আইসিটি আইন নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য এবং আমার কিছু পুরোনো কথা…

ইতোমধ্যেই অনলাইন ব্যাপী ঝড় উঠেছে গতকাল আইসিটি নিয়ে আইনমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্য নিয়ে। যেখানে তিনি সরাসরিই বলেছেন আইসিটি আইনে জামায়াতের বিচার সুযোগ নেই। আইনমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতেই হবে, এই জন্যেই দিতে হবে যে, তিনি অন্তত মূলা না ঝুলিয়ে একদম সরাসরিভাবেই বলে দিয়েছেন আইসিটি আইনের ক্ষমতা কতদূর। তবে হাস্যকর হচ্ছে আইনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রজন্মের বিষোদগার!

প্রজন্ম একটু পেছনে ফিরে তাকান, ফিরে চলুন ২০১৩ সালে। সেই সময়ে কি ঘটেছিল বাংলা জুড়ে, মনে আছে কি ফেব্রুয়ারীর ৫ তারিখের কথা! সেই সময়ে আমরা সকলেই দাঁড়িয়েছিলাম রাজপথে, দাঁড়িয়ে ছিলাম ৪২ বছরের জমে থাকা ক্ষোভের দাবীতে।


ইতোমধ্যেই অনলাইন ব্যাপী ঝড় উঠেছে গতকাল আইসিটি নিয়ে আইনমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্য নিয়ে। যেখানে তিনি সরাসরিই বলেছেন আইসিটি আইনে জামায়াতের বিচার সুযোগ নেই। আইনমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিতেই হবে, এই জন্যেই দিতে হবে যে, তিনি অন্তত মূলা না ঝুলিয়ে একদম সরাসরিভাবেই বলে দিয়েছেন আইসিটি আইনের ক্ষমতা কতদূর। তবে হাস্যকর হচ্ছে আইনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রজন্মের বিষোদগার!

প্রজন্ম একটু পেছনে ফিরে তাকান, ফিরে চলুন ২০১৩ সালে। সেই সময়ে কি ঘটেছিল বাংলা জুড়ে, মনে আছে কি ফেব্রুয়ারীর ৫ তারিখের কথা! সেই সময়ে আমরা সকলেই দাঁড়িয়েছিলাম রাজপথে, দাঁড়িয়ে ছিলাম ৪২ বছরের জমে থাকা ক্ষোভের দাবীতে।

আগেও বলেছি এখনও বলছি সরকার এই বিচার ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতে প্রশ্নবিদ্ধ না করতে যতটা সম্ভব ব্যবস্থা নেয়া দরকার সেটাই করছে সাধ্যমতো। এমনভাবে কোন আইন প্রণয়ন করেনি যার ফলে ভবিষ্যতে এই আইন পক্ষপাতদুষ্ট হিসেবে গৃহীত হয়। এখানে বলে রাখা ভালো আইন জনগণের জন্য জনগণের দ্বারাই সৃষ্ট, জনগণ আইনের জন্য না কিনবা আইন দ্বারা জনগণ সৃষ্টি হয় না।

তাই সময় এখন আবারো জেগে উঠার, সময় এখন প্রতিবাদ করার। যদি সেই সময়ে আমরা জেগে ওঠার ফলে আইন পরিবর্তন হতে পারে, তবে কেনো এবারো আমরা জেগে উঠে আইন সংশোধন করতে পারবো না? সরকার বিচার ব্যবস্থা তৈরী করে দিয়েছে, এখন এই বিচার ব্যবস্থা কেমনে চলবে; কিভাবে তার আইনগুলো চলবে; তা আমাদের সকলকে সম্মিলিতভাবে প্রকাশ করতে হবে। দ্বন্দ্ব, বিভেদ এসব থাকবেই কিন্তু যখন ইস্যু আসবে যুদ্ধাপরাধী তখন সবাইকে এক হয়ে প্রতিবাদ করতে হবে। সেখানে যদি সরকারকে চাপ প্রয়োগ করতে হয় তা সকলকে একসাথেই করতে হবে। সাথে এটাও সকলের মাথায় রাখতে হবে, চাপ প্রয়োগ মানে সরকারকে গদি ছাড়া করা নয় বরং সরকারকে বুঝিয়ে দেয়া জনগণের প্রত্যাশা কি। ভবিষ্যতে যাতে বিচার ব্যবস্থা নিয়ে কোন কথা উঠলে সরাসরিই বলা যায় জনগণ যে পথে আইনকে এগিয়ে নিতে চেয়েছে আইন সেই পথেই এগিয়েছে।

এখানে অবশ্যই মনে রাখতে হবে সুবিধাবাদী শ্রেণীরা সবসময়েই থাকবে। নানাভাবে নানাছলে এবং তাদের চেনার সহজ উপায় তারা “দালাল” বা “চরম কট্টর” পন্থা অবলম্বন করবে যাতে তারা সন্দিহান না হয়। হয়তো দেখা যাবে এদের দাবী হবে আইনমন্ত্রীর এই কথায় সরকারের পদত্যাগ চাই, অথবা, সরকারই সঠিক, বাকী সব ভুয়া, সরকার যেভাবে বিচার করছে এটাই “সহীহ” এখানে কেউ প্রতিবাদ জানালে সে ছুপা ছাগু

পরিশেষে এটাই বলার, এই আইন পরিবর্তন যোগ্য, এবং আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রতিবাদই পারে এই আইন পরিবর্তন করতে। ভুলে গেলে চলবে না এই সরকার আর যাই করুক অন্তত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ব্যবস্থা চালু করেছে, ৪২ বছর পরে হলেও যুদ্ধাপরাধীদের চৌদ্দ শিকের ভেতরে ঢুকিয়েছে। তার চাইতেও বড় কথা এইদেশের জাতীয় রাজনীতিতে আগামী ২০ বছরেও তৃতীয় কোন শক্তি দাঁড়াতে পারবে কিনা তা যেহেতু চরম সন্দিহানের বিষয় সুতরাং এই সরকারের পতন মানেই যুদ্ধাপরাধীদের নিশ্চিতভাবে মুক্তি।

সিদ্ধান্ত আপনার যুদ্ধাপরাধীদের মুক্ত করে দেবেন নাকি সবার পরিণতি কাদের মোল্লার ন্যায় করবেন।

৩৮ thoughts on “আইসিটি আইন নিয়ে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য এবং আমার কিছু পুরোনো কথা…

  1. জয়বাংলা, জয়বঙ্গবন্ধু বলে আগে
    জয়বাংলা, জয়বঙ্গবন্ধু বলে আগে বাড়েন। আইন কে বানায়? জনগন না সরকার? আবলামীর একটা সীমা থাকা দরকার। ইসলামী ব্যাংকের টাকা দেখি সব জায়গায় বিলি হইছে!

    1. আইন কে বানায়? জনগন না সরকার?

      আইন কে বানায়? জনগন না সরকার?

      সরকারই বানায় জনগণের হয়ে, যদি আইনটা জনগণ গ্রহণ না করে তাহলে সেটি পরিবর্তন হয়। আইন পরিবর্তন হয়েছে তা কি জনাবের জানা নাই?

    2. হুম… আমাদের কিন্তু এটাও মনে
      হুম… আমাদের কিন্তু এটাও মনে রাখা দরকার, সরকারে যারা আছে, তাদের না হয় ইচলামি বেংকের ক্রিম খাওয়ার সুযোগ আছে, কিন্তু যারা সরকারে নাই, বিরোধীেতেও নাই, আছে নামসর্বস্ব একটা রাজনৈতিক দলের সাইনবোর্ডের তলায়, নিষ্পেষিতদের পাশে ল্যান্ডরোভার থেকে নেমে খদ্দর পরে দাঁড়ায়- তাদের কথা ভাবি। তারা ক্রিমও খেতে পারছেনা, তাই তারা যুদ্ধাপরাধ নিয়ে গলা নামিয়ে কথা বলে। তারা ‘৭১ ভুলে গেছে, তাদের দৌড় খুবই সীমিত। এ কথা অনেকে মুখে স্বীকার করেনা ঠিকই, অনুভব করে- যদি শুয়োরের বাচ্চাদেরকে ঝোলাতে পারে, তবে এই ইচলামি বেংকের ক্রিমখেকো সরকারই ঝোলাবে। নয়তো বাকিরা শুয়োর সহবাসের ফতোয়াকে মেনে নিয়ে খদ্দর পরে চরে বেড়াবে গলিতে-রাজপথে। এর বেশি তারা কখনোই কিছু পারেনি, পারবেও না।

      1. এ কথা অনেকে মুখে স্বীকার

        এ কথা অনেকে মুখে স্বীকার করেনা ঠিকই, অনুভব করে- যদি শুয়োরের বাচ্চাদেরকে ঝোলাতে পারে, তবে এই ইচলামি বেংকের ক্রিমখেকো সরকারই ঝোলাবে। নয়তো বাকিরা শুয়োর সহবাসের ফতোয়াকে মেনে নিয়ে খদ্দর পরে চরে বেড়াবে গলিতে-রাজপথে। এর বেশি তারা কখনোই কিছু পারেনি, পারবেও না।

        :bow: :bow: :bow: :bow:

        1. নিজেরা নিজের পিঠ চুলকাতে
          নিজেরা নিজের পিঠ চুলকাতে থাকেন। আইনমন্ত্রী জিন্দাবাদ বলেন। সরকারের বর্তমান অবস্থান একটা পাগলও বুঝে, শুধু বুঝে না দলকানারা!

          1. নিজেরা নিজের পিঠ চুলকাতে

            নিজেরা নিজের পিঠ চুলকাতে থাকেন। আইনমন্ত্রী জিন্দাবাদ বলেন। সরকারের বর্তমান অবস্থান একটা পাগলও বুঝে, শুধু বুঝে না দলকানারা!

            দারুণ বলেছেন চন্দ্রবিন্দু ভাই!

            :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য:

          2. হ আসলেই দারুণ কইছে, এইডাও
            হ আসলেই দারুণ কইছে, এইডাও একটা মন্তব্য হিসেবে গৃহীত হউক। :হাসি: :হাসি: :হাসি:

          3. মোটেও না, মাঝে মাঝে চাগা
            মোটেও না, মাঝে মাঝে চাগা দিতেই। বুঝতে হইবে মাল্টি টাইপ প্লেয়ার, সো আলোচনা মুঘল আমলের বাবরের লেঙ্গুট নিয়া হোক কিনবা একুশ শতকের উর্দু সাবের জাঙ্গিয়া নিয়া হোক, ব্যাপারজ না। স্ট্যামিনা থাকা লাগে, কলম-এর জোর থাকা লাগে। কলম ভালো হলে লেখা ভালো হয়। :চশমুদ্দিন: :চশমুদ্দিন: :চশমুদ্দিন:

      2. হ ভাই, ইচলামি বেংকের ক্রিম যে
        হ ভাই, ইচলামি বেংকের ক্রিম যে দারুণ সুস্বাদু সেইটা ইদানিং ভালোই বুঝতেছি। যারা খায় নাই, অথচ খোঁড়দের আন্ধা ফলুয়ার, তারাই যেমনে জিভ বাইর করে লোল ফেলে, তাইলে যারা আসল খোঁড় তাদের যে কি অবস্থা ভেবেই পাচ্চিনে। শওকত ভাই, লাইনেই আছেন। :নৃত্য:

        1. ক্রিম কিন্তু কোলেষ্টেরল
          ক্রিম কিন্তু কোলেষ্টেরল বাড়ায়। ডাক্তাররা সবসময়ই স্বাস্থ্যকর পজিশনে থাকেন। :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:

  2. তবে হাস্যকর হচ্ছে আইনমন্ত্রীর

    তবে হাস্যকর হচ্ছে আইনমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রজন্মের বিষোদগার!

    আইনমন্ত্রীর কথায় প্রজন্মের কি করা উচিত? খুশীতে ধেই ধেই করে নাচবে? প্রজন্ম চেতনার ব্যবসা করেনা হে দলকানার দল। প্রজন্মের দাবী ছিল একটাই। সেই দাবী পুরুনের প্রতিশ্রুতি প্রজন্মকে চেতনার ব্যবসায়ীরা দিয়েছিল। প্রতিশ্রুতি পুরণে যা করার দরকার সেটা করবে সরকার। সরকার সেটা না করে জামায়াতকে বাঁচানোর প্রকল্প বাস্তবায়ন করার কাজে নিয়োজিত। তোমাদের সামান্যতম লজ্জ্বা করছে না সরকারের অবস্থান নিয়ে। প্রজন্ম তোমাদের কাছে দায়বদ্ধ নয়; বরং প্রজন্মের কাছে তোমারদের সরকার ও তোমরা দায়বদ্ধ।

    এখানে বলে রাখা ভালো আইন জনগণের জন্য জনগণের দ্বারাই সৃষ্ট, জনগণ আইনের জন্য না কিনবা আইন দ্বারা জনগণ সৃষ্টি হয় না।

    এসব আবালমার্কা কথাবার্তা তোমরা অনেক বলেছ। এখন তোমাদের পালিয়ে যাওয়ার সময়। এই থিয়োরী কোথায় আবিষ্কার করেছ? জনগণ কি জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করার জন্য আইন প্রণয়নে বাঁধা দিয়েছে? জনগণ আইন প্রণোয়নের জন্য সরকারকে ম্যান্ডেট দেয় ভোটের মাধ্যমে। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে গণদাবী বাস্তবায়নে আইন প্রণোয়ন এবং প্রচলিত আইনের ফাঁকফোকড়কে সংস্কারের মাধ্যমে দাবী বাস্তবায়নের জন্য আইন প্রণোয়ন। তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম আইনে গলদ আছে। সেই গলদ সংস্কার করার দায়িত্বটা জনগন ভোটের মাধ্যমে সরকারকে তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিগত ছয় বছর আগেই দিয়ে দিয়েছে। এতদিন সরকার কোন বাল ছিঁড়ছে জানতে চাই?

    যুদ্ধাপরাধ ইস্যু নিয়ে সরকার টালবাহানা করছে কার স্বার্থে? জনগণের স্বার্থে? নাকি জামায়াতের স্বার্থে? আইনমন্ত্রীর গোষ্টি উদ্ধার করলে তোমাদের এত গায়ে লাগে কেন? প্রধানমন্ত্রীর ঈশারায় এখানে আইনমন্ত্রী কথা বলছে। এখন প্রধানমন্ত্রীর পিন্ডি চটকানোর সময় হয়ে গেছে।

    ইস্টিশন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাব, প্রজন্মের দাবী নিয়ে এই ধরনের একরোখা দলীয় দৃষ্টিকোন থেকে কোন পোস্ট প্রসব করা হলে প্রথম পাতা থেকে যেন সরিয়ে দেওয়া হয়।

    1. আইনমন্ত্রীর কথায় প্রজন্মের কি

      আইনমন্ত্রীর কথায় প্রজন্মের কি করা উচিত?….

      প্রজন্মের উচিত আরেকবার গণজাগরণ দাঁড় করিয়ে তোলা, যেমনটা ২০১২ এর ফেব্রুয়ারীতে হয়েছিল। একথাগুলো বলেই দিয়েছি। যখন আপনি কাউকে সরকার বলে অভিহিত করছেন তখন সে এই দেশের সকলের সরকার, সেটা আপনারও সেটা আমারও এবং ঐ জামাতীদেরও, এই জিনিসতো ভুলে গেলে চলবে না ভাই! সরকারকে থাকতে হবে নিরপেক্ষ, নয়তো দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে হিংসার বশবর্তী হয়ে সরকার এমন কাজ করেভহে এই জাতীয় অভিযোগ তুলে ভবিষ্যতে এই বিচার ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ করবে কেউ না কেউ!

      গলদ সংস্কার করার দায়িত্বটা জনগন ভোটের মাধ্যমে সরকারকে তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বিগত ছয় বছর আগেই দিয়ে দিয়েছে। এতদিন সরকার কোন বাল ছিঁড়ছে জানতে চাই?

      সরকার যে একদম কিছুই করেনি এরকম বলাটাও অযৌক্তিক, সরকার যতটা সম্ভব করে যাচ্ছে। এরপরেও বিদেশী প্রভুদের চাপ, কূটনৈতিক মহল থেকে শুরু করে প্রচুর চাপের মাঝেও সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। সর্ষের মাঝে ভূত থাকবেই, এজন্য পুরো সর্ষ ক্ষেত জ্বালিয়ে দেবো নাকি? অস্বীকার করছি না গণজাগরণে আমরা যা বাতিল করেছি, সরকার মহল থেকে সেসবের পক্ষে সাফাই দেয়া হচ্ছে, সাফাই দিচ্ছে সুবিধাবাদীরা, সাফাই দিচ্ছে হাইব্রীড লীগাররা। তাদের সাথে আমাকে মেলালে তো হবে না!!

      কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাতেই পারেন, তবে আলোচনার দ্বার রুখে দেয়ার মানে নাই।

      1. রাস্তায় নেমে কি বলতে হবে?
        রাস্তায় নেমে কি বলতে হবে? জয়বাংলা আর জয় বংঙ্গবন্ধু? বড়ই আজিব চিড়িয়া এই লীগাররা! রাস্তায় নেমে এখন বলতে হবে- ‘দুই নাগিনী’র এক বিষ, নৌকা আর ধানের শীষ”। বহুত আবলামী করছেন। এখন আবলামীর জবাব দেওয়ার পালা।

        1. ভাই ধরেই নিলাম আওয়ামীলীগ
          ভাই ধরেই নিলাম আওয়ামীলীগ বিচার করবে না, শুধু নাটক করছে। ঠিক আছে তারে তাইলে টাইন্যা ধইরা নামাইয়া ফালান, এরপর কি হবে? কে করবে সেই বিচার? বিএনপি? এলডিপি? নাকি জামায়াত খোদ নিজেই!!! বলুন একবার কে ক্ষমতা রাখে জামায়াতের মতো দলের বিচার করতে?

          1. এরপর কি হবে? কে করবে সেই

            এরপর কি হবে? কে করবে সেই বিচার? বিএনপি? এলডিপি? নাকি জামায়াত খোদ নিজেই!!!

            এ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া চলে না। নিচের অংশ টুকু ফাঁকাই থাকবে, এটা ধরে নিতে পারেন।

          2. বোটম লাইন হচ্ছে, আমরা আওয়ামী
            বোটম লাইন হচ্ছে, আমরা আওয়ামী লীগের কাছে ঠ্যাকায় পড়ছি। আওয়ামী লীগ এই ঠ্যাকায় পড়াকে কাজে লাগিয়ে অনন্তকাল ক্ষমতায় থাকার সুযোগ পেয়ে গেছে। তাই ভাইসব চুপচাপ থাকেন। কোন আওয়াজ তুইলেন না। আর যাই করেন সরকার লাড়ানো যাবেনা। সরকার যদি জামাতকে পাছা পেতেও দেয়, সেটা বসে বসে উপভোগ করেন।

          3. (No subject)
            :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

      2. যখন আপনি কাউকে সরকার বলে

        যখন আপনি কাউকে সরকার বলে অভিহিত করছেন তখন সে এই দেশের সকলের সরকার, সেটা আপনারও সেটা আমারও এবং ঐ জামাতীদেরও, এই জিনিসতো ভুলে গেলে চলবে না ভাই! সরকারকে থাকতে হবে নিরপেক্ষ, নয়তো দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে হিংসার বশবর্তী হয়ে সরকার এমন কাজ করেভহে এই জাতীয় অভিযোগ তুলে ভবিষ্যতে এই বিচার ব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ করবে কেউ না কেউ!

        :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

    2. আইনমন্ত্রীর কথায় প্রজন্মের কি

      আইনমন্ত্রীর কথায় প্রজন্মের কি করা উচিত? খুশীতে ধেই ধেই করে নাচবে? প্রজন্ম চেতনার ব্যবসা করেনা হে দলকানার দল। প্রজন্মের দাবী ছিল একটাই। সেই দাবী পুরুনের প্রতিশ্রুতি প্রজন্মকে চেতনার ব্যবসায়ীরা দিয়েছিল।

      ভালো বলেছেন দুলাল ভাই। আমরা এই দলকানাদের হাত থেকে মুক্তি চাই!

      1. আমরা এই দলকানাদের হাত থেকে

        আমরা এই দলকানাদের হাত থেকে মুক্তি চাই!

        বাইন্ধ্যা রাখছে লাগে কেউ? চালাও হাতুড়ি, চালাও শাবল, ভাঙ্গো দেয়াল সবসময় এই জাতীয় চাপে ভোগা একটা রোগ।

  3. কি করবেন? আবার রাস্তায়
    কি করবেন? আবার রাস্তায় নাম্বেন? কয়েক দিন খুব নাটক চলবে। জামাতিরা রাগ করে গাড়ি ঘোড়া ভাংবে আর এক দল চিপায় দাঁড়িয়ে স্লোগান দিবে। তারপর সময় হইলে ছাত্রলীগের মার খেয়ে পালিয়ে যেতে হবে। কিছু কেলেংকারীর দোহাই দিয়ে নায়ক থেকে একেবারে খল-নায়ক বানিয়ে দেয়া হবে। কাজের কাজ কিছুই হবে না।

    1. কাজের কাজ কিছুই হবে না।
      তাই

      কাজের কাজ কিছুই হবে না।

      তাই নাকি!!! একটা কথা মনে রাখবেন এক হাতে তালি বাজে না। খল-নায়ক কেউ এমনি এমনি হয় না, তার কর্মই তার ফল।

  4. প্রজন্ম একটু পেছনে ফিরে

    প্রজন্ম একটু পেছনে ফিরে তাকান, ফিরে চলুন ২০১২ সালে। সেই সময়ে কি ঘটেছিল বাংলা জুড়ে, মনে আছে কি ফেব্রুয়ারীর ৫ তারিখের কথা!

    অতি আবেগের চোটে দেখি লাফ দিয়া এক বছর পিছনে নিয়া গেছেন। :ভালাপাইছি:

  5. প্রাসঙ্গিক মনে হওয়ায় রাসেল
    প্রাসঙ্গিক মনে হওয়ায় রাসেল পারভেজ ভাইয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাসটি এখানে দিলাম-
    ———————————————————————————

    ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া বর্বরতার বিচারের জন্যে বাংলাদেশ কিংবা উপমহাদেশের পেনাল কোডে কোনো অভিযোগ উত্থাপনের সুযোগ ছিলো না। পৃথক পৃথক হত্যাকান্ডের জন্যে বিভিন্ন ধারায় হত্যা মামলা- অপহরণ মামলার সুযোগ থাকলেও গণহত্যা বিচারের জন্যে ফৌজদারী কার্যবিধিতে কোনো আইন ছিলো না।

    যেহেতু আইন প্রণয়নের আগেই গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে এ জন্যে কি গণহত্যা সংঘটন এবং গণহত্যার সহযোগীদের বিচারের আওতায় আনা উচিত হবে না? আমরা এই বর্বরতার জন্যে একটা আইন প্রণয়ন করেছি- সেই আইনে আমরা বিচার পরিচালনা করেছি(দালাল আইনে) এবং গুরুতর অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বাইরে সবাইকে সাধারণ ক্ষমার আওতায় এনে মুক্তি দিয়েছি।

    বিচারের দাবী স্তব্ধ হয়ে যায় নি এরপরেও। গণআন্দোলন হয়েছে, তরুণেরা একত্রিত হয়েছে। অবশেষে বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করেছে। তারা রাজনৈতিক স্বার্থে ট্রাইব্যুনালকে ব্যবহার করতে চেয়েছে, অন্তত ফাঁস হয়ে যাওয়া স্কাইপে ভাষণে সেটা স্পষ্ট হয়েছে। জনদাবীর মুখে গণহত্যার সহযোগীদের বিচারের আওতায় এনে গুরুপাপে লঘু দন্ড দিয়ে গণরোষের মুখে আইন সংশোধন করা এবং অপরাধীদের ফাঁসী দেওয়ার ঘটনা ঘটায় আমাদের আইনমন্ত্রী ভীষণ বিব্রত।

    তিনি বলেছেন জামায়াত ই ইসলামী সংগঠনটিকে বিচারের আওতায় আনতে হলে আইন সংশোধন করতে হবে। গণহত্যার সহযোগীদের বিচারের আওতায় আনতে সাধারণ মানুষ ৩ বার আন্দোলন করেছে- ১৯৭২ সালের আন্দোলন অনশনে দালাল আইন তৈরী হয়েছে- ১৯৯২ থেকে আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০০৯ সালে ট্রাইব্যুনাল এক্ট অনুমোদিত হয়েছে এবং কাদের মোল্লার গুরুপাপে লঘু দন্ড প্রদানের সামষ্টিক আন্দোলনের প্রতিক্রিয়ায় ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে আইন সংশোধন হয়েছে। আইনমন্ত্রী এইসব আইন সংশোধনের গল্প শুনিয়ে তো লাভ নেই। তার বিব্রত হওয়ারও কিছু নেই। তারা যদি সবদিক বিবেচনা করে আইন প্রণয়ন না করেন তাহলে এই ধরণের কিছু অদ্ভুত আইনী সমস্যা তৈরী হতেই পারে।

    কাদের মোল্লার ক্ষেত্রে সংশোধনী প্রযোজ্য হবে কি না এটা নিয়ে আদালত ৭ জন প্রবীন আইনজীবীর মতামত গ্রহন করেছেন, প্রাক্তন বিচারপতিদের মতামতও গ্রহন করেছেন। তাদের অধিকাংশই মনে করেছেন কাদের মোল্লার ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য হলে তাতে আইনের বত্যয় ঘটবে না। আমজনতা কাদের মোল্লার ফাঁসীর দাবী তুলেছে কিন্তু বিচারকদের ফাঁসী দিতে বাধ্য করে নি।

    বিচারকগণ যদি নিজেদের অনিচ্ছায় কাদের মোল্লাকে ফাঁসী দেয় কিংবা আওয়ামী লীগের অনুগত আদালত এবং মন্ত্রী যদি কাদের মোল্লার ফাঁসীতে বিব্রত বোধ করে, যদি সেটা জামায়াতে ইসলামীর সাথে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সমঝোতা বিনষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরী করে, সেটা তাদের নিজস্ব বোঝাপরার সমস্যা। সাধারণ জনগণ গত এক বছরে কখনও হাইকোর্ট-সুপ্রীম কোর্ট ঘেরাও করে নি, তারা বিচারকদের কখনও জিম্মী করে নি, আদালত অভিজ্ঞ আইনজীবীদের মতামত গ্রহন করেছেন- বিচারক শাস্তি ঘোষণা করেছেন- এই সম্পূর্ণ আইনী প্রক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী কেনো বিব্রত?

    1. ডাক্তার সাব আম্লীগ যখন এতোই
      ডাক্তার সাব আম্লীগ যখন এতোই খ্রাপ, আসেন তারে টাইন্যা ধইরা নামাই। এরপর যারে বিশ্বাস করেন তারে বিচারের ভার দেন।

  6. যুদ্ধাপরাধীর বিচার সবার ই
    যুদ্ধাপরাধীর বিচার সবার ই কাম্য । যেই করুক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নিষ্পত্তি চাই । এবং এখন ই চাই ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *