ভারত – বাংলাদেশ : রাজনৈতিক মনোবৃত্তি

ঐতিহ্য অনুযায়ী বিয়ে শাদী’র তারিখ থেকে শুরু করে এমনকি সিনেমার শুভ মুক্তি’র তারিখ পর্যন্ত- ইন্ডিয়ার সব কিছুই পঞ্জিকা অনুসারে নির্ধারিত হয় ! যথারীতি নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহনের দিনক্ষন ও পঞ্জিকা অনুসারে ঠিক করা হয়েছিল – ২১ মে । বিজেপির নেতারাই দিন ক্ষন ঠিক করেছিলেন পঞ্জিকা ঘেটে !
কিন্তু ১৯৯১ সালের এই দিন টা ছিল ইন্ডিয়ার ইতিহাসের এক রক্তাক্ত দিন ! এই ২১ শে মে’ তেই আততায়ীর হামলায় নিহত হন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজিব গান্ধী । তাই রাজিব গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে এই দিন টাতে শপথ না নেওয়ার জন্য বিজেপির প্রতি আহবান জানিয়েছিল কংগ্রেস ।

ঐতিহ্য অনুযায়ী বিয়ে শাদী’র তারিখ থেকে শুরু করে এমনকি সিনেমার শুভ মুক্তি’র তারিখ পর্যন্ত- ইন্ডিয়ার সব কিছুই পঞ্জিকা অনুসারে নির্ধারিত হয় ! যথারীতি নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহনের দিনক্ষন ও পঞ্জিকা অনুসারে ঠিক করা হয়েছিল – ২১ মে । বিজেপির নেতারাই দিন ক্ষন ঠিক করেছিলেন পঞ্জিকা ঘেটে !
কিন্তু ১৯৯১ সালের এই দিন টা ছিল ইন্ডিয়ার ইতিহাসের এক রক্তাক্ত দিন ! এই ২১ শে মে’ তেই আততায়ীর হামলায় নিহত হন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজিব গান্ধী । তাই রাজিব গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে এই দিন টাতে শপথ না নেওয়ার জন্য বিজেপির প্রতি আহবান জানিয়েছিল কংগ্রেস ।
মোদীর বিজেপি সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে ঐদিনের শপথগ্রহন অনুষ্ঠানে স্থগিত করে, নতুন তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয় নাই ।

আর আমাদের এখানে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এতটাই প্রবল -যে মানুষ টা আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, সেই মানুষ টার প্রতি ন্যুনতম শ্রদ্ধা প্রদর্শন দুরে থাক , উল্টা দেশের
ইতিহাসের নিকৃষ্টতম হত্যাকান্ড হিসাবে স্বপরিবারে তার নির্মম মৃত্যুর দিন টাকে নেচে গেয়ে, কেক কেটে মহানন্দে সেলিব্রেট করা হয়, দলীয় প্রধানের ৫ নম্বর জন্মদিনের উছিলায় !! এই অসুস্থ সেলিব্রেশন একেবারেই বিনা উস্কানিতে !!

বঙ্গবন্ধুর অপরাধ কি !? এই মানুষ টার কল্যানে তাকে ব্যাভিচারের দায়ে ‘স্বামী পরিত্যক্তা ‘ হতে হয় নাই , তার দেওয়া স্বাধীনতার সুফলে মাত্র ২০ বছরের মাথায় তিনি দেশের প্রধান মন্ত্রী হতে পেরেছেন , নইলে হয়ত গ্রাম বাংলার কোন মহল্লায় কাজের মানুষ হিসাবে ক্যারিয়ার গড়ে “খালেদা বুয়া” নামেই বিপুল সমাদৃত থাকতেন !

উপকারের চুড়ান্ত প্রতিদান দিয়ে তিনি বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলতেন – কম্বল চোরা মুজিব কোট , আর দেব না নৌকায় ভোট ! এমনই হয় এদেশে !! পৃথিবীর ইতিহাসে এমন অকৃতজ্ঞ ব্যাক্তির ২ বার রাস্ট্রপ্রধান হবার সৌভাগ্য হয় নাই কখনো ! তিনিই একমাত্র পিস, ওয়ান এন্ড অনলি !!
আসলে বড় পদে যাওয়ার জন্য মন টা ও বড় হতে হয়, নইলে নিজের জীবদ্দশাতেই নিজের পরিবারের ধ্বংসযজ্ঞ দেখতে হয় । তার পাশে দাড়ানোর জন্য পাব্লিক দুরে থাক, কোন শক্তিমান নেতা’ই নাই !! এটাই অবশ্য হবার কথা !!

হাইব্রিড প্রতিহিংসার চাষ বাস করলে এমন টাই ঘটে । আর ইন্ডিয়ান কট্টরপন্থি হবু প্রধানমন্ত্রী মোদি ধর্মীয় পঞ্জিকা অনুযায়ী ঠিক করা শুভ দিন বাদ দিলেন, কেবল বিরোধী দলের প্রতি সন্মান দেখিয়ে ! এ কারণেই তারা আমেরিকারে ধমক দিতে পারে , আবার আমেরিকা ও ধমক শুইনা লেজ গুটিয়ে পালায় !! আর আমাদের বিরোধীদল আমেরিকার রাস্ট্রদুতের পদ যুগল লেহন করে যায়, আবার আমেরিকার ধমক ও খায় !! এটাই হবে সবসময়, ম্যাডাম ধমক খাই আর কত ছোট হবেন, মন টা একটু বড় করেন। দেখবেন একদিন আপ্নে ও আম্রিকারে ধমক দেয়ার তৌফিক অর্জন করতে সক্ষম হবেন ! নইলে আজীবন খালি ধমক ই খাইতে পারবেন , কিন্তু কেবল গুটিকয়েক “গোপালী” কনস্টেবল ছাড়া ধমক দিতে পারবেন না আর একজন রেও !

২ thoughts on “ভারত – বাংলাদেশ : রাজনৈতিক মনোবৃত্তি

  1. বঙ্গবন্ধুর অপরাধ কি !? এই
    বঙ্গবন্ধুর অপরাধ কি !? এই মানুষ টার কল্যানে তাকে ব্যাভিচারের দায়ে ‘স্বামী পরিত্যক্তা ‘ হতে হয় নাই , তার দেওয়া স্বাধীনতার সুফলে মাত্র ২০ বছরের মাথায় তিনি দেশের প্রধান মন্ত্রী হতে পেরেছেন , নইলে হয়ত গ্রাম বাংলার কোন মহল্লায় কাজের মানুষ হিসাবে ক্যারিয়ার গড়ে “খালেদা বুয়া” নামেই বিপুল সমাদৃত থাকতেন !

    হি হি 😀

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *