যতদিন এদেহে আছে প্রান , প্রানপনে আমি সরাবো জঞ্জাল

বাংলাদেশ । ৫৬০০০ বর্গমাইলের রাষ্ট্র । স্বাধীন , সার্বভৌম একটি রাষ্ট্র । যাকে স্বাধীন করার জন্য প্রান দিলো ৩০ লক্ষ শহীদ , যাকে স্বাধীন করার জন্য সম্ভ্রম হারালো ২ লক্ষ মা বোন । ১৬ ডিসেম্বর অর্জন করলাম স্বাধীনতা । আসলেই কি স্বাধীনতা অর্জন করলাম আমরা ? স্বাধীনতা বলতে আসলে আমরা কি বুঝি ? ব্যক্তির ক্ষেত্রে স্বাধীনতা বলতে বোঝায় স্বাধীনতা = স্ব + অধীনতা । অর্থাৎ নিজে নিজের অধীনে থাকা । আর দেশের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা বলতে আরো বৃহৎ অর্থ বোঝায় । একটা দেশ যখন নিজের দেশের মানুষের অধীনে থাকে শুধুমাত্র তখন ই তাকে স্বাধীন বলা যায় না । সেক্ষেত্রে অনেক সময় দেশে স্বৈরাচারতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় । সেই কারনে দেশ যখন পরাধীন দেশের আইনের অনুরুপ না করে স্বাধীন দেশের উপযোগী আইন – কানুন , সংবিধান প্রনয়ন করে যেখানে শ্রম , কর্ম পেশাজীবি , রাজনীতিবাদ , আমলা , মন্ত্রী সকলকে এক বিবেচনা করা হয় । কেবল মাত্র তখন মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ ভোগ করে।

এখন আসা যাক বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে । কেউ যদি আমাকে প্রশ্ন করে বাংলাদেশ কি স্বাধীন ? এই প্রশ্নের জবাবে আমি বলব হ্যাঁ বাংলাদেশ স্বাধীন । কিন্তু কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করে বাংলাদেশীরা কি স্বাধীনতা ভোগ করছে ? কষ্ট হলেউ বলতে হবে বাংলাদেশীরা অর্থাৎ আমরা স্বাধীনতা ভোগ করছি না । স্বাধীনতা ভোগ করব কিভাবে ? আমাদের দেশ এখনো চলছে ব্রিটিশ তথা পাকিস্থানের আইন দিয়ে । দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তানের সংবিধান থেকে পাকিস্তান শব্দটা তুলে সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ শব্দটা বসানো হয়েছে । আর কোনো পরিবর্তন নেই । বলা যায় দূরত্বটা কমেছে । আগে মানুষ শোষিত হত পাকিস্তান থেকে এখন হয় ঢাকা থেকে। সাথে আরেকটা ঝামেলা যুক্ত হয়েছে । কয়েক যুগ ধরেই বাংলাদেশে প্রায় চলে আসছে পরিবারতন্ত্র । কেনো বাংলাদেশে কি শেখ হাসিনা , খালেদা জিয়ার চেয়ে যোগ্য রাজনীতিবিদ নাই ? শেখ হাসিনার এক পরিচয় তিনি আমাদের জাতীর জনকের তনয়া । আর খালেদা জিয়ার এর পরিচয় তিনি আমাদের স্বাধীনতার ঘোষকের অর্ধাঙ্গিনী । যোগ্যতার মাপকাঠি কি কখনো বংশপরিচয় হয় ? যোগ্যতার মাপকাঠি বংশপরিচয় হয় কেবলমাত্র রাজতন্ত্রে । কিন্তু একটা গণতান্ত্রিক দেশে কেনো এটা হবে ?

বাংলাদেশ মানবপতাকা তৈরী করলো । অথচ স্বাধীন বাংলাদেশে ২ রা মার্চ যিনি পতাকা উত্তোলন করলেন সেই প্রাণপুরুষ আসম আবদুর রবকে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়নাই । যিনি পতাকার জন্য কাপড় কাটলেন তার নাম আপনারা কেউ বলতে পারবেন ? যিনি পতাকার লাল বৃত্তের মাঝখানে বাংলাদেশের মানচিত্র আকলেন তাকে কি আপনারা চিনেন ? বাংলাদেশ এর জাতীয় সংগীত যিনি নির্বাচন করলেন তাকেউ আপনারা খুব কম মানুষ ই চিনেন । চিনবেন না কারন ৪৩ বছরেউ স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস প্রকাশ করা হয়নি । যেটুকু প্রকাশ করা হয়েছে তা বিকৃত এবং দলীয় ইতিহাস । আওয়ামিলীগ যখন ক্ষমতায় থাকে তখন দেখাতে চেষ্টা করে শেখ মুজিবর রহমান সব করছে । আবার বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেখাতে চেষ্টা করে যে জিয়াউর রহমান সবকিছু করেছে । আচ্ছা তারাই যদি সবকিছু করছে তাহলে বাকিরা কি করেছে ? আসলে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ করেছে ছাত্র যুব সমাজ, শ্রমজীবী , পেশাজীবি মানুষ । অথচ স্বাধীন বাংলাদেশে এদের অবস্থা কেমন তা আমরা সকলেই জানি । কি এদের কি কখনও সুদিন আসবেনা ? আমার জানামতে স্বাধীনতা সার্বজনীন কিন্তু এখানে স্বাধীনতা বিশেষ একটা গোষ্ঠী তে সীমাবদ্ধ ।

১৯৭১ এর পূর্ববর্তী সময়ে যখন কারো অস্বাভাবিক মৃত্যু হতো তখন সাড়া বাংলাদেশ একসাথে জ্বলে উঠতো প্রতিবাদে । কিন্তু এখন অস্বাভাবিক মৃত্যুটা গা সওয়া হয়ে গেছে । হয়ত দীর্ঘদিনের অপশাসনে এমনটি হয়েছে । আর কারা প্রতিবাদ করবে ? যারা প্রতিবাদ করত তাদের তো মাদক , অর্থ আর মেয়েতে অন্ধ করে দেওয়া হয়েছে । ছাত্ররাজনীতি কে ব্যবহার করা হচ্ছে রাজনীতিবিদদের ক্ষমতা দখলের সিঁড়ী হিসেবে । এতো কিছুর পর ও যখন কেউ আমাকে বলে আওয়ামীলীগ খুব ভালো কাজ করছে , বিএনপি খুব ভালো কাজ করছে ইচ্ছা করে জুতা খুলে তার মুখে ছুড়ে মারি । দল কানা রাজনীতিবিদদের প্রতি ঘৃণা ভিতর থেকে আসে । এতো অপশাসন , এতো মানুষের মৃত্যু , এতো গুম হত্যা । দায়ী কে ? শাসক দল আর বিরোধী দল কে এর দায়িত্ব নিতে হবে । আর চাইনা একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু , আর চাইনা একটি বোনের প্রতি নির্যাতন , আর চাইনা গুম ,আর চাইনা অপশাসন ।
দেশের মানুষ সচেতন হচ্ছে । তারা এখন আওয়ামীলীগ বিএনপির বাইরেউ চিন্তা করতে শিখসে । আমি আর কি ? আমি আম জনতা । আমি চাই সমাজতন্ত্র । যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবেনা । থাকবে সকল মানুষের সমানিধিকার । মানুষের মধ্যে ভালো কে ভালো আর খারাপ কে খারাপ বলার সৎ সাহস থাকবে । সব যায়গাতেই পরিবারতন্ত্রের অবসান হচ্ছে । সর্বশেষ ভারতে কংগ্রেস এর হারের মাধ্যমে ভারতে গান্ধী পরিবারের পরিবারতন্ত্রের অবসান ঘটলো । বাংলাদেশে যে কবে সেটা হয় আর সুশাসন আসে সেই জন্য আরো কত বছর অপেক্ষা করতে হবে জানিনা । তবে এটুকু জানি যে পর্যন্ত না আমরা সুশাসন পাচ্ছি আমি লিখে যাবো । যতদিন এদেহে আছে প্রান প্রানপনে আমি সরাবো জঞ্জাল । নবাগত শিশুর জন্য একটি বৈষম্যহীন সমাজ রেখে যেতে চাই ……।।

৩২ thoughts on “যতদিন এদেহে আছে প্রান , প্রানপনে আমি সরাবো জঞ্জাল

  1. সহমত পোষণ করছি । বাংলাদেশের
    সহমত পোষণ করছি । বাংলাদেশের সংবিধান চলছে ব্রিটিশ – পাকিস্তানের করা পুরাতন ধারায় ।

    1. যে পর্যন্ত বাংলাদেশ
      যে পর্যন্ত বাংলাদেশ পরিবারতন্ত্র থেকে বের হতে না পারবে সে পর্যন্ত আমরা শোষিত হবো ।।

  2. । যতদিন এদেহে আছে প্রান

    । যতদিন এদেহে আছে প্রান প্রানপনে আমি সরাবো জঞ্জাল । নবাগত শিশুর জন্য একটি বৈষম্যহীন সমাজ রেখে যেতে চাই ……।।

    কথার সাথে কাজও দরকার। তা ভাই, আপনি কোন সমাজতান্ত্রিক দল করেন?

    1. ভাই আমি কোনো দল করিনা । এখনো
      ভাই আমি কোনো দল করিনা । এখনো কৈশোর অতিক্রম করিনি তবে জন্মের পর থেকে যা দেখছি তাতে আমি হতাশ । শুধু আমি না দিনে দিনে সবাই হতাশ হয়ে যাচ্ছে । মানুষের জন্য দেশের জন্য বর্তমানের রাজনীতিবিদদের অবসর নেওয়া উচিত ।

      1. আরিফুল আমির: প্লিইইইজ বলে
        আরিফুল আমির: প্লিইইইজ বলে দেন, আপনি কোন দলের ছুপা সমর্থক। আমাদের শ্যাজা ভাই কিন্তু সবাইকে দল দিয়েই বিচার করে। কে কোন দলের জাহেরি বা বাতেনি সমর্থক সেটা নিয়ে ত্যানা প্যাঁচাইতে পছন্দ করেন।

        1. ধুর মিয়া, এইডি কুনু কথা?
          ধুর মিয়া, এইডি কুনু কথা? আপনার মন্তব্যটা এইরকম হইলে ক্যামন হইত?

          আরিফুল আমির: প্লিগ বলা ডেন, আপনা কন সামাজতান্ত্রিক ডলের সমর্থক। আমাডের শ্যাজা ভি কিন্তু সবাইক ডল ডিয়েই বিসার করা। কা কন ডলের গাহারি বা বাতানি সমর্থক সাতা নিয়ে ত্যানা প্যাঁচাইতে পছন্দ করেন। ওনি আনেকটা আপিচু(আসো পিট চুলকাই) ডলের

        2. আমি সাধারন মানুষ । এগুলা
          আমি সাধারন মানুষ । এগুলা সাধারন মানুষের কথা । আর আপনারা বলতেছেন দলীয় কথা । তফাৎ এটুকুই

  3. কিন্তু কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস

    কিন্তু কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করে বাংলাদেশীরা কি স্বাধীনতা ভোগ করছে ? কষ্ট হলেউ বলতে হবে বাংলাদেশীরা অর্থাৎ আমরা স্বাধীনতা ভোগ করছি না । স্বাধীনতা ভোগ করব কিভাবে ? আমাদের দেশ এখনো চলছে ব্রিটিশ তথা পাকিস্থানের আইন দিয়ে । দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তানের সংবিধান থেকে পাকিস্তান শব্দটা তুলে সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ শব্দটা বসানো হয়েছে । আর কোনো পরিবর্তন নেই । বলা যায় দূরত্বটা কমেছে ।

    সুপারিশ করবো একাত্তর পরবর্তী এবং ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ পূর্ববর্তী ইতিহাস পড়ে দেখার জন্য। কারা কারা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে নতুন করে সম্মুখ যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে মাঠে নেমেছিল। ইসলাম রক্ষার নামে কোন কোন নেতা পরোক্ষ জিহাদের ডাক দিয়েছিল। ভাইরে গঠ বাঁধা এইসব মুরুব্বী বয়ান না দিলেও পারতেন, স্বাধীনতার লাভ হলো আপনি এখনো মুক্তভাবে আপনার যে কোন মত প্রকাশ করতে পারছেন। আপনাকে কেউ রাতের ১২ টায় রাস্তায় দেখলে খেদাচ্ছে না, বুক ফুলিয়ে গাইতে পারছেন “আমার সোনার বাংলা…”, মন ভরে শ্লোগান দিতে পারছেন “জয় বাংলা”। এগুলি কি কম পাওনা? ৭৫ পরবর্তী ইতিহাসগুলো পড়ুন তারপর আক্ষেপ কমে যাবে, কেননা দেখবেন চারপাশে যাদের নেতাজ্ঞানে ভক্তি, শ্রদ্ধা করে আসছেন তাদের অনেকেই কালপ্রিট।

    বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে এতোই যদি আক্ষেপ থাকে তবে সেই আক্ষেপ ঝাড়তে দ্রুতই পড়ে ফেলুন হুমায়ুন আজাদের রাজনীতিবিদগণ বইটি পড়ে। সত্যি বলতে এই উপমহাদেশ এখনো বের হতে পারেনি রাজ পরিবার তান্ত্রিকতা থেকে। এর জন্যে আমরা সাধারণ মানুষেরাও কম দায়ী না, শুধু হিমালয়ের চূড়া দেখলেই হবে না সাথে দেখা দরকার সেখানে চড়তে কতটা চড়াই-উতরাই আছে। আজকের দিনে একজন সন্তান গর্ব করে তার বাপ-মা কে বলতে পারে না সে একজন রাজনীতিবিদ হবে ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার না হয়ে। আগে নিজেদের বদলানো দরকার।

    অথচ স্বাধীন বাংলাদেশে ২ রা মার্চ যিনি পতাকা উত্তোলন করলেন সেই প্রাণপুরুষ আসম আবদুর রবকে এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়নাই ।

    এটা নিয়ে বেশ দ্বন্দ্ব আছে, কেননা ঐ সময়ে উপস্থিত অনেকেরই ভিন্ন মত উপেক্ষা করার মত না। সহকারী কখনো মূল নেতা হয় না, ঐদিন ঐ পতাকা চাইলে অন্য কেউ হাতে নিতে পারতো কিন্তু অন্য সকলে ব্যস্ত থাকায় পতাকা নেয়ার ভার ন্যস্ত হয় আ.স.ম রবের উপর। তাকে সম্মাননা দেয়া যেতো কিন্তু দেয়ার আগেই তিনি যখন নিজেই সম্মাননা পেতে উদগ্রীব মরিয়া হয়ে উঠলো তখনই গোল বাঁধলো।

    আপনি সমালোচনা করতে গিয়ে আওয়ামীলীগ আর বিএনপিকে একই মাপে মেপেছেন যখন প্রসঙ্গ টানলেন মুক্তিযুদ্ধ। আপনার কথা ধরেই যদি বলি, এই দেশের মুক্তিযুদ্ধ করেছে ছাত্র যুব সমাজ, শ্রমজীবী , পেশাজীবি মানুষ, তাহলে মিত্রবাহিনী মূল্যহীন? কোথায় ছিলো এই ছাত্র যুব সমাজ, শ্রমজীবী , পেশাজীবি মানুষ? কেন ৭১ এর পূর্বে তারা যুদ্ধ করে নাই? নাকি তারা আচমকা আবাবিল পাখির মতো আসমান থেকে পড়ে ৭১ এ যুদ্ধ করেছে? এর মানে এই নয় যে আমি তাদের অবদান অস্বীকার করছি। এই কথাগুলো তখনই আসে যখন একটি গোষ্ঠীর মতবাদের মত শোনায় কথাগুলো, কেননা স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম দিককার ক্ষতি ঐ গোষ্ঠীরাই করেছিল এবং তারাই বারবার বলে মুক্তিযুদ্ধ করেছে ছাত্র যুব সমাজ, শ্রমজীবী , পেশাজীবি মানুষ। তাদের মতে বাকীরা সব বাল-ছাল!!!

    ৭১ পরবর্তী সময়ের সাথে বর্তমান সময়ের তেমন একটা পার্থক্য নেই, সেই সময়ে গুম-খুন-ধর্ষণ এসবের হার অনেকটা বর্তমানের মতোই। এখন এসব দমনে যদি সরকার ব্যবস্থা নেয় তখন বলা হবে রেসিজম, ফ্যাসিজম করা হচ্ছে। যেমনটা বলা হয়েছিল সেই সময়ে রক্ষীবাহিনীদের বিরুদ্ধে!! মজার ব্যাপার হলো অনেকেই জানেই না “রক্ষীবাহিনী” কি এবং কারা, “মুজিববাহিনী” কি এবং কারা। অবশ্য এসব ইতিহাস বিকৃতিতে চরম সুখলাভ করে প্রেতাত্মারা।

    ভারতে কংগ্রেসের পতন হয়েছে সত্য কিন্তু পতন হয়নি মহাত্মা গান্ধীর। সে দেশের রাজনীতি আর আমাদের দেশের রাজনীতি এক নয়, পদ্ধতিগুলো ভিন্ন। কংগ্রেস প্রধান সোনিয়া গান্ধী কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না অন্যদিকে বিজেপি প্রধান কিন্তু প্রধানমন্ত্রী না।

    1. চমৎকার বলেছেন সুমিত চৌধুরী।
      :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

      চমৎকার বলেছেন সুমিত চৌধুরী।

  4. প্রথমতঃ আপনি ইচ্ছে করলেই ভাল
    প্রথমতঃ আপনি ইচ্ছে করলেই ভাল লিখতে পারবেন। এই লেখাটিও ভাল হয়েছে। তাই আপনাকে গায়ে পড়ে কিছু উপদেশ দিচ্ছি। আশাকরি অন্যভাবে নেবেন না।

    লেখাতে ছোট ছোট প্যারা করবেন। এতে পাঠকের লেখা পড়তে সুবিধা হয়। লেখক লাইন হারিয়ে ফেলে না, তাই শেষ পর্যন্ত পাঠক লেখাটি পড়ে। আরেকটি ব্যাকরণগত ভুল খুব চোখে লেগেছে আপনার লিখায়। বিরাম চিহ্নের ব্যবহারে আপনি ভুল করছেন। একটি বাক্যের শেষ শব্দে বিরামচিহ্নের ব্যবহারের সময় আগে স্পেস দিবেন না, পরে অবশ্যই দিবেন। অর্থ্যাৎ দাড়ি, কমা, সেমিক্লোন ইত্যাদির আগে কোন স্পেইস (ফাঁক) দিবেন না, পরে দিবেন।

    ইস্টিশনে আপনার ব্লগিং আনন্দময় হয়ে উঠুক।

    1. ধন্যবাদ ভুল গুলো ধরিয়ে দেওয়ার
      ধন্যবাদ ভুল গুলো ধরিয়ে দেওয়ার জন্য এবং আপনার মূল্যবান উপদেশের জন্য :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  5. সুমিত চৌধুরী > আপনি এমন একজন
    সুমিত চৌধুরী > আপনি এমন একজন কে নিয়ে কথা ভুল কথা বললেন আমি আপনার উপর হাসব না কাদবো বুঝতে পারছিনা । আসম আবদুর রব যিনি ডাকসুর প্রথম ভিপি । কেউ সময় পায়নি বলে তিনি পতাকা তুলছেন । বড় হাস্যকর কথা বললেন ভাই । ইতিহাস যে বিকৃতি হয়েছে তা আপনার কথা শুনেই বোঝা যায় । ৭১ এ জহুরুল হক হলে যখন পতাকা বানানো হয় তখন শেখ মুজিব জানতই না । ৭ ই মার্চের ভাষণে এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম । লাইন ২ টি কে সংযুক্ত করছে তাউ তো আপনি বলতে পারবেন না । নিঃসন্দেহে জাতীর পিতা ৭১ পূর্ববর্তী সময়ে জাতীর জন্য অনেক অবদান রেখেছে । কিন্তু ৭১ পরবর্তী সময়ে তার ভূমিকা ছিলো খুব ই খারাপ । তিনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা নিজের হাতে নিয়ে নেন । বাকশাল সম্পর্কে তো জানেন ? না এটাউ বলে দিতে হবে । রক্ষী বাহিনি সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী ছাড়া কিছু ছিলোনা ।

    মুক্ত মত প্রকাশের কোনো অধিকার বাংলাদেশে নাই । থাকলে মাহ্মুদুর রহমান মান্নার টকশো বাতিল হতনা ।

    আওয়ামী লীগ বিএনপি কে এক সুতায় বাধছি কেনো জানেন ? আমার বলায় একটু ভুল হয়েছে তাদের তুলনা করা ঠিক না কারন আওয়ামীলীগ বিএনপির চেয়েও খারাপ ।

    যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে লাফালাফি করেন না । বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধীর বিচার হতো না যদি না জাহানারা ইমাম আন্দোলন করতো ।

    আওয়ামীলিগের সমস্যা হলো তারা বিরোধী দল সহ্য করতে পারে না যে কারনে ৭২ পরবরতী সময়ে জাসদ কে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করছে । এখন করতেছে বিএনপি কে ।

    আগের চেয়ে ভালো আছি এই প্রসঙ্গে বলতে চাই এরকম থাকার জন্য মুক্তিযুদ্ধ হয় নাই । মুক্তিযুদ্ধ আওয়ামীলীগ করে নাই , বিএনপি ও করে নাই । করেছে সাধারন মানুষ । যে উদ্দেশ্যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিলো সে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম করে যাবো ।

    পরিবারতন্ত্রের পতন ঠিক ই হবে । কিন্তু বঙ্গবন্ধু জাতীর পিতাই থাকবে আর জিয়া ঘোষক ই থাকবে । এব্যপারে কোনো দ্বিমত নাই । কিন্তু এরাই কিন্তু সব না সেটাউ মাথায় রাখতে হবে ।

      1. ভাইজান সাবাসী দিলেন দেখি
        ভাইজান সাবাসী দিলেন দেখি :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি: :মুগ্ধৈছি: ওকে এবার আমি কিছু বলি :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি:

    1. কিন্তু ৭১ পরবর্তী সময়ে তার

      কিন্তু ৭১ পরবর্তী সময়ে তার ভূমিকা ছিলো খুব ই খারাপ । তিনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা নিজের হাতে নিয়ে নেন । বাকশাল সম্পর্কে তো জানেন ? না এটাউ বলে দিতে হবে । রক্ষী বাহিনি সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী ছাড়া কিছু ছিলোনা ।

      এই সকল হক-তোয়াহা, সিরাজ শিখদাঁড়দের কেচ্ছা কাহিনী বহু আগে শ্যাষ করে বসে আছি। ভুমিকা খারাপ ছিলো না খারাপ হতে বাধ্য করা হয়েছিল সেটা বিবেচনা কে করবে? তুমি সাধু হইছ বলে প্রতিরক্ষা করবা না এটা কেমন কথা? ঐ সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটাতে প্রতিদিন নয়া নয়া সংগ্রামের ঘোষণা দিয়েই যাচ্ছিলো নানা বাহিনী। ১৯৭১ সালে ১৭ ডিসেম্বর তৎকালীন চীনের প্রধানমন্ত্রী চৌ এন লাই পিকিং এ এক বক্তৃতায় বলে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ভারতীয়দের চাল। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এইদেশে পিকিং পন্থী বা মাওবাদীরা নেমে পড়ে নতুন আরেক যুদ্ধে। পাটের গুদামে আগুন, ব্যাংকে লুট, ধর্ষণ, হত্যা এইসবের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করে দেয়া হয় দেশটাকে। এইসব কারা করেছিল? সেই সময়ে বিপ্লবের নামে গ্রামে গ্রামে গিয়ে হীন যৌন লালসা কে পূরণ করেছিল? সেই সময়ের এন.এস.আইয়ের প্রধানের বউকে কে ভাগিয়ে নিয়েছিলো?

      আগেই বলেছি

      এই কথাগুলো তখনই আসে যখন একটি গোষ্ঠীর মতবাদের মত শোনায় কথাগুলো, কেননা স্বাধীনতার ইতিহাস বিকৃতি, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম দিককার ক্ষতি ঐ গোষ্ঠীরাই করেছিল এবং তারাই বারবার বলে মুক্তিযুদ্ধ করেছে ছাত্র যুব সমাজ, শ্রমজীবী , পেশাজীবি মানুষ। তাদের মতে বাকীরা সব বাল-ছাল!!!

      ৭১ পরবর্তী সময়ের সাথে বর্তমান সময়ের তেমন একটা পার্থক্য নেই, সেই সময়ে গুম-খুন-ধর্ষণ এসবের হার অনেকটা বর্তমানের মতোই। এখন এসব দমনে যদি সরকার ব্যবস্থা নেয় তখন বলা হবে রেসিজম, ফ্যাসিজম করা হচ্ছে। যেমনটা বলা হয়েছিল সেই সময়ে রক্ষীবাহিনীদের বিরুদ্ধে!! মজার ব্যাপার হলো অনেকেই জানেই না “রক্ষীবাহিনী” কি এবং কারা, “মুজিববাহিনী” কি এবং কারা। অবশ্য এসব ইতিহাস বিকৃতিতে চরম সুখলাভ করে প্রেতাত্মারা।

      আর আমি জানি কি না জানি তা বাম ছাত্র সংগঠনের কাঁচা-পাকা চুলের হাট্টা-গোট্টা এক কেন্দ্রীয় নেতা ভালো করেই জানে এবং উনিও আপনার মত ভ্রান্ত ধারণার বায়াত অন্যদের দেয়ার সময় আমার থেকে বায়াত নিয়ে মাথা নিচু করে চলে গিয়েছিল। মুজিব বাহিনী বা রক্ষীবাহিনী সম্পর্কে জানতে গুগল করুন।

      মুক্তিযুদ্ধ আওয়ামীলীগ করে নাই!!! আফসোস ১৭ হাজার ছাত্রলীগের কর্মী মারা পড়েছিল। মুক্তিযুদ্ধ আওয়ামীলীগ করে নাই!!! আফসোস ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন “আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোলো” এবং এর পরেই যাবতীয় সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়ে যুদ্ধ হয়। সে সময়ে আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কোন দলই ছিলো না, বিএনপি আসবে কোথা থেকে!!! ইতিহাস জানুন, বায়াতীয় জ্ঞান না নিয়ে নিজে নিজে জানুন।

      1. ছাত্রলীগের ২ টা অংশ ছিল ।
        ছাত্রলীগের ২ টা অংশ ছিল । একটা ছিলো মুজিব বাদী আরেকটা মূল । অদলীয় ছাত্রলীগের কিছু অংশ যেয়ে আওয়ামীলীগের অংশ হয়েছিলো । দেশের সমস্ত মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছে ছাত্রলীগ । মুজিব বাদী ছাত্রলীগ তখন কিছু ই ছিলনা । বলতে গেলে বলতে হয় মুক্তিযুদ্ধ করেছে ছাত্রলীগ এখন যেটাকে বলা হয় অদলীয় । তখন দেশে ২ টা দল ছিল । আওয়ামীলীগ আর ছাত্রলীগ ।
        আর আপনার মতো কিছু দলকানা লোক । সেটা না জেনে আওয়ামীলীগ নিয়ে লাফালাফি করেন । আবারো বলছি আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধে কোনো অবদান রাখেনি ।
        রক্ষী বাহিনী কি জিনিষ ছিলো বালার দরকার নাই এটা সবায় জানে । ৭৫ এর ঘটনার ধারাবাহিকতা জানার জন্য রক্তের ঋণে আবদ্ধ বাংলাদেশ পড়ার অনুরোধ করছি ।
        তাহলে অন্তত না জেনে লাফালফি করবেন না । জেনে লাফালাফি করবেন ।
        আপনি আমার মতো কম বয়সী ছেলের সাথে কথার উত্তর দিতে খারাপ কথা ব্যবহার করছেন । আপনি আর কার সাথে কি করবেন আমার জানা হয়ে গেছে । আমি আর কিছু বলবনা ।
        আপনার কথা গুলো পড়ে একটি কথা মনে পড়ছে “তোমরা আহাম্মকের সাথে তর্ক করোনা তাহলে তুমিও আহাম্মক হয়ে যাবে ” আর আমি আহাম্মক হতে চাচ্ছি না ।

        1. আর আপনার মতো কিছু দলকানা লোক

          আর আপনার মতো কিছু দলকানা লোক । সেটা না জেনে আওয়ামীলীগ নিয়ে লাফালাফি করেন । আবারো বলছি আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধে কোনো অবদান রাখেনি ।

          বলি এ দেখি গ্যানের বিশাল বলিহারী!!! এই সকল রব/ইনু লীগ, জাতীয় লীগদের জ্ঞান। ওহে বৎস জানিয়া লইও এইসকল মুজিববাদীরাই দালাল আইনের পক্ষে ছিলো, পক্ষান্তরে ঐসকল পরগাছা লীগেরাই দালালদের মুক্তি দিতে উঠে পড়ে লেগেছিলো। মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামীলীগের কোন অবদান নেই এই কথা বলার আগে তোমার ঐ সকল লীগ নেতৃবৃন্দকে(৭০ দশকের) জিজ্ঞাসা করো পাঁদার আগে কাকে জিজ্ঞাসা করতো।

          তোমার সহিত কি রুপ ব্যবহার করিতে হইবে হে কমবয়সী ছোট বালক!!! তোমাকে কি গালি দিয়েছি? নাকি সত্য ঘটনার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়াতে আত্মা জাগ্রত হয়ে উঠেছে? তোমাকে যাহারা এইসকল জ্ঞান দিতাছে তাদের জিজ্ঞাসা করো ঐসকল জ্ঞানগুলো আদৌ কি ভিত্তি আছে কিনা?

          একের পর এক প্রমাণ এনে দিচ্ছি এরপরেও তুমি বলিতেছো মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামীলীগের অবদান নাই!!! আওয়ামীলীগ বিএনপি হইতে অধম!!! ভায়া মুশতাক/ ডালিম কিনবা জিয়ার আত্মা কি গুতাইতেছে? নাকি শিবেন শিখদাঁড়দের আত্মা গুতাইতেছে বলিয়া এইসকল পাগলের প্রলাপ বকিতেছো হে কমবয়েসী ছোট বালক!!!

          বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক আতিকুর রহমানের “জাতির পিতা ও পতাকা কাহিনী” বইটি পড়ে দেখিও, আশা করি মতিভ্রম কিছুটা হইলে দূরীভূত হইবে। উল্লেখ্য যে উক্ত বইটিতে শুধু সেই সময়কার ছাত্রনেতাদের সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হয়েছে। পারলে পরে ৭১ এর সময়ে বাম দল সমূহের কার্যকলাপ কি ছিলো তাহা সেই সময়ের পত্রিকা পড়িয়া জানিয়া লইও। মনি সিংহ কি বিবৃতি দিয়াছিলো পাকিস্তানের পক্ষে তাহাও জানিয়া লইও।

          সর্বশেষ কথা ৭১ সালে সাড়ে সাতকোটি বাঙালির মধ্যে এককোটি বাদে বাকী সবাই আওয়ামীলীগ করতো। এটা আমার কথা নয় “মুক্তিযোদ্ধা” দের মুখের কথা। সেই বাদ পড়া দলছুট লোকেরাই বলে বেড়ায় যুদ্ধ করেছে ছাত্রজনতা, কৃষক। ব্যাপারটা এমনই যে ৭১ সালের আগে এই দেশে ছাত্র জনতা, কৃষক, শ্রমিক ছিলো, আচমকা আসমান থেকে পড়ে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করে ফেলেছে। মিত্র বাহিনী বা বৈদেশিক সমর্থন এমনি এমনি আসছে, সেখানে আওয়ামীলীগ কিনবা বঙ্গবন্ধুর কোন অবদানই নেই। রেড মাওলানা সাহেব স্বাধীন বাংলাদেশ থুইয়্যা হুদাই ভিক্ষা খুজছিলো ইন্দিরা গান্ধী থেকে ভারতের একটুখানি জায়গা। কেননা মাওলানা সাহেবও ৭২’এ এসে ঘোষণা দিয়েছিলেন “আমি নতুন পতাকা ওড়াবো”, পতাকা উড়াতে না পাইরা উনি পরে দেশ পরিবর্তনে আগ্রহী হয়েছিলেন।

          হে কমবয়েসী ছোট বালক ইতিহাস লইয়া সত্য জ্ঞান আহরণ করো, ভ্রান্ত গ্যান আহরণ করিলে এইরকম যেখানে সেখানে গাদন খাইতে হইতে পারে।

      2. ভাইজান সাবাসী দিলেন দেখি, ওকে

        ভাইজান সাবাসী দিলেন দেখি, ওকে এবার আমি কিছু বলি

        যা ইচ্ছা কণ না, মাগার সাবাসি পাইবেন না কইয়া দিলাম!

    2. কিন্তু বঙ্গবন্ধু জাতীর পিতাই

      কিন্তু বঙ্গবন্ধু জাতীর পিতাই থাকবে আর জিয়া ঘোষক ই থাকবে । এব্যপারে কোনো দ্বিমত নাই । কিন্তু এরাই কিন্তু সব না সেটাউ মাথায় রাখতে হবে ।

      আহা রে! জিয়াকে ঘোষক ঘোষণা করিবার কি প্রানান্তকর প্রচেষ্টা।
      চালাইয়া যান, এক সময় জিয়াকে ঘোষক কেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন এনশাআল্লাহ।

      1. ছুট্ট বালকেরে এইসব দেখায়া
        ছুট্ট বালকেরে এইসব দেখায়া দিতে নাই, আপনি মিয়া পুরাই বাকশাল। :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

      2. আপনাদের মতো দল কানা লোকের
        আপনাদের মতো দল কানা লোকের কারনে বঙ্গবন্ধু কে জাতীর পিতা বলে না বিএনপিরা । নিরপেক্ষ হতে শিখুন তাহলে সব দিক থেকেই মঙ্গল ।

  6. ঠিকাছে বড় ভাই বুঝলাম
    ঠিকাছে বড় ভাই বুঝলাম আওয়ামিলীগ দেশের মুক্তিযুদ্ধ করছে দেশ স্বাধীন করছে । কিন্তু এগুলা আপনি শুনে আস্তেছেন আপনার নেতাদের কাছ থেকে আর আমি মুক্তিযুদ্ধের উপর অনেক লেখকের অনেক বই পড়ছি । আপনার কথায় আমার কোনো যায় আসেনা । আপনি যা বলবেন তাই কিন্তু ঠিক না । মিথ্যা নিয়ে তর্ক করলে সেটা সত্য হয়ে যায়না । সেটা মিথ্যাই থাকে । কারো বয়স দিয়ে কিছু বিবেচনা করা যায়না ।
    কথায় আছে

    বয়সেতে বিজ্ঞ নহে বিজ্ঞ হয়জ্ঞানে

    1. আহহহহ!!! ভায়া আমি কি কুতাও
      আহহহহ!!! ভায়া আমি কি কুতাও বলিয়াছি যে আমি বিশাল জ্ঞানী/গ্যানী? কিনবা কোথাও লিখিয়াছি যে অমুকের কথা কিনবা তমুকের কথা? নাকি কিছু বই এবং পত্র-পত্রিকার রেফারেন্স দিয়াছি? এইসকল আবেগী কথায় হয়তো দু’একজন গলবে কিন্তু আমার দেয়া রেফারেন্স বা তথ্যগুলো ভুল এটা প্রমাণ করতে পারবে না। সত্য সাথে নিয়ে যুদ্ধ যে করে তার অবস্থান সবসময়েই কঠোর হয়, কেননা তার বল সত্য।

      1. তোমারা মূর্খর সাথে তর্ক করতে
        তোমারা মূর্খর সাথে তর্ক করতে যেওনা । তারা তোমাকে টেনে হিঁচড়ে তাদের লেভেল এ নিয়ে যাবে । তারপর তোমাকে তাদের খারাপ অভিজ্ঞতা দিয়ে তর্কে পরাজিত করবে ।
        কথাটা ভুলেগেছিলাম । মনে পড়ল । 😀

  7. মুক্তিযুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ
    মুক্তিযুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস জানার আগ্রহ থাকা ভালো, কিন্তু অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্কর বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। বিশেষ করে যখন ছাগুদের সাথে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত নিয়ে তর্ক করার প্রয়োজন পড়ে, তখন তাদের দুই একটা আবালীয় তাং ফাং মার্কা যুক্তিতে কুপোকাত হয়ে নিজের ২” জ্ঞানের দূর্বলতায় নিজের ওপরেই আস্থা হারানোর মতো ব্যাপার ঘটতে পারে। আর এটাই ছাগপালে ‘অটো’ সামিল হয়ে যাওয়ার সূত্রপাত ঘটায়।
    তাই বলি, মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোনো তথ্যের ঘাটতি থাকলে কয়েকটা বই একই সাথে পড়তে হবে তথ্য ক্রস চেক করার জন্য। ২/১টা বই ঘেঁটে মুক্তিযুদ্ধের গবেষক হওয়া যায় না রে পাগলা। মুক্তিযুদ্ধ অনেক বিশাল আর বিস্তৃত একটা বিষয়, যার প্রতিটা পরতে পরতে উইপোকার মতো ছাগপাল আর জামাতশিবিরের তথ্যপ্রণেতা ঢুকে গেছে। যাচাই করেই পড়া উচিত। কাগেজে ছাপা বই হলেই হবে না। লেখকের গ্রহণযোগ্যতা কতোটুকু, সেটাও জানতে হবে।

    1. কাগজে ছাপা বই হলেই হবে না।

      কাগজে ছাপা বই হলেই হবে না। লেখকের গ্রহণযোগ্যতা কতোটুকু, সেটাও জানতে হবে।

      তাহার জন্য আবুল মনসূর আহমদ এর ” শেরেবাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু” বইটি পড়িবার উপদেশ দেওয়া যাইতে পারে।

        1. নতুন একটা অভিজ্ঞতা হলো ।
          নতুন একটা অভিজ্ঞতা হলো । দলকানা লোক দেশের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *