স্বপ্নহীনের স্বপ্নবিলাস

“No Man Can Walk Alone
Either he has to find a company Or he has to
find a way to survive”

কথাটা শতভাগ সত্যি।
জীবনে আমরা কেউ
একা চলতে পারি না। জীবন
যুদ্ধে লড়াই করতে গেলে আমাদের সাপোর্টের দরকার্, অভিজ্ঞতার দরকার্।

একেক মানুষের কাছে এই ব্যাপারটা একেক রকম।



“No Man Can Walk Alone
Either he has to find a company Or he has to
find a way to survive”

কথাটা শতভাগ সত্যি।
জীবনে আমরা কেউ
একা চলতে পারি না। জীবন
যুদ্ধে লড়াই করতে গেলে আমাদের সাপোর্টের দরকার্, অভিজ্ঞতার দরকার্।

একেক মানুষের কাছে এই
ব্যাপারটা একেক রকম। এই
জীবনে আমি যে কামিনা ফ্রেন্ড পাইছি, আমার আর কোন সাপোর্টের দরকার আছে বইলা মনে হয় না।

একেকটা ত বন্ধু না যেন জ্ঞানীর কারখানা, কেউ পিএইচডি ইন স্টাডিলজি, কেউ বিএসসি ইন ওমেনলজি, কেউ ডিপ্লোমা ইন প্রেমলজি, কেউ মাস্টার ডিগ্রী ইন
ফ্লিল্টলজি, আরো আরো ত আছেই

কোন প্রবলেম্ব হলে চাঁদের
দেশে থেকে হলেও সলিউশন
এনে দিবে। শালারা এক নাম্বারের কামিনা
এ কামিনা গুলারে কিছু বললেই বলে কল্পনার রাজ্যে গদ্যময়। কিন্তু এইটা বুঝে না বাস্তব কত নির্মম আর অদ্ভুদ।

মানুষের জীবনটাই অদ্ভুদ। এই
জীবনে কম অভিজ্ঞতা হয় নাই,আমি মাঝে মাঝে পুরোনো কিছু কথা মনে করি। কিছু মানুষের্। তাদের আমি গুরু মানি। তাদের একজন রাকিব
ভাই। জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র আমি তার কাছ থেকে শিখছি। অথচ তার জীবনটাই পূর্ণতায় অপূর্ণ।
ভাইয়্যা সবসময় একটা কথা বলতেন,”সবার আগে তোমার জীবন, তারপর তোমার বাবা মা আর ক্যারিয়ার,বাকি সব নট নেসেসারি।”

আমি আগে কথাটার মানে বুঝতাম না। এখন বুঝি। কথাটা সত্য।সবার আগে আমার জীবন আর ক্যারিয়ার্। ক্যারিয়ার নাই কিছুই
নাই। এই রাকিব ভাই একদিন সব হারাইছিল তার “ক্যারিয়ারের” জন্য।
সেই ক্লাস ৮ থেকে নিতু আপু আর তার রিলেশন ছিল। ভাঙ্গছে রাকিব ভাইয়ার ক্যারিয়ারের জন্য, রাকিব
ভাই ফাস্ট টাইম কোথাও চান্স পায় নাই, আর নিতু আপু
মেইবি রুয়েটে পাইছিল। এরপর থেকেই নিতু আপু তার
সাথে যাচ্ছে তাই শুরু করে।

“আমি কি ভাবে তোমার
সাথে রিলেশন রাখব ?
তোমার কোন ক্যারিয়ার আছে ?

বাবা মাকে কি বলব ?
আমি একটা অপদার্থকে পছন্দ করি ?? ”

আজকে সেই রাকিব ভাই
চলে যাইতেছে বিদেশে।
ঢাকা মেডিকেল থেকে পাস
করে এখন দেশের বাইরে।
যে ক্যারিয়ার তাকে অর্ধমৃত
করে দিছিল, সেই ক্যারিয়ার
তাকে সব দিসে।

সেই দিনের নিতু আপুর কথাগুলার সাথে আমি আমার একজনের কথাগুলা মিলাই-

“আমি আমার বাবাকে কস্ট
দিতে পারব না, আমার করতেই হবে।

আমি কীভাবে আম্মু কে বলব ?
তুমি না কোথাও পড়, না তোমার ফ্যামিলি স্ট্যাটাস আমার সাথে যাবে না, তুমি ভালো কিছু করবাও না

আমার সব ফ্রেন্ডের বয়ফ্রেন্ড এর ক্যারিয়ার অনেক ব্রাইট, অনেক ভালো জায়গায় পড়ে, তোমার কোন ক্যারিয়ার আছে।???

আমি ইঞ্জিনিয়ার, আমার নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার থাকবে, আমার জব
হবে বাইরে, তোমার কি হবে ? মুদির দোকান দিবা ???”

সেই কথাগুলো আর এগুলো হুবুহু মিলে গেছে।

সবার এক চিন্তা “ক্যারিয়ার”
মানলাম আমার ক্যারিয়ার নাই,
মানলাম আমার ফ্যামিলি তোমার মত একস্টাবলিস্ট
ফ্যামিলি না, মানলাম
আমি এক্সট্রা অর্ডিনারি কেউ না,মানলাম তুমি জাফর ইকবাল স্যারের
স্টুডেন্ট, মানলাম তোমার ফ্রেন্ডদের বয়ফ্রেন্ডদের মত আমার কিছুই নাই।
সব মেনে নিলাম। সব মেনে নিলাম আমি। আর সব মেনে আমি নিজ থেকে সরে গেলাম।
আমি কারো পথের কাঁটা হব না। আমি কারো বোঝা হব না।
আমি আমার নিজের মতই থাকব, আমার জন্য আমার ক্যারিয়ার বড় না, আমার
জন্য বিত্তের জৌলুস বড় না।
আমার কাছে আমি নিজে বড়, আমার অহংকার আমার সম্মান, আমার নামের
আগের “ইঞ্জিনিয়ার” টাইটেল না।আমার কাছে বড় সুখ, আমার “ফ্যামিলি স্ট্যাটাস” না।
আগেই বলছি মানুষ একা চলতে পারে না। আমি একা নই।

আমার জীবনে এমন কিছু মানুষ আছে যারা জীবনকে পূর্ণতা দিতে পারে।
কিন্তু আমার জীবনে আমি কোন অহংকারী মানুষ রাখব না।

আমি এতটুকু জানি, আমার আজ সব আছে বলে আমি অহংকার করব, কিন্তু
যেদিন কিছুই থাকবে না, সেদিন।????

২ thoughts on “স্বপ্নহীনের স্বপ্নবিলাস

  1. সেদিন অন্যের দুরবস্থায় আমার
    সেদিন অন্যের দুরবস্থায় আমার করা খারাপ আচরন গুলো স্মরণ করবো ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *