ট্রাইব্যুনালে সরকারের কর্তৃত্ব নিয়েই দ্বন্দ্ব!

সরকারের গত মেয়াদে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ছিল সবচেয়ে বেশী আলোচিত টপিক। কিন্তু সরকার এবার ক্ষমতায় আসার পর থেকে কীভাবে যেন ট্রাইব্যুনালের নাম খবরের পাতার ভেতরে চলে গেছে। মাঝে মাঝে একটা সুশীল পত্রিকা কিছু নেতিবাচক খবর গুরুত্ব দিয়ে ছাপে মাত্র, এর বেশী কিছু না!

সম্প্রতি আবার ট্রাইব্যুনাল খবরের শিরোনাম হয়েছে। সেই একই পত্রিকা, খবরও নেতিবাচক। কিন্তু এবার আর এড়িয়ে যাবার সুযোগ নেই। বোঝাই যাচ্ছে, ঘটনা গুরুতর! জামাতকে অপরাধী সংগঠন সাব্যস্ত করে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিষয়টা ভাবনার, কিংবা সঠিকভাবে বললে, দুশ্চিন্তার! দীর্ঘদিন ধরে কিছু রায় ঝুলে আছে। বোঝাই যাচ্ছে সরকারের ইচ্ছাতেই এটা করা হয়েছে। আপিল বিভাগের রায় ঝুলিয়ে রাখা বা ঘোষণা দেয়াটা প্রধান বিচারপতির হাতে ন্যাস্ত। তিনি সরাসরি সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত।

সরকারের গত মেয়াদে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ছিল সবচেয়ে বেশী আলোচিত টপিক। কিন্তু সরকার এবার ক্ষমতায় আসার পর থেকে কীভাবে যেন ট্রাইব্যুনালের নাম খবরের পাতার ভেতরে চলে গেছে। মাঝে মাঝে একটা সুশীল পত্রিকা কিছু নেতিবাচক খবর গুরুত্ব দিয়ে ছাপে মাত্র, এর বেশী কিছু না!

সম্প্রতি আবার ট্রাইব্যুনাল খবরের শিরোনাম হয়েছে। সেই একই পত্রিকা, খবরও নেতিবাচক। কিন্তু এবার আর এড়িয়ে যাবার সুযোগ নেই। বোঝাই যাচ্ছে, ঘটনা গুরুতর! জামাতকে অপরাধী সংগঠন সাব্যস্ত করে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিষয়টা ভাবনার, কিংবা সঠিকভাবে বললে, দুশ্চিন্তার! দীর্ঘদিন ধরে কিছু রায় ঝুলে আছে। বোঝাই যাচ্ছে সরকারের ইচ্ছাতেই এটা করা হয়েছে। আপিল বিভাগের রায় ঝুলিয়ে রাখা বা ঘোষণা দেয়াটা প্রধান বিচারপতির হাতে ন্যাস্ত। তিনি সরাসরি সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত।

এসব ঘটনার যারা বিচার চায় না তাদের জন্য সুখকর হলেও বিচারপ্রার্থীদের জন্য খুবই উদ্বেগের। সবার মুখে একটাই প্রশ্ন, কী হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে! বিচারকাজ যে এখন বাধাগ্রস্ত বা থমকে আছে, এটা সবাই পরিষ্কার বুঝতে পারছে। কারনগুলো অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে, তিনটি সূচক প্রধান।

এক – সরকারের রাজনৈতিক কৌশল !
দুই – বিরোধীদের চক্রান্ত !
তিন – প্রসিকিউশনের মধ্যকার দ্বন্দ্ব !

বর্তমানে তৃতীয় সূচকটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। প্রথমটিও ঘুরে ফিরে আসছে। কিন্তু দ্বিতীয়টি- জামাতিদের ষড়যন্ত্র, চক্রান্তের কথা একেবারেই চাপা পড়ে আছে। কিন্তু মূলসূত্রটা এখানেই। বাকি দুটো সূচক হচ্ছে, এরই ফলাফল। সোজা কথা, সরকারের রাজনৈতিক কৌশলকে জামাত প্রভাবিত করছে। এর ফলে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে প্রসিকিউশনের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব হচ্ছে।

কিসের ভিত্তিতে এসব বলছি? সরকারের সঙ্গে জামাত ও হেফাজতের যে একটা বোঝাপড়া হয়েছে, এটা তো স্পষ্ট। সরকারের মন্ত্রীরা জামাত নিষিদ্ধের প্রশ্নে কথা বলতে অপারগ। তারা ইসলামী ব্যাংককে সকাল বিকাল সার্টিফিকেট দিচ্ছেন। উপজেলা নির্বাচনে জামাতকে অবাধে নির্বাচন করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। বিএনপির বিরুদ্ধে যে চাপ ছিল, তার ছিটেফোঁটাও জামাত নেতাদের বিরুদ্ধে ছিল না। কোনো কোনো এলাকায় তো জামাত ও আওয়ামীলীগ একত্রে নির্বাচন করেছে। জামাতি টাকায় আওয়ামী প্রার্থীরা ভোট কিনেছে। জামাতের নেতাদের এখন আর ওভাবে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে শিবিরের চড়াও ভাব দেখা গেলেও তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন এখন আর অতটা সক্রিয় না, নির্বাচনের আগে যেমনটা ছিল। হেফাজতের সঙ্গেও সরকার একটা সমঝোতা করে নিয়েছে, এটা বোঝা যায় শফী হুজুরের ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নাই’ বক্তব্য থেকে।

এটা স্পষ্ট যে, সরকার জানে এভাবে খুব বেশিদিন চালানো যাবে না। নির্বাচন দিতে হবে। তখন আওয়ামী লীগের জয়ের সম্ভাবনা খুবই কম। সরকারের ওপর মহলের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, যদি মোদির সঙ্গে সম্পর্কটা কংগ্রেসের মতো করেই এগোয় তাহলে সরকার ২০১৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত থাকতে ইচ্ছুক। তা না হলে, মোদি সরকারের সঙ্গে বনিবনা না হলে ২০১৫ সালের মার্চের মধ্যেই নির্বাচনের পথে যেতে পারে সরকার। এজন্য আগেভাগেই তারা জামাত, হেফাজতের সঙ্গে একটা সমঝোতা করে রাখছেন। সরকারের পক্ষ থেকে সেই পুরনো শর্তই বহাল আছে, বিএনপির সঙ্গে জোট ছাড়তে হবে।

এক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা হচ্ছে, পরিস্থিতি ঘোলাটে হলে তখনই কেবল রায় দিয়ে পরিস্থিতিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে নিজেদের অনুকূলে নিয়ে আসা। আর বিচারের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ পরবর্তী সরকারের জন্য ফেলে রাখা। যাতে করে বিরোধী দলে গেলে আন্দোলন জোরদার করার একটা সার্বক্ষণিক ইস্যু পাওয়া যায়। এসব হিসাব নিকাশের প্রথম স্তম্ভটা হচ্ছে, জামাতকে অপরাধী সংগঠন সাব্যস্ত করে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াটা বন্ধ করা। আবার তা দুর্বলভাবে জারি রাখাও, যাতে জামাতের সঙ্গে বারগেনিংটা সব সময় সহজ থাকে।

জামাতের বিরুদ্ধে মামলা আপাতত বন্ধের প্রক্রিয়াটা চালু করতে গিয়েই লেগেছে গোলমাল। এমনিতে প্রসিকিউশনে শতভাগ আওয়ামী সমর্থক হলেও দু’চারজন আছেন যারা বিচারিক প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে নিতে আগ্রহী। তারা সর্বক্ষেত্রে আইন মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ পছন্দ করেন না। এ নিয়ে ট্রাইব্যুনালে সরকারের প্রত্যক্ষ লোক যারা, তাদের সঙ্গে এই অংশটির দ্বন্দ্ব লেগে আছে।

জামাতের বিরুদ্ধে মামলা বন্ধ করার প্রক্রিয়াটি চালু করার ক্ষেত্রে এজন্য সরকারকে কৌশল করতে হয়েছে অনেক। প্রথমে চীফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপুকে এ বিষয়ে বলা হলেও তিনি এরকম কোনো আদেশ জারি করার ক্ষেত্রে কিছুটা অপারগতা দেখান। তবে তিনি সরকারের বিরুদ্ধে যাননি। প্রথমে জামাতের বিরুদ্ধে মামলার কাগজপত্র নিজের জিম্মায় নিয়েছেন। তারপর সরকারের কাজটা কীভাবে উদ্ধার হতে পারে, তার পথ বাতলে দিয়েছেন। শারীরিক অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে তিনি দেশের বাইরে চলে গেলে ট্রাইব্যুনালের ভারপ্রাপ্ত প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পান সরকারের খাস লোক হিসেবে পরিচিত প্রসিকিউটর সৈয়দ হায়দার আলী।

হায়দার আলী দায়িত্ব নিয়েই একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেন ২৩ এপ্রিল। তাতে তিনি প্রসিকিউটরদের দোষ দেন যে, তারা কেউ কেউ ‘সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলতে দ্বিধা করেন না।’ তিনি সরকার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সরকার বিরোধী কথা বলার ঔদ্ধত্য না দেখাতে বলেন। তিনি এই প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকারের প্রধান এজেন্ট হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। এবং তার কর্মকান্ড যে সরকারের ইচ্ছাতেই হচ্ছে, তা সবাইকে বুঝিয়ে দেন।

ভারপ্রাপ্ত থাকার দায়িত্বকালেই তারই নির্দেশে গত ১৫ মে জামাতের বিরুদ্ধে মামলা আয়োজনকারী প্রসিকিউশন দলের উদ্দেশ্যে একটি নোটিশ জারি করেন প্রসিকিউটর হৃষিকেশ সাহা। সেই চিঠিতে বলা হয়, জামাতের বিরুদ্ধে মামলা সংক্রান্ত সব কাগজপত্র অবিলম্বে ভারপ্রাপ্ত চীফ প্রসিকিউটরের কাছে পাঠাতে হবে।

কিন্তু গোল লেগে যায় ভিন্ন কারণে! কাগজপত্র সব তো আগেই চীফ প্রসিকিউটর গোলাম আরিফ টিপুর ঘরে, তার লকারে তিনি নিয়ে রেখেছেন। সুতরাং যা করার চীফ প্রসিকিউটরকে ফিরেই করতে হবে, এটা জানিয়ে মামলা আয়োজক প্রসিকিউটরদের পক্ষ থেকে ড. তুরিন আফরোজ হায়দার আলিকে একটি চিঠি লেখেন।

এর মধ্য দিয়েই জামাতের বিরুদ্ধে মামলার কাজ বন্ধ হয়েছে। তবে জল কিছুটা ঘোলা হয়েছে, কারণ গ্রুপিং!

২১ মে দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ‘দুই কারণে এমকে রহমানকে অব্যহতি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ছাপা হয় যে, “আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি গোলাম আরিফ টিপুর সঙ্গে মতবিরোধের বিষয়ে জানতে চাইলে এম কে রহমান বলেন, প্রসিকিউটরদের কারও সঙ্গে আমার দ্বন্দ্ব ছিল না। সবার সঙ্গেই আমার ভালো সম্পর্ক ছিল। তবে সেখানে দু-তিনটি গ্রুপ ছিল। দ্বন্দ্ব তাদের মধ্যে ছিল। বরং আমি তা সমাধানের চেষ্টা করেছি।” তিনি কি করেছেন, না করেছেন, তা এখন অবান্তর! এখানে মূল বিষয়টা তিনি ফাঁস করেছেন- গ্রুপিং! এই গ্রুপিং করতে গিয়েই তিনি বাদ পড়েছেন।

সবাই এখন এম কে রহমানের অব্যহতি নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু এটা একটা হালকা বিষয়। সরকারপক্ষের সঙ্গে, বিশেষত চীফ প্রসিকিউটরের সঙ্গে গোলমালের সুবাদেই এই সময়ে তাকে অব্যাহতি দেয়া হলো। তিনি মূলত বিদেশ ভ্রমণ বিষয়ে কিছু সুবিধা চেয়েও পাননি বিধায় এর সূত্রপাত! তাকে অব্যহতি দিয়ে জামাতের বিরুদ্ধে মামলা বন্ধের বিষয়টাকে আড়াল করা হচ্ছে, এটাই সত্যি।

মোটকথা, সরকার অনেকগুলো চাল একত্রে দিয়েছে। কিন্তু একসাথে এত কিছু করতে গিয়েই গোল লেগে গেল। ট্রাইব্যুনালে সরকার পক্ষ তার কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে। এজন্যই জামাতের মামলার কাগজপত্র হাত বদল করানো হলো! এম কে রহমানকে সরানো হয়েছে, ঘটনাবলীকে অন্যখাতে প্রবাহিত করতে। প্রশ্ন উঠতে পারে, সরকার মরিয়া হয়ে ট্রাইব্যুনালকে কেন কলঙ্কিত করছে? উত্তরটা হচ্ছে, এছাড়া তো পথ নাই। আগামীতে ট্রাইব্যুনালই যে তার মূল ঘুঁটি!

২৪ thoughts on “ট্রাইব্যুনালে সরকারের কর্তৃত্ব নিয়েই দ্বন্দ্ব!

  1. এইসব বললেই ছাগু বা খাসি ট্যাগ
    এইসব বললেই ছাগু বা খাসি ট্যাগ খেতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ইজারাদারদের ঠিক করে দেওয়া ফর্মুলার বাইরে কথা বললেই সে হয়ে যাবে বিচার বানচালকারী। একেবারে ডকুমেন্ট সহ এই লেখা দেখেও উনাদের টিনের চশমা ভেদ করে কিছুই প্রবেশ করবে না। যুক্তি রেডিই আছে, বিচার আওয়ামী লীগ ছাড়া কেউ করবে না। তাই আগামী ১০০ বছর হলেও আওয়ামী লীগের এইসব নিয়ে কিছুই বলা যাবে না। অনন্তকাল ধরে চলুক রাজাকারের বিচার। আর দল হিসেবে জামাতের বিচার করার নৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগ কি রাখছে। যার নুন খায়, তার গুন না গেয়ে উল্টা বিচার কিভাবে করে বলেন?

  2. এ যে দেখি চেতনা ব্যবসার
    এ যে দেখি চেতনা ব্যবসার শ্বেতপত্র। আওয়ামীলীগ হচ্ছে বে্ঈমানের দল। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করতে করতে পাপ গাভিন হয়ে গেছে। আমাকে কেউ বুঝান, বিএনপি আর আওয়ামীলীগের মধ্যে পার্থক্য কোথায়?

  3. উপজেলা নির্বাচনে জামাতকে

    উপজেলা নির্বাচনে জামাতকে অবাধে নির্বাচন করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। বিএনপির বিরুদ্ধে যে চাপ ছিল, তার ছিটেফোঁটাও জামাত নেতাদের বিরুদ্ধে ছিল না। কোনো কোনো এলাকায় তো জামাত ও আওয়ামীলীগ একত্রে নির্বাচন করেছে। জামাতি টাকায় আওয়ামী প্রার্থীরা ভোট কিনেছে। জামাতের নেতাদের এখন আর ওভাবে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে শিবিরের চড়াও ভাব দেখা গেলেও তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন এখন আর অতটা সক্রিয় না, নির্বাচনের আগে যেমনটা ছিল।

    অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন কিছু কথা। উপজেলা নির্বাচনে সকলের অংশগ্রহণ সমান হারে ছিলো। যেভাবে বললেন জামাতের বিরুদ্ধে ছিটেফোঁটা ছিলো না তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কোন কোন এলাকায় একত্রে করেছে! করতেও পারে আবার নাও পারে, তবে কোথায় করেছে তা তুলে ধরুন। জামাতের নেতাদের এখন আর ওভাবে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না, কথা সত্য। প্রতিদিনই যেহেতু গ্রেপ্তার করা হচ্ছে সুতরাং এটি অস্বাভাবিক গ্রেপ্তার, তাই বুঝি আপনি বললেন “ওভাবে” গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না!!! রাবিতে শিবিরের চড়াও ভাব দেখা গেলেও তাদের বিরুদ্ধে কিছুই করছে না!!! আহহহহ!!! তা গত কয়দিন আগে দুইজনকে কি করেছিলো পুলিশ রাবি মাঠে? প্রতিদিন কিছুটা সময় সংবাদ চ্যানেলে ব্যয় করুন, সংবাদ চ্যানেলের স্ক্রল নিউজগুলো দেখুন। আশা করি হতাশ হবেন না। আর কিছু না হোক অন্তত একাত্তর, চ্যানেল ২৪, যমুনা এই তিনটার স্ক্রল দেখলেই অনেক কিছু জানতে পারবেন।

    কারনগুলো অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে, তিনটি সূচক প্রধান।

    এক – সরকারের রাজনৈতিক কৌশল !
    দুই – বিরোধীদের চক্রান্ত !
    তিন – প্রসিকিউশনের মধ্যকার দ্বন্দ্ব !

    বর্তমানে তৃতীয় সূচকটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। প্রথমটিও ঘুরে ফিরে আসছে। কিন্তু দ্বিতীয়টি- জামাতিদের ষড়যন্ত্র, চক্রান্তের কথা একেবারেই চাপা পড়ে আছে। কিন্তু মূলসূত্রটা এখানেই। বাকি দুটো সূচক হচ্ছে, এরই ফলাফল।

    যেহেতু মূল সুত্র কোনটা তা আপনি নির্দিষ্ট করেই দিয়েছেন সুতরাং এক আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কারো উপরেই আমাদের ভরসা নেই এই মুহুর্তে। বঙ্গদেশে আ’লীগ-বিএনপি-জামায়াত এই দলগুলো ছাড়া বাকীগুলো বাল-ছাল। শত চেষ্টা করলেও অন্যকোন দল বঙ্গদেশে আম-আদমি পার্টি হতে পারবে না। যেহেতু আমরা অপারগ তাই আমাদের আ’লীগের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছু করাটাও হবে “আত্মঘাতী” সিদ্ধান্ত।

    1. দলকানারা এসব দেখে না। সব
      দলকানারা এসব দেখে না। সব কিছুই ভিত্তিহীন মনে হয়। ট্রাইব্যুনাল নিয়ে সরকারের মধ্যে যে সমস্যা হচ্ছে, সেটাও কি ভিত্তিহীন?চিঠির স্ক্রীনশটও কি ভিত্তিহীন? বাহ, দলকানা বাহ!

      1. আমি কইলাম কি নিয়ে আর আপনি
        আমি কইলাম কি নিয়ে আর আপনি কইতাছেন কি নিয়া? আমি কি কইছি চিঠি বা স্ক্রীণশট ভিত্তিহীন!!! আপনার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টান :bum: :bum: :bum: :bum:

        1. ঘটনা হচ্ছে, আপনার মন্ত্রীরা
          ঘটনা হচ্ছে, আপনার মন্ত্রীরা যে ভাই ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে সাফাই গায়, এটা কি?

          ————–
          # # #
          ————–
          শুয়োরের বাচ্চাদের দালালী করে শুয়োরের বাচ্চারাই।

          1. চোরের মতো একাংশ কোট করছেন।
            চোরের মতো একাংশ কোট করছেন। সাথেই থাকা প্রাসঙ্গিক দুটো লাইন কোট না করে লেখকের নামে চাপিয়ে দিলেন যে, এতা আওয়ামী লীগের পক্ষেই যায়। অথচ সাথের দুটো লাইন পড়ে দেখুন-

            সোজা কথা, সরকারের রাজনৈতিক কৌশলকে জামাত প্রভাবিত করছে। এর ফলে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে প্রসিকিউশনের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব হচ্ছে।

            তিনটি সূচক প্রধান।

            এক – সরকারের রাজনৈতিক কৌশল !
            দুই – বিরোধীদের চক্রান্ত !
            তিন – প্রসিকিউশনের মধ্যকার দ্বন্দ্ব !

            বর্তমানে তৃতীয় সূচকটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত হচ্ছে। প্রথমটিও ঘুরে ফিরে আসছে। কিন্তু দ্বিতীয়টি- জামাতিদের ষড়যন্ত্র, চক্রান্তের কথা একেবারেই চাপা পড়ে আছে। কিন্তু মূলসূত্রটা এখানেই। বাকি দুটো সূচক হচ্ছে, এরই ফলাফল। সোজা কথা, সরকারের রাজনৈতিক কৌশলকে জামাত প্রভাবিত করছে। এর ফলে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো নিয়ে প্রসিকিউশনের মধ্যে অন্তর্দ্বন্দ্ব হচ্ছে।

          2. শুয়োরের বাচ্চাদের দালালী করে

            শুয়োরের বাচ্চাদের দালালী করে শুয়োরের বাচ্চারাই।

            এটাই সবচেয়ে বড় সত্য।

          3. শুয়োরের বাচ্চাদের দালালী করে

            শুয়োরের বাচ্চাদের দালালী করে শুয়োরের বাচ্চারাই।

            কোনদিকে গেলেন সাম্যবাদী সাহেব? বুমেরাং হয়ে যাবে না তো? দালালী সবাই করে, তবে কেউই নিজেরে দালাল হিসেবে পরিচয় দিতে চায় না। :bum: :bum: :bum: :bum:

          4. এক আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কারো

            এক আওয়ামীলীগ ছাড়া আর কারো উপরেই আমাদের ভরসা নেই এই মুহুর্তে। বঙ্গদেশে আ’লীগ-বিএনপি-জামায়াত এই দলগুলো ছাড়া বাকীগুলো বাল-ছাল। শত চেষ্টা করলেও অন্যকোন দল বঙ্গদেশে আম-আদমি পার্টি হতে পারবে না। যেহেতু আমরা অপারগ তাই আমাদের আ’লীগের বিরুদ্ধে গিয়ে কিছু করাটাও হবে “আত্মঘাতী” সিদ্ধান্ত।

            আমাদের শুধু এই অ্যাটিচু্ডের কারণেই এ দেশে কোন পরিবর্তন আসে না। শুধু এই এক যুক্তি দিয়ে সাত খুন মাপ করে দেয়া হয়। আর এই সুযোগে তারা আমাদের নিয়ে পল্টিক্স পল্টিক্স খেলার সুযোগ পায়। ভাইডি, আম্লীগ-বিম্পি সমস্যা না। সমস্যা হইল সবই আইরন লেডি আর গোলাপী মেডামের ইচ্ছা! এখন আইরন লেডি আর জামাতি-ছাগুদের জোট দেখার অপেক্ষায় আছি।

  4. ডিজিটাল সরকার পাছা চুলকাইতে
    ডিজিটাল সরকার পাছা চুলকাইতে চুলকাইতে নিজের পাছার কাপড় ছিঁড়ে ফেলতেছে। আপনাগো কাজই পাছা চুলকানো। জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে এই পোস্ট। সেটা নিয়ে কোন মন্তব্য না করে প্রাসঙ্গিক বিষয়ে প্রমান চাওয়াটা মুল প্রসঙ্গকে এড়িয়ে যাওয়া। মুল বিষয় নিয়ে কথা না বলে পোস্টে প্রাসঙ্গিক বিষয়ের প্রমান চাইলেন ক্যা? নাকি দল ও নেত্রী যা করে তাহাই সহীহ?

  5. সরকার জামাতের টাকা খেয়ে বসে
    সরকার জামাতের টাকা খেয়ে বসে আছে! তারা বিচার করবে যতটা, তার চেয়ে বড় তাদের স্বার্থোদ্ধারের বিষয়টা! সব জাতীয় বেঈমান।

    1. আসল কথাই এটা! ধন্যবাদ
      আসল কথাই এটা! ধন্যবাদ ভাই

      ————–
      # # #
      ————–
      শুয়োরের বাচ্চাদের দালালী করে শুয়োরের বাচ্চারাই।

    1. বিচার করতে গিয়ে বিচার না করার
      বিচার করতে গিয়ে বিচার না করার পাঁয়তারা করছে।

  6. জামায়াতকে যুদ্ধাপরাধী সংগঠন
    জামায়াতকে যুদ্ধাপরাধী সংগঠন হিসাবে বিচারের মুখোমুখী করে নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টাকে থামাতে আওয়ামীলীগের এই ধরনের উদ্যোগ নিন্দনীয়। এই একটি ইস্যুকে পুঁজি করে আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক ফাঁয়দা লুটছে অনেক থেকেই। আমরা বিভিন্ন সময় এই বিষয় নিয়ে আশংকা প্রকাশ করেছি। অনলাইনে যারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর জামায়াতের রাজনীতিকে নিষিদ্ধ করার জন্য সোচ্চার ছিল তাদেরকে মুখকে বন্ধ করার জন্য বিভিন্ন নামে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন স্কোয়াড কাজ করছে। তখন অনেকেই এসব নিয়ে কথা বললে বলা হত আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কথা বলে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাজকে আমরা বাঁধা দিচ্ছি। এখন এসব ঘটনার পর এটা স্পষ্ট হয়ে গেল আসলে আওয়ামীলীগই যুদ্ধাপরাধের বিচার ও জামায়াতকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে রাজনৈতিক ফাঁয়দা নিচ্ছেন।

    জাতির সাথে প্রতারণা করে রাজনৈতিক ফাঁয়দা অতীতে যারা নিয়েছেন ইতিহাস তাদের অতীতে ক্ষমা করেননি। আওয়ামীলীগও পার পাবেনা।

  7. সর্ষের মধ্যে ভূত থাকলে তাড়াবে
    সর্ষের মধ্যে ভূত থাকলে তাড়াবে কে? যুদ্ধাপরাধের মত স্পর্ষকাতর ইস্যু নিয়ে আওয়ামীলীগ আমাদের সাথে আর কত প্রতারণা করে যাবে? সুন্দর ও তথ্য সমৃদ্ধ পোস্টটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

  8. এই বিচার হবে না, কোনদিনই
    এই বিচার হবে না, কোনদিনই ঠিকমত হবে না এটা হলফ করেই জানি। মাঝখানে কসাই মোল্লার আই-ওয়াশ মার্কা ফাসিতে কিছুই যায় আসে না। গোয়া আজম এখনো বহাল তোবিয়তেই আসে কিন্তু।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *