রাবি ছাত্রলীগ ধ্বংসের নেপথ্য নায়ক মুন!

১৯৯৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগে ভর্তি হন ইব্রাহিম হোসেন মুন। মুনের বাড়ি পাবনার বেড়ায়। ১৯৯৮ সালে অনার্স এবং ২০০১ সালে মাস্টার্স পাস করেন তিনি। ছাত্রজীবন শেষ করার তিন বছর পর ২০০৪ সালে হাল ধরেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের। ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি লিয়াকত শিকদারের বিশেষ অনুগ্রহে সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। সাধারণত ১ বছর কমিটির মেয়াদ থাকলেও দীর্ঘ ৬ বছর পর কাউন্সিল দিয়ে ২০১০ সালে সভাপতির দায়িত্ব ছাড়েন মুন। তবে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব ছাড়লেও এখনও ক্যাম্পাস ছাড়েননি ইব্রাহিম হোসেন মুন।


১৯৯৫ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগে ভর্তি হন ইব্রাহিম হোসেন মুন। মুনের বাড়ি পাবনার বেড়ায়। ১৯৯৮ সালে অনার্স এবং ২০০১ সালে মাস্টার্স পাস করেন তিনি। ছাত্রজীবন শেষ করার তিন বছর পর ২০০৪ সালে হাল ধরেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের। ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি লিয়াকত শিকদারের বিশেষ অনুগ্রহে সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। সাধারণত ১ বছর কমিটির মেয়াদ থাকলেও দীর্ঘ ৬ বছর পর কাউন্সিল দিয়ে ২০১০ সালে সভাপতির দায়িত্ব ছাড়েন মুন। তবে ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব ছাড়লেও এখনও ক্যাম্পাস ছাড়েননি ইব্রাহিম হোসেন মুন।

দীর্ঘ দুই দশক ধরে ক্যাম্পাসে অবস্থান তার। ওই কমিটির সাধারণ সম্পাদক আয়েন উদ্দিন এখন সংসদ সদস্য (রাজশাহী-২)। পরের কমিটির সভাপতি আউয়াল কবির জয় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। জয়-অপু কমিটির পরের কমিটিরও কেউ আর ক্যাম্পাসে নেই। তবে মুন এখনও রাবি ছাত্রলীগের লাটাই হাতে সব কিছু নিয়ন্ত্রণে রেখেছেন। ছাত্রলীগের ভাঙ্গাগড়ার পেছনে তার ভূমিকাই মুখ্য। মুনের কাছে সবাই যেন অসহায়।

শুধু ছাত্রলীগই নয়, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও মুনের কাছে জিম্মি। ঠিকাদারি, নিয়োগ বাণিজ্য আর দুর্নীতি করতেই মুন ছাত্রলীগে একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন। বাণিজ্যের প্রশ্নে আর যেন কোনো ছাত্রলীগ নেতা মুনকে চ্যালেঞ্জ করতে না পারেন, এ জন্য সব কৌশলই অবলম্বন করছেন তিনি। ছাত্রলীগকে অস্ত্র দেয়া, অন্তর্কোন্দল, সংঘর্ষ বাধিয়ে দেয়া, শিবিরের অনুপ্রবেশ সবকিছুতেই তার ভূমিকা রয়েছে।

টেন্ডারে একচ্ছত্র আধিপত্য
২০১০ সালে সদ্যবিদায়ী ছাত্রলীগ সভাপতি মুনের কোনো ঠিকাদারি লাইসেন্স ছিল না। কাজ শুরু করেন বিএনপির এক ঠিকাদারের লাইসেন্সে। প্রায় ২৭ লাখ টাকার বাজেটে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসের ভবন সংস্কারের কাজ পান। নিয়ম অনুযায়ী পুরনো মালামাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মালখানায় জমা দেয়ার কথা থাকলেও তিনি সবকিছুই বাইরে বিক্রি করে দেন, যার মূল্য প্রায় ৫ লাখ টাকা দাঁড়ায়। এ নিয়ে অভিযোগ উঠলে পরিত্যক্ত কয়েকটি ইট আর টিন একটি ট্রলিতে করে মালখানায় জমা দেন।

এরপর ২১ লাখ টাকার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসস্ট্যান্ডের সংস্কারের কাজটিও তাকে দেয়া হয়। বাসস্ট্যান্ডে থাকা ৫ স্তরের উন্নতমানের প্রায় ৫০ হাজার ইট (যার প্রতিটির দাম ৫ টাকা) বাইরে বিক্রি করে দেন। অথচ নতুনভাবে তিনি কাজ করেন ৪.৫ টাকা দরের ইট দিয়ে। একই বছর ১৮ লাখ টাকার বাজেটে কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনের সংস্কার কাজটিও তিনি পান। এরপর কাজলা মার্কেট নির্মাণের কাজটিও মুনকে দেয়া হয়। প্রভাব খাটিয়ে মুন সবচেয়ে সুবিধা পান কাজলা মার্কেটের দ্বিতীয় তলার বিশাল জায়গা বরাদ্দ নিয়ে। নামমাত্র দরে ৯৯ বছরের চুক্তিতে মুন বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গায় তার মেয়ের নামে ‘সিয়ামুন চায়নিজ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড কমিউনিটি সেন্টার’ নির্মাণ করেন। ওই জায়গা বরাদ্দে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার টেন্ডারও আহ্বান করেনি।

এদিকে মতিহার হলের মধ্য ব্লকের নির্মাণ কাজটিতেও প্রশাসন থেকে বিশেষ সুবিধা পান মুন। সিডিউলে ৩০ লাখ টাকার বাজেট থাকলেও পরবর্তীতে আরও ২৫ লাখ টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ দেয়া হয়, যা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূতভাবে হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আব্দুস সোবহান এবং প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বিশেষ সুবিধা নিয়েই মুনকে সব কাজ পাইয়ে দিতেন। এখন পর্যন্ত মুনই সকল ঠিকাদারি কাজ নিয়ন্ত্রণ করছেন। আর কোনো ছাত্রলীগ নেতা মুনের সামনে দাঁড়াতে পারেননি।

এদিকে শুধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়েই নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজলা গেটে প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বরেন্দ্র ইউনিভার্সিটির জমি কেনার কেলেঙ্কারিতেও মুন জড়িত। বরেন্দ্র ইউনিভার্সিটির মালিক রানার গ্রুপ মুনকে জমি কেনার দায়িত্ব দেয়। জমির মালিকদের শতকপ্রতি ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা দেয়ার কথা থাকলেও ১ লাখ টাকার কম মূল্য দেয়া হয়েছে। এখান থেকে প্রায় কয়েক লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন মুন।

নিয়োগ বাণিজ্যেও সমান কর্তৃত্ব
শুধু ঠিকাদারিই নয়, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্যেও ইব্রাহিম হোসেন মুনের জুড়ি নেই। সাবেক উপাচার্য আব্দুস সোবহানের সাহচার্য মুন বিশেষ সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন। আর এই নিয়োগ বাণিজ্য কাজে মুনের ডান হাত হিসেবে কাজ করেন আব্দুল মমিন সিরাজী নামের এক গ্রন্থাগার কর্মকর্তা।

শিক্ষক নিয়োগের কথা বলে মুন বগুড়ার আশরাফ নামের একজনের কছ থেকে দেড় লাখ টাকা নেন। সিরাজগঞ্জের (মুক্তিযোদ্ধার সন্তান) রহমানের কাছ থেকে নেন ৫ লাখ টাকা। তবে তার চাকরি হয়নি। মানিকগঞ্জের ওসমান মেহেদীর কাছ থেকে নেন দেড় লাখ টাকা। তারও চাকরি হয়নি। বগুড়ার আল আমিন ৭০ হাজার টাকা অগ্রিমসহ মোট ৩ লাখ টাকা দেয়ার কথা বলে চাকরি নেন। তবে চাকরি পাওয়ার পর বাকি টাকা পরিশোধ না করায় মুনের সঙ্গে ওই শিক্ষকের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্য রূপ নেয়।

ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে একজনকে ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি দিতে তদবির করেন মুন। এদিকে কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়ার কথা বলে নাটোরের আতিকুর রহমান বিদ্যুতের কাছ থেকে নেন ৩ লাখ টাকা। তারও চাকরি হয়নি। বিদ্যুৎ এক সময় মুনেরই কাছের লোক ছিল।

কর্মচারী পদে নিয়োগের কথা বলে পাবনার কাইয়ুমের কাছ থেকে নেন দেড় লাখ টাকা। কাইয়ুমেরও চাকরি হয়নি। রাজশাহীর বানেশ্বরের জাকিরের কাছ থেকে ১ লাখ টাকা নিলেও চাকরি দিতে পারেননি। খালাতো শ্যালিকা জেসমিনের কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়েও চাকরি দিতে ব্যর্থ হন। তবে তার স্ত্রীর বড় বোন যুঁথিকে চাকরি দিতে সক্ষম হন।

গত ৫ বছরে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী পদে নিয়োগের কথা বলে প্রায় ৫৫ থেকে ৬০ জন মানুষের কাছ থেকে টাকা নেন মুন। আর সবই হয়েছে সাবেক উপাচার্য আব্দুস সোবহানের আশীর্বাদে।

অস্বচ্ছতা তার সবখানেই
রাজশাহী নগরীর আলুপট্টির বিএনপিপন্থি ঠিকাদার সাজ্জাদের লাইসেন্সে কাজ শুরু করেন মুন। মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ঢাকায় সাজ্জাদের সঙ্গে মুনের এ নিয়ে চুক্তি হয়। রাজশাহীতে এসে বিশেষ সম্পর্ক গড়ে ওঠে দুজনার। সাজ্জাদের প্রাইভেটকারে সাজ্জাদের কাছেই গাড়ি চালানো শেখেন তিনি। ড্রাইভিং শেখার পরই গাড়িটি দখলে নেন মুন। দর-কষাকষির একপর্যায়ে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেয়ার কথা থাকলেও মাত্র ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। লাল রঙের গাড়িটি সাদা রং করে মুন এখন সেটিতেই ঘুরে বেড়ান।

একইভাবে ২০১০ সালের চাঁপাইনবাবগঞ্জের মোটরসাইকেলের শো-রুম থেকে দেড় লাখ টাকার ইয়ামাহা এন্ট্রিসার স্পোর্টস বাইক এনে মাত্র ৪০ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। অবসরে ক্যাম্পাসে এই বাইকেই মুনকে মাঝে মাঝে দেখা যায়। শুধু গাড়িতে নয়, বাড়িতেও জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রেসে চাকরি করতেন মুনের শ্বশুর কামাল উদ্দিন। ২০০৬ সালে তিনি ইন্তেকাল করেন।

সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিরত কারও মৃত্যু হলে ২ বছরের মধ্যে বাড়ি ছাড়তে হয় ওই পরিবারকে। ২০০৮ সালে কামাল উদ্দিনের মেয়ে শিমুলকে বিয়ে করে মুন বাড়িটি (পূর্ব ৮-বি) দখলে নেন। অনিয়মের এই কাজটি করে দেন প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রহিম। দীর্ঘদিন এখানে বসবাসের পর তিনি এখন আইবিএসের ডরমেটরিতে বাসা নিয়েছেন।

ডরমেটরিতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের যন্ত্র ব্যবহার করার বিধান না থাকলেও তিনি ঠিকই ব্যবহার করছেন। আইবিএস-এ বাসা পেয়েছেন গবেষক হওয়ার সুবাদে। যদিও গবেষক হওয়ার যোগ্যতায়ও ঘাপলা রয়েছে তার। পরীক্ষার প্রথম ফলাফলে তিনি অকৃতকার্য হন। এর চার দিন পর তৎকালীন উপাচার্য সোবহানের চাপে এবং আইবিএসের শিক্ষক কামরুজ্জামান মিতুলের যোগসাজশে পরিচালক মাহবুবুর রহমান ফলাফল পরিবর্তন করতে বাধ্য হন বলে জানা গেছে।

এ রকম অনিয়ম আর দৌরাত্ম্যে চলছে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন মুনের ক্যাম্পাস জীবনের দুই দশক। ছাত্রলীগের সব কিছুই যেন তার হাতে। তার কথার বাইরে গেলেই রক্ষা নেই। তার কমিটির পরবর্তী দুই কমিটি ভাঙ্গার পেছনেও বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। টেন্ডার আর নিয়োগ বাণিজ্যে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করতেই তিনি ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছেন। এতে করে নেতৃত্বের বিকাশের অভাবে ছাত্রলীগ ক্রমশই দুর্বল থেকে দুর্বল হচ্ছে। আর ছাত্রলীগের দুর্বলতার সুযোগেই শিবির আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

এসব বিষয়ে কথা বলতে মুনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কথোপকথন তুলে ধরা হলো-

আপনি দুই দশক ধরে ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন?
‘আমি এখনও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আমি আইবিএস-এ গবেষণা করছি। এ কারণেই আমাকে থাকতে হচ্ছে।’

আইবিএস-এর ওই পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে?
‘মিথ্যা কথা। রেজাল্ট প্রকাশ করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভুল করেছিল। প্রশাসনই আবার সংশোধন করে ফল প্রকাশ করেছে। এখানে কোনো জালিয়াতির প্রসঙ্গ নেই।’

প্রশাসনের সহায়তায় আপনি ঠিকাদারি ব্যবসায় একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে?
‘আমার কোনো ঠিকাদারি লাইসেন্স নেই। আমার লাইসেন্সে ঠিকাদারি করেছি কেউ বলতে পারবে না। তিন বছর আগে সাংবাদিকদের কারণে ঠিকাদারি ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছি।’ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বাণিজ্যেও আপনার হাত রয়েছে? ‘কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না যে, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি নিয়োগ বাণিজ্যে জড়িত। আমার বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়ানো হচ্ছে।’

আপনি এখনও রাবি ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণ করছেন। এতে শিবির লাভবান হচ্ছে বলে ছাত্রলীগেরই একটি অংশ অভিযোগ করছে?
‘এই ক্যাম্পাসে শিবির দ্বারা আমিই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত। শিবিরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আমার সারা জীবন চলবে। এ কারণে ছাত্রলীগ ভালো থাকবে, ভালো করবে তা আমি মনেপ্রাণে প্রত্যাশা করি। দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার পর ছাত্রলীগের কোনো বিষয়ে আমি হস্তক্ষেপ করিনি। বরং কেউ আসলে সংগঠনের স্বার্থে আমি পরামর্শ দেই। আমি ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণ করছি এই মিথ্যা তথ্য যে বা যারা দিচ্ছে তারা আমার প্রতি ইর্ষান্বিত হয়ে কথা বলছে। অভিযোগকারীরা আমার এবং আমার প্রাণপ্রিয় সংগঠনের ক্ষতি চায় বলেই বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।’

৮ thoughts on “রাবি ছাত্রলীগ ধ্বংসের নেপথ্য নায়ক মুন!

  1. এই ক্যাম্পাসে শিবির দ্বারা

    এই ক্যাম্পাসে শিবির দ্বারা আমিই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত। শিবিরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আমার সারা জীবন চলবে। এ কারণে ছাত্রলীগ ভালো থাকবে, ভালো করবে তা আমি মনেপ্রাণে প্রত্যাশা করি। দায়িত্ব ছেড়ে দেয়ার পর ছাত্রলীগের কোনো বিষয়ে আমি হস্তক্ষেপ করিনি। বরং কেউ আসলে সংগঠনের স্বার্থে আমি পরামর্শ দেই। আমি ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণ করছি এই মিথ্যা তথ্য যে বা যারা দিচ্ছে তারা আমার প্রতি ইর্ষান্বিত হয়ে কথা বলছে। অভিযোগকারীরা আমার এবং আমার প্রাণপ্রিয় সংগঠনের ক্ষতি চায় বলেই বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।

    :আমিকিন্তুচুপচাপ: :আমিকিন্তুচুপচাপ: :আমিকিন্তুচুপচাপ: :আমিকিন্তুচুপচাপ: :আমিকিন্তুচুপচাপ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *