ইসলামী অপবিজ্ঞান ও জঙ্গিবাদের পিছনে পৃথিবীর তেল সম্পদের অপচয়

আপনি টিভি, ফ্রিজ, লাইট, ফ্যান যায় চালাবেন আপনার শক্তি লাগবে। বর্তমান সভ্যতার শক্তির অন্যতম বড় উৎস তেল। সম্ভবত প্রায় ৮০ ভাগ তেলই মধ্যপ্রাচ্যে আছে।

মূলত এই তেল, আর গরীব মুসলিম দেশগুলার হ্বজের টাকায় সৌদি আরবের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। রাতারাতি একটি বেদুইন জাতি মধ্যম ধনী মানের একটি দেশে পরিণত হয়। তারা এখন বিলাসিতায় জীবন কাটায়। চাকরি, ব্যবসা সব প্রায় বিদেশিরা করে। লাইটের বালব লাগাতেও তারা লোক ডাকে।


আপনি টিভি, ফ্রিজ, লাইট, ফ্যান যায় চালাবেন আপনার শক্তি লাগবে। বর্তমান সভ্যতার শক্তির অন্যতম বড় উৎস তেল। সম্ভবত প্রায় ৮০ ভাগ তেলই মধ্যপ্রাচ্যে আছে।

মূলত এই তেল, আর গরীব মুসলিম দেশগুলার হ্বজের টাকায় সৌদি আরবের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। রাতারাতি একটি বেদুইন জাতি মধ্যম ধনী মানের একটি দেশে পরিণত হয়। তারা এখন বিলাসিতায় জীবন কাটায়। চাকরি, ব্যবসা সব প্রায় বিদেশিরা করে। লাইটের বালব লাগাতেও তারা লোক ডাকে।

তাদের এই বিপুল সম্পদের তারা অপচয় করে জঙিবাদ ও অপবিজ্ঞানের পিছনে। অনেক বিজ্ঞানী স্বীকার করছে তাদের ফোর্স করা হইছে এইসব করার জন্য। নীল আর্মস্ট্রং চাঁদে ফাটল দেখে ইসলাম গ্রহন করছে বা চাঁদে আযান শুনে মুসলিম হয়ে গেছে এসব ভয়ানক মিথ্যাচার প্রায় সবাই হয়ত শুনেছেন। এরকম মিথ্যাচার গুলো ছড়ানোর জন্য তারা বিলিয়ন ডলার খরচ করে।

ভাবতে খারাপ লাগে, যে সম্পদ দিয়ে সারা দুনিয়ার থেকে দারিদ্রকে ঝেঁটিয়ে বিদাই করা যায়ত, পৃথিবীর বেশিরভাগ সমস্যা সমাধান করা যেত, জ্ঞান বিজ্ঞান উন্নত করা যেত তা খরচ হচ্ছে জঙিবাদ ও ইসলামিক অপবিজ্ঞানের পিছনে!

নিজেকে এই বলে সান্ত্বনা দিই যে, তাদের এই বিপুল পরিমাণ সম্পদ এই তিন প্রজন্মই শেষ করে দিবে। এরপর তারা আগে যেরকম নিকৃষ্ট জাতি ছিল আবার তা হয়ে যাবে

৭ thoughts on “ইসলামী অপবিজ্ঞান ও জঙ্গিবাদের পিছনে পৃথিবীর তেল সম্পদের অপচয়

  1. যদ্দিন মধ্যপ্রাচ্যে তেল আছে,
    যদ্দিন মধ্যপ্রাচ্যে তেল আছে, ততোদিন ধর্মীয় উগ্রতা, জঙ্গীবাদ, বোমা মেরে স্বর্গগমন এসব চলবে।

  2. বড়ই দুঃখজনক। মুসলমানেরা
    বড়ই দুঃখজনক। মুসলমানেরা প্রায়ই বলে যে কাফেররা ইসলামের নামে মিথ্যা অপপ্রচার চাল্যা। কিন্তু তারা নিজেরাই যে কত মিথ্যা ছড়ায়, সেটা তারা ভেবে দেখেনা।

  3. মধ্যপ্রাচ্যের তেল আজীবনের
    মধ্যপ্রাচ্যের তেল আজীবনের সম্পদ না। একদিন শেষ হবেই। তেল শেষ হলে আরবরা আবার যাযাবর-বেদুঈন হয়ে যাবে। অসভ্য হয়ে পড়বে। হাজীরা হজ্জ্ব করতে গেলে সব লুটে নেবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *