মূল ভিলেন হিসেবে ফারুক আহমেদ কে দেখে একটু অবাক হয়েছিলাম। ভিলেন হিসেবে সে চরিত্রটিকে ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেনি। পুরো চরিত্রটাতেও সে অট্টহাসি দিয়ে গেছে যেন সে দিনে তিন বেলা লাফিং গ্যাস খায়। পুরো সিনেমায় প্রান আপআর সিম্ফোনি মোবাইলের ব্যবহার ছিল মাত্রাতিরিক্ত। পোলাপাইন রে প্রান আপের বোতল দেয়া, প্রান আপ মিউজিক এওয়ার্ড, প্রান আপের সৌজন্যে কনসার্ট এইগুলা কে বেশি বেশি মনে হয়েছে। আবার বারেবারে সিম্ফোনি মোবাইল কে ফোকাস করা, সিম্ফোনির সৌজন্যে ইন্টার্ভাল এগুলোও ছিল বাড়াবাড়ি।
মিম কে এতবড় শিল্পী বানানোর পিছনে কার অবদান সে সম্পর্কে জানার কোনো আগ্রহ মিমের মাঝে দেখা যায় নি।
মিম কে ডা. এজাজ আম্মিজি বলে ডাকতো আর শুভ কে বলতো ছোট ভাই। ছোট ভাইয়ের গার্লফ্রেন্ড কে আম্মিজি বলা উচিত নয় এইটা তার বোঝা উচিত ছিল। মৌসুমীর চরিত্রটি এই সিনেমায় একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। তবে মাঝে মাঝেই মনে হয়েছে তিনি যেন চরিত্রের মাঝে ঢুকতে পারেননি। হঠাত করে তাকে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হতে দেখা গেল আবার তারপরই তাকে সুস্থাবস্থায় দেখা গেল। পণ্যের মাত্রাতিরিক্ত প্রচারের নমুনা স্বরুপ এক দৃশ্যে দেখা গেল তিনি ভাটিকা তেলের বোতল জড়িয়ে ধরে কাদছেন(!)
সিনেমাটির গল্পটি মৌলিক হলেও প্রথমদিকে চোরাবালি সিনেমার ছায়া পাওয়া গেছে। আর মিমকে বারে গাইতে গাইতে সুপারস্টার বানিয়ে দেয়ার বিষয় টা আশিকি টু সিনেমার সাথে তুলনা করা যায়। আমার মনে হয় এই কাজ টা করার কোনো দরকারই ছিল না।
পুরো সিনেমায় আসলামের সাঙ্গপাঙ্গো হিসেবে ২-৩জনকেই ঘুরে ফিরে দেখা গেছে। এদিকে আরো কিছু সহশিল্পীকে নিলে বিষয়টা দৃষ্টিকটু লাগতো না। ইন্টার্ভালের আগের অংশটুকু বেশ ধীরগতিতেই চলছিল কিন্তু ইন্টার্ভালের পর সব হুটহাট করে হয়ে যেতে থাকে। শুভ ও মিম কে যখন একসাথে আটকে রাখা হয় তখন শুভর একটা উক্তি ছিল, “ওই কই যাস? খুলে দিয়ে যা” এমন পরিস্থিতিতে এই ধরনের দূর্বল ডায়লগ ভালো লাগেনি। শুভ আর মিমের রোমান্সের অংশগুলো একটু কম হয়ে গেছে। শেষদিকে এসে হুটহাট কিডন্যাপ হয়ে যাওয়া সিনেমার সবচেয়ে বাজে দিক ছিল। প্রথমে মৌসুমির মেয়ে দিয়া কিডন্যাপ হল, তারপর মিম কে কিডন্যাপ করলো। এবার মিমকে বাচাতে গিয়ে শুভও আটকা পড়ে গেল। হিসাব অনুযায়ী শুভ কে আটকে না রেখে মেরে ফেলা উচিত ছিল। আরে ব্যাটা তোর ভাইরে যে মারছে তারে বারবার সুযোগ পাওয়ার পরও মারতাছোস না ক্যান? এরপর আবার মৌসুমীকেও কিডন্যাপ করা হল। মিম এর একটা বোন থাকলে দেখা যেত তাকেও কিডন্যাপ করা হয়েছে।

অনেক খারাপ দিক নিয়ে বলে ফেলেছি, এবার কিছু ভালো দিকও বলি। চারিদিকে যখন নকলের ভীড় তার ভিতর পরিচালক সাহস করে মৌলিক গল্প নিয়ে সিনেমা বানিয়েছেন এর জন্যই রাজ ভাই কে প্লাস দেয়া উচিত। সবার অভিনয় দারুন ছিল। আরিফিন শুভ বেশ দারুন ভাবে তার চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলেছেন। তার অভিনয় দেখে মনে হয়েছে সত্যিই কোনো নায়কের অভিনয় দেখছি পাশাপাশি তার বডি ফিটনেস, গেটআপ তো আছেই। পিস্তল মাথার এক পাশে ধরে ডায়লগ বলে যাওয়া ভালো লেগেছে। আবার মৌসুমী যখন শুভ কে বলল, “ভয় পাস না কেন?” তখন শুভর ভয় পাওয়ার অভিনয় টা দারুন ছিল।
মিম তো এই সিনেমায় তার আগের সব কাজ কে ছাপিয়ে গেছে। তাকে বেশ গ্ল্যামারাস লাগছিল। বাংলাদেশের নায়িকাদের সমস্যা হল তারা চরিত্রের ভিতর ঢুকতে পারেনা, অভিনয়টা কেমন যেন ম্যাড়ম্যাড়া বা বিরক্তিকর আহ্লাদী টাইপের হয়ে যায়। কিন্তু মিম এদিক দিয়ে বেশ সাবলীল ভাবে কাজ করেছে। মিম কে যেন আরো অনেক সিনেমায় পাওয়া যায় সেই আশায় থাকবো।
সিনেমায় শুভর সহকারী হিসেবে রাজু নামে একজন কে দেখা গেছে যে পুরো সিনেমায় তোতলামী(নাকে কথা) করে সিনেমাটাকে আরো উপভোগ্য করে তুলেছে। ছোটখাটো চরিত্র থেকে পারফেক্ট অভিনয় পাওয়াই যায়না আমাদের সিনেমায়, কিন্তু রাজু এদিক থেকে ব্যতিক্রম। আর মিমের সহকারী হিসেবে যে মেয়েটা ছিল সে যেন কথার রেলগাড়ি। এক নি:শ্বাসে সাধু চলিত আঞ্চলিক মিশ্রিত কথা বলে সে সবাইকে আনন্দ দিয়েছে।
শিশুশিল্পী হিসেবে দিয়ার অভিনয় কে আমি সবার চেয়ে এগিয়ে রাখবো। এতটুকু বাচ্চা যেন বাস্তবেই সব কিছু করে যাচ্ছিল। তার অভিনয়টা মোটেও কৃত্রিম মনে হয়নি।
এই সিনেমার চিত্রগ্রহণ অন্য যেকোনো সিনেমা থেকে অনেক অনেক গুন ভালো। খায়ের খন্দকার দেখিয়ে দিয়েছেন তার ক্যামেরার জাদু। সিনেমার কালার গ্রেডিং খুবই সুন্দর ছিল। আসল কথা এই সিনেমা তে আসল সিনেমেটিক ফ্লেভার পাওয়া গেছে। অন্যান্য সিনেমাগুলোতে এতটা সিনেমেটিক ফ্লেভার পাওয়া যায়না। সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আরিফিন রুমি কে এ প্লাস দেবো। গান গুলো দারুন ছিল। “রূপে আমার আগুন জ্বলে” , “পৃথিবীর ভেতর একটাই জীবন ”
, “তুই যে আমার নয়ন মনি” ,
“কি যে শুন্য শুন্য লাগে তুমি হিনা”
, “হৃদয়ের যত দু:খ ” , “আমি রদ্দুর হব ” প্রতিটা গানই শ্রুতিমধুর।

সিনেমার সাদামাটা গল্পকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন, দারুন অভিনয় এসব দিক বিবেচনা করে সবাইকে সিনেমাটি দেখার আহ্বান জানাবো। (আপনি বেশি খুতখুতে হলে আবার সমস্যা 😛 )

এবার সিনেমা দেখতে গিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বলি ।
সিনেমা দেখতে বেশ কয়েকটি যুগল এসেছিল। বিবাহিত দম্পতিও এসেছে দেখলাম। কিন্তু আমার ঠিক পেছনের সারিতে বসে থাকা ৫টি ছেলে খুবই বাজে আচরন করছিল। তারা যুগল দের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন অশ্লীল কথা বলছিল যেগুলো পাবলিক প্লেসে বলা যায় না। আশেপাশে অনেকেই হেসে তাদের উৎসাহ দিচ্ছিল এবং তারা দ্বিগুণ উৎসাহে ইভ টিজিং করে যাচ্ছিল। তাদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে একে একে তিন টা যুগল উঠে চলে গেল। অনেকক্ষন ধরে ভাবছিলাম কিছু বলবো। মুখ ফস্কে বলেই ফেললাম,
“ভাই তারা তো ভালোভাবেই সিনেমা দেখছিল। আপনারা কেন শুধু শুধু অশ্লীল কথাবার্তা বলে তাদের চলে যেতে বাধ্য করলেন? আপনাদের জন্য তো বিবাহিত দম্পতিরাও উঠে চলে গেল। বাড়াবাড়ির একটা সীমা থাকে”

ছেলেগুলো আমার কথা শুনে পুরোপুরি অপ্রস্তুত হয়ে গেল মনে হল। একটা ছেলে বলল, “ভাই এরা কি আপনার আত্মীয় হয় যে এভাবে কথা বলছেন? সিনেমা দেখতে আসলে এগুলো সহ্য করার প্রিপারেশন নিয়ে আসতে হয় ”
বললাম, “আত্মীয় হয় না, তবে আপনারা যা শুরু করেছেন তাতে কেউই ভালোভাবে সিনেমা দেখতে পারবে না।”

বাকী সময়টুকু পেছন থেকে আর কোনো আওয়াজ আসতে শুনিনি। মনে মনে ভাবলাম হল থেকে বেরিয়ে আমার সাথে একটা ঝামেলা হতে পারে। পরে আবার ভাবলাম ঝামেলা করার সাহস পাবে না হয়ত। এদের কারনেই হলে নারী দর্শকেরা সিনেমা দেখতে পারেনা। আর আশেপাশের বুঝদার মানুষেরা কাপুরুষের মত চুপ করে থাকে। হল থেকে বেরুনোর সময় আমার চেয়ে জুনিয়র কাউকে চোখে পড়লো না। একজন আমাকে দেখে বলল, “ভাই একদম উচিত কথা বলেছেন।”

যদি গার্লফ্রেন্ড কে সাথে নিয়ে সিনেমা দেখতে যান অথবা কোনো মেয়ে তাদের বান্ধবীদের সাথে করে সিনেমা দেখতে যান তাদের উদ্দেশ্যে একটা কথা, হলে কেউ মেয়েদের উত্যক্ত করলে নিজে তার প্রতিবাদ করুন অথবা হলের কর্মচারীদের জানান। জাতীয় সঙ্গীতের সময় দাড়িয়ে সম্মান জানান। অন্যান্য সিনেমার পাশাপাশি একটু সময় করে বাংলা সিনেমা দেখুন। ভালো হোক খারাপ হোক এটা আমাদেরই সিনেমা। ভারতীয় বাংলা সিনেমা কিন্তু আমাদের সিনেমা না। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই এগিয়ে যাক বাংলাদেশের সিনেমা।

৩১ thoughts on “তারকাটা | প্রত্যাশা পূরণ হয়নি তবে হতাশ করেনি | মুভি রিভিউ সাথে একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা

  1. আপনার রিভিউ পড়ে ছবিটি দেখার
    আপনার রিভিউ পড়ে ছবিটি দেখার ইচ্ছা জাগছে।দেখি কোন সঙ্গী পেলে দেখবো।তবে চট্টগ্রামের সিনেমা হলগুলোর যে পরিণতি তাতে সিনেমা হলে ঢুকতেও ভয় লাগে।

    1. নিজেরা একটু দায়িত্বশীল হলেই
      নিজেরা একটু দায়িত্বশীল হলেই ইভ টিজিং এর মত সমস্যাগুলো কে মোকাবেলা করা যায়। আশা করি হলের পরিবেশও ভালো হবে। বাংলা সিনেমা দেখুন। ধন্যবাদ 🙂

      1. বাংলা সিনেমা দেখতে তো মন চায়।
        বাংলা সিনেমা দেখতে তো মন চায়। কিন্তু সময়ের অভাবে হয়ে উঠে না। আর চ্যানেল গুলোতে যা দেখায় তার ৯৫ ভাগই ঘরে বসে দেখা সম্ভব না।

        1. সিনেমা দেখার জন্য সবসময় সময়
          সিনেমা দেখার জন্য সবসময় সময় পাওয়া সম্ভব নয়। সবচেয়ে বড় কথা আমাদের সিনেমার কোনো পাবলিসিটি নেই। পাবলিসিটি থাকলে একজন দর্শক জানতে পারতো কি কি সিনেমা রিলিজ হবে, কোনটা দেখা যাবে।

          1. আর যে সব সিনেমার পাবলিসিটি হয়
            আর যে সব সিনেমার পাবলিসিটি হয় তার নাম শুনলেই আঁতকে উঠি। :দেখুমনা: :দেখুমনা:

          2. বাংলা সিনেমা গুলার নাম নিয়ে
            বাংলা সিনেমা গুলার নাম নিয়ে একটা পোস্ট দিতে পারেন। কমেন্টে কে কোন সিনেমার নাম জানে তা লিখবে। 😀

  2. 🙂 অসাধারণ! তবে বস্তাপচা
    🙂 🙂 🙂 অসাধারণ! তবে বস্তাপচা সিনেমার মাঝে এসব সিনেমা আশা জাগায় বটে। সুন্দর রিভিউ 🙂

  3. এটা হিট খাওয়াইতে পারেন নাই।
    এটা হিট খাওয়াইতে পারেন নাই। মার্কেটিং পলিসি বদলাইতে হবে। গতবারের রিভিউটা কেন হিট হইছে খুঁইজা বাহির করেন।

    1. ভাই আমি জানি কোন টাইপের রিভিউ
      ভাই আমি জানি কোন টাইপের রিভিউ হিট খাবে 😛 বাদরামী করার নিয়তে রিভিউ লিখলে হিট খাইতো :v

      1. মন খারাপ কইরেন না, হয়ত দেখবেন
        মন খারাপ কইরেন না, হয়ত দেখবেন আজকেই হিট হইয়া গেছে। কখন যে কোনটা হিট খাইব বোঝা বড় দুরহ!

        1. আরে ধুর মন খারাপের কি আছে?
          আরে ধুর মন খারাপের কি আছে? 😛 হিট নিয়া কখনো ভাবি না, আগের টা হিট হইছিল বলে সেটাকে বোনাস হিসেবে নিচ্ছি 🙂

  4. আমার বাসার পাশের সিনেমা হলেই
    আমার বাসার পাশের সিনেমা হলেই চলতেছে দেখলাম। দেখতে হবে। আর রিভিউ যে মজাদার এবং ভালো হইছে আবার কইতে হইব? পুরাই পাঙ্খা। 😀

    1. ধইন্যবাদ আতিক ভাই। সময় পাইলে
      ধইন্যবাদ আতিক ভাই। সময় পাইলে দেইখেন। ইকারাস ভাই কইলো এই রিভিউ হিট খাওয়াইতে পারিনাই 😛 কি করুম? 😛

  5. এরকম কিছু মুভি সত্যিই
    এরকম কিছু মুভি সত্যিই প্রয়োজন।। এক পরিচালকের সাথে কথা হয়ে ছিল আমার। তার পরিচালিত চারটি মুভি এবং ফাঁদ মুভিটা নিয়ে কথার এক পর্যায়ে তিনি আমাকে বলে উঠেন, পকেটের দু কোটি টাকা খরচ করে মুভি বানাই আর পরিবার চালাই। যদি মুভি ভাল না লাগে তো চুপ থাকেন আর পারলে একটা বানিয়ে দেখান। সত্যি বলতে এরকম মনমানসিকতার জন্যই বাংলা সিনেমার এ হাল। কাজি মারুফের থেকে একটি মন্তব্য পড়লাম তারকাটা মুভি নিয়ে। তিনি বলেছেন, কার টাকা জিন্দাবাদ!

    1. সিনেমার সাথে সংশ্লিষ্টদের মন
      সিনেমার সাথে সংশ্লিষ্টদের মন মানসিকতা দেখে সত্যিই অবাক হতে হয়। তারাই এ শিল্পকে ধ্বংস করছে। আর গত কয়েকদিন ধরে তো মারুফ, জহির বাবুর কাজকর্ম দেখেই যাচ্ছি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *