“সোঁদা মাটির গন্ধ” বা “সোঁদা গন্ধ”টা কি????

গরমের দিন। হঠাৎ আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামলো। একধরনের আঁশটে গন্ধ আপনার নাকে এসে লাগলো। আপনি ঘরের ভেতরে থাকলেও বুঝতে পারবেন বাহিরে বৃষ্টি হচ্ছে। গন্ধটির সাথে আপনি পরিচিত এবং গরমের পর হঠাৎ বৃষ্টি হলেই এই আঁশটে গন্ধটি পাওয়া যায়। আমরা সাধারণত এই গন্ধটাকে “সোঁদা মাটির গন্ধ” বা “সোঁদা গন্ধ” বলে থাকি।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে গন্ধটা কোথা থেকে আসছে? মাটিতে কি আলাদা কোন গন্ধ আছে যা বৃষ্টি হলেই বের হয়??


গরমের দিন। হঠাৎ আকাশ কালো করে বৃষ্টি নামলো। একধরনের আঁশটে গন্ধ আপনার নাকে এসে লাগলো। আপনি ঘরের ভেতরে থাকলেও বুঝতে পারবেন বাহিরে বৃষ্টি হচ্ছে। গন্ধটির সাথে আপনি পরিচিত এবং গরমের পর হঠাৎ বৃষ্টি হলেই এই আঁশটে গন্ধটি পাওয়া যায়। আমরা সাধারণত এই গন্ধটাকে “সোঁদা মাটির গন্ধ” বা “সোঁদা গন্ধ” বলে থাকি।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে গন্ধটা কোথা থেকে আসছে? মাটিতে কি আলাদা কোন গন্ধ আছে যা বৃষ্টি হলেই বের হয়??

মজার ব্যাপারটা হচ্ছে এই গন্ধটা মাটি থেকে আসে না। আসে একটিনোমাইসিটিস গোত্রের এক ধরণের ব্যাক্টেরিয়ার গাত্র থেকে। ব্যাক্টেরিয়াটির মৃতদেহে একধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থের তৈরি হয়। যার নাম জিওস্মিন। বৃষ্টির পানি যখন পদার্থটির সংস্পর্শে আসে তখন এই আঁশটে গন্ধের সৃষ্টি হয়। গরম শুষ্ক পরিবেশে বৃষ্টি হলে এই গন্ধের মাত্রা বেড়ে যায় কেননা তখন বাতাসে অন্যান্য জৈব পদার্থের পরিমান কম থাকে।

যেভাবেই সৃষ্টি গোক না কেন, গন্ধটা বেশির ভাগ মানুষের কাছেই খুব প্রিয়।

কিছুদিন আগে একটি বিজ্ঞান আর্টিকেল থেকে তথ্যগুলো জানলাম।
ইস্টিশনের যাত্রীদের সুবিদার্থে নিজের ভাষায় তথ্যগুলো শেয়ার করলাম।

৪ thoughts on ““সোঁদা মাটির গন্ধ” বা “সোঁদা গন্ধ”টা কি????

  1. মজার ব্যাপারটা হচ্ছে এই
    মজার ব্যাপারটা হচ্ছে এই গন্ধটা মাটি থেকে আসে না। আসে একটিনোমাইসিটিস গোত্রের এক ধরণের ব্যাক্টেরিয়ার গাত্র থেকে। ব্যাক্টেরিয়াটির মৃতদেহে একধরনের জৈব রাসায়নিক পদার্থের তৈরি হয়। যার নাম জিওস্মিন। বৃষ্টির পানি যখন পদার্থটির সংস্পর্শে আসে তখন এই আঁশটে গন্ধের সৃষ্টি হয়। গরম শুষ্ক পরিবেশে বৃষ্টি হলে এই গন্ধের মাত্রা বেড়ে যায় কেননা তখন বাতাসে অন্যান্য জৈব পদার্থের পরিমান কম থাকে।————নতুন যানলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *