আমি এখন বর্ধমান ক্রোধের ছাই

চেতনা হাড়িয়েছে পাতাহীন বৃক্ষে
আমি বোধ করতে পারছি ঝুলে আছি লাশময় ঘরে
আমি নিবিড় ব্যাস্ততায় ছিড়ে আনি মগজের মিথ্যে বানী
তবুও আমি কাতর মেনেও শোকের কলার
চেপে উপড়ে ছুড়ে ফেলেছি
গভীরে আক্রান্ত নাদ আমার গলায় এসে চুপ
হয়ে যন্ত্রনা বিলায়
আমার চোখ ঢুলুঢুলু বিঁধে আছে বুকে বিষাক্ত ছোবল
নির্জনে নক্ষত্র ভেদ করে ছুটে যায় ছিড়ে ফেলা কাঙ্ক্ষা
পরিসর প্রলম্বিত হয় নিসাচর ফেরারির পলাতক প্রত্যাঘাতে
প্রত্যাখ্যাত নির্জীব আকাশ আমার বুকে বিশার আকার ন্যায়
নিছিদ্র আচকানে মুড়ে নিষ্কলঙ্ক দেহ দেখাব
সংক্রান্ত প্রলয় উচুউচু ডেউ উপচে আনে নিভৃতে নোনা।

(১)
ঘাত
ক্রমশ ক্রমশ ক্রমশ
লিপ্ত
সন্তপ্ত বিদারক পরিণতি

চেতনা হাড়িয়েছে পাতাহীন বৃক্ষে
আমি বোধ করতে পারছি ঝুলে আছি লাশময় ঘরে
আমি নিবিড় ব্যাস্ততায় ছিড়ে আনি মগজের মিথ্যে বানী
তবুও আমি কাতর মেনেও শোকের কলার
চেপে উপড়ে ছুড়ে ফেলেছি
গভীরে আক্রান্ত নাদ আমার গলায় এসে চুপ
হয়ে যন্ত্রনা বিলায়
আমার চোখ ঢুলুঢুলু বিঁধে আছে বুকে বিষাক্ত ছোবল
নির্জনে নক্ষত্র ভেদ করে ছুটে যায় ছিড়ে ফেলা কাঙ্ক্ষা
পরিসর প্রলম্বিত হয় নিসাচর ফেরারির পলাতক প্রত্যাঘাতে
প্রত্যাখ্যাত নির্জীব আকাশ আমার বুকে বিশার আকার ন্যায়
নিছিদ্র আচকানে মুড়ে নিষ্কলঙ্ক দেহ দেখাব
সংক্রান্ত প্রলয় উচুউচু ডেউ উপচে আনে নিভৃতে নোনা।

(১)
ঘাত
ক্রমশ ক্রমশ ক্রমশ
লিপ্ত
সন্তপ্ত বিদারক পরিণতি
আশ্বাসে শূন্য সার
পরিতাপ জমে প্রতারকের ছিদ্র পাঁজরে
আত্ম অন্তঃগত চরিত্রের বাহুল্য বচন
কে রাখে কথা দিয়ে হাত
কার সক্ষমতা দেখে অকলঙ্কিত চাঁদ?

(২)
আমি চাইনি আমার মৃত্যুর সুযোগ থাকুক
শ্যামলিমা ছুঁয়েছে এক
শ্যামলিমা ছুঁয়েছে দুই
শ্যামলিমা ছুঁয়েছে তিনাধিক সংক্রান্তে
তাঁরা আমাকে হত্যা করেছে
মারে যাওয়ার আছে
ঐকান্তিক অনুকূলে দেখতে চাওয়ার
নিরুপায়ে প্রলুব্ধ কী করি প্রতি নিজেকে
পরিসর পরিব্রাজক
বাড়াচ্ছে হাত ও আরো যা যা
আঁকড়ে খসে যাচ্ছে নির্বাচিত
আকাঙ্খা অথাবা অন্যান্য
প্রবৃত্তি গামী সুবর্ণ ফল
সুরম্য সার
অভুক্ত অপ্রসন্ন
ক্ষমা নেই।

(৩)
যন্ত্রনার হিড়িকে খাওয়া
সংকুচিত হয়ে আসে আসা যাওয়া
নিভু নিভু দপ
গিলে গিলে অবিমিশ্রতা।

(৪)
আমি এখন বর্ধমান ক্রোধের ছাই
হুতুম রাত্রির পাললিক চোখে
গাঢ় কাঙ্খা
যাপন উজানে খোয়া গেছে
পলক বিস্মৃত।

(৫)
পরিত্রান কোথায়
আসো, আমাকে গিলে খাও
যে আলোগুলো জ্বলে,আর যে আলোগুলো জ্বলে না
আমি শুনতে পাই অথচ
আমি দেখতে পাই অথচ
আমি বলতে পারি অথচ
রাতের সতর্ক হুইসেল
প্রণোদিত
ছয়টা দেয়াল ও কিছু ফাঁকফোকর
স্বতন্ত্র বসবাস এদের
নীরবতায় বহুবিধ শব্দ আরো প্রকট হয়ে ওঠে
আই ফাঁকিং নিড ড্রাগস
আই ফাকিং নিড রেস্ট ইন পিস।
স্ববিরোধ আছে।

( ৬)
নিজেকে অন্ধভাবে ভাল লাগে আমর
এ কী যন্ত্রনা
আমি পারি না তোমাদের কথা মেনে নিতে
আমিই আমার স্বাচ্ছন্দের ইচ্ছা পরিপন্থি।

(৭)
প্রায়ান্ধকার এমন
কি উদ্দেশ্য থাকতে হবে?
অর্থ পরিপূর্ণতায় ভরপুর সামগ্রীর দায়ে
প্রশ্নে বিদ্ধ হোক পাখিফুল বৃষ্টিবকুল
কাতর ব্যাথা হাপিত্যেশ।

(৮)
বোধ হচ্ছে শব্দগুলো প্রতারক হয়ে যাচ্ছে আমার
কাছে দিনদিন। অনুভুতির সবটুকু আর
ধরতে পারিনা শব্দে।
আমি লিখবো না বলে চিৎকার করে বহুবার
লিখেছি।
আমি গভীরতর যন্ত্রনায় আক্রান্ত।
ভোর হতে হতে অনেক পাখির শব্দ
শুনতে পাই,ধারনা হয় ভিষন অর্থবহ
কিছু,আমি বলতে পারি না।
নিজেকে এখন খন্ডখন্ড
দেখি ছড়িয়ে পড়ে থাকতে।
তচনচ হয়ে যাচ্ছি।
বৃষ্টিতে ভিজে অনেক চেঁচিয়ে চিলাম গতকাল।
লিখতে হবে ভেবে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছি,
আত্মতৃপ্তিতে ভুগতে পারছিনা।
এই
লেখা কাগজে লিখলে আমি ছিঁড়ে ফেলে দিতাম
দুমড়ে মুচড়ে।

(৯)
সিগারেটের ধোঁয়াগুলি কত সুন্দর শিল্পের মত
উড়ে যায়—

(১০)
আমার যাপন মাধ্যমগুলো ক্রমেই
কমে আসছে,আমি ভিষন বোধ করি কী, প্রতারক
ভাষা ছাড়া কোন শব্দ নেই এখানে। “”চিৎকার
করে বলে উঠি অসহায় অসহায়।””

(১১)
কতদিন নরম ঠোঁটে ছোঁয়াই না ঠোঁট—

(১২)
জীবন যাকে বলছি
এ শুধু জীবন নয়
হতে পারে বরং আরো একটা সিগারেট
ঠান্ডা চায়ের কাপে চুমুক
বিষন্ন সময় যাপন
আমার স্বপ্রশ্ন বোধের উত্তর কী?
প্রতারক শব্দে চক্রান্তে আক্রান্ত হয়ে ভুল
বোঝাচ্ছি
পড়ে আছে বেশবাস নিথর
পাশাপাশি আওয়াজ রেখে যাচ্ছি
এর কি অর্থ আছে?
জানি না
সব দুমড়ে মুচড়ে
আমার হাতে কিছু নেই
আমি প্রস্রাব করে আসলাম
বদনা উপচে জল, এখানে কি বহমান বলা যায়?
একটি ছাতা মেলা ছিল গতকালের বৃষ্টির
স্মৃতি নিয়ে পাশের ঘরে।
আমাকে দেখছি, আমার মুখ নয়
পাখিরা ডাকে, ডেকে যাচ্ছে
ঘরের জানালা খোলা, শুনতে পাচ্ছি
আরো বিবিধ কথা বাকি রয়ে গেল

(১৩)
আমি হাত পা ছড়িয়ে উদ্দামে চিৎকার
করে বাঁচতে পারি না
তোমাদের প্রশংসিত পরিমিতি বোধ
আমাকে মেনে নিতে হবে কেন?
আমার অহংকারের জায়গা চূর্ণ করে আমি আর
কি বাকি থাকি?
এখানে দাঁড়িয়ে কি পূর্ণতার
আশা জাগিয়ে রাখতে বল?
ন্যাক্কারজনক বাস্তবতায় আমি ধুলোও নই,
একে আমাকে দেখাও প্রসাদের মত সফলতা।
আমি মানি না
অন্তিমে এসে তোমাদের কথা কে আমি উড়িয়ে দেব।
আমি মৃত্যু কে প্রবল আকাঙ্খা করেও পারিনা
আমার গভীর মিশে যাওয়া
মিশে যাওয়া শুধু বাকি।

(১৪)
ধ্বংস হয়ে যাক সব
আত্মহননের জন্য শুধু আমি বেঁচে থাকলেও তা পারব
কি না জানি না
আমার হাতে সিগারেট জ্বলছে
আমি লিখতে চাচ্ছি কবিতা
আমার সুতিক্ষ্ণ অনুভুতিগুলো কি গুম হয়ে গেল
আমি পারছি না
আমি পারছি না
এতেও আমার যন্ত্রনা হচ্ছে
আমি জোর করে লিখে যাচ্ছি
একবার টানতে ভুলে গিয়েছিলাম বলে সিগারেট
নিভে গিয়েছিল
আমি কি সুস্থ
আমার কী প্রয়োজন
আমি কথা পাই না
আমি চুপ হয়ে গেছি
একটার আগুন দিয়ে আরো একটা সিগারেট
জ্বলালাম
আমার সামনে ও পাশে পর্দা ঝুলছে
ঝুলছে কিছু জামাকাপড় কোথাও কোথাও
দুটো চেয়ার রাখা আমার ঘরে
এখটা টেবিলে এলোমেল বহু কিছু
ফ্লোরিং বিছানা
বাইরে রাত
একটা বাতি অবশ্য বারান্দার কোনায়
বাঁধা থেকে আলো দিচ্ছে
আমার সিগারেটের ছাইদানি ভরে উঠছে
বর্ণনা বর্ণনা বর্ণনা
সিগারেটের বদলে কি আমি গাঁজা ধরাব
বুঝতে পারছি না
আমি কতটা অসহায় যন্ত্রনায় কাতর
আমার আর কোন কবিতা হচ্ছে না
আমি এই সময়ে কবি হতে চেয়েছিলাম
হচ্ছেনা
আমি নিরবে গভীরে কাঁদছি
আমি শান্তি চাই
শান্তি চাই আমি
আমি নিজেকে প্রবোধ দিতে পারছি না
আমার ছায়া পড়ছে
দেখছি
নড়ছে
আমি এখন বর্ধমান ক্রোধের ছাই
আমি পাগোল হয়ে যাচ্ছি
আমার লেখা শেষ হচ্ছে না বলেও আমার কষ্ট
হচ্ছে
আমি ক্লান্ত
আমি মরে যেতে ভালবাসবো
আমি মরে যেতে ভালবাসবো
আমি মরে যেতে ভালবাসবো কিনা জানি না
আমার যা আসছে মগজে লিখে যাচ্ছি
আমি লেখায় বাঁধা হব না ধারনা হচ্ছে
বাঁধা হলে আমি কিছুই লিখতে পারতাম না
খুন খুন খুন
এখানে খুনিত চরিত্রে আমি হতে পারছি না
কেন কেন কেন
আমি যাকে খুন করব সে কি আমি বলেই
আমি নিজেকে ঘৃনা করতে পারছি না বলেই
আমি কি চাই
কি চাই আমি
আমি জানি
কিন্তু তোমাদের কাছে তা স্বাভাবিক
বলে ধারনা হবে না
বলবে এটা জীবন নয়
আমি বলব মানুষ যতটুকু বেঁচে আছে,
যা করছে তা শুধু জীবন শব্দটা ধারন
করতে পারে না।

(১৫)
ক্রমস সময় প্রতারক হয়ে ওঠে
আক্রোশে ছিন্নভিন্ন
করে ফেলতে ইচ্ছে করে নিজের দেহ
নিজেকে ঘৃনার আবর্তে ভালবাসা কি শুধু তোমার
জন্যে রেখে যাব
না
গাছের পাতাগুলো হাওয়ায় দুলছে
পাখিরা গভীর রাতেও ডাকে কোন আশংকায়
নাকি সকালের বার্তাবাহি
আমাদের জন্য এখনো রাত তবু
দূরে সবুজ লাইট জ্বলছে
আমার সিগারেটের অগ্রভাগের আলো লাল
আমি এখন একটা তেলাপোকা মারলাম
আমার গোচরে যা কিছু ঘটছে লিখে যাচ্ছি
আমি শংকিত বোধ করি বলে আমার আশেপাশে সব
সময় পানি রাখি
আমি মরে গেলে আমার জন্য কেউ কাঁদবে
আমি মরে গেলে আমার জন্য কি কেউ কাঁদবে না
কোনটা আমাকে দুঃখ বোধ দেবে
কোনটা আমাকে প্রশান্তি বোধ
দেবে কিংবা আক্রোশ
আমি জানি না
আমার চোখ দিয়েও পানি পরে অথচ আমি কাঁদি না
নাক দিয়ে সিগারেটের ধোঁয়া গেলে
আমি প্ররোচিত
হচ্ছি এটা মেনে নিতে যন্ত্রনা হয়
আবার এটা কি স্বীকার করেই নিতে হবে
কি আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছি আমি
সব ফলাফল, এ কথার প্রতিবাদ হোক
সব চুরমার দুমড়ে মুচড়ে দেবার ইচ্ছেও সীমাবদ্ধ
কোন কেন কেন
কঁচের পাত্র ভাঙ্গে ফেলার মত কি হতে পারে না
প্রচন্ড ক্ষমতার লোভে আমি অন্ধ
বাতি জ্বললেই ছায়া নড়ে
এ ক্যামন কথা
গুলি করে ছায়াগুলো কে অনড় করে দেব
আমার মধ্যে বিস্ফরিত হচ্ছে এ কী বোধ
দীবালোকে মানুষ আস্ত গিলে খাচ্ছে শরীর
এসব কথার কোন পূর্নগুরুত্ব অর্থ নেই
এই সব শুধু যন্ত্রনার খেলা
আমন্ত্রিত নয়
হুটহাট ডুকে পরছে লেখনিতে
আমার ঘরের একটা বাতির ছিন্নভিন্ন আলোয়
শুয়ে বসে টাইপ করে যাচ্ছি
যাচ্ছি এমন আর কত দূর সীমাবদ্ধ
বাইরে অন্ধকার গাঢ় নীল আকাশ বদলাচ্ছে
শহুরে পাখির ডাক বাড়ছে
এই সব আর আলোরিত করে না আমাকে
শেষে দায় সারছি
দায় সারতেও নিজের ইচ্ছের
পরাধীনতা বাঁধা দেয়
কি করব আমি
আমি মরেই যাচ্ছি দিনদিন বোধ করছি
রোদ করতেও ইচ্ছে করে না
ক্ষমতা থাকলে সে প্রশ্নও আসতো না।

(১৬)
আমার আক্রোস আমাকে কুড়েকুড়ে খাচ্ছে
আমার সিগারেট আমাকে খাচ্ছে
আমার যা মন চাচ্ছে
লিখছি
আমার দিন মাস বছরের খেয়াল খুব
একটা থাকে না
শুধু সময় আমাকে ভাবায়
ভেবে ভেবে আর আর বাঁধা দিচ্ছি না
কি হবে
কিছুই না
আমি রাগত এই সময়ের প্রতি
আমার বিগত সময় গেছে একরকম
আমি চশমার কাচের ভেতর দিয়ে দেখি আকাশ ও
যাবতীয়
আমি তেলাপোকা মারি পুনঃপুন খুব
আমার সিগারেট শেষ
হয়ে গেলে আমি আরেকটা ধরাই
এখন মনে হচ্ছে লেখার ক্ষেত্র আমার
কিছুটা ভেবে বাঁধা দেয়া উচিত
কেউ আমাকে আবার পাগোল ঠাউরে বসবে না তো
বসুক
তাতে কি আসে যায় আমার
আমি তো আমারই
আমি লক্ষ করছি লিখতে গেলে আমার
যন্ত্রনা কিছুটা কম হচ্ছে
আমি বলতে চাই সম্ভবত
যা খুশি তাই
তর মায়রে চুদি
চুদির ভাই
খানকির পোলা
তাও আবার চিৎকার করে
আমি আমার ভেতর চেপে রেখে কথা রোধ
করি যন্ত্রনার মত ব্যাথা
আমি মুক্তি চাইছি
আমি পাগলের বেশ ধরব যাতে আমাকে কেউ সুস্থ
মানুষ হিসেবে সন্দেহ না করে
জানি না এ বোধ আমার কতদিন থাকবে
আমার ঘরের
জানালা দিয়ে ইতিমধ্যে আলো প্রবেশ করেছে
আমি কি লিখবো না বুঝেই লিখছি ফেসবুকে পোস্ট
দেয়ার জন্য
আমার ঘরের ঝুলন্ত বালুর
বস্তা পরে গিয়ে মরে যেতে পারি
তাই সেটার বরাবর মাটিতে শুতে আমার ভয় হয়
আমার ঘরে কোন ঘড়ি নেই
ঘোড়াও নেই যে ঘাস কাটবো
আমার সামনের চেয়ারটায় কেউ বসা নেই
আমি ভাবছি সেটায় গিয়ে বসে একটা সিগারেট
ধরাব
আপনাদের মানতেই হবে আমি যা লিখছি তাইই
কবিতা
আপনাদের না মানার জন্য আমি কোন সুযোগ
দিতে চাই না
বদনার পানি উপচে পরার সাথে আমার
একটা গভীর বোধ কাজ করে
ফেসবুকে লেখা আমার এই উৎকৃষ্ট
কবিতাগুলোতে লাইক পরলে আমার ভিষন ভাল
লাগবে
নাহলে আমি আপনাদের খুন করব
আমি খুনি হয়েও নিরপরাধ বাঁচতে চাই
আমার সামনে একটা পাপোশ পরে আছে
ঝগরা হলেও আপোশে আমি যাব না
বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে
আমার আপ্লুত হতে ইচ্ছে হয়
আমি ভিজে কিছুটা এখনো আপ্লুত হই
আমি এখন ঘরে বসে বৃষ্টি দেখছি।

৩ thoughts on “আমি এখন বর্ধমান ক্রোধের ছাই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *