“হিন্দুরা নাপাক, তাই তাদের সাথে সর্ম্পক রাখা যাবে না” পর্ব–১

আমি চট্টগ্রামের একটি মসজিদে নিয়মিত জুমা’র নামাজ পড়তাম। কিন্তু গতকাল থেকে ঐ মসজিদে আর নামাজ পড়ি না। এর মূল কারণ হচ্ছে ঐ মসজিদের হুজুর হাদীসের ভূল ব্যাখ্যা দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন॥

গত ৩/১/২০১৪ সালে প্রতি শুক্রবারের মত আমি মসজিদে জুমা’র নামাজ পড়তে যাই। মসজিদের ইমাম নামধারী ঐ মোল্লা যথারীতি বয়ান শুরু করলেন। প্রথমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বললেন। প্রথমে তার রোষানলে পড়েন শেখ হাসিনা কারণ তিনি একজন নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েও আরেকজন নারী আইনজীবির নিরাপত্তা দিতে পারেন নি।


আমি চট্টগ্রামের একটি মসজিদে নিয়মিত জুমা’র নামাজ পড়তাম। কিন্তু গতকাল থেকে ঐ মসজিদে আর নামাজ পড়ি না। এর মূল কারণ হচ্ছে ঐ মসজিদের হুজুর হাদীসের ভূল ব্যাখ্যা দিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন॥

গত ৩/১/২০১৪ সালে প্রতি শুক্রবারের মত আমি মসজিদে জুমা’র নামাজ পড়তে যাই। মসজিদের ইমাম নামধারী ঐ মোল্লা যথারীতি বয়ান শুরু করলেন। প্রথমে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বললেন। প্রথমে তার রোষানলে পড়েন শেখ হাসিনা কারণ তিনি একজন নারী প্রধানমন্ত্রী হয়েও আরেকজন নারী আইনজীবির নিরাপত্তা দিতে পারেন নি।

এরপর তিনি বিয়ে এবং দেন-মোহর সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে শরীঅতের বিভিন্ন বিষয়ের কথা বললেন যা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া নারীর অধিকারের কথা বললেন।

তবে বয়ানের শেষ দিকে মোল্লা এমন কথা শোনালেন যা আমার কানে বোমার শব্দ হয়ে আসল। তার সব রাগ গিয়ে পড়ল প্রতিবেশী দেশ এবং হিন্দুদের উপর। তিনি বললেন “হিন্দুরা নাপাক, তাই তাদের সাথে সর্ম্পক রাখা যাবে না”॥ অথচ মসজিদের আশেপাশে হিন্দুদের জমি ও দোকানপাট রয়েছে যা আমাদের জন্য প্রয়োজনীয়।

যেহেতু আমার কোন ক্ষমতা নাই ঐ হুজুরের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়ার তাই যতদিন পর্যন্ত তিনি নামাজ পড়াবেন ততদিন ঐ মসজিদে যাব না॥ আর হাদীসে তো রয়েছে, ইসলামী বিধান বিকৃতিকারীদের পিছনে নামাজ পড়া জায়েজ না। এখন আর ঐ মসজিদে নামাজ পড়তে যাই না॥

৩৮ thoughts on ““হিন্দুরা নাপাক, তাই তাদের সাথে সর্ম্পক রাখা যাবে না” পর্ব–১

  1. ধর্মের আফিম এমনই। ধর্মকে
    ধর্মের আফিম এমনই। ধর্মকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে ধর্মীয় লেবাস পড়া কুলাঙ্গাররা। তাই আমার ধর্মের উপর বিশ্বাস অনেক আগেই চলে গেছে। আগামী পঞ্চাশ বছর পর পৃথিবীতে ধর্ম পালনের কোন মানুষ থাকবেনা। এটা আমার কথা না, একটি আর্ন্তজাতিক জরীপের ফলাফল।

        1. আমার মনে হয় বাবু ভাই একটু
          আমার মনে হয় বাবু ভাই একটু “মজাক” করতে চেয়েছেন, সিরিয়াসলি কিছু বলেন নাই।
          তবে সব বিষয়ে ফাইজলামি করার আগে “স্থান-কাল-পাত্র” বুঝে নিলে ভালো হয় বাবু ভাই!

    1. PHd ভাই যদি সিরিয়াসলি বলে
      PHd ভাই যদি সিরিয়াসলি বলে থাকেন তো আমি বলব এটা সম্পূর্ণ অপ্রাসংগিক একটা যুক্তি! কারণ আমার পরিচিত সবগুলো হিন্দু (এমন কি খৃষ্টান) ফ্রেন্ডই প্রস্রাবের পর পানি ব্যাবহার করে! এটার জন্য ধর্মীয় নির্দেশের প্রয়োজন হয় না, জাস্ট পরিচ্ছন্নতা জ্ঞানই যথেষ্ট! আবার এমন অনেক মুসলমান ছেলে আছে যারা প্রায়ই পানি-টিস্যু কিছুই ব্যাবহার করে না… কাজেই “হিন্দুরা নাপাক” এটা এই ইস্যুতে বলার কোন যুক্তিই নেই। সেক্ষেত্রে অন্য ধর্মাবলম্বীদেরও এটা বলা যায়!
      সার্বিকভাবে বললে- এই আলোচনাটাই পোস্টের মূল বিষয়ের স্বাপেক্ষে অযৌক্তিক মনে হচ্ছে…

  2. জি থাকি। ওরা পশু পাখির মত
    জি থাকি। ওরা পশু পাখির মত দাড়ায়া দাড়ায়া হিসু করে। কুকুর বিড়াল হিসু করার সময় পেছনের পা দুটো একটু নিচের দিকে করে রাখে। ওরা তাও করেনা। বাথরুম করার সময় বসে করা উচিৎ। শুধু তাই নয় বসে বাম পায়ে ভর দিয়ে করা উচিৎ।

    আমি কোন ধর্ম এটা জিজ্ঞেস করে লাভ নেই। আমি হিন্দুদের ঘৃণা করি এটা ভেবে ভুল করার ও কোন চান্স নেই। কেউ দাড়িয়ে বাথরুম করে + বাথরুম শেষে পানি নেয় না এটা কোন উষ্কানীমূলক কথা না।

    হিন্দুরা কোন ধর্মগ্রন্থ ফলো করে একাজটা করে আপনার জানা থাকলে আমাকেও একটু জানাবেন কাইন্ডলি। কারণটা ভাল লাগলে আমিও এখন থেকে দাড়িয়ে……… 🙂

    1. জি থাকি।= বেতন ধারী নাকি
      জি থাকি।= বেতন ধারী নাকি মাগনা ডিউটি দেন ??
      ওরা পশু পাখির মত দাড়ায়া দাড়ায়া হিসু করে। তার মানে আপনি হিন্দুদের সরাসরি পশু পাখির সাথে তুলনা করেছেন ?? আর পশুপাখি = জন্তু-জানোয়ার আর আপনার চোখে হিন্দুরা জন্ত=জানোয়ারের মত ??
      বাথরুম করার সময় বসে করা উচিৎ। শুধু তাই নয় বসে বাম পায়ে ভর দিয়ে করা উচিৎ। এই তথ্য কোথায় পেয়েছেন জানাবেন অনুগ্রহ করে ??
      আমি কোন ধর্ম এটা জিজ্ঞেস করে লাভ নেই। আমার এই ব্যাপারটা জানার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নাই কারণ ব্যবহারে বংশের পরিচয় বহন করে আমি বুঝে গেছি আপনি কেমন বংশের মানুষ ।।
      আমি হিন্দুদের ঘৃণা করি এটা ভেবে ভুল করার ও কোন চান্স নেই। ভালোবাসা আর ঘৃণা দুইটি মানুষের ব্যাক্তিগত অধিকার সুতরাং আমি ঘৃণা করতেই পারেন এতে হিন্দুদের কিছু যায় আসে না ।।
      কেউ দাড়িয়ে বাথরুম করে + বাথরুম শেষে পানি নেয় না এটা কোন উষ্কানীমূলক কথা না। ভাইজান মনে হয় বিরাট জ্ঞানী তাই অজান্তে ভুল করে ফেলেছেন ।। কিছুদিন আগে প্রথম আলোতে ছাপা ফটোশপ এ এডিট করা ছবিটা দেখেন নি ঐ ছবিতে কিন্তু কিছুই উল্লেখ করা ছিলোনা কিন্তু ঐ একটা ছবি সবার টনক নাড়িয়ে দিয়েছে সুতরাং আপনার কথা বলার স্টাইল হলঃ ছেলে ৯৯% ভাল শুধু মাঝে মধ্য মদ খায়, আধুনিক ছেলে তো তাই ।।
      হিন্দুরা কোন ধর্মগ্রন্থ ফলো করে একাজটা করে আপনার জানা থাকলে আমাকেও একটু জানাবেন কাইন্ডলি। কারণটা ভাল লাগলে আমিও এখন থেকে দাড়িয়ে আমার ভাই জানার আগ্রহ নাই তাই দুঃখিত আপনাকে সাহায্য করতে পারছি না বলে ।।

    2. আমি দাঁড়িয়ে হিসু করতে
      আমি দাঁড়িয়ে হিসু করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। প্যান্ট পরা অবস্থায় দাঁড়িয়ে হিসু করাটাই সুবিধাজনক এবং সায়েন্টিফিক। এখন এটা কোন ধর্ম সমর্থণ করল কি না করল সেটা আমার বিষয় না। ধর্মের আফিম গিলানোর দিন শেষ। মানুষের সুবিধা ও বিজ্ঞান মানুষকে চলার নির্দেশনা দিচ্ছে এবং দিবে। ইসলাম ধর্ম টিকিয়ে রাখার জন্য এক সময় দেখবেন দাঁড়িয়ে হিসু করার পক্ষে হাদিস নাজিল হবেই। অপেক্ষা করেন…..

      1. দুলাল ভাই আপনার মন্তব্যের
        দুলাল ভাই আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবে ইসলাম ধর্ম টিকিয়ে রাখার জন্য নতুন কোন হাদিস নাজিল করার প্রয়োজন হবে না কখনো। কারণ ইসলাম ধর্ম আল্লাহ্‌ নিজেই টিকিয়ে রাখবেন তাঁর নিজের খুশি মতন।

      2. আমার জানামতে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব
        আমার জানামতে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রবের সাথে শরীর থেকে অধিক পরিমানে “এলবুমিন” (এক প্রকারের প্রয়োজনীয় প্রোটিন) বের হয়ে যায় যা শরীরের জন্য ভালো নয়।
        এজন্য সায়েন্টিফিক ভাবেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব না করে বসে প্রস্রাব করা উত্তম।

        যদিও অনেক সময়ই তা সম্ভব হয় না সংগত কারনেই… প্রায় সব হোটেল-রেস্টুরেন্ট-শপিং মলের ইউরিন প্যানগুলো এমন উচ্চতায় যে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা ছাড়া কোন উপায় নেই। তবে বসে করার অভ্যাসটাই ভালো…

        এটা কোন ধর্মীয় ব্যাখ্যা নয়। আর এটা ধর্মীয় বিভেদ তৈরীর কোন ইস্যুও হতে পারে না! PHd ভাই যদি সিরিয়াসলি বলে থাকেন তো আমি বলব এটা সম্পূর্ণ অপ্রাসংগিক একটা যুক্তি!
        কারণ আমার পরিচিত সবগুলো হিন্দু (এমন কি খৃষ্টান) ফ্রেন্ডই প্রস্রাবের পর পানি ব্যাবহার করে! এটার জন্য ধর্মীয় নির্দেশের প্রয়োজন হয় না, জাস্ট পরিচ্ছন্নতা জ্ঞানই যথেষ্ট!
        আবার এমন অনেক মুসলমান ছেলে আছে যারা প্রায়ই পানি-টিস্যু কিছুই ব্যাবহার করে না…
        কাজেই “হিন্দুরা নাপাক” এটা এই ইস্যুতে বলার কোন যুক্তিই নেই। সেক্ষেত্রে অন্য ধর্মাবলম্বীদেরও এটা বলা যায়!

        সার্বিকভাবে বললে- এই আলোচনাটাই পোস্টের মূল বিষয়ের স্বাপেক্ষে অযৌক্তিক মনে হচ্ছে…

        1. এমন অনেক মুসলমান ছেলে আছে

          এমন অনেক মুসলমান ছেলে আছে যারা প্রায়ই পানি-টিস্যু কিছুই ব্যাবহার করে না… কাজেই “হিন্দুরা নাপাক” এটা এই ইস্যুতে বলার কোন যুক্তিই নেই।

          :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

        2. সফিক
          সফিক ভাই,
          চীন-জাপান-ইউরোপ-অ্যামেরিকাসহ তাবৎ দুনিয়ায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করে পাবলিক টইলেটে!! কিন্তু তাদের এই রীতি দ্বারা কেউই বড় ধরণের কোন রোগে পরে নাই! আপনি বলতে পারেন কিছু প্রথাগত অভ্যেস মানুষ কখনও কীভাবে ধর্মীয় কালচারে পরিণত করে?
          মরুর দেশের আলখাল্লা পরে মুত্র বিসর্জনে পুরুষদের উর্দি উল্টানো দৃষ্টিকটু হয় বলে বসে প্রস্রাব করার রীতি গড়ে উঠে ঠিক যেমনটি হয়েছিল প্রস্রাবের পর ডেলা ব্যবহারের ক্ষেত্রে!! সো, সময় হলেও এই ভিত্তিহীন আবেগপ্রবণ এবুমুনিয় যুক্তির অসাড়তা বুঝতে পারবেন…

          আমিও দুলাল ভাইয়ের সাথে একমত। প্যান্ট পরা অবস্থায় দাঁড়িয়ে হিসু করাটাই সুবিধাজনক এবং সায়েন্টিফিক এবং দাঁড়িয়ে হিসু করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি আমরা…

          1. “মরুর দেশের আলখাল্লা পরে
            “মরুর দেশের আলখাল্লা পরে মুত্র বিসর্জনে পুরুষদের উর্দি উল্টানো দৃষ্টিকটু হয়”

            :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

            এইসব আইডিয়া কোই পাস?

          2. সেটা হতে পারে। আপনার যুক্তি
            সেটা হতে পারে। আপনার যুক্তি ঠিক আছে। সেক্ষেত্রে অবশ্য আবহমান বাঙ্গালীর লুঙ্গি পরা পুরুষদেরও হাটু পর্যন্ত লুঙ্গি তুলে দাঁড়িয়ে প্রসাব করা শোভন নয়! 😛

            যাকগে, এই বিষয়ে আসলে আলোচনাটাই আর বাড়াতে চাচ্ছি না। কারণ, এই আলোচনা আমাদের মূল প্রসংগ থেকে ক্রমশঃই দূরে সরিয়ে দিচ্ছে!

        3. আমার জানামতে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব

          আমার জানামতে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রবের সাথে শরীর থেকে অধিক পরিমানে “এলবুমিন” (এক প্রকারের প্রয়োজনীয় প্রোটিন) বের হয়ে যায় যা শরীরের জন্য ভাল নয়।

          এই কথার কোন রেফারেন্স দিতে পারবেন? মেডিকেল সায়েন্স এরকম কোন কিছু এখনও প্রমাণ করতে পেরেছে বলে আমার জানা নাই। ধর্মীয় বিধিকে বিধি হিসেবেই মানলে ভালো হয়। অযথাই তাকে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ করতে চাওয়া একধনের ছেলেমানুষি।

          1. রেফারেন্স বলতে গেলে খুব শক্ত
            রেফারেন্স বলতে গেলে খুব শক্ত বৈজ্ঞানিক রেফারেন্স নাই। থাকলে সেটা আমি প্রথম কমেন্টেই দিতাম! লক্ষ্য করুন আমি কমেন্টে “আমার জানামতে” শব্দটা ব্যবহার করেছি…

            সে যা হোক- যে রেফারেন্স থেকে কথাটা বললাম সেটা ক্লীয়ার করি। ‘আহসান হাবীব’ (উন্মাদ! 😛 ) রচিত “ভৌতিক গল্প সমগ্র” নামের একটা বইয়ে “আয়না” (বা এই টাইপের) নামের একটা গল্পের শুরুর দিকে এই কথাটা লেখা আছে।

            ইন ফ্যাক্ট “এলবুমিন” এর মত একটা ‘মেডিক্যাল টার্ম’ আমার মত ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া ছেলের জানার কারণও নেই… 😉
            আর ওটা আমার মন্তব্যের মূল বিষয়বস্তুও নয়! প্রস্রাব দাঁড়িয়ে করবে না বসে সেটা প্রত্যেকের নিজস্ব রুচি ও স্বস্তির ব্যাপার… আমার কাছে এই প্রসঙ্গটাই পোস্টের সাথে অপ্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে।
            আশা করি ব্যাপারটা ডাক্তার সাব ও তারিক ভাইকে বঝানো গেছে।

            (আপনারা এখনও আমাকে “ধর্মীয় পক্ষপাতিত্ব দুষ্ট” একটা মানুষ কেন ভাবেন বলেন তো? হুম… একদিন সামনা সামনি দেখা করে ভুলটা ভাঙ্গিয়ে দিতে হবে দেখছি…!)

  3. মানুষ আর কুকুরের মধ্যে
    মানুষ আর কুকুরের মধ্যে পার্থক্য হল “কুকুর ইচ্ছে করলেও বসে হিসু করতে পারেনা কিন্তু আমরা মানুষরা পারি ”

    ভগবানের অশেষ কৃপা তিনি আমাদের বসার হেডাম দিয়েছেন।

    1. মানুষ আর কুকুরের মধ্যে
      মানুষ আর কুকুরের মধ্যে পার্থক্য হচ্ছে, এক গলির কুকুর অন্য গলির কুকুরকে দেখতেই পারে না। চোখে পড়লেই সবাই মিলে হামলে পড়ে। কিন্তু, মানুষ পারে সব ধর্ম বর্ণের গোত্রের মানুষকে ভালবাসতে… আপনি পারেন কি???

  4. কিছু কিছু মানুষের আসলেই
    কিছু কিছু মানুষের আসলেই মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন। অসহনীয় বেবির কমেন্ট দেখে কথাটা মনে পড়ে গেলো। আবার ভুল ব্যাখ্যা কইরেন না। মানসিক রোগী মানেই পাগল না। হাজার রকম মানসিক রোগ আছে। চুলকানিও ক্ষেত্র বিশেষে মানসিক রোগ হতে পারে।

        1. আতিক ভাই আপনাকে দেখলে তো মনে
          আতিক ভাই আপনাকে দেখলে তো মনে হয় না আপনি এতো রসিক মানুষ… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. চুলকানিও ক্ষেত্র বিশেষে
      চুলকানিও ক্ষেত্র বিশেষে মানসিক রোগ হতে পারে।

      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *